Logo
শিরোনাম

সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও গবেষক :

আল্লাহের নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দীন হল ইসলাম।আল্লাহ তায়ালা মানব জীবনের সকল কর্মকাণ্ডসমূহ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য হযরত মুহাম্মদ(সাঃএর মাধ্যমে  জীবন বিধান পেশ করেছেন।ইসলাম ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,রাষ্ট্রীয়,ইহলৌকিক  পারলৌকিক প্রভৃতি বিষয় ধর্মীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকে।মানব জীবনের প্রতিটি প্রতিদিকে দুটি স্তর রয়েছে যার একটি হল বাহ্যিক(বস্তুগতদিক আরেকটি হল আভ্যন্তরীন (আধ্যাত্মিকদিক।ইসলাম মানুষের দুটি দিক নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে।মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত  শুধু তার দেহের জন্য করে নাই বরং তার একটি বাতিনী দিক আছে যা হল আত্মা।আত্মার শান্তির জন্য মানবতা যুগে যুগে জড়বাদ,বস্তুবাদের আবর্তে ঘুরছে।কিন্তু প্রকৃত শান্তি তারা খুজে পায় নাই।তাই কবি শেখ সাদী (.) বলেন,

 

 এই সমুদ্রে হাজার কিশতী ডুবে গেছে;কিন্তু একটিও ভেসে উঠে নদীর তীরে পৌছে নাই

জড়বাদ মানুষের যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে তা বুদ্বিবাদ তা পূর্ণ করতে পারে নাই আর তার শূন্যতা পূরণ করেছে ইসলামের আধ্যাত্মিকতা।আর ইসলামের এই আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নাম হল সূফীবাদ।মানুষের জীবন আত্মা এবং দেহের সমন্বয় গঠিত।যে জ্ঞানের সাহায্যে আত্মাকে পরিশুদ্ব করা যায় তাই হল তাসাউফ।

 

সূফি শব্দের উৎপত্তি

 

সূফি শব্দটি কোন শব্দ হতে এসেছে সে ব্যাপারে মুসলিম পণ্ডিতদের ভিতর বেশ কয়েকটি মতামত পাওয়া যায়।সেগুলো নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

প্রথম মতামতঃ  ইবনে খালিদুন,. আফিফী,আল-কালবাদী,আর-রুদবারী,আবূ নসর আস-সাররাজ প্রমুখ পণ্ডিতগণের মতে,সূফী শব্দটি সূফূন হতে নির্গত যাত অর্থ হল পশম।পশমী বস্ত্র সরলতা  আড়ম্বহীনতার প্রতীক।হযরত মুহাম্মদ(সাঃ তার সাহাবাগণ বিলাসী জীবন-যাপনের পরিবর্তে সাদা-সিদে পোশাক পরতেন এবং পরবর্তীতে সূফীগণ সাদাসিধা জীবন-যাপনের জন্য এই পোশাল গ্রহণ করে কম্বল-সম্বল করে চলেন বলে তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

দ্বিতীয় মতামত কারো মতে সূফী কথাটি সফফুন হতে নির্গত যার অর্থ হল কাতার,শ্রেণী,লাইন ইত্যাদি।যেহেতু সে মর্যাদার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণীর লোক।এজন্য তাদের সূফী বলা হয়।

 

তৃতীয় মতামতআলী হাজাবিরী,মোল্লা জামী (র।এর মতেসূফী কথাটি সাফা হতে নির্গত যার অর্থ হল পবিত্রতা,আত্মশুদ্বি  স্বচ্ছলতা।যারা আত্মার পবিত্রকরণ সাধনায় নিয়োজিত থাকেন তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

চতুর্থ মতামতকিছু পাশ্চত্যের পণ্ডিত বলেছেন যে সূফী কথাটি সোফিয়া বা সোফিস্ট কথা হতে নির্গত হয়েছে যার অর্থ হল জ্ঞান।কিছু মানুষ আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অধিকারী বলে তাদেরকে সূফী বলা হয় আর  শাস্ত্রকে তাসাউফ বলা হয়।

তবে শেষোক্ত মতামত একেবারে অগ্রহণযোগ্য।কারণ বিদেশি কোন শব্দ হতে ইসলামের কোন একটি বিষয় নির্গত হবে তা হতে পারে না।

 

অন্যদিকে প্রথম তিনটি মতামতের ভিত্তিতে যে সূফী শব্দটি এসেছে তাও অনেকে মানতে নারাজ।  ব্যাপারে 

ইসলামে সূফী দর্শন নামক প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে,

 

সূফী কথাটি যে সুফূন(পশমহতে নির্গত তা গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এর দ্বারা সূফীদের কেবল পোশাক-পরিচ্ছেদ  অবয়বের কথা বলা হয়েছে।যেহেতু সূফিবাদ মানুষের বাতিনী দিকের পরিচায়ক তাই এই বাহ্যিক দিকের নির্দেশক পশম হতে সূফীর উৎপত্তি হয়েছে তা যুক্তিসঙ্গত নয়।আবার সাফা(পবিত্রতাহতে যে সূফী কথাটি এসেছে তাও গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এটা হল সূফীদের জীবন-

 

সাধনার একটি নির্দেশক মাত্র।আবার সফফুন হতে সূফী এসেছে  কথাও বিশ্বাস করা যায় না কারণ তা একটি কাল্পনিক ধারনামাত্র।

 

একমাত্র আহলে সূফফা(বারান্দার অধিবাসীশব্দে সূফী তত্ত্বের  সূফী জীবনের বাহ্যিক  আভ্যন্তরীন দিক পরিস্ফূট হয়ে উঠে।তারাই পশমী পোশাক সর্বদা পরিধান করতেন এবং সর্বদা আল্লাহের যিকিরে মশগুল থাকতেন।তারা আল্লাহের সম্মানে চাদরাবৃত।তারাই নবী করিম (সাঃএর সাহচর্যে থেকে সর্বদা আভ্যন্তরীন  বাহ্যিক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। কাজেই আহলে সুফফা হতে যে সূফী কথাটির উদ্ভব ঘটেছে তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত।(সূত্রঃ ইসলাম  আধ্যাত্মিকতাঃ১০৩)

 

সূফিবাদের পারিভাষিক সংজ্ঞা

 

সূফীবাদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ  আধ্যাত্মিক সাধনায় সাধনাকারী ব্যক্তিবর্গ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।তার ভিতর প্রধান প্রধান কয়েকটি সংজ্ঞা হল নিম্নরুপঃ

ইমাম শামী (.) বলেন,

 

সূফীবাদ হল আধ্যত্মিক জ্ঞান যে জ্ঞানের সাহায্যে মানুষের সৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ এবং তা অর্জনের পন্থা  অসৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ  তা থেকে রক্ষার উপায় জানা যায়।

 

জুনায়েদ বাগদাদী(রঃবলেছেনআত্মিক পবিত্রতা অর্জন  আল্লাহ ছাড়া সবকিছু হতে প্রভাবমুক্ত হওয়ার নাম হল ”

 

যুন্নন মিসরীর মতেআল্লাহ ছাড়া আর যা কিছু আছে সবকিছু বর্জন করার নাম হল সূফীবাদ।

ইমাম গাযযালী(.)বলেনতাসাউফ এমন একটি বিদ্যা যা মানুষকে পশু হতে উন্নীত করে,মনুষ্যত্বের চূড়ান্ত প্ররযায়ে পৌছিয়ে দেয়।তিনি আরো বলেন,

 

সূফীবাদ হল মুমিনদের অন্তরের জ্যোতি যা নবী করীম (সাঃএর প্রদীপ হতে গ্রহণ করা হয়েছে।

বায়জীদ বোস্তামী (.) বলেনআল্লাহের ইবাদতে মগ্ন থাকা  আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পার্থিব দুঃখ-কষ্ট বরণ করার নাম হল সূফীবাদ।

 

শায়খুল ইসলাম যাকারিয়া (.) বলেনতাসাউফ মানুষের আত্মার বিশোধনের শিক্ষা দান করে।তার নৈতিক জীবনেকে উন্নীত করে এবং স্থায়ী নিয়ামতের আধিকারী করার উদ্দেশ্যে মানুষের ভেতরের  বাইরের জীবনকে গড়ে তুলে। এর বিষয়বস্তু হল আত্মার পবিত্রতা  লক্ষ্য হল চিরন্তন সুখ শান্তি অর্জন।

 

আবূ মুহাম্মদ আয-যারিনি বলেছেন“Sufism is the building up of good habits and freeing of heart from all evil desires.”

তাহলে বলা যায় যেনবী করিম (সাঃএর নির্দেশিত পথে আত্মশুদ্বি করে ইসলামের বাহ্য  অন্তর জীবনের প্রেমপূর্ণ বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে পরম সত্তার পূর্ণ জ্ঞানার্জন  তার নৈকট্য লাভজনিত রহস্যময় উপলব্ধিকে সূফীবাদ বলা হয়।

 

সূফিবাদের উৎপত্তি

সূফিবাদের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে তা নিয়ে পণ্ডিতদের ভিতর মতবিরোধ লক্ষ্য করা যায়।সূফীবাদ কথাটি মুসলমানদের ভিতর থেকে কিভাবে এসেছে সেসব মতামতসমূহ নিম্নঃরুপঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাব

খ্রিষ্টনিয়  নিও-প্লেটানিক প্রভাব

.পারসিক প্রভাব

.কুরআন হাদীসের প্রভাব

 

উপরের তিনটি মতবাদকে আভ্যন্তরীন মতবাদ বলা হয় আর শেষেরটিকে বাহ্যিক উৎস বলা হয়।এসকল মতবাদ নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাবঃ পশ্চাত্যের কিছু চিন্তাবিদ তথা গোল্ডযিহার,এইচ মার্টেন এর মতে,সূফিবাদ বেদান্ত দর্ষন  বৌদ্ব দর্শন হতে উদ্ভূত।কারণ,মুসলমানেরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে এরপর থেকে ভারতীয় সন্ন্যাসী  বেদান্ত বৌদ্বদের প্রভাবে প্রভান্বিত হয়ে মুসলমানগণ কঠোর সংযম  কৃচ্ছতা সাধনের স্পৃহা জাগিয়ে তুলে।আর সে থেকে মুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে। পারতপক্ষে  ধরনের মতামত ঐতিহাসিক দৃষ্টিভংগী অনুযায়ী সঠিক নয়।কারণ ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা আসার অনেক আগে থেকে সুফিবাদ কথাটির উদ্ভব ঘটেছিল।হাসান বসরী,যুন্নুন মিসরী,আবুল হাশিম কূফী,ইব্রাহীম বিন আদহাম রাবিয়া বিসরী প্রমুখ সূফিদের আবির্ভাব  সাধনা প্রমাণ করে যে,সূফিবাদ ভারতীয় আমদানি নয়,ইসলামের আধ্যাত্মিক শিক্ষার ফলে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে।তাছাড়া বৌদ্ব সন্যাসীগণ জাগতিক কার্যক্রমলে সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার করে আর তার ধ্যান-সাধনার জন্য নির্জন জায়গা বেছে নিয়েছে।অন্যদিকে মুসলিম সূফী-সাধকগণ আল্লাহ পাকের ধ্যান করার সাথে সাথে সংসারও করে থাকেন। আবার বৌদ্ব ধর্মে নির্বাণ সত্তায় আত্মবিলোপ শেষ আর মুসলিম সূফিগণ ফানাকে শেষ স্তর বলে মনে করে না বরং তারা বাকাবিল্লাহকে সূফী-পথ পরিক্রমার সর্বশেষ স্তর মনে করে থাকে।সুতরাং,বৌদ্ব  বেদান্ত হতে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে  ধরনের মতবাদ সম্পূর্ণরুপে ভিত্তিহীন।

 

.খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদঃ অধ্যাপক নিকলশন  ভনক্রেমার  মতামত ব্যক্ত করেছেন যেমুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছে খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদ হতে।তারা  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যেযখন মুসলিমরা মিসর,সিরিয়া,প্যালাষ্টাইন প্রভৃতি দেশ জয় করতে থাকে সে অবস্থায় খ্রিষ্টীয় চিন্তা-দর্শন মুসলিম চিন্তা-দর্শনের ভিতর আবির্ভূত হয়  এবং এরই প্রভাবে তপস্যা  সংযমবাদের অনুপ্রবেশ সূফীদের ভিতর ঢুকে আর সেই থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছিল। নিকেলসন  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যে,সে সময় মুসলিম সম্রাজ্যের অনেক জায়গায় জাষ্টিয়ানদের আধিপাত্য ছিল আর সে থেকে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে।পারতপক্ষে  ধরনের মতাবাদ সঠিক নয়।কারণ মুসলিম সূফি-

 

সাধকগণ খ্রিষ্ট্রীয় সন্যাসীদের ন্যায় সংসার বিরাগী নয়।আর তাছাড়া মহানবী (সাঃ),সাহাবা  তাবিঈদের সময় হতে  ধরনের আধ্যাত্মিক সাধনায় মুসলমানেরা নিয়োজিত ছিল।তাই খ্রিষ্ট্রীয়  নিউপ্লেটনিক মতবাদ হতে যে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটেছে  ধরনের কথা সম্পূর্ণরুপে অযৌক্তিক।

 

পারসিক প্রভাবঃ ঐতিহাসিক ব্রাউনি আর তার কিছু অনুসারীরা বলেছেন যে,সূফিবাদের উৎপত্তি ঘটেছে পারসিক প্রভাব হতে।তারা  যুক্তি সকলের সামনে তুলে ধরেছে যেপারসিক জাতি ছিল এক অহংকারী  দম্ভ জাতি।কিন্তু তাদের উপর যখন আরবেরা জয় করল তখন হতে তাদের ভিতরে এক ধরনের হতাশা কাজ করতে শুরু করল।সেখান থেকে তারা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত থাকের ব্যাপারে এক ভিন্ন চিন্তা-

 

ধারা আবিষ্কার করে আর সেখান থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটে আর তারই ধারাবাহিকতায় পারস্যে অনেক দার্শনিক আবির্ভূত হয়।পারস্যের ভিতর যে ম্যানিকীয়  ম্যাজদেকীয় ধর্মের অস্তিত্ব ভিতর সূফিবাদের কৃচ্ছতাপূর্ণ জীবন-যাপনের উপকরণ খুজে পাওয়া যায়। পারতপক্ষে  ধরনের কথাও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক  ভিত্তিহীন।কারন বেশিরভাগ সূফী পারস্যের হলেও তার মানে  বুঝায় না যেসূফিবাদ পারস্য হতে এসেছে।কারন আবূ বকর ইবনুল আরাবী  ইবনুল ফরিদসহ অনেক দার্শনিক আরবীভাষী ছিলেন। আর আমাদের প্রিয়নবী (সাঃ),সাহাবীগণ  তাবিঈগণের সময় হতে এক ধরনের তাপস্যা শুরু হয় এবং তারা বিদেশী ধ্যান-ধারনা থেকে সম্পূর্ণমুক্ত ছিলেন।।

 

.কুরআন  হাদীসের প্রভাবঃ সূফিবাদ যে কোন বাইরের চিন্তা-দর্শনের দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই তা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।ইসলামী আধ্যাত্মিক শিক্ষার মূল উৎস হল আল-কুরআন।যদিও কুরআন  হাদীসে সূফিবাদ শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় নাই তবুও কুরআনের অসংখ্য আয়াত  রাসূল(সাঃএর অসংখ্য হাদীসের দ্বারা সূফিবাদ তথা আধ্যাত্মিক জ্ঞানের দিকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।ইবনে খালিদুন অত্যন্ত জোড় গলায় বলেছেন যেসূফিবাদ এমন এক ধর্মীয় বিজ্ঞান যার উৎপত্তি  খোদ ইসলাম হতে হয়েছে কুরআনের অসংখ্য আয়াত রয়েছে যার দ্বারা মরমীধারাকে ইসলাম বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছে।সেখান হতে কিছু আয়াত নীচে উল্লেখ করা হলঃ

 

তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান  যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।[বাকারাঃ২৫৫]

 

তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক[হাদীদঃ৪]

 

তিনিই প্রথমতিনিই সর্বশেষতিনিই প্রকাশমান  অপ্রকাশমান এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।” [হাদীদঃ৩]

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করেসে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।” [ক্বাফঃ১৬]

 

সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ করআমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো [বাকারাঃ১৫২]

 

যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করেআমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব।” [আ্নকাবূতঃ৬৯]

তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ্র ইবাদত করবে,” [বাইয়েনাহঃ৫]


আরও খবর

তরিকা সমূহের বর্ণনা, তরিকা কি ?

শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২




নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি, দৃষ্টিনন্দন জীবনাচার বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছে একটি বহুমাত্রিক আকর্ষণ-সমৃদ্ধ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ। প্রতি বছরের মতো এবারও অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

ভ্রমণপিপাসুরা বলেন, তুলনামূলক বাংলাদেশ স্বল্প আয়তনের হলেও পর্যটন আকর্ষণে যে বৈচিত্র্য তা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পারে। এ দেশে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম নীরবচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত-কক্সবাজার, পৃথিবীর একক বৃহত্তম জীববৈচিত্র্যে ভরপুর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল-সুন্দরবন, একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকনের স্থান সমুদ্রকন্যা-কুয়াকাটা, দুটি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজ রঙের নয়নাভিরাম চারণভূমি-সিলেট, আদিবাসীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি ও কৃষ্টি আচার-অনুষ্ঠানসমৃদ্ধ উচ্চ সবুজ বনভূমি ঘেরা চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল, সমৃদ্ধ অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো। ফলে স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প উন্নয়নের সম্ভাবনা অপরিসীম। পর্যটনশিল্পের সবটুকু সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মডেল হতে পারে।

এ ছাড়া ‘পর্যটনের নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিএমসি) ৭ দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভ্যালের আয়োজন করছে। কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বসছে আনন্দ-উৎসবের এ মেলা। প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের সপ্তাহব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভ্যাল আয়োজনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ অন্যতম সহযোগী (স্পন্সর) হিসেবে থাকছে।

বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২২ সাল নাগাদ পর্যটনশিল্প থেকে প্রতি বছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৫১টি দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবেন, যা মোট জিডিপির ১০ শতাংশ অবদান রাখবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালে মোট কর্মসংস্থানের ১ দশমিক ৯ শতাংশ হবে পর্যটনশিল্পের অবদান। পর্যটনশিল্পের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার রোল মডেল।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১১০ কোটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২২ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। আর বিপুলসংখ্যক পর্যটকের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভ্রমণ করবে এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশ যদি এ বিশাল বাজারে টিকে থাকতে পারে, তাহলে পর্যটনের হাত ধরেই বদলে যেতে পারে দেশের অর্থনীতির রূপরেখা।

২০২৫ সালের মধ্যে পর্যটনশিল্পের সর্বোচ্চ বিকাশে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পুরো দেশকে আটটি পর্যটন জোনে ভাগ করে প্রতিটি স্তরে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথমবারের মতো সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণে ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলোয় প্রায় প্রত্যক্ষভাবে বিনিয়োগ হবে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। পরোক্ষভাবে বিনিয়োগ হবে ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া সরকারের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন, আধুনিক হোটেল-মোটেল নির্মাণ, মহেশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, সোনাদিয়াকে বিশেষ পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা, ইনানি সৈকতের উন্নয়ন, টেকনাফের সাবরাংয়ে ইকো ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ, শ্যামলাপুর সৈকতের উন্নয়ন, ঝিলংঝা সৈকতের উন্নয়ন, চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, কুতুবদিয়ায় বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্প্রসারণ, চকরিয়ায় মিনি সুন্দরবনে পর্যটকদের গমনের জন্য যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের আধুনিকায়ন ইত্যাদি। এ ছাড়া আরো চারটি নতুন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। এসব বাস্তবায়ন হলে আগামীতে দেশের পর্যটন খাত আরো চাঙা হবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর



দেড় কোটি প্রবীণ পাবেন বিশেষ আইডি কার্ড

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বিশ্ব প্রবীণ দিবস আজ। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কম হলেও প্রবীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। ‘পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা’ প্রতিপাদ্যে এবার পালিত হচ্ছে দিবসটি। প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে দিবসটি পালন করা শুরু হয়।

জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৬০ বছরের বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৫৩ লাখ ২৬ হাজার; যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশেরও বেশি।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রবীণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও সুরক্ষায় কর্মকৌশল এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। দেড় কোটিরও বেশি প্রবীণ নাগরিককে বিশেষায়িত আইডি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, যারা সংশ্লিষ্ট কার্ড দিয়ে প্রবীণ নাগরিকের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এজন্য বরাদ্দ রয়েছে ৭ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। বরাদ্দের টাকায় দেশের বয়স্কদের ভাতা, বিধবা বা স্বামী-নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের ভাতাসহ ৯ ক্যাটাগরির প্রবীণদের জন্য ব্যয় করা হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




রানি মৃত্যুতে বাংলাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রানি এলিজাবেথের মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে- শুক্র, শনি ও রোববার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর রানির মৃত্যুর ঘোষণা দেয় বাকিংহাম প্যালেস। যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি এই রানির বয়স ৯৬ বছর। রানির মৃত্যুর অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিকেলে স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শান্তিপূর্ণভাবে মারা যান রানি এলিজাবেথ।

৭০ বছর ব্রিটেনের সিংহাসনে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ এই বর্ণিল জীবনে ব্রিটেনের সমাজ ও রাজনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তনের সাক্ষী তিনি। তার মৃত্যুতে রাজ পরিবারে দীর্ঘ এক শাসনের সমাপ্তি ঘটলো।

যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি এই রানির বয়স ৯৬ বছর। রানির মৃত্যুর অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিকেলে স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শান্তিপূর্ণভাবে মারা যান রানি এলিজাবেথ।

৭০ বছর ব্রিটেনের সিংহাসনে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ এই বর্ণিল জীবনে ব্রিটেনের সমাজ ও রাজনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তনের সাক্ষী তিনি। তার মৃত্যুতে রাজ পরিবারে দীর্ঘ এক শাসনের সমাপ্তি ঘটলো।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন রাজস্ব ও উন্নয়নসহ প্রায় ৫৮৮ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ৬৩৮ টাকা টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভী। মঙ্গলবার দুপুরে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর সিটি পাঠাগার মিলনায়তনে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এই বাজেট ঘোষণা করেন। এসময় নগরীর বিশিষ্ট জন ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বাজেট  ঘোষণা শেষে নাগরিক ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন মেয়র আইভী।

মেয়র আইভী বলেন, করোনা মহামারির কারণে গত অর্থবছরের চেয়ে  চলতি অর্থ বছরে এক শত কোটি টাকা বাজেট কম ধরা হয়েছে। মেয়র বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের মোট ৫৫৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৯ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। উদ্বৃত্ত থাকবে ২৯ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার১৫৯ টাকা।

মেয়র আইভী জানান, বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে রাস্তা, ড্রেন ব্রীজ, কালভর্ট নির্মাণ, বৃক্ষ রোপন, দারিদ্র বিমোচন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,জরুরি ত্রাণ, তথ্য-প্রযুক্তি, দশিক্ষা,স্বাস্থ্য, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরীারণ, মশক নিধন,বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকিকরণ, খেলাধূলার মানোন্নয়নে মাঠ নির্মাণ, স্ট্রীট লাইট স্থাপন ও সুপেয় পানি সরবরাহ।


আরও খবর

কল্যাণপুরে ভবনে ফাটল

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

কিশোর গ্যাং আতঙ্কে রাজধানী

শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২




ভারতে দলিত ২ বোনকে ধর্ষণ ও হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

উত্তর প্রদেশের লখিমপুরে দলিত ২ কিশোরীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মৃতদেহ গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্য দিয়ে ভারতজুড়ে নারীদের নিরাপত্তাহীনতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ১৭ ও ১৫ বছর বয়সী ওই দুই বোনের সাথে ঘটা নির্মম ঘটনা, ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টায় জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপরও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে 'অসংবেদনশীল আচরণের' অভিযোগ স্থানীয়দের। জোড়া খুন, ধর্ষণ ও অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টায় যে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হলেন সুহেইল, জুনাইদ, হাফিজুল রেহমান, করিমুদ্দিন ও আরিফ। পুলিশ বলছে, বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকায় দুই বোন স্বেচ্ছায় সোহেইল ও জুনাইদের বাইকে করে ঘুরতে বেরিয়েছিল। তবে, পরিবারের দাবি, মেয়েদের অপহরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তেও তাদের ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২