Logo
শিরোনাম

সুফিবাদ বা সুফী দর্শন একটি ইসলামি আধ্যাত্মিক দর্শন

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১৪৫জন দেখেছেন
Image
সুফি তথা সুফিজমের উৎপত্তি নিয়ে রয়েছে একাধিক মত। সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে ‘সুফ’ তথা ছাগল বা ভেড়ার লোম থেকে সুফি নামটি এসেছে । কেউ কেউ বলেন ‘সাফি’ অর্থাৎ ময়লা পরিষ্কারক থেকে সুফি কথাটি এসেছে। আরবি ‘সাফা’ (পবিত্র) শব্দ থেকে সুফি শব্দটির উৎপত্তি বলে গণ্য করা হয়ে থাকে। বস্তুত: অন্তরের ময়লাকে পরিষ্কার করার লক্ষ্যেই সুফিরা নিজেদের নিয়োজিত রাখেন।
সুফিবাদ (সুফীবাদ বা সুফী দর্শন ) একটি ইসলামি আধ্যাত্মিক দর্শন। আত্মা সম্পর্কিত আলোচনা এর মুখ্য বিষয়। আত্মার পরিশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনই হলো এই দর্শনের মর্মকথা। পরম সত্তা মহান আল্লাহ কে জানার এবং আকাঙ্খা মানুষের চিরন্তন। স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আধ্যাতিক ধ্যান ও জ্ঞানের মাধ্যামে জানার প্রচেষ্টাকে সূফী দর্শন বা সূফীবাদ বলা হয়। হযরত ইমাম গাজ্জালী(রঃ) মতে, " মন্দ সবকিছু থেকে আত্মাকে প্রবিত্র করে সর্বদা আল্লাহর আরাধনায় নিমজ্জিত থাকা এবং সম্পূর্ন রূপে আল্লাহতে নিমগ্ন হওয়ার নামই সূফী বাদ। আত্মার পবিত্রতার মাধ্যমে ফানাফিল্লাহ (আল্লাহর সঙ্গে অবস্থান করা) এবং ফানাফিল্লাহর মাধ্যমে বাকাবিল্লাহ (আল্লাহর সঙ্গে স্থায়িভাবে বিলীন হয়ে যাওয়া) লাভ করা যায়। যেহেতু আল্লাহ নিরাকার, তাই তাঁর মধ্যে ফানা হওয়ার জন্য নিরাকার শক্তির প্রতি প্রেমই একমাত্র মাধ্যম। মহব্বতের মাধ্যমে নিজের অস্তিত্বকে বিলীন করে দিয়ে আল্লাহর অস্তিত্বে লীন হয়ে যাওয়া। যাকে মনছুর হাল্লাজ (র.) পরিণত করেছিলেন ‘ফানা ফিল্লা’তে।
যে মতবাদ ধর্মের গতানুগতিকতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে হৃদয়ের উপলব্ধি দিয়ে বিচার করে, সেটাই সুফিবাদ। হজরত জুনাইদ বোগদাদি (র.)। সুফিবাদকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘নিজের অজ্ঞতার উপলব্ধি’ বলে। অজ্ঞতা বলতে বলে হচ্ছে বিশালত্ব, তথা আল্লাহকে জানার ও তাঁকে চেনার ব্যাপারে অজ্ঞতা। কীভাবে তাঁকে চেনা যাবে? ভক্তি দিয়ে, প্রেম দিয়ে। এই প্রেমের অন্য নামই তো সুফিবাদ। আর এই প্রেমের সাধকরাই সুফি সাধক।
অনেকে নবী পাক (স.)’র মাধ্যমে সুফিজমের প্রারম্ভ বলতে চেয়েছেন। এর পক্ষে যৌক্তিকতা হল নবী পাক (স.) নবুওয়্যাত প্রাপ্তির আগে পবিত্র কাবার প্রায় ৫ কি.মি. দূরত্বে গারে হেরায় আল্লাহ পাকের ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। এখানেই পবিত্র কুরআনের প্রথম শব্দ "ইকরা" নাযিল হয়। এক মতে হযরত হাসান আল বসরী (রহ.) সর্বপ্রথম সুফি বলে গণ্য করেন।
অবশ্য আরেক মত হচ্ছে পবিত্রআসহাব-ই-সুফফা অর্থাৎ বারান্দার এ সাহাবাগণের আদর্শই সুফিরা গ্রহণ করেছিলেন এবং সূফফা থেকে সুফি শব্দটি নেয়া হয়েছে। রাসুল(সাঃ) মদিনায় হিজরতের পরে মসজিদে নববীর বারান্দায় একটা ছাউনির নিচে সাহাবাদের জন্য ধ্যান বা মোরাকাবার ব্যবস্থা করেছিলেন। এখানে বসে হজ্ব ও ওমরায় আসা নবীর আশেকরা কুরআন পাঠ, নফল নামাজ, ধ্যান বা মোরাকাবা, দরুদ ও মিলাদ শরীফ পড়ে থাকেন। ছাউনি শব্দটা থেকেই এসেছে সুফি শব্দটা। তাঁরা সেখানে থাকতেন সংসার তথা যাবতীয় কিছু ত্যাগ করে। তাঁরা লোমের কম্বল এবং পোশাক ব্যবহার করতেন । নিচে থাকতেন। ছাউনি শব্দটা থেকেই এসেছে সুফি শব্দটা। তাঁরা সেখানে থাকতেন সংসার তথা যাবতীয় কিছু ত্যাগ করে। তাঁরা লোমের কম্বল এবং পোশাক ব্যবহার করতেন । ওই সাহাবিগণ ব্যবসা-বাণিজ্য-চাষাবাদ কিছু করতেন না, এমনকি থাকতেন না পরিবারের সাথেও। মক্কা - মদিনা অথবা যেখানেরই অধিবাসী হোন না কেন- যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রেমে নিবেদিত ও সমর্পিত হয়েছিলেন তাঁরাই এসে থাকতেন ওই তিনদিক খোলা ছাউনির তলায়। পুরো দলের মধ্যে হয়ত দু-চারজন কাঠ কাটতে গেলেন, বিক্রি করে সবার জন্য দু-চার টুকরা করে রুটির জোগান দেবেন- বাকিরা ওই ছাউনিতেই। রাসূলের গোলামিতে। তাঁর পায়ের তলায়। দিন নেই, রাত নেই। গ্রীষ্ম-শীত-ধূলিঝড় নেই। তাঁদের না আছে এক টুকরা বাড়তি কাপড়, না একটা বাক্স-পেঁটরা। দাঁড়াতে পারেন না, অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান- এই এঁরাই আবার কী করে যেন রাতের পর রাত পার করে দেন সালাতে। দয়ার সাগর রাসূল (সাঃ) তাঁদের ছাড়া খাবেন না। বসবেন না। উঠবেন না। এই আসহাবে সুফফারা দিনের পর দিন রোজা রেখে রাতের পর রাত কুরআন তিলাওয়াত ও আধ্যাত্ম্যসাধনায় এমন মগ্ন ছিলেন, যে ইসলামের ব্যবহারিক প্রকৃত রূপ হিসাবে তাঁদের দেখেই মানুষ দলে দলে শামিল হত। এসে পড়ত তাদের পান্ডিত্য দেখে, মোহ- বরজনের আজব মোহ দেখে। এভাবে যারা করেছেন, তারাই শুধু সুফী নন। ইসলামের পূরো রীতিটা যেই অনুসরণ করেন, শেষতক তিনিই সুফী।
রাসূল সাল্লাল্লাহ্’র সময়কালের অনেক আগে আসহাবে ক্বাহাফ বা গুহাবাসী ধ্যানীদের কথা তুলে আল্লাহ্ সূরা কাহাফে বলছেন, হে প্রিয়, আপনিতো দেখেছেন ওই গুহাবাসীদের কোন দিক দিয়ে সূয্য উঠে আসত আর ছায়া পড়ত কত লম্বা...
একই কাহিনি আমরা পাই তূর পাহাড়ে। সুফিদের মতে, আমাদের দৃশ্যমান জগৎ অবাস্তব, একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই বাস্তব।

আরও খবর



ট্রেলারে প্রশংসায় ভাসছে গলুই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image

অভিনেতা শাকিব খানের ‘গলুই’-এর ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে। ঈদের ছবি হিসেবে বহুল প্রতীক্ষিত ট্রেলারটি ইউটিউব ও ফেসবুকে প্রকাশের পর প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে! শাকিবের এক্সপ্রেশন, অভিনয় ও উপস্থিতি নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। তারা বলছেন, যেহেতু শাকিব আছেন তাই ‘গলুই’ ঈদে বাজিমাৎ করবে!

পূজা চেরীও ট্রেলারে শাকিব খানের সঙ্গে নজর কেড়েছেন। যেখানে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯০ সালের গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে প্রেম ও রহস্যময় এক গল্প।

নির্মাতা এস এ হক অলিক আগেই জানিয়েছেন, গলুই সম্পূর্ণ মৌলিক গল্পের ছবি। এটি হতে পারে শাকিব খানের ক্যারিয়ারে অন্যতম সেরা গল্পনির্ভর ছবি।

গলুই দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে শাকিব খান আগেই জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে যেন তার ভক্তরা হলে গিয়ে ছবিটি উপভোগ করেন। জনপ্রিয় এই নায়কের আহ্বানে সাড়া দিতে প্রস্তুত হয়ে আছেন তার ভক্তরা।

‘গলুই’ নিয়ে শাকিবের দেয়া ওইসব পোস্টে হাজার হাজার ইতিবাচক মন্তব্য চোখে পড়েছে। তারা বলছেন, গলুই এর জন্য মুখিয়ে আছেন। কেউ কেউ লিখছেন, যত দূরের হলে গলুই মুক্তি পাক না কেন তারা ঈদে শাকিব খানের এই ছবি মিস করবেন না।

 সরকারি অনুদান ও খোরশেদ আলম খসরুর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত গলুই ছবিতে শাকিব খান ও পূজা চেরি ছাড়াও অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, সুচরিতা, আলী রাজ, সমু চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর

এবার চলচ্চিত্রে ধোনী

শুক্রবার ১৩ মে ২০২২




দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

ঈদের আর মাত্র তিন দিন বাকি। দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চোখে পড়ার মত ছিলো ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পন্টুনে সাথে ফেরি ভিড়ার সাথেই অঘোষিত প্রতিযোগিতা নিয়ে ফেরি থেকে নামছে শত শত ঢাকা ফেরত মানুষ।

বিশেষ করে এই গরমে শিশুসহ নারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এদিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট হতে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৪ কিলোমিটার জুড়ে গণপরিবহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা ফেরত যাত্রী সবুজ মিয়া বলেন, ঢাকায় আমি একটি হোটেল কাজ করি। কাল রাতে আমাদের ছুটি হয়েছে সেই জন্য আমি ভোর রাতে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছি। যাতে করে রোদের গরমে পড়তে না হয়। তার পরও পরিবারের সাথে ঈদ করার জন্য আগে ভাগেই চলে যাচ্ছি। পরিবারের সাথে ঈদ করার মজাই অন্যরকম। যদিও গাড়ি ভাড়া একটু বেশি নিচ্ছে গাড়ি চালকরা।

ঢাকা ফেরত আরেক যাত্রী রহিমা বলেন, আমরা পরিবারসহ ঢাকায় থাকি, পরিবারের সবার সাথে ঈদ করার জন্য গ্রামের বাড়ি মাগুরায় যাচ্ছি। যদিও এই গরমে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করা কষ্টকর তারপর যেতে হচ্ছে ঈদের আনন্দ পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য।

বিআইডাব্লিউটিসির ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সিহাব উদ্দিন বলেন, এই ঈদে যানজট মুক্ত রাখতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া ফেরি বাড়ানো হয়েছে। এই নৌরুটে ছোট বড় ২১ টি ফেরি চলাচল করছে।


আরও খবর



বাগমারায় ১০ হাজার গরীব ও দুস্থদের মাঝে এমপি এনামুল হকের ঈদ উপহার বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

শামীম রেজাঃ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর আগত। ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে উপজেলা ১০ হাজার গরীব ও দুস্থ নারীর মাঝে ঈদ উপহার স্বরুপ একটি করে শাড়ি বিতরণ করলেন বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। 

প্রতি বছর তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে শাড়ি বিতরণ করে থাকেন। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। আর এই খুশি গরীব-দুঃখী সবাই যেন সমান ভাবে উপভোগ করতে পারে সে লক্ষ্যে ঈদের আগে শাড়ি বিতরণ করে থাকেন তিনি। 

শনিবার সকাল ৮ টায় শাড়ি বিতরণ শুরু হলেও ভোর থেকেই উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার নারীরা এসে জড়ো হতে থাকেন উপজেলার শিকদারীস্থ সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ প্রাঙ্গণে। শাড়ি বিতরণের আগেই লোকে লোকারন্ন হয়ে যায় সালেহা ইমারত কোল্ড ষ্টোরেজের প্রাঙ্গণ সহ আশপাশের এলাকা। এটি যেন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দের আগেই আরো একটি আনন্দ। 

এমপি এনামুল হকের ঈদ উপহার পেয়ে অনেকেই হয়তো ভালো ভাবে ঈদ করতে পারবেন। ঈদে কষ্ট করে হলেও একটা নতুন শাড়ি কেনার সামর্থও নেই অনেকের। গরীব-দুঃখী আর অসহায়দের কথা চিন্তা করে উপজেলার সর্বস্তরের নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করেন। 

শাড়ি বিতরণের উদ্বোধন কালে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিনে কেউ যেন আনন্দ থেকে বাদ না পড়ে সে জন্যই সর্বস্তরের নারীর মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করা হচ্ছে। এটা শুধু একটা শাড়ি নয় এর মাধ্যমে সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া। 

এ সময় উপস্থিত থেকে শাড়ি বিতরণ করেন সাংসদের পতœী তহুরা হক, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও  বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল, সহ-সভাপতি মতিউর রহমান টুকু, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম সারওয়ার আবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দীন সুরুজ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ আক্তার বেবী, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কহিনুর বানু, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা বেগম, চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক সাজ্জাদুর রহমান জুয়েল, ম্যানেজার একাউন্ট সোহরাব হোসেন, রেজাউল করিম, আব্দুল মজিদ প্রমুখ। 


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের দুর্দশা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

মোঃআবু কাওছার মিঠু ঃ

দাবিকৃত টাকা দিতে না পারলে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের কয়েদিদের উপর অমানষিক ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আদালত থেকে বন্দিদের জেলখানায় প্রেরণ করা পর থেকেই তাদের পড়তে হয় নানা অনিয়মে। বিনামূল্যের খাবার দেওয়া হয় না। তাও আবার নিম্নমানের খাবার। টাকা ছাড়া কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডে থাকতে দেওয়া হয় না। টাকা ছাড়া ঘুমানোর জন্য সিট দেওয়া হয় না। স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে হয় অতিরিক্ত টাকা খরচ করে। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে এসকল অনিয়মই যেন এখন নিয়ম।

শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান নারায়ণগঞ্জ জেলে আসার পর থেকেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সন্ত্রাসী আরমান নারায়ণগঞ্জ জেলার ও জেলসুপারের সঙ্গে সিন্ডিকেট করে কারাগারের সকল অনিয়মই এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কারা কেন্টিনের ব্যবসা, সিট বাণিজ্য, ওয়ার্ড বাণিজ্য ও মোবাইল ফোন বাণিজ্যে তারা মেতে উঠেছে। তাদের সহযোগিতা করছে কয়েদি পিচ্ছি সুজন, জহিরুল ইসলাম, ছোট সাহাবাজ, সেলিম, সিদ্ধিরগঞ্জের আলোচিত খোকন হত্যা মামলার আসমি হালিম ও রমজান নিয়ন্ত্রণ করে দুটি ওয়ার্ড। কারাগার কেন্টিনে খাদ্য দ্রব্যের দাম বেশি আদায় করা হচ্ছে। এসকল অতিরিক্ত টাকার জোগান দিতে কয়েদিদের পরিবারের সদস্যদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কেউ কেউ আবারো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

কয়েদি ,,,,,,,বলেন, কয়েদিদের সপ্তাহে ১দিন ১০টাকার বিনিময়ে ১০ মিনিট মোবাইল ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তা দেওয়া হচ্ছে না। তবে যেকোন সময় ৩ মিনিট ১০০ টাকা হারে মোবাইলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এভাবে চক্রটি কয়েদিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে কারাগারে নতুন বন্দি প্রবেশ করলে ১৫ দিন কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডে থাকার কথা। কিন্তু টাকা আদায় করে তাদেরকে ওয়ার্ডে বদলি করা হচ্ছে। আবার ২/৩ হাজার টাকা আদায় করে নতুন বন্দিদের দ্বিতীয় দিনেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে বদলি করা হচ্ছে।

সন্ত্রাসী আরমানের ইশারায় চলছে এখন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার। প্রতিবাদ করলেই হামলা কিংবা অন্য কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্ভিগ্নে আরমান ঘুরে বেড়ান জেলা কারাগার। আদায়কৃত টাকা রাতে ভাগ বাটোয়ারা হয়। অবৈধভাবে তার সঙ্গে সব সময় থাকে মোবাইল ফোন।

কারা বিধি অনুযায়ী জেলের নিরাপত্বার বিঘ্ন ঘটে এরকম হাজতীদের ২৪ ঘণ্টা বন্দি থাকার কথা। কিন্তু সন্ত্রাসী আরমান রাত ৮টা পর্যন্ত পুরো কারাগার চষে বেড়ায়। প্রত্যেক বন্দিকে দৈনিক ১৪৫ গ্রাম ডাল দেয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় সর্বোচ্চ ৪০ গ্রাম। এছাড়াও সকল খাদ্যদ্রব্যই চড়া দামে কিনতে হয়।

বন্দিদের জামিন হলেই নারায়ণগঞ্জ ডেপুটি জেলার সোহরাবকে দিতে হয় ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। টাকা না দিলেই তার উপর চালানো শারিরীক নির্যাতন। তিনি ব্যক্তিগত দামি গাড়ি ব্যবহার করেন।

নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে সদ্য জামিনপ্রাপ্ত আসামী মোঃ মাসুদ মিয়া বলেন, কারাগারের ভিতরে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। টাকা না দিলেই কয়েদিদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খাবারের মান নিন্ম মানের দাম বেশি।

এব্যাপারে নারায়ণণগঞ্জ কারাগারের জেলার মাহবুবুর রহমান বলেন, এসকল অভিযোগ মিথ্যা। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করে বলেন, নারায়ণগঞ্জ কারাগার সরকারি সঠিক নিয়মে পরিচালনা করা হচ্ছে। এখানে কোন অনিয়ম নেই।


আরও খবর

ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বুধবার ০৪ মে ২০২২




জেরুজালেমে সহিংসতা বন্ধে ৫ ইউরোপীয় দেশের আহ্বান

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৯১জন দেখেছেন
Image

আল আকসা মসজিদকে ঘিরে সপ্তাহজুড়ে সহিংসতার পর মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) জেরুজালেমে সংঘর্ষ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে পাঁচটি ইউরোপীয় দেশ। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার জরুরি বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। 

বৈঠক ডাকা দেশগুলোর থাকা সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও চীন যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেয়নি।

আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, এস্তোনিয়া, নরওয়ে এবং আলবেনিয়ার এই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার। আরও বেসামরিক লোকদের হতাহতের ঘটনা রোধের বিষয় অগ্রাধিকার দিতে হবে।’ ‘পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।’  

জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ চত্বর ঘিরে এবং আশপাশে কয়েক দিনের সহিংসতার পর এই বৈঠক ডাকা হয়। এই এলাকা ইহুদিদের কাছে টেম্পল মাউন্ট নামে পরিচিত। সেখানে সপ্তাহান্তের সংঘর্ষে ১৭০ জন লোক আহত হয়েছে।  

পাঁচটি ইউরোপীয় দেশ ‘সব ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম’ এবং গাজা থেকে সোমবার দক্ষিণ ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে। তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইসরায়েলি বাহিনী মঙ্গলবার ফিলিস্তিন ছিটমহলে বিমান হামলা চালিয়েছে। 


আরও খবর