Logo
শিরোনাম

শর্ত মানলে কারাভোগ করতে হবে না তিথির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (সাময়িক বহিষ্কৃত) তিথি সরকারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ রায় ঘোষণা করেন।

একই সঙ্গে তাকে এক বছরের জন্য প্রবেশনে পাঠানো হয়েছে। তবে এরই মধ্যে এ মামলায় আসামি ২১ মাস কারাভোগ করেছেন। রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন, পাঁচ বছরের সাজা থেকে আসামির ২১ মাসের কারাভোগের সময় বাদ যাবে। অর্থাৎ এই ২১ মাস সময়কে পাঁচ বছরের সাজা আওতায় ধরা হবে।

এদিকে, রায়ের পর আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিথিকে সংশোধন হতে এবং তার বয়োবৃদ্ধ বাবার নিয়মিত দেখভাল ও সেবাযত্ন করাসহ আট শর্তে তাকে এক বছরের প্রবেশনে মুক্তি দেন আদালত। এ সময়ে তিনি প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকবেন। আদালত জানিয়েছেন, আসামি তিথি প্রবেশনের শর্তগুলো যথাযথভাবে পূরণ করলে তাকে আর সাজা নাও খাটতে হতে পারে।

আসামি তিথি সরকারকে অপরাধী প্রবেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬০ (১৯৬০ সালের ৪৫ নম্বর অধ্যাদেশ)-এর ৫ ধারা মোতাবেক, আদালত নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রবেশন আদেশের নিম্নোক্ত শর্তযুক্ত মুচলেকা স্বাক্ষর করার শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি আট শর্তে মুচলেকায় স্বাক্ষর করে মুক্তি পান।

শর্তগুলো হলো

১. আসামি-প্রবেশনার আগামী এক বছর সময়ের জন্য প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকবেন এবং ওই কর্মকর্তার নিদের্শনা মেনে চলবেন।

২. ওই সময়সহ আসামি-প্রবেশনার ভবিষ্যতে আর কোনো অপরাধে জড়াবেন না, শান্তি বজায় রাখবেন ও সদাচরণ করবেন।

৩. বয়োবৃদ্ধ বাবার নিয়মিত দেখভাল ও সেবাযত্ন করতে হবে।

৪. আদালত, প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তলবমতে আসামি-প্রবেশনার যথাসময়ে হাজির হবেন।

৫. শহর এলাকায় বসবাসের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলাসহ আইনবহির্ভূতভাবে রাস্তা পারাপার করা যাবে না, সামাজিক নিয়ম-কানুন, প্রথা, রীতিনীতি প্রভৃতি মেনে চলবেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কাজ করবেন না; প্রবেশন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া নিজস্ব কর্মস্থল বা বাসস্থান ত্যাগ করবেন না এবং প্রবেশন কর্মকর্তার যেকোনো সময় আসামির গৃহ পরিদর্শন করতে আসামি-প্রবেশনার বা তার পরিবারের সদস্যদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

৬. আসামি-প্রবেশনার অযথা রাতের বেলা ঘরের বাইরে অবস্থান করবেন না; মাদকদ্রব্য গ্রহণ, বিশেষত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সরবরাহ করা হয় এমন স্থানে যাতায়াত করবেন না; ধূমপান থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন এবং জুয়া, অনলাইন জুয়া, তাস, ক্যাসিনো, বাজি ইত্যাদি থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন।

৭. আসামি-প্রবেশনার প্রবেশনকালীন কোনো ধরনের স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না; প্রয়োজন হলে নন-স্মার্ট মোবাইল ফোন বা বাটন ফোন ব্যবহার করবেন। তবে শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে স্মার্ট ফোন ব্যবহারের আবশ্যকতা দেখা দিলে আসামি-প্রবেশনার তার মা-বাবা অথবা অন্য কোনো প্রাপ্তবয়স্ক আত্মীয়, অথবা ক্ষেত্রমতে শিক্ষকের উপস্থিতিতে শুধু স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

৮. উপর্যুক্ত যেকোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামি-প্রবেশনার নিজেকে সংশোধন না করলে আসামির প্রবেশন আদেশ বাতিল হবে এবং প্রমাণিত অপরাধের দায়ে তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৮ (২) ধারায় পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে।


আরও খবর



নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা :


দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বেশকিছু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 


উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নে বিজয়ী-পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (২৫ মে) রাতে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের ও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে। রোববার (২৬ মে) দু’পক্ষই ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে কলতাপাড়া ও গাজীপুর বাজারে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে উভয়পক্ষই আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।


গত ২১ মে গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হন আনারস প্রতীকের সোমনাথ সাহা। নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা ছিলেন দোয়াত-কলম প্রতীকের মোফাজ্জল হোসেন খান।



স্থানীয়রা জানান, ডৌহাখলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম নির্বাচনে দোয়াত-কলম প্রতীকের পক্ষে কাজ করেন। ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার নির্বাচনে কাজ করেন আনারস প্রতীকের পক্ষে। 


নির্বাচনের পরের দিন ২২মে বিকালে সাড়ে ৫টার দিকে আনারস প্রতীকের লোকজন উপজেলার কলতাপাড়া বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের ওপর হামলা ও গুলি করার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে।


গৌরীপুর থানার ওসি সুমন চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় দুপক্ষই মামলা করেছেন।  ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের দায়েরকৃত মামলার আসামি তমাল খান পাঠান ও রিপন শেখ এই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 


দুই মামালার অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।


আরও খবর



এভারেস্ট চূড়ায় আরেক বাংলাদেশি

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

চট্টগ্রামের বাবর আলী পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন। রবিবার (১৯ মে) নেপাল সময় সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি চূড়ায় পৌঁছান। সংবাদমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন এ অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।

বাবর আলী হিমালয়ের শীতিধার চূড়া জয়ের জন্য রওনা হয়েছিলেন ১ এপ্রিল। চূড়াটি পর্বতের ১৫ হাজার ৫০০ ফুট ওপরে। সকাল সাড়ে ৮টায় সেখানে তিনি বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান।

দুই বছর আগে হিমালয়ের ২২ হাজার ৩৪৯ ফুট উচ্চতার আমা দাবলাম চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছিলেন চট্টগ্রামের এই তরুণ। মাউন্ট এভারেস্ট জয় করতে চলতি বছরের ১ এপ্রিল নেপালের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন বাবর।

পর্বতারোহণের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নানা সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ করে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে লুকলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সপ্তাহ খানেকের ট্রেকিং শেষে পৌঁছান এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে। মূল অভিযান শুরু হয় এখান থেকেই। পর্বতের চূড়ায় উঠতে সময় লাগে দুই মাসের মতো।

বাবর আলী আগে চার বাংলাদেশির পা পড়েছে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায়। এর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ এ পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন মুসা ইব্রাহীম। এক বছর পর ২০১১ সালে দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী হিসেবে নাম লেখান এম এ মুহিত। পরের বছর ২০১২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। একই বছর সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে পা রাখেন আরেক বাংলাদেশি নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

প্রসঙ্গত, বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক হলেও তার ধ্যানজ্ঞান পর্বতারোহণ। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের একমাত্র পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থির খোঁজ মিললো নারায়নগঞ্জে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডেস্ক রিপোর্ট:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রীতি খন্দকার হালিমার খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। 


বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। প্রীতি খন্দকার এখন নারায়ণগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে আছেন।


বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ মাহবুবুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 



তারা জানান, বৃহষ্পতিবার সকালে প্রীতি খন্দকারকে নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কিভাবে কি হয়েছে সে ব্যাপারে পুলিশের উপর ছেড়ে দিয়েছেন তারা। 


প্রীতি খন্দকারের স্বামী মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘৫ জুন বিজয়নগর উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে। এই নির্বাচনে তার স্ত্রী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। 


সার্ভার ক্রুটির কারণে প্রীতির মনোনয়ন জমা দিতে সমস্যা হওয়ার ফলে হাইকোর্ট থেকে প্রার্থীতা ফিরে পান।’


তিনি জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে হরষপুর ইউনিয়নে দুজন সহযোগী নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় যান প্রীতি খন্দকার। হরষপুরের ঋষি পাড়ায় ঢুকে প্রচার করা অবস্থায় দুজন মহিলা বাহিরে আসেন আর প্রীতি ভোটারদের সঙ্গে ভিতরে কথা বলছিলেন।


 ১০ মিনিট ২০ মিনিট পার হলেও যখন বের হচ্ছিলেন না বিধায় দুজন মহিলা ভেতরে যান। ভেতরে গিয়ে প্রীতিকে খুঁজে পাননি তারা। পরে থানায় জিডি করা হয়। 


বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা আসাদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।  




আরও খবর



কাঁচা পেঁপের কেজি ১০০ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

আবহাওয়ার বৈরী আচরণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মো. সোহেল। পেটের পীড়া থেকে উপশম পেতে কাঁচা পেঁপে বেশ কার্যকর। তবে পেঁপে কিনতে বাজারে গিয়ে যেন আকাশ থেকে পড়তে হয়েছে তাকে।

সোহেল বলেন, এক কেজি কাঁচা পেঁপে ১০০ টাকা! চিন্তা করা যায়? জরুরি দরকার ছিল, তাই এক পিস কিনে আনছি। ছোট একটা পেঁপে ৩০ টাকা পড়ল।

একই ভোগান্তিতে পড়েন মমিনুর রহমান। তিনি বলেন, সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দাম ছিল পেঁপের। তাও এখন ১০০ টাকা। দুই দিনের পুরনো পেঁপে ৮০ টাকা বিক্রি করছে৷

এদিন মোহাম্মদপুরের বাজারগুলোতে শুধু পেঁপে নয়, চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে- কাকরোল, করলা, বেগুনও। ১০০ থেকে ১২০ টাকা হারে গুনতে হচ্ছে এসব সবজির জন্য। ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে গুনতে হচ্ছে বরবটির জন্য। বাজারে গোল আলু বিক্রি হতে দেখা গেছে ৬০ টাকা কেজি দরে।

কচি ঢেঁড়স খুঁজে পাওয়া কঠিন হলেও দামে কমতি নেই। প্রতি কেজি ঢেঁড়স কিনতে ক্রেতার পকেট থেকে খরচ হচ্ছে ৮০ টাকা। সব পরিমাণ ব্যয় করতে হচ্ছে ঝিঙা ও চিচিঙ্গা কিনতে। পটলের কেজি ৭০ টাকা।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারে সবজির দাম চড়া। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিং এলাকার সবজি বিক্রেতা মো. লিটন বলেন, 'দাম আমরা বাড়াতে পারি না। পাইকারিতে দাম বেশি৷ আড়ৎ থেকে বেশি দামে কিনতে হয়। তাই আমাদের এখানেও দাম বেশি পড়ে।

এদিকে বাজারে নতুন করে বেড়েছে পুরনো পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে। গত সপ্তাহেও ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে রান্নার এই অনুসঙ্গ। আদা বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়৷ রসুনের কেজি ২৪০ টাকা।


আরও খবর



বিএনপির আরও ৫২ নেতাকে বহিষ্কার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইনঃ


দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের ভোটে অংশ নেওয়ায় আরও ৫২ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আছেন ১৭, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ২৬ এবং ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) ৯ জন নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

বুধবার (১৫ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় দলটি। শুরুতে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে তাদের কাছে। জবাব দিতে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয়া হয়েছে তাদের।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৩য় ধাপে ১১২টি উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় ৯ সাংগঠনিক বিভাগ থেকে ৫২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১৯৩ জনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হলো। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে ফিরে আসায় কয়েকজনের বহিষ্কারাদেশ তুলেও নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট করায় ৮০ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। দ্বিতীয় ধাপে বহিষ্কার করা হয় ৬১ জনকে।

প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় বিএনপির ২৮ জন নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে জয়ী হন ৭ জন।

তৃতীয় ধাপে ১১২টি উপজেলা পরিষদে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৯ মে। গত রবিবার ছিল এই ধাপের নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

এ ৫২ জনের মধ্যে রংপুর বিভাগের ২২ জন। রাজশাহী বিভাগর আট জন। বরিশাল বিভাগে ৫ জন, ঢাকা বিভাগে চারজনের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ১ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জন, সিলেট বিভাগে ৭ জন, কুমিল্লায় ছয়জন, খুলনায় চারজন এবং চট্টগ্রামে একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


আরও খবর