Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

শুল্ক কমল চাল, তেল, চিনি ও খেজুরের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ক-কর ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পণ্যগুলোতে শুল্ক-কর ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৪৭ শতাংশ কমানো হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সই করা পৃথক চারটি আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক-কর মিলিয়ে ৪৭.২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। বিদ্যমান শুল্ক-কর ৬২.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫.২৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূরক শুল্কই কমানো হয়েছে ২০ শতাংশ। যা বয়েল ও নন-বয়েল চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে রেয়াতি হারে চাল আমদানির পূর্বে প্রত্যেক চালানের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা থেকে লিখিত অনুমোদন নিতে হবে। আর এই সুবিধা আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

অন্যদিকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের ওপর প্রযোজ্য কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

চিনির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে শুল্ক দেড় হাজার টাকা থেকে কমিয়ে প্রতি মেট্রিক টনে এক হাজার টাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সুবিধা ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর রাখা হয়েছে এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে।

এছাড়া খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক-কর ৫৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ শতাংশ করা হয়েছে। যার মধ্যে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এটি আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

গত ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান উপলক্ষ্যে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চালের ওপর শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রমজানে যাতে এসব পণ্যের সরবরাহ কম না হয়।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ককর ছাড় দিতে এনবিআরে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাশিয়ার আক্রমণে এলাকা ছাড়ছে ইউক্রেনের সেনারা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

রাশিয়ার প্রবল আক্রমণে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এক গ্রাম থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছেন ইউক্রেন সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র। এক প্রতিবেদনে এপি জানিয়েছে, যুদ্ধের তৃতীয় বছরের শুরুতে যুদ্ধক্ষেত্রে জনবল ও অস্ত্রশস্ত্রে রুশ বাহিনী অনেক এগিয়ে রয়েছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র ডিমিট্রো লাইখভি জাতীয় টেলিভিশনে বলেন, কিয়েভের সেনারা সর্বশেষ ধাক্কা খেয়েছে লাস্টোককাইন গ্রামে। সেখান থেকে পিছু হটে তারা আশে-পাশের গ্রামে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

দোনেৎস্ক শহরের কাছে আভদিভকা শহরতলীর পশ্চিমে রয়েছে লাস্টোককাইন। চার মাসব্যাপী যুদ্ধের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি এই শহরতলী দখল করে নিয়েছিল রাশিয়ার বাহিনী। মস্কোর শক্তিধর সামরিক বাহিনীর কাছে পরাস্ত হয়েছিল এখানকার রক্ষীরা এবং ইউক্রেন তাদের সেনা প্রত্যাহার করে অন্যত্র প্রতিরক্ষা স্থাপনের পথ বেছে নিয়েছিলো।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি স্থানীয় কমান্ডার আন্দ্রেই মর্দভিশেভকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের বাহিনীকে ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) পিছনে পিছু হটতে বাধ্য করেছে এবং তারা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। ওই সংবাদ সংস্থা বলেছে, ইউক্রেনের এক গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ রুট লাস্টোককাইনের মধ্য দিয়ে গেছে।

উভয়পক্ষের দাবিকে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব ছিল না বলে জানিয়েছে এপি।

যদিও বড় ক্ষতি নয়। তবু গ্রাম পরিত্যাগ করা থেকে আন্দাজ করা যায়, যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেন বর্তমানে কী ধরেনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। যুদ্ধের নতুন পর্বে ইউক্রেনের অবস্থা বেশ হতাশাজনক।

ইউক্রেন জানিয়েছে, সেনা ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও মস্কোর সেনা বাহিনী উন্নত আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে অগ্রসর হচ্ছে এবং একাধিক মফস্বল ও শহর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।

পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলেছেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চারটি সমান্তরাল অক্ষ বরাবর রুশ সেনারা জোরালো আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য, ইউক্রেন-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলের পশ্চিমাংশের আরও অভ্যন্তরে প্রবেশ করা এবং এর উত্তরে অবস্থিত খারকিভ অঞ্চলে ঢুকে পড়া।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে দনেৎস্ক অঞ্চলে মস্কো-নিযুক্ত কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, রুশ সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা এক এব্রামস ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছে। আরআইএ নভোস্তি বলছে, গত শরতে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েনের পর এই প্রথম একটি এব্রামস ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হলো।

রাশিয়া সোমবার ভোরে ইউক্রেনে সাতটি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪টি শহিদ ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলেছে, তারা নয়টি ড্রোন ও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।


আরও খবর



বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বায়ুদূষণের তালিকায় আবারও শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। দূষণের তালিকায় ঢাকার স্কোর হচ্ছে ২৭৪ অর্থাৎ ঢাকার বায়ু খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বায়ুদূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের শেনইয়াং। শহরটির স্কোর হচ্ছে ১৯৩ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর।

দূষণ তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের বিশকেক। এই শহরটির স্কোর ১৭৬ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের আরেক শহর উহান।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বায়ুদূষণে নীরবে ধুঁকছে ঢাকা

শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, শাহ্সুফি ডক্টর সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী বলেছেন,"মিলাদ মাহ্ফিল, ফাতেহা, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ),  শবে বরাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করছে। এ উপলক্ষ্যগুলো মহান আল্লাহ্ ও প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সান্নিধ্য অর্জনের উত্তম মাধ্যম। সুফিদের মাধ্যমে পৃথিবীর সর্বত্র ইসলামের প্রচার প্রসার ঘটেছে। তাই সুফি ও আউলিয়ায়ে কেরামের পথ ও মতই ইসলামের প্রকৃত ধারা। সে ধারা অনুসরণেই খুঁজে পাওয়া যাবে মুক্তির পথ। তরুণ প্রজন্মকে এ দিবসগুলো পালনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এতে তাদের মাঝে নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং খোদাপ্রেম জাগ্রত হবে। এ দিবসগুলো মুসলিম সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিছু ষড়যন্ত্রকারীদের অপব্যাখার জন্য তরুণরা আজ অপসংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছে। এতে তাদের মাঝে নৈতিকতার অবক্ষয় ও উগ্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেও এ  অপব্যাখাকারীদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এবং মানুষের আত্নিক পরিশুদ্ধি অর্জনে বিভিন্ন ইসলামি উৎসব ও উপলক্ষ্যগুলো গুরুত্বের সাথে পালন করতে হবে।"

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ গাজীপুরে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাহ্ফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ  কথা বলেন। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দিন মিয়ার সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। 

বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ওলামা মাশায়েখ, খলিফাবৃন্দ, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ। 

দো-জাহানের বাদশাহ্, রহমাতুল্লিল আলামীন, হযরত আহমদ মুজতবা, মুহাম্মদ মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তার পবিত্র আহলে বাইতগণের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম পেশ শেষে দেশ ও মানবতার কল্যাণ কামনায় মুনাজাত করেন, সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী।


আরও খবর



রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেমে নেই জান্তা সরকার। রাখাইনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী ও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই জান্তা সরকার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

মিয়ানমার বর্তমানে নজিরবিহীন জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়নে জর্জরিত। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছরের মাথায় সম্প্রতি দেশটির জান্তা সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে দিশেহারা জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী জোটের অন্যতম সদস্য আরাকান আর্মি (এএ) এই মুর্হূর্তে রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই অব্যাহত রেখেছে।

এই রাজ্যে আরাকান আর্মির কাছে বিপর্যয়কর পরাজয়ের শিকার হয়েছে জান্তা সেনারা। বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছে না তারা। আর এই কারণেই তারা জাতিগত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। মিয়ানমারের পুরানো রাজধানী শহর ইয়াঙ্গুন ও অন্যতম বড় শহর মান্দালয়সহ একাধিক শহরে জাতিগত রোহিঙ্গাবিরোধী পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। এসব পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে জাতিগত রোহিঙ্গাদের বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে। রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোঁরায় না যেতে বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এইসব শহরে যেসব জাতিগত রোহিঙ্গা বসবাস করেন তাদেরকে তাদের নিজ রাজ্য রাখাইনে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ের মতো শহরগুলোতে জাতিগত রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকান ও রেস্তোঁরার সাইনবোর্ডে বা রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার দেখা যায়। ইয়াঙ্গুনে একটি ল্যাম্পপোস্টে লাগানো একটি পোস্টারে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী আরাকান আর্মিকে (এএ) নিন্দা জানাতে রাখাইনের রোহিঙ্গা মালিকানাধীন যেকোনো ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন।

বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ মিয়ানমার। দেশটিতে কমবেশি ১৩৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বা জাতির বসবাস। এরমধ্যে প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বামার। অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান, কারেন, মন, ওয়া ও রাখাইন বা রোহিঙ্গা উল্লেখযোগ্য। বামাররা বার্মান বা বর্মী নামেও পরিচিত।

আদমশুমারিতে বর্মীদের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৮ শতাংশ বলে দেখানো হয়। অন্যান্য জনগোষ্ঠী আরও ৩২ ভাগ। শাসকদল আর সেনাবাহিনীতেও বর্মীদের সংখ্যা ও প্রভাব সবচেয়ে বেশি। সেই প্রভাব ধরে রাখার লক্ষ্যেই অন্যান্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন ও নিধন চালানো হয়। আর এ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো থেকেই শুরু জাতিগত সংঘাত।

অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রায়ই জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর কৌশল বেছে নেয় সংখ্যাগুরু শাসকগোষ্ঠী। মিয়ানমারে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কমায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিগত বিদ্বেষ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। যার প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংঘটিত হয় এবং ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। দেশটিতে জাতিগত বিদ্বেষকে রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছে। শুধু সেনাশাসকরাই নয়, বেসামরিক গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও জাতিগত বিদ্বেষ সব মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। যা বিভিন্ন সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে ভয়াবহ উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে বর্ণবাদী ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এর জন্য গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচিকেও দায়ী করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করে রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ভয়াবহ বলপ্রয়োগ ও দমন-নিপীড়নের ঘটনায় হাতে অস্ত্র তুলে নেন গণতন্ত্রকামীরা। গড়ে তোলেন সশস্ত্র প্রতিরোধ।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে আইন হবে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা বন্ধে সংসদে নতুন কিছু আইন আনা হবে। তবে ওই আইন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।

আজ রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার তার প্রশ্নে বলেন, অনেক অনলাইন সংবাদমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ করে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। নানান অপপ্রচার করে। এগুলো বন্ধে আইন করা হবে কি না?

জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমাদের সংবিধানে বলা আছে, মৌলিক অধিকারের মধ্যে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা। সেই নিরিখে এবং সেটাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হয়। আইন অলরেডি একটা আছে, যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। তবে আমি সংসদ সদস্যকে জানাতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং আরো কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নয়, মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাতে বন্ধ করা যায়, সে ব্যবস্থা সরকার নেবে। তবে ওই আইন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।

বিরোধী দলের চীফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সারা দেশের অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো নিবন্ধনের জন্য সরকার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করেছে। তথ্য অধিদফতর থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ১৬৮টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়েছে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের বিষয়টি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন দেওয়া হবে বলেও জানান।

একই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে অন্য অনলাইন পোর্টালগুলো নিবন্ধনের আওতায় এনে সরকারিভাবে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের অনিবন্ধিত কোনও অনলাইন সংবাদপত্রে বা অনলাইনভিত্তিক পোর্টালে দেশবিরোধী সংবাদ প্রচার বা মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪