Logo
শিরোনাম
বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রী

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করছি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে বিবিসিকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি নিজে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছিল শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের শাসনামলে।

বিবিসি সাংবাদিক লরা কুনেসবার্গের আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে তার সরকারের প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্যই আমার সংগ্রাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুমের বিষয়ে অনেকেই অভিযোগ করতে পারেন, কিন্তু তা কতটা সত্য তা বিচার করতে হবে। এটা জানার আগে কেউ কোনো মন্তব্য করবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, তার দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, প্রকাশ্যে বা গোপনে সামরিক শাসক ছিলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে আমার বাবাকে (জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) হত্যা করা হয়। তিনি তখন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং আপনি জানেন যে আমার পুরো পরিবার, আমার মা, আমার তিন ভাই, দুই ভাতৃবধু, পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তারপর থেকে ২১ বছর ধরে, যে দেশটি বারবার অভ্যুত্থান প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি যোগ করেন যে প্রায় ২০ বার অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে এবং প্রতিবার রক্তপাত হয়েছে।

শেখ হসিনা বলেন, সেখানে গণতন্ত্র ছিল না, গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না, তাই আমি আমার দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি।

বিবিসিকে বলেন, সামরিক শাসকরা দীর্ঘদিন ধরে দেশ শাসন করেছে এবং তারা দল গঠন করেছে এবং ভোটের জন্য তারা কখনো জনগণের কাছে যায়নি।তারা সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য সবকিছু ব্যবহার করেছে।

নিখোঁজের অভিযোগের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিবিসি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, আপনার দেশে এবং অন্যান্য দেশে কত লোক নিখোঁজ হয়েছে? আপনি বিচার করতে পারেন। এই সমস্ত বিষয় আমি মনে করি, প্রথমে আপনাকে বিবেচনায় নিতে হবে। সমস্ত তথ্য আপনার সংগ্রহ করা উচিত, তারপর আপনি অভিযুক্ত করতে পারেন।

আপনার এবং বাংলাদেশের কাছে কমনওয়েলথের গুরুত্ব কতটা, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই এর মূল্য অনেক বেশি, যখন আমরা একসাথে থাকি, সেখানে অনেক সুযোগ থাকে, তাই, এটা ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের একটা জায়গা আছে যেখানে আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করতে পারি। কিছু ধারণা গ্রহণ করতে পারি বা দেশ বা জনগণের জন্য কিছু ভাল কাজ করতে পারি। তাই, আমার মনে হয় এটা ভালো।

তিনি বলেন, বর্তমানে, আপনি দেখতে পাচ্ছেন, যে একটি দেশ একা চলতে পারে না। কারণ, এটি একটি আন্তঃনির্ভর বিশ্ব। সুতরাং, এই পরিস্থিতিতে সদস্য দেশগুলোর জন্য কমনওয়েলথের অর্থ অনেক বড়। প্রতিটি দেশ একসাথে কাজ করতে পারে-কারণ, অনেক দেশ আছে উন্নত দেশ, উন্নয়নশীল দেশ এবং দরিদ্র দেশ, ছোট দ্বীপ দেশ।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে ব্যক্তিগত স্মৃতি নিয়ে, তিনি বলেন, এটি ১৯৬১ সালে যখন তিনি (রানি) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সফর করেছিলেন এবং তিনি তাকে ব্যক্তিগতভাবে প্রথমবার দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, তখন আমরা খুব ছোট এবং আমার বাবার অফিসে গিয়েছিলাম। কারণ, আমরা জানতাম যে তিনি সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাই, আমরা পুরো পরিবার দূরবীন নিয়ে জানালায় অপেক্ষা করেছি। ফলে, আমরা তাকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি।

তিনি যোগ করেন যে যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তিনি প্রতিটি কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে রানির সাথে দেখা করেছেন।

আমি প্রায় সাতটি কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছি। প্রতিবারই আমি তার সাথে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। প্রয়াত রানির আমন্ত্রণে তিনি অলিম্পিক গেমসে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বলে তারা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সাথে আলাপ আলোচনা করেছেন।

প্রয়াত রানির সঙ্গে সুন্দর স্মৃতির কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তার (রাণী) চমৎকার স্মৃতিশক্তি ছিল এবং তিনি আমাকে না দেখলে হাসিনা কোথায় ছিলেন বলতেন।

যুক্তরাজ্যের একজন রাণী ছিলেন এতে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, রানি কমনওয়েলথেরও একজন নেতা। কমনওয়েলথ দেশগুলোর একজন সদস্য হিসেবে তিনি আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান ছিলেন।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




রাজাকারদের তালিকা তৈরির নীতিমালা হচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রাজাকারদের তালিকা তৈরির আইন সংসদে পাশ হবার পর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।

রবিবার দুপুরে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নীতিমালা তৈরি হবার পর তালিকা প্রস্তুত করার জন্য সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাহজাহান খানকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তালিকা তৈরি করতে আরও এক মাসের মত সময় লাগবে। তিনি বলেন, আগে এর কোন ভিত্তি ছিলো না, কিন্তু এখন পাশ হবার পর এর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। এসময় তার সাথে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : একটি জাতীয় পরিচয়পত্র  দিয়ে একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া যাদের এনআইডি নেই তারা জন্মসনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট দিয়ে দুটি সিম কিনতে পারবেন। কিন্তু একটি এনআইডির বিপরীতে ২৩১টি সিমও পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে। এনআইডি বা স্মার্টকার্ডের বিপরীতে অধিক সংখ্যক সিম কেনা ও নিবন্ধন করার ঘটনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
জানা যায়, বিটিআরসি একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ২৩টি, ২৭টি, ৩০টি, ৩২টি এমনকি সর্বোচ্চ ২৩১টি সিম নিবন্ধনের সন্ধান পেয়ছে। ২৬টি করে সিম আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৬ জন। ৩০টি করে সিম আছে ১৫ হাজার ২৫৭ জনের। ২৪টি করে সিম আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ২০ হাজার ৭০০ জন। ২৩টি করে সিম আছে ২৪ হাজার ৬৭৯ জনের। অন্যদিকে ২০টি করে সিম আছে ৪৭ হাজার ৮২৫ জনের। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি সিম আছে, এমন গ্রাহকের সংখ্যা ৭ লাখ ২৩ হাজার ৯২৩টি।  

নির্বাচন কমিশন ১০, ১৩ ও ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে থাকে। এর আগে সিবিভিএমপি (সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিকস ভ্যারিফিকেশন মনিটরিং সিস্টেম) সলিউশনে ১৭ ডিজিট ও ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর এবং জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বরের ম্যাপিং না থাকায় একজন গ্রাহকের পক্ষে ৭৫টি (প্রতিটি ডকুমেন্টের বিপরীতে ১৫টি করে) সিম নিবন্ধন করা সম্ভব ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালের ১৬ মার্চ জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর ব্যবহার করে সর্বোচ্চ দুটি সিম নিবন্ধনের বিষয়ে কমিশন নির্দেশনা প্রদান করে।

এ অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিতিতে সিবিভিএমপি সলিউশনে ১৭ ও ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বরের মধ্যে ম্যাপিং না থাকায় একজন গ্রাহকের পক্ষে ৩৬টি (১৫+১৫+২+২+২) সিম নিবন্ধন করা সম্ভব।

বিভিন্ন ধরনের পরিচিতি নম্বরের মধ্যে ম্যাপিং না থাকায় যেসব সমস্যা বর্তমানে হচ্ছে তা হলো গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন করা সম্ভব হচ্ছে না। একজন গ্রাহকের কাছে প্রকৃতপক্ষে কতগুলো সিম আছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না, সিম ব্যবহার করে কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীকে শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে, একজনের নামে নিবন্ধিত সিম অন্যজন ব্যবহার করে অপরাধ ঘটাচ্ছে এবং সরকারের বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সঠিক তথ্য প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বাংলা  বলেন, নতুন উদ্যোগের মূল কারণ হলো একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে ১৫টির বেশি মোবাইল সিম নেওয়া যাবে না। যাদের ১৫টির বেশি সিম থাকবে তাদের বাড়তি সিমগুলো সিংক্রোনাইজ করা হবে। পুরোপুরি বন্ধ করার আগে গ্রাহককে সেগুলোর বিষয়ে সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজ ও স্মার্ট কার্ডের ডাটাবেজের মধ্যে সংখ্যাগত পার্থক্য থাকায় দুটি দিয়েই গ্রাহক অনেক সিম নিতে পারছে। এটা সেন্ট্রাল ডাটাবেজের সঙ্গে ম্যাচও করছে না। নিয়ম হচ্ছে প্রতিটা জিনিসের তথ্য আমাদের ডাটাবেজে থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিলে এপিআইয়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে সিবিভিএমপি সলিউশনে রাখা ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের সঙ্গে ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের ম্যাপিং কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৮ মে ম্যাপিংয়ের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়। এরমধ্যে দেখা যায় ভুল জন্ম তারিখের কারণে ম্যাপিং করা সম্ভব হয়নি এমন ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের সংখ্যা ১৭ লাখ ৪৪ হাজার ৪০২টি। এগুলো সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন মনে করে বিটিআরসি। এজন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।  



আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




প্রতারণা, মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’ নামে ব্র্যান্ডিং করে ‘বড় প্রতারণা’র ছকে শহুরে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ হচ্ছেই না। বারবার বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় শিগগিরই মিনিকেট চালের বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই, তাই আমরা সুপারশপ এবং রাইস মিলগুলোতে চিঠি দেব, যাতে এর বাজারজাত বন্ধ করা হয়। এটা বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমরা অভিযান শুরু করব।

এক সময় উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে বীজ সংগ্রহ করা হতো। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এখন সরকারের সায় নিয়ে এই চাল বাজার থেকে তুলে নিতে মিলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপার শপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের মূল্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সব কিছু ছাপিয়ে মিনিকেট প্রসঙ্গটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই দিন সচিবালয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারে প্রচলিত চালের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বাজার থেকে মিনিকেট চাল সরাতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তারা পেয়ে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা ধান গবেষণায় যুক্ত, তারা জানিয়েছেন, মিনিকেট নামে চালের কোনো ভ্যারাইটি নেই। এটি একটি প্রতারণার ছক। এর ব্র্যান্ডিং করে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মিনিকেট চালের বাজারজাতকরণ বন্ধের জন্য ভোক্তা অধিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সচিবালয়ে “মিনিকেটের উৎপত্তি সম্পর্কে মানুষ যদি জানত, তাহলে মিনিকেট চাল খুঁজতে যেতে না। এক সময় আমরা উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে কিছু বীজ সংগ্রহ করি। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এই হলো মিনিকেটের ইতিহাস। এটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মিনেকেট নামটা উচ্ছেদ করার জন্য মোবাইল কোর্ট চালাতে পারে। আমরা একটা আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। এখন সেটা ভেটিংয়ের অপেক্ষায় আছে। ব্র্যান্ড যেটাই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের জাতের কথা উল্লেখ করতে হবে। 

এদিকে, সুপার শপে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্য মোড়কীকরণ করে বিক্রি করতে গিয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য। তবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া সুপার শপ প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, খোলা বাজারে যে চাল ১২০ টাকা বিক্রি হয়, সেটা কিন্তু তিন হাতের লভ্যাংশ দেওয়ার পরই বিক্রি হয়। আপনারা এর সঙ্গে হয়তো একটা প্যাকেট যোগ করেছেন। সেজন্য খরচ হয়তো ৫ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু সেজন্য আপনি ৩০ টাকা লাভ করে বসতে পারেন না। তাছাড়া আজকের বাজারের সঙ্গে মেলালে আপনার হবে না। কারণ আপনি ধানটা কবে কিনে রেখেছিলেন, সেটা স্মরণ করেন। দিনাজপুরে ধানের মজুদের একটা ঘটনা ঘটেছে। সেটা নিয়ে আমি বলতে চাই না। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এভাবে মজুদ করে, আর বাজারের সঙ্গে তুলনা দেয়, তাহলে তো হবে না।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ভারতে দলিত ২ বোনকে ধর্ষণ ও হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

উত্তর প্রদেশের লখিমপুরে দলিত ২ কিশোরীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মৃতদেহ গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্য দিয়ে ভারতজুড়ে নারীদের নিরাপত্তাহীনতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ১৭ ও ১৫ বছর বয়সী ওই দুই বোনের সাথে ঘটা নির্মম ঘটনা, ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টায় জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপরও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে 'অসংবেদনশীল আচরণের' অভিযোগ স্থানীয়দের। জোড়া খুন, ধর্ষণ ও অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টায় যে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হলেন সুহেইল, জুনাইদ, হাফিজুল রেহমান, করিমুদ্দিন ও আরিফ। পুলিশ বলছে, বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকায় দুই বোন স্বেচ্ছায় সোহেইল ও জুনাইদের বাইকে করে ঘুরতে বেরিয়েছিল। তবে, পরিবারের দাবি, মেয়েদের অপহরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তেও তাদের ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




হিমাচলে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ৭

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

পর্যটকদের নিয়ে খাদে পড়ে খানখান হয়ে গেল গাড়ি। হিমাচল প্রদেশের কুলু জেলায় রোববার রাতের এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সাত পর্যটকের। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কুলু জেলার বানজার এলাকায় ৩০৫ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগোচ্ছিল পর্যটকবাহী ওই গাড়িটি। রাতের অন্ধকারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় গাড়িটি। গভীর খাদে পাথরের ওপর আছড়ে পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় গাড়িটি।

স্থানীয়রাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর পাঁচ জনকে কুলু হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বাকি পাঁচ জনের চিকিৎসা চলছে বানজার হাসপাতালেই। তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মৃতরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং দিল্লির বাসিন্দা। কুলুতে তারা সকলেই ঘুরতে এসেছিলেন।

কুলুর জেলা প্রশাসক আশুতোষ গর্গ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটিতে চালক-সহ মোট ১৭ জন ছিলেন। কিন্তু কীভাবে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাহাড়ি রাস্তায় খাদের ধার দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় চালকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের তরফেও গাড়ির মালিক এবং চালকদের সচেতন করা হয়ে থাকে। তবু দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


সূত্র- এনডিটিভি।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২