Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সুবর্ণচরে ৭০০ একর খাস জমি দখলের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
 নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালী সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষী,উরিরচর ও চর নোমান মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের প্রায় ৭ শত একর খাসজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। ভূমিহীন কৃষকদের ফসল নষ্ট করে এরই মধ্যে তারা এক সাথে প্রায় অর্ধশতাধিক পুকুর খননের কাজ চালাচ্ছে।  

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার চরলক্ষী,উরিরচর ও চর নোমান মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের প্রায় ৭শত একর খাসজমি ৫শতাধিক ভূমিহীন কৃষকের দখলে চাষাবাদ হতো। ২০১৪ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সমুদ্র গবেষণার জন্য ৪০০ একর খাসজমি সরকারের কাছে বরাদ্দ চায়। ওই প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে। এরপর থেকে ওই খাসজমিতে শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইউনিস্টিটিউট স্থাপনে ১৫০ একর খাসজমি বন্ধোবস্ত প্রক্রিয়াধীন। নোবিপ্রবির প্রস্তাবিত জায়গায় বাহিরে ৫শত ভূমিহীন পরিবার সেই জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলো। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনের পর থেকে একটি প্রভাবশালী মহল  ভূমিহীনদের ভয়ভীতি দেখিয়ে পুরো ৭শ একর জায়গা জুড়ে অবৈধভাবে দখলের মহোৎসবে মেতে উঠে। সেখানে নোবিপ্রবির প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইউনিস্টিটিউট সাউনবোর্ড থাকলেও সেটির তোয়াক্কা না করে কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তাদের লোকজন খাসজমি দখল করে প্রজেক্ট করার জন্য ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত মাঠি কেটে যাচ্ছে। অভিযুক্ত দুই ইউপি চেয়ারম্যান সুবর্ণচর উপজেলার দুই শীর্ষ জনপ্রতিনিধির আস্থাভাজন অনুসারী হিসেবে পরিচিত।    

গত মঙ্গলবার ৯ জুলাই দুপুরের দিকে ভূমিদস্যুদের এমন একচেটিয়া দখল ও হুমিকর প্রতিবাদে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে উপজেলার  চরলক্ষী গ্রামে প্রতিবাদ মিছিল করে ভূমিহীন নদী ভাঙ্গা প্রায় শতাধিক মানুষ।

এলাকবাসী ও ভূমিহীনরা অভিযোগ করে বলেন, জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দুই সপ্তাহ ধরে ৩০ থেকে ৪০ টি ভেকু মেশিন দিয়ে ৭শত একর জায়গা জুড়ে প্রজেক্ট করার  কাজ শুরু করে। তাদের দাবি শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হলে তাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু সেটি না করে এতো বিশাল সরকারি খাসজমি ২/৪ জন লোক গিলে খাবে, সেটি কি করে হয়। 

প্রতিবাদ সামবেশে ভূমিহীনরা অভিযোগ করে আরও বলেন, দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে তারা সেখানে বসবাস করছেন।  সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচন শেষ হবার পর একটি মহল তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের সকল ঘরবাড়ী ভেঙ্গে উচ্ছেদ করে দেয়। এরপর ১শ একরের মত জায়গায় তাদের রোপন করা শিম,শসা, কচুসহ নানা প্রজাতির সবজি ও মাছের ঘের ধ্বংস করে দেয়। তবে প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী খাসজমি দখলের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এ জায়গার মালিক শাহজাহান নামে এক প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি আমাকে পাওয়ার দিয়েছেন জায়গাটি দেখাশোনার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা হলে তারা কাগজ থাকলে জায়গা নিয়ে যাবে। তাদের জায়গা কেউ ধরে রাখতে পারবেনা।     

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু্ল কালাম আজাদ আমি জমি দখলের সাথে জড়িত নেই। তবে এটা আমাদের নৌকা মার্কার প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল আমরা জনগণের জমি জনগণকে বুঝিয়ে দেব। আগে এসব জায়গা তাদের লোকজনের ছিল বলেও দাবি করেন সাবেক এ চেয়ারম্যান।    

সুবর্ণচর উপজেলা কমিশনার (ভূমি) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, অবৈধ দখলের অভিযোগ পেয়ে দুই দফা অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১১টি মাঠি কাটার ভেকু মেশিন জব্দ করে কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড এবং লাল পতাকা উত্তোলন করে দেওয় হয়। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের বাদের জন্য আটক করে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।     

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম বলেন, ওই জায়গা শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউটের প্রস্তাবিত স্থান। ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত ভূমিতে অবৈধভাবে কোনরুপ স্থাপনা নির্মাণসহ অবৈধভাবে দখল আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। উক্ত জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভূমিহীনদের বিনা নোটিশে তাড়িয়ে দেওয়া অমানবিক। ভূমিহীনদের পুর্নবাসন না করে কোন কিছু করা ঠিকনা। এত কিছু থাকার পরও যারা খাসজমি দখল চায় তারা মানসিক ভাবে অসুস্থ।   

আরও খবর



পিএসসির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ গত ১২ বছরে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (বিপিএসসি) তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (৮ জুলাই) রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামির সংখ্যা অর্ধ শতাধিক দেখানো হয়েছে। আর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ১৭ জনকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান বলেন,  প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে ও পলাতকদের গ্রেপ্তারে পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় ১৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর, উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির, সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান। বিপিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই প্রশ্নফাঁস করে অর্থ লোপাটে মেতে উঠতো সংঘবদ্ধ চক্রটি।

সিআইডি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসি’র উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম।

এছাড়া আছেন- সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের রাজনীতি করা এবং বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন ও বেকার যুবক লিটন সরকার।

প্রকাশিত সংবাদে বিসিএসের প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচনায় আসেন সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। 

সেই বাবা-ছেলেকেও গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। অন্যদিকে সংগঠনের নীতি ও নৈতিকতা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সোহানুর রহমান সিয়ামকে।


আরও খবর



সায়েন্সল্যাব মোড় দখলে নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখার দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন ঢাকা কলেজ ও এর আশেপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। 



রোববার (৭ জুলাই) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে নীলক্ষেত থেকে মিছিল নিয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থান নেন তারা। এর ফলে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।



ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছেন। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 



শনিবার কোটা পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের মেধাভিত্তিক নিয়োগের সরকারি পরিপত্র বহালের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রোববার বিকাল ৩টায় সারাদেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা জানালেন পেন্টাগন

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে গত মে মাসে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


 নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে পেন্টাগন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর বলছে, জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।



ব্রিফিংয়ে প্যাটের কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, ‘পেন্টাগন কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নির্দেশ করছে। কারণ বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজকে তার উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।



 মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। পুলিশ এবং র‌্যাবের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এরইমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।



 এছাড়া বর্তমান সরকার যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে পেন্টাগন কী ভাবছে আমি কী তা জানতে পারি?’


এমন প্রশ্নের জবাবে পেন্টাগন মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ- প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আজকের ব্রিফিং কক্ষে আপনাকে স্বাগতম। আপনি যেমন জানেন বা আপনি যে বিষয়টি উল্লেখ করলেন যে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর দুর্নীতির অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 



এটি গত মে মাসে করা হয়েছিল। মূলত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে মজবুত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতিকে নিশ্চিত করেছে এবং পেন্টগন বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে।’


তিনি বলেন, আমি এ কথা বলে শেষ করতে চাই যে, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের একই স্বার্থ ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে অংশীদারিত্ব বজায় রয়েছে।


 বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, সমুদ্রসীমা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় রাখি।


আরও খবর



বঙ্গভবন অভিমুখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

জিরো পয়েন্টে পুলিশের ব্যারিকেড

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত গণপদযাত্রা নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর জিরো পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা। ব্যারিকেডের কারণে সামনে এগোতে না পেরে সেখানে সড়কে বসে পড়েছেন তারা। সেখান থেকে তাদের ১০ জন প্রতিনিধি স্মারকলিপি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বঙ্গভবনে। এই সময়ে বাকি শিক্ষার্থীরা অবস্থান করবেন জিরোপয়েন্ট থেকে সচিবালয়ের সামনের সড়কে।

জিরোপয়েন্টে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণপদযাত্রা করে শিক্ষাভবন মোড় হয়ে জিরোপয়েন্টে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবনে যাওয়ার পথে শত শত পুলিশ সদস্য ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। ফলে এই দিক দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং কাউকেই ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।

এ অবস্থায় আন্দোলনকারীরা জিরো পয়েন্টে সড়কের ওপর বসে পড়েছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

এসময় আন্দোলনের সমন্বয়করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ঢালাওভাবে বঙ্গভবন অভিমুখে যাবো না। আমাদের প্রতিনিধি যাবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, মামলা তুলে নেওয়া ও কোটা সংস্কারের একদফা বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে দুপুর ১২টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে গণপদযাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাতিল হতে পারে বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি : ঢাবি সিনেটে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিলের জন্য সিনেটে প্রস্তাব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যরা।


বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বৈঠকে সিনেটের অন্তত তিনজন সদস্য এ প্রস্তাব দেন। 



সিনেট সদস্য বলেন, বেনজীর আহমেদ ভর্তির যোগ্যতা পূরণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন।



বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পর তিনি তার নামের শুরুতে ‘ড.’ ব্যবহার শুরু করেন। 


তবে বেনজীরের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা ছিল না। তাকে ভর্তির জন্য অনিয়ম করে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল।



বেনজীর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজন স্নাতক ডিগ্রি। 



এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, যা বেনজীরের ছিল না।


সিনেট সদস্য রণজিৎ কুমার সাহা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বেনজীরের ডিগ্রি বাতিলের প্রস্তাব করেন।






আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪