Logo
শিরোনাম

সয়াবিন তেল লিটারে ৩৮ টাকা বাড়লো

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাণিজ্যসচিবের সঙ্গে মিল মালিকদের বৈঠকের পর বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৮ টাকা। বর্তমানে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বাজারে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগামী শনিবার থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মে) বৈঠকের পর নতুন এ দাম নির্ধারণ করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন’। একইসঙ্গে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে ১৮০ টাকা এবং পাম সুপার বিক্রি হবে ১৭২ টাকা লিটার দরে।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, নতুন দর শুক্রবার (৬ মে) থেকে কার্যকর হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপনকান্তি ঘোষের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকেই ভোজ্যতেলের নতুন এই দাম নির্ধারিত হয়েছে।

তপনকান্তি ঘোষ জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেলের দাম অত্যাধিক মাত্রায় বেড়েছে। ফলে দাম সমন্বয় না করলে ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে পারতো না। সে কারণেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাসোসিয়েশন একটি দাম প্রস্তাব করে। সেটি নিয়মানুযায়ী দেখে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্রারিফ কমিশন। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব নিয়মনীতি অনুসরণ করেই ভোজ্যতেলের নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




টিটি শফিকুলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার : সুজন

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

মন্ত্রীর আত্মীয়কে জরিমানাকারী ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) শফিকুল ইসলামের বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করেছেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এছাড়া পাক‌শীর বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (‌ডি‌সিও) না‌সির উদ্দিনকে শোকজ করা হবে বলে জানান তিনি।

রবিবার (৮ মে) রেল ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভুলভ্রান্তি হলে মানুষ তো সেভাবেই দেখবে। এখানে যদি দেখা যায় আমার স্ত্রী কোনো দোষ করে থাকে, ইয়ে করে থাকে, আমার কোনো ইনভলভমেন্ট এখানে ছিল না। বলা হচ্ছে যে, মন্ত্রীর কারণে এমনটা ঘটছে। আমার যদি কিছু করার থাকত তাহলে তো সরাসরিই করতে পারতাম। কারো সাহায্যের তো দরকার হবে না। মেসেজটা যেভাবে গেছে সেটা সঠিক না।

রেলমন্ত্রী বলেন, টিটিই শফিকুল ইসলাম সেদিন তার দায়িত্বই সঠিকভাবে পালন করেছেন।

গত ৪ মে রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে এই জরিমানার ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (৫ মে) বিকেলে ঈশ্বরদীর পাকশী বিভাগীয় ডিসিও নাসির উদ্দিনের নির্দেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।


আরও খবর



চারগুণ লাভে বিক্রি : ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতারণার মহোৎসব চলছে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৮জন দেখেছেন
Image

 ঈদের দিন নতুন জামা-কাপড় পড়বেন প্রতিটি কাপড়ের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। শুধু দাম বৃদ্ধিই নয় নামীদামি মার্কেটের দোকান এবং ব্র্যান্ডেড দোকানে ন্যার্য্য মূল্যের নামে কাপড়ে প্রকৃত দাম উঠিয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দাম লিখে রাখা হয়েছে। এভাবেই ক্রেতাদের পটেক কাটা হচ্ছে। এ যেন প্রতারণার মহোৎসব চলছে।

কাপড় ব্যবসার নামিদামি প্রতিষ্ঠান। বহু বছর ধরে ‘এক রেটে’ কাপড় বিক্রি করা হয়। অথচ ঈদ উপলক্ষ্যে বেশি ক্রেতা চাহিদার সুযোগে অধিক লাভের জন্য অতিরিক্ত রেটের ট্যাগ লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। মধ্যম সারির দোকান এবং বিপনি বিতানেও ব্যবসায়ীদের একই অপকাণ্ড দেখা গেছে। কম দামের কাপড়ে কোনোটার ভিতরে ট্যাগে প্রকৃত মূল্য লেখা থাকলেও উপরে অতিরিক্ত দাম লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। আবার কোনোটির নতুন দাম লিখে পুরনো দাম কালি দিয়ে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। এভাবেই রাজধানীর মার্কেট ও বিপনি বিতানগুলোতে ক্রেতা ঠকানো হচ্ছে ঈদের কেনাকাটায়। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান আদালত হাতেনাতে ধরে অনেকগুলো দোকানের জরিমানাও করেছে। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উপলক্ষ্যে ভোক্তাদের ঠকানোর এই অভিনব প্রতারণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জামা-কাপড় কিনে ভুক্তোভোগীরা ব্যবসায়ীদের নানান গালিগালাজ করছেন।

জানতে চাইলে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ব্যবসায়ীরা মুনাফার পেছনে ছুটছে। তাদের মধ্যে যে নৈতিকতা থাকা দরকার তা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে না। তবে ভোক্তা অধিদফতরের সাম্প্রতিক অভিযানে বাজার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এই অভিযান অব্যাহত রাখা উচিত। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার। পণ্যের মান, ভেজাল, নকল পণ্য ইত্যাদি প্রতিরোধে আইন আছে। তবে মুনাফা নির্ধারণেও যুগোপযোগী আইন থাকা দরকার।

রাজধানীর মিরপুর বেনারসী পল্লীতে মিতু কাতান শাড়ি ঘরে ১৭০০ টাকা দামের শাড়ি বিক্রি করা হচ্ছে ১৭ হাজার টাকায়। গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৬ এপ্রিল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। একই জায়গায় ও তাওছিফ বেনারসি ফ্যাশনে তদারকি করে দেখা যায়, তাদের কাছে কোনো ক্রয় রসিদ নেই। ক্রেতাকে বিক্রয় রসিদও দেওয়া হয় না। শাড়িতে দেওয়া স্টিকারে এসএল নম্বর ও কোড দেওয়া থাকলেও কোনো মূল্য লেখা নেই। এসএল অনুযায়ী বালাম বই চেক করে দেখা যায়, ইচ্ছেমতো ক্রয়মূল্য লিখে রেখেছেন বিক্রেতারা। ক্রয়মূল্যের পক্ষে কোনো কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি তারা। পরে জরিমানা করা হয় অনেক দোকানকে।

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে অস্বাভাবিক মূল্য আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেছে রাজধানীর নিউমার্কেট, হকার্স মার্কেস, চন্দ্রিমা উদ্যান, ধানমন্ডি, সাইন্সল্যাব, জিগাতলা এলাকায়ও। পোশাকের দাম কমানোর প্রতারণামূলক লোভনীয় অফার, যৌক্তিক দামের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দাম নেওয়া, দামি ব্র্যান্ডের পণ্য নকল করাসহ নানাভাবে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছেন অসৎ ব্যবসায়ীরা। সব ধরনের পণ্যেই এ ধরনের শত রকমের চাতুরতা দেখা যাচ্ছে তাদের। তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরকে ঘিরে এই প্রবণতা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

ঈদকে সামনে রেখে মূল্যছাড়ের নামে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বিক্রি বাড়াতে লটারি, বিশেষ ছাড় কিংবা ফ্রি উপহার দিয়ে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করছেন দোকানিরা। নগরীর ছোট-বড় শপিংমল, মার্কেট, বিপণী বিতানে চলছে বিশেষ ছাড় ও নগদ মূল্যছাড়। কেউ দিচ্ছেন একটা কিনলে একটা ফ্রি। দেয়া হচ্ছে লাকি কুপন, স্ক্র্যাচ কার্ড; যাতে পুরস্কার হিসেবে থাকছে সোনা, হীরা, গাড়ি, ফ্ল্যাট, টিভি, ফ্রিজ, মোটরসাইকেলসহ অস্যংখ্য পুরস্কার। কিন্তু বাস্তবে এমন মূল্যছাড় বা পুরস্কার আদৌ কেউ পান কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন অনেকেরই।

রাজধানীর মিরপুর এলাকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিউমার্কেট ও এর আশেপাশের এলাকার ব্যবসায়ীরা ঈদের আগেই একাধিক বৈঠক করেন বলে জানিয়েছে নির্ভরযোগ্য সূত্র। সেখানে এই বৈঠকের মূল এজেন্ডাই ছিল বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণার মাধ্যমে ক্রেতাদের পকেট কাটা। বৈঠক সূত্র নিশ্চিত করেছে, টানা দুই বছর ঈদের বেচাকেনা না হওয়ায় সেই ক্ষতির পাশাপাশি আরও অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। স্বাভাবিকভাবেই রাজধানীর নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা লোকের সংখ্যা অগণিত। শুধু ঢাকার মানুষই নয়, ঢাকার বাইরে থেকেও অনেক মানুষ নিউমার্কেটে আসেন শুধু ঈদের কেনাকাটা করতে। একই চিত্র মিরপুর বেনারসী পল্লীর ক্ষেত্রেও। ঈদ, বিয়ে কিংবা উপহার-শাড়ির জন্য নির্ভরযোগ্য ও ঐতিহ্যবাহী বেনারসী পল্লী। এবার সেই সুযোগটিই কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন এই দুই এলাকার ব্যবসায়ীরা। অনেকটা নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়েও গিয়েছিলেন। তবে ভোক্তা অধিকারের নিয়মিত অভিযানের কারণে পুরোপুরি লক্ষ্য বাস্তবায়িত করতে পারেননি এই অসাধু চক্র।

অথচ রাজধানীর অভিযাত এলাকা হিসেবে খ্যাত উত্তরা, গুলশান কিংবা বনানীর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্নগ্রহের মতোই। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই বেচাকেনা হচ্ছে পণ্য। দাম বৃদ্ধির অভিযোগও নজরে আসেনি ভোক্তা অধিকারের। তবে এলাকার দোকান ভাড়াসহ যাবতীয় খরচের কথা বিবেচনায় আনলে মিরপুর ও নিউমার্কেটের তুলনায় অভিজাত এসব এলাকায় খরচ হওয়ার কথা ছিল আরও বেশি। তবে সিন্ডিকেটে যুক্ত না হওয়ায় সে দৃশ্য চোখে পড়েনি। অন্যদিকে ঈদের আগে থেকেই বিভিন্ন অনলাইন শপ থেকে যেরকম দামে পণ্য কেনা যেত এখনও তার তেমন কোন ব্যতিক্রম হয়নি। অন্যদিকে সরেজমিনে ঈদের পোশাকের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আগত পণ্যের শতকরা ৯০ ভাগই দেশীয়। সুতরাং বাড়তি খরচেরও সম্ভাবনা কম। তবুও বিদেশী পণ্যের পাশাপাশি দেশী পণ্যেও লাগামহীন মুনাফা করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সে কথা হয় আরিফুল ইসলাম ও মৌসুমি ইসলাম দম্পতির সঙ্গে। আরিফুল জানান, ঈদে পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করেছি। প্রায় ১২ হাজার টাকার শপিং করেছি। ছোটদের পোশাক তুলনামূলক দাম এবার একটু বেশি। জানালেন, প্রায় প্রতিটি পণ্যে বিক্রেতারা স্ক্র্যাচ কার্ড দিয়েছেন। ঈদের পরে লটারির ড্র হবে। তবে পুরস্কার আদৌ পাব কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি নিজেই। রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন গৃহিণী সুরভী ইসলাম। তিনি জানান, পরিবারের সবার জন্যই পোশাক কিনেছি। কিন্তু দাম অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি। তিনিও অভিযোগ করে বলেন, মূল্যছাড় দেয়ার নামে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। যার ফলে চড়া দামে পোশাক কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এসব অনিয়ম রুখতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর প্রতিদিনই বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করছে। তবুও থামছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। এ পরিস্থিতিতে আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে অধিদফতর। জরিমানার পাশাপাশি মামলা ও কারাদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

ভোক্তা-সংশ্নিষ্টরা বলছেন, আইনে শিথিল প্রয়োগ ও নৈতিকতার অভাবে অতি লোভী হয়ে উঠছেন একশ্রেণির ব্যবসায়ী। তাদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনের আরও কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কেউ ক্রেতাদের কাছ থেকে আসল পণ্যের দাম নিয়ে নকল পণ্য দিচ্ছেন। আবার কেউ টাকা নিয়েও পণ্য দিচ্ছেন না। অনলাইন এবং প্রথাগত-দুই ধারাতেই যে যার মতো করে ফাঁদ পাতছেন। এসব অনিয়মের মধ্য দিয়ে ভোক্তার পকেট কাটছেন অসৎ ব্যবসায়ীরা। সারা বছরই কমবেশি এ ধরনের অনিয়ম হলেও গত কয়েকদিন তা ব্যাপক হারে বেড়েছে। সাম্প্রতিক অভিযানে নানা ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের প্রমাণ হাতেনাতে পেয়েছেন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

এভাবে গত এক মাসে বেশ কয়েকটি অনিয়ম পাওয়া গেছে। দেখা যায়, চারগুণ লাভে পোশাক বিক্রি করেছে বনশ্রীর আর্টিসান। একটি শার্টের প্যাকেটের গায়ে লেখা ১৬৯৫ টাকা। কিন্তু ভেতরে ট্যাগে লেখা ১১৯৫ টাকা। এ ছাড়া কোনো কোনো প্যাকেটের গায়ে লাগানো পণ্যমূল্য এবং বারকোড মুছে দেওয়া হয়েছে কালি দিয়ে।

জুতা তৈরিতেও চাতুরতা দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। রাজধানীর পোস্তা এলাকায় নামকরা ব্র্যান্ড বাটা জুতার নাম নকল করে বালা ও এপেক্সের নাম পরিবর্তন করে এডেক্স ও এপক্স জুতা তৈরা করা হচ্ছে। বাটা এবং এপেক্সের আসল লোগো নকল করে বিভিন্ন জুতায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

অধিদফতর বলছে, কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে জরিমানা করার পর আবারও একই অপরাধ করছেন ব্যবসায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী, মামলা দায়ের হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে অধিদফতরের।

এ বিষয়ে অধিদফতরের পরিচালক মনজুর মোহম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থে আরও কঠোর হচ্ছে অধিদফতর। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার পরও অনিয়ম কমেনি। তাই ঈদের পর শুধু জরিমানা নয়, আইন অনুযায়ী অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হবে


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




ঈদে উপহারের ঘর পাবে প্রায় ৩৩ হাজার পরিবার

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

তৃতীয় ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাবে ৬৫ হাজারের বেশি পরিবার। এমন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়েই নির্মাণ কাজ করছে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। এরইমধ্যে অর্ধেক বাড়ি প্রস্তুত হয়ে গেছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ এপ্রিল ঘরগুলো গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এই ঘরগুলো সংশ্লিষ্ট পরিবারের জন্য ঈদের উপহার বলছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

তারা জানান, তৃতীয় ধাপে ৬৫ হাজারের বেশি ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল আমাদের।সে লক্ষ্যেই নির্মাণকাজ চলছে। এরইমধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর নির্মাণ হয়ে গেছে। ঈদের আগে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা গেলে তাদের ঈদ আনন্দে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। জানা যায়, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের তুলনায় তৃতীয় ধাপে কাঠামোতে আসছে বেশ পরিবর্তন। বাড়ানো হয়েছে ব্যয়। যে কারণে ঘরগুলো মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

উল্লেখ্য, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের এরই মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে এক লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি ঘর দেওয়া হয়েছে। তবে এসব ঘরে এর মধ্যে বেশকিছু ত্রুটি পেয়েছে সরকার। ফলে ত্রুটি চিহ্নিত করে তৃতীয় ধাপে সমাধান করেই নির্মাণ করা হচ্ছে ঘর। তাই ব্যয়ও বেড়েছে আগের তুলনায় ৬৯ হাজার টাকা।


আরও খবর



ভোর থেকে রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

তখন নগরবাসী ঘুম ভাঙেনি। হঠাৎ দমকা হাওয়া। হাওয়ার দাপটের সঙ্গে বজ্রের ধ্বনি। কোথাও কোথাও যেনো বাজ পড়ল। যারা ঘরের জানালা খুলে ঘুমিয়েছিলেন আচমকা শব্দে তাদের কারও ঘুম ভাঙল। ঘুমের আড়মোড়া ভেঙে জানালা লাগিয়ে দেন তারা। ততক্ষণে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে।

ভোর ৬টা থেকে বৃষ্টি শুরু, যা চলে সকাল আটটা পর্যন্ত। এখন হালকা বৃষ্টি পড়ছে। টানা বৃষ্টিতে ঢাকায় কোনো কোনো সড়কে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ বুধবার। কেউ কেউ ভেবেছিলেন, সকাল সকাল আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাবেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেউবা বিনোদনকেন্দ্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে বসেছে। যদিও দিন বাড়তে থাকলে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমে আসতে শুরু করেছে। তবে বৃষ্টি নেই হয়ে যায়নি। ঝরছে টিপটিপ করে। যাকে বলে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি।

বৃষ্টিতে রাজধানীর বাসিন্দাদের খুব যে একটা ক্ষতি হয়েছে সেটা বলা যায় না। কেননা, এখনো সবার মনে ঈদের আমেজ। অফিসে কিংবা কর্মস্থলে যাওয়ার তাগিদ নেই। তাই বৃষ্টির সকালটায় আরামদায়ক আলস্যে কাটিয়ে দিচ্ছেন কেউ কেউ। বৃষ্টির পরশে বয়ে যাওয়া ঠাণ্ডা হাওয়ায় ঘুমকাতুরেদের ঘুম ভাঙতে খানিকটা দেরি হবে বুঝি!


আরও খবর



পটুয়াখালীর উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশের মোট মুগডাল উৎপাদনের শতকরা ৫৫ ভাগ হচ্ছে পটুয়াখালীতেই। এখানের উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে জাপানে রপ্তানী হচ্ছে। এটির উৎপাদন আরো ব্যাপক হারে ছডিয়ে দেয়া গেলে অর্থনিতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চা‌হিদার মাত্র দশভাগ দে‌শে উৎপাদন হয়, বা‌কিটা বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা খরচ ক‌রে বাই‌রে থে‌কে আমদানী কর‌তে হয়। তাই দে‌শের উৎপাদ‌নের মাত্রা পটুয়াখালীর মত সারা‌দে‌শে বাড়া‌তে হ‌বে।   সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে মুগডালের মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকের সাথে মতবিনিময় কালে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "পটুয়াখালীতে আগে কৃষকেরা শুধুমাত্র ধান চাষ করত। শুকনা মৌসুমে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে অন্য কোন ফসলের চাষ করা যেতনা। কৃষি মন্ত্রনালয় এ অঞ্চলে ডাল চাষের উদ্যেগ নেয়। কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি মুগ ৬ চাষ করে এখানকার কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে। এতে আমরা এলাকাভিত্তিক ফসল বিন্যাসের চেষ্টা করছি।

“পটুয়াখালীর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু পানি সংকট। খালগুলো ভরে গেছে, সেচের ব্যাবস্থা নাই, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো কাজ করেনা। তাই দক্ষিণাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এই এলাকার কৃষিতে একটি বিপ্লব নিয়ে আসবে যাতে  দক্ষিণাঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনিতিতে একটি বড় ভুমিকা রাখতে পারে। দেশকে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ন করতে কোন জমি যাতে আর অনাবাদি না থাকে সেজন্য কৃষি গবেষনা ইনিস্টটিউট গবেষনার  মাধমে আবহাওয়া সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করছে। এসব ফসল উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে কৃষকদেরকে সার, উন্নতমানের বীজ ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন প্রনোদনা দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। সমতল ভুমিতে কোন কোন অঞ্চলে চাষীরা সারা বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপাদন করে।

তিনি আরো বলেন, পটুয়াখালীতে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার নেই কৃষকেরা যাতে এসব যন্ত্রপাতি কিনে ব্যাবহার করতে পারে সেজন্য ভর্তুকীর ব্যাপারে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নেবো। এছাড়া মুগডাল মাড়াইয়ের জন্য একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট এটি ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।” জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সাংসদ কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. দেবাশিষ সরকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নানসহ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন। পরে কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালীতে বোরো প্রদর্শনীর নমুনা ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে অংশগ্রহন করেন মন্ত্রী।                    পটুয়াখালী‌তে এ বছর ৮৬ হাজার ৪শ ৩১ হেক্টর জ‌মি‌তে মু‌গের অাবাদ করা হ‌য়ে‌ছে। লক্ষমাত্র ধরা হ‌য়ে‌ছে ১লাখ ৩১ হাজার ২শ ৫০ মে‌ট্রিক টন। ই‌তোম‌ধ্যে ৬৫ ভাগ মুড ডাল ফসল ঘ‌রে তোলা হ‌লেও ঘূ‌র্ণিঝড় অশনীর প্রভা‌বে ভারী বর্ষনে লক্ষমাত্রা অর্জন ব‌্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দি‌য়ে‌ছে।



আরও খবর