Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীকে বদলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীকে বদলি করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



এ ছাড়া চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞাকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



সোমবার (১ জুলাই) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


২০২২ সালের ৪ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (সিনিয়র জেলা জজ) মো. গোলাম রব্বানীকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করা হয়।



আরও খবর



এবার বাঙালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক এম এ ওয়াজেদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক::

আবারো পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক ও সমাজ সেবক এম এ ওয়াজেদ। তার সাফল্য মুকুট-এ এবার যুক্ত হচ্ছে বাঙগালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুষ্কারের দুটি পালক। 

আগামী ১৯ জুলাই কবি ও সংগঠক হিসেবে বাঙালির কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার তার হাতে তুলে দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই পুরষ্কার দুটি গ্রহণের জন্য কবিকে আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এর আগে চলতি বছর ২৬ ফেব্রুয়ারী জাতীয় কবি পরিষদ থেকে কবিতা ক্যাটেগরিতে পুরষ্কৃত হয়েছেন লেখক এমএ ওয়াজেদ। 

এমএ ওয়াজেদের পুরো নাম মোহাঃ আব্দুল ওয়াজেদ। ১৯৭৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নওগাঁর সাপাহার উপজেলার জবই গ্রামে এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম৷ পিতার নাম মোঃ মকবুল হোসেন এবং মাতার নাম মোসাঃ মরিয়ম বিবি। শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স্তর থেকেই সাফল্য পেতে শুরু করেন মেধাবী এই লেখক। তিনি ১৯৮৪ সালে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় এবং ১৯৮৭ সালে অষ্টম শ্রেনির বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত হোন ৷ ১৯৯০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে  উত্তীর্ণ হোন। এ কারনে তাঁকে  সরকারি বৃত্তি প্রদান করা হয়। তিনি উচ্চ শিক্ষা জীবন কাটিয়েছেন শিক্ষার শহর রাজশাহীতে। রাজশাহী  নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে  প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন ৷ ১৯৯৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিসহ এলএলবি (অনার্স ) এবং ১৯৯৮ সালে এলএলএম ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। তিনি নওগাঁয় এ্যাডভোকেট বার সমিতির সদস্য। নিজ জেলায় মানুষকে আইনী সেবা প্রদান করছেন। 

ছোটবেলা থেকেই কবিতা  ও প্রবন্ধ লিখেন এম এ ওয়াজেদ৷ কবিতার সাথে তাঁর গভীর প্রেম। অল্প দিনেই তাঁর লেখা এক গুচ্ছ বই প্রকাশ হয়েছে। যা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। ইতোমধ্যেই তাঁর লেখা ৭ টি একক কাব্যগ্রন্থ  প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ১৪ টি যৌথ  কাব্যগ্রন্থ’ ও একটি গল্পগ্রন্থ বেড়িয়েছে তাঁর। একক কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ২০২০ সালে 'আলোকের ঝরনাধারা' ও 'অদ্ভুত আঁধার চারদিকে'। ২০২৩ সালে অমর একুশে বইমেলায় কারুবাক প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় 'প্রভাতের পুষ্পসুবাস'।২০২৪ এ অমর  একুশে বই মেলায় নব সাহিত্য প্রকাশনী  থেকে প্রকাশ হয় 'বেদনার কোষকাব্য' ও 'অভিশংসিত সরোবর'। বাংলা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পায় অন্তর্দহনের শেষ পৃষ্ঠা ও 'হে হৈমন্তিকা যুবতী হও'। যৌথ কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো, অন্তরে অগ্নিশিখা, বুনো রোদ্দুর, ভোরের মাঝি, দ্বিভুজ, কবির কবিত্ব, স্বদেশের মৃত্তিকায় জননীর ঘ্রাণ, পড়ন্ত বিকেলের কাব্য, চাঁদনী রাতের কথা, বিহঙ্গ বাঁশরি, কাব্য ফেরি, প্রবাসী বুলবুল, কলমের আলো, ফিলিস্তিন আমার বারুদের ফুল ও মায়াবতীর নীলকাব্য। সম্পতি 'শ্রেষ্ঠ গল্প' নামে যৌথ গল্পপ্রন্থটিও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে তাঁর লেখা ১শ' ৫০ এর অধিক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

লেখক এমএ ওয়াজেদ দুই পুত্র সন্তানের জনক ৷ বড় ছেলে সাদিক ওয়াকিল সাদ ২০২৩ সালে নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়ে বর্তমানে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে এইচএসসিতে অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে সিহাব ওয়াদুদ হাবিব নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ৷ তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সুমী একজন আদর্শ গৃহিণী। 

এমএ ওয়াজেদ লেখালেখির বাইরে বৃক্ষরোপন, অসহায় মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান সহ সামাজিক বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সারাজীবন সাহিত্য রচনা ও সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি। 

আরও খবর



নওগাঁয় প্রথম স্ত্রীর মৃতদেহ হাসপাতালে রেখে আত্মগোপনে স্বামী, দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বড় স্ত্রী সূচনা আক্তার কে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ এনে সাংবাদিক স্বামী ও সতিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাংবাদিকের প্রথম স্ত্রী সূচনা আক্তার এর ভাই আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত রবিবার ৩০জুন রাতে নওগাঁর মান্দা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় পরই রাতেই অভিযান চালিয়ে সাংবাদিক এম এ রাজ্জাকের ছোট স্ত্রী ফারজানা আক্তার (৩০) কে গ্রেফতার করেন থানা পুলিশ। সোমবার বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ পরানপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকায় নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। প্রায় ১৫ বছর আগে রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা সূচনা আক্তারকে বিয়ে করেন সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক। স্ত্রীর সঙ্গে ৪ বছর সংসার করেন। প্রথম পক্ষের একটি মেয়ে ও একটি ছেলে দুটি সন্তান আছে। 

নিহত সূচনা আক্তারের বড় বোন রেহেনা আক্তার বলেন, ৪ বছর সংসার করার পর বনিবনা না হওয়ায় বোন সূচনা আক্তারকে রেখে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্ত রাজ্জাক নিজ গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তীতে ফারজানা আক্তার নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। গর্ভের সন্তানদের দেখার জন্য আমার বোন সূচনা আক্তার মাঝে মধ্যে রাজ্জাকের বাড়ি আসত। ঈদ উপলক্ষে গত ২২ জুন সূচনা আবারও রাজ্জাকের বাড়ি আসেন। এখানে অবস্থানকালে ২৬ জুন কেনাকাটার জন্য সূচনা স্বামী রাজ্জাককে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় গোপালপুর বাজারে যায়। এ নিয়ে সতিন ফারজানার সঙ্গে সূচনার হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে সতিন ফারজানা ও স্বামী রাজ্জাকের নির্যাতন সইতে না পেরে বোন সূচনা আত্মহত্যা করে। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, নিহত সূচনা আক্তারের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী রাজ্জাক ও সতিন ফারজানার বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের ভাই আরিফ হোসেন। মামলার পর সতিন ফারাজানাকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সঙ্গে ৪০টি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট সেবন করেন সূচনা আক্তার। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তিনি মারা যান। এরপর স্ত্রী সূচনা আক্তারের মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখেই আত্মগোপনে চলে যান সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক।


আরও খবর



দাবার কোর্টেই মৃত্যূর কোলে গ্র্যান্ডমাস্টার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ড চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের বিপক্ষে ভালো পজিশনেই ছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। 

হঠাৎ-ই দাবা ফেডারেশনের রুমে দুই দাবাড়ু শাকিল ও নাইম হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে জানান, ‘জিয়া ভাই মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।’

সেখান থেকে আর ফেরা হলো না দেশের জনপ্রিয় এই গ্র্যান্ডমাস্টারের। চলে গেলেন পরপারে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জিয়ার অসুস্থ হওয়ার খবর শুনেই সবাই দ্রুত ছুটে যান দাবা বোর্ডের রুমে। সবাই তড়িঘড়ি করে তাকে ধরে নিচে নামায়। জিএম রাজীবের গাড়িতে করে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিয়াকে।

মাত্র নয় মিনিটে পল্টনের দাবা ফেডারেশন থেকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত ঘোষণা করে ডাক্তার।

জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য ফেডারেশনেই ছিলেন। তার ছেলে তাহসিন তাজওয়ারও জাতীয় দাবা খেলছেন। এ সময় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে অবস্থান করছেন দাবা অঙ্গনের অনেকেই।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। ১৯৭৪ সালে জন্ম নেওয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শো ৭০ ফিদে রেটিংও তার।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হোন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।


আরও খবর



হামাস প্রধানের বোন ইসরায়েলি হামলায় নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image

ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর বোনসহ পরিবারের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজার শাতি শরণার্থী শিবিরে এ ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস এবং উপত্যকাটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এই তথ্য জানিয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন ছেলেসহ অনেক আত্মীয়-স্বজনকে হারিয়েছেন হানিয়াহ। এক প্রতিবেদনে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হানিয়াহ পরিবারের ওপর হামলা এবং নিহতের সংখ্যাটি নিশ্চিত করে হামাস। এসময় গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী যুদ্ধ অব্যাহত রাখার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করে তারা।

বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল এএফপি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, মঙ্গলবার সকালে শাতি শরণার্থী শিবিরে হানিয়াহ পরিবারের বাড়িটি লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়।

বাসাল বলেছেন, ইসরায়েলের হামলায় হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর বোন জাহর হানিয়াহসহ পরিবারের ১০ জন শহীদ হয়েছেন। সম্ভবত ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক লাশ রয়েছে। তবে ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে সেগুলো বের করার মতো আমাদের প্রয়োজনীয় কোনও সরঞ্জাম নেই।

বাসাল আরও জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলোকে নিকটবর্তী আল-আহলি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷


আরও খবর



হাবিপ্রবি শিক্ষক হয়ে স্বপ্নপূরণ নোবিপ্রবির রায়হান সজীবের

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সম্প্রতি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগে প্রভাষক পদে   নিযুক্ত  হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি  বিভাগের তৃতীয় ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ রায়হান সজীব।

কেমন ছিলো তার জার্নি?সেসবই জানবো আজ।মোঃ রায়হান সজীবকে নিয়ে ফিচার লিখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ সিনান তালুকদার। আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ।

কৃষিতে আসার গল্পটা কেমন  ছিলো জানতে চাইলে তিনি জানান, কৃষির সাথে হৃদ্যতা অনেকটা পারিবারিক, বাবা কৃষি কাজ করতেন। পড়াশোনার ফাঁকে মাঝে মাঝেই বাবার কাজে হাত লাগাতেন।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি নিয়ে পড়বেন এমন কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'উপকূলীয় কৃষি' বিভাগে ভর্তি হন,যা পরবর্তীতে "কৃষি" বিভাগে রূপান্তর হয়।


ছোটবেলা থেকেই শিক্ষক  হওয়ার ইচ্ছে ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, ছোটোবেলায় শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ছিলো কেবল পরীক্ষার খাতার 'জীবনের লক্ষ্য' প্রবন্ধে৷ কিন্তু সত্যিকারে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নের বুনন শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারে। মনের মধ্যে আর একটি স্বপ্ন লুকায়িত ছিলো, সেটি হলো পুলিশ অফিসার হওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার জার্নি টা কেমন ছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন,

"আমাদের সময়ে মফস্বল থেকে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের জায়গা করাটা এতো সহজ ছিলো না। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর শুরু থেকেই ভালো করার নিমিত্তে নিয়মিত ক্লাস, ল্যাব এবং পড়াশোনা করতাম। এরই ফলশ্রুতিতে প্রথম সেমিস্টারে প্রথম হই।প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করতে থাকি। সর্বশেষ নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় হয়ে স্নাতক কোর্স শেষ করি।

শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা' বিভাগে ভর্তি হই। এখানেও আলহামদুলিল্লাহ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করি।  যদিও কোভিড- ১৯ এর কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১ বছরের বেশি সময় লাগে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করতে। চারটি গবেষণা প্রকল্পে বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে কাজ করি প্রায় ২.৫ বছর। নিজের স্নাতকোত্তরের কাজ সহ স্যারদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশ করি এবং অনলাইন, অফলাইনে বিভিন্ন কোর্স এবং ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহন করি। হাবিপ্রবিতে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক মাস শিক্ষকতা করি।

তার এই সফলতায় পরিবার ও পরিবারের বাইরের মানুষের   ভূমিকা জানতে চাইলে তিনি বলেন-

"প্রত্যেক সফল মানুষের সফলতায় বাবা-মা'র অবদান অনস্বীকার্য, ঠিক আমার ক্ষেত্রেও ভিন্ন নয়। আমার সফলতার পেছনে আর একজন ব্যক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য, তিনি হচ্ছেন আমার বড় বোন।সবসময় তারা পেছন থেকে সাহস যুগিয়েছ।পরিবারের বাইরেও আমার জীবনে বেশ কিছু মানুষের প্রভাব রয়েছে, আমার এই ছোট্ট জীবনে অসংখ্য মানুষের স্নেহ, ভালোবাসা, সহযোগিতা পেয়েছি। পুরো ছাত্র জীবনে আমি সবসময় শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের মেধা মননের সংস্পর্শে আজকের এই আমি। বন্ধুদের কথা বলতে গেলে শেষ হবে না, তারা সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ভালো কিছু করার। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


ভবিষ্যতে শিক্ষকতা সেক্টর থেকে আর কি কি করার ইচ্ছে আছে জানতে চাইলে তিনি জানান,তার প্রথম প্রাধান্য হচ্ছে নিজেকে একজন ভালো শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা। কৃষি সেক্টরে তিনি একজন ভালো গবেষক হতে চান ।দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে।

অনুজদের জন্য(যারা কৃষি নিয়ে পড়ছেন)কিছু  পরামর্শ চাইলে তিনি  বলেন,

"আমার প্রিয় অনুজদের উদ্দেশ্য একটি উক্তি দিয়েই শুরু করি: The secret of success is constancy of purpose- Benjamin Disraeli 

তোমরা তোমাদের যে লক্ষ্য ঠিক করেছো সেটা পূরণ করার জন্য মিশনে নেমে যাও এবং সেই অনুযায়ী কাজ করো। প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করো। শিক্ষকতার স্বপ্ন হোক কিংবা অন্যান্য সরকারি চাকরি বা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে গমন বা উদ্যেক্তা হওয়া। উদ্দেশ্য যেটাই হোক ,কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিশ্রম করো,সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

 তার অন্যতম শখ হচ্ছে গাছ লাগানো।তবে ইদানীং পাখি পুষতেও শুরু করেছেন।অবসর সময়ে ঘুড়াঘুড়ি, আড্ডা, নতুন কিছু এক্সপ্লোর করা, গান শোনা, বই পড়া, সোশাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারা, বিশেষ করে দাবা খেলতে পছন্দ করেন।রায়হান সজীবের পছন্দের রং  কালো এবং সাদা।


আরও খবর