Logo
শিরোনাম

স্থগিত ১৯ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ১৯ উপজেলার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। 


রোববার ১৯ উপজেলার এক হাজার ১৮১ কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শুধু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়েছে।


 ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার পর থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে থাকেন।


যারা নির্বাচিত হলেন:


মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): এ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বায়জিদ আহমেদ খান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৬৭৮ ভোট।


পাথরঘাটা (বরগুনা): পাথরঘাটা উপজেলায় দোয়াত কলম প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হোসাইন ২৩ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 



বামনা (বরগুনা): বামনায় আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান ১৭ হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।



লালমোহন (ভোলা): এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থক আক্তারুজ্জামান টিটব ২৫ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।  

তার নিকটতম প্রার্থী লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আক্তার হোসেন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৬৭ ভোট।


তজুমদ্দিন (ভোলা): তজুমদ্দিন উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান ২৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোশারেফ হোসেন দুলাল পেয়েছেন ২১ হাজার ৫১৭ ভোট।



পটুয়াখালী (সদর): পটুয়াখালীর সদরে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।



দুমকি (পটুয়াখালী): এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার আমিন হাওলাদার।


পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস।


ডুমুরিয়া (খুলনা): ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গাজী এজাজ আহমেদ। 



কয়রা (খুলনা): কয়রা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন জি এম মহসীন রেজা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।



গৌরনদী (বরিশাল): গৌরনদীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া। কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯২৪ ভোট।


আগৈলঝাড়া (বরিশাল): আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রি। দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত আনারস প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৬৯ ভোট।



রাজাপুর (ঝালকাঠি): চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জেষ্ঠ্য সহসভাপতি মিলন মাহামুদ বাচ্চু মৃধা। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফরোজা আক্তার লাইজু, দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ২০ ভোট।


কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): এ উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মো. এমাদুল হক মনির। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সিকদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮১ ভোট।


মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী আবারও জয়ী হয়েছেন। কাপ-পিরিচ মার্কা নিয়েতিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম ঘোড়া মার্কা নিয়েপেয়েছেন ২০ হাজার ৮৯২ ভোট।


মোংলা (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আবু তাহের হাওলাদার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীকে ২৭ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৭ ভোট।


মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মোরেলগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. লিয়াকত আলী খান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মোজাম দোয়াত-কলম প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭২৯টি।


শরণখোলা (বাগেরহাট): পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান মিলন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮১৫ ভোট।


খালিয়াজুরী (নেত্রকোণা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুজ্জামান তালুকদার চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৬০৩ ভোট।


 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই কিবরিয়া জব্বার ঘোরা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৫ ভোট।


আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল শাহবাগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। 



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে তারা। চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।



দাবিগুলো হলো— ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



২০১৮ সালের অক্টোবরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করে দেয় সরকার। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা চায় না। তারা আন্দোলন করেছে।



 ফলে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আর আলোচনা করার বা হা-হুতাশ করার কিছু নেই। তবে ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করেন। 



সে রিটের শুনানি নিয়ে কেন ওই ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। ওই রুলের বিষয়ে শুনানি শেষে গেল ৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ।


এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি হলে হলে ঘুরে নীলক্ষেতে আসে। পরে নিউমার্কেট এলাকা হয়ে সায়েন্সল্যাব। 



এরপর বাটা সিগনাল হয়ে শাহবাগ যায় মিছিলটি। কোটা বাতিলের দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল ‘যথাযথ’ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 



তবে হাইকোর্টের এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে সে দিন বিকেলে আন্দোলন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরের দিনও একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। 



এরপর গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  রিপোর্ট:



কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। বাংলা ভাষার এ বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ১৯১১ সালের এই দিনে বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 



কবির জন্মদিন উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


১৯৩৮ সালে সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ প্রকাশিত হয়। এ বইটির ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বইটির প্রশংসা করেছিলেন। 



সুফিয়া কামাল ছিলেন ‘বেগম’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম পরিষদ (বর্তমানে মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি এর প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন। 


এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ছায়ানটের সভাপতি ছিলেন। তিনি ৫০টিরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার উল্লেখযোগ্য। ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।



কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সংগঠনের সুফিয়া কামাল ভবনে (১০ বি/১, সেগুনবাগিচা, ঢাকা) কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। 


অনুষ্ঠানে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।





আরও খবর



সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


উত্তম কুমার সরকার সাপাহার (নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন ও কুষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

রবিবার বেলা ১১টার দিকে সাপাহার উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত কৃষি প্রযুক্তি মেলার শুভ উদ্বোধন শেষে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি । অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাপলা খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নঈমুদ্দীন , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাইমা খাতুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা সারোয়ার প্রমুখ। 

এর পর প্রধান অতিথি দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল প্রদান করেন। বেলা ২টা ৩০মিনিটে উপজেলা হাসপাতাল ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল খেলার শুভ উদ্বোধন ঘোভনা করেন।

আরও খবর



ভূমধ্যসাগরে নিহত ১০, বাংলাদেশিসহ জীবিত উদ্ধার ৫১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

লিবিয়ার জোয়ারা উপকূল থেকে ৬১ জন অভিবাসী নিয়ে যাত্রা করা একটি কাঠের নৌকা থেকে ১০ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে গ্যাসোলিনের ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। জার্মান এনজিও রেসকিউশিপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জার্মান দাতব্য সংস্থা রিসকিউশিপ জানিয়েছে, ল্যাম্পেডুসা দ্বীপের কাছে তারা একটি ডুবন্ত কাঠের নৌকা থেকে ৫১ জনকে উদ্ধার করেছেন। এ সময় নৌকার নীচের ডেকে ১০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সংস্থাটি বলছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সোমবার সকালে ইতালীয় কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের তীরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে মৃতদের ল্যাম্পেডুসা দ্বীপে নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর, ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, নৌকাটি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অভিবাসীরা ছিলেন। তবে কোন দেশের কত যাত্রী ছিলেন, তা জানানো হয়নি।

একই দিনে পৃথক আরেক নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জনের মতো শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ ইতালির ক্যালাব্রিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে এই ঘটনা ঘটে। মেডেসিনস সানস ফ্রন্টিয়েরস (এমএসএফ) নামে একটি সংগঠন এই তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সবাইকে তীরে নেয়ার পর একজন মারা যান বলে জানিয়েছে ইতালীয় কোস্টগার্ড।

ভূমধ্যসাগর বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাইগ্রেশন রুট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে এই রুটে ২৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।


আরও খবর



বিশ্ব চুমু দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


           চুমু রোমান্টিকতার অন্যতম বিষয়। স্বপ্নীল পাথেয়। অন্যকে চুমু খাওয়া বিশেষ করে প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই বেশি দেখা যায় কিংবা স্বামী-স্ত্রীর বেলাতেও। 


ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রের চুমুর স্থান অনেক উপরে। সেটা হোক প্রেমিক-প্রেমিকা, বন্ধু-বান্ধব কিংবা ভালোবাসার যে কোন বন্ধনে চুমুর গুরুত্ব ব্যাপক। আজ বিশ্ব চুমু দিবস।


প্রেমিক প্রেমিকারা আজ চুমো দিবসকে উদযাপন করবে নিরবে।কেউ কেউ আড়ালে আবডালে।ঘরের কোনে বিবাহিতরা।


বিশেষ করে প্রেমের একটি মধুর অধ্যায় চুমো।সেই চুমো হয়ত আজ ব্যবহার হবে বিশ্বের তাবত নরনারীর মধ্যে দিনটিকে বিশেষভাবে রাঙাতে।


তবে মুসলিম বিশ্বে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চুমোর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।এশিয়ার দেশগুলোতে প্রকাশ্যে চুমোর প্রচলন নেই।এখানে চুমো মানেই যৌনতা বা আদর অর্থে চুমোর অপ্রকাশ্য ব্যবহার রয়েছে।


পার্কে, বিভিন্ন রিসোর্ট বা বিনোদন কেন্দ্রে প্রেমিক যুগোলের মধ্যে চুমো ব্যাপক জনপ্রিয়।তবে প্রকাশ্যে  চুমো দেওয়াকে সমাজ ভাল চোখে দেখে না।এটাকে অনৈতিক মনে করা হয়।


চুমো নিয়ে শত বিশ্লেষণ বা মতবাদ থাকতেই পারে।সব মতাদর্শকে ছাড়িয়ে এটাই সত্য যে আজ বিশ্ব চুমো দিবস।যুগলদের শ্বাস প্রশ্বাস মিশে যাওয়ার দিন।


আরও খবর