Logo
শিরোনাম

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতে লোকসভা নির্বাচেনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শনিবার (০১ জুন) সপ্তম ধাপে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে।

আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবে দেশটির নির্বাচন কমিশন। তবে এরইমধ্যে বুথফেরত ফলাফল ঘোষণা করেছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। এতে বলা হয়েছে, এবার হ্যাটট্রিক করতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নির্বাচনে দেশটির বড় দুটি জোটের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এ দুটি হলো ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট।


বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবার ভোটের ৩৫৩ থেকে ৩৮৩ আসন পেতে পারে। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেতে পারে ১৫২ আসন থেকে ১৮২ আসন। ভারতের কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ২৭২ আসন।

তাই ম্যাজিক সংখ্যা থেকেও বিজেপির আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি বলে আভাস দিচ্ছে একাধিক সমীক্ষা।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, এবিপি আনন্দের যৌথ বুথ ফেরত মত বলছে, বিজেপি এবার এককভাবে ৩১৫ আসন পাবে। আর কংগ্রেস পাবে ৭৪টি আসন।

শনিবার (১ জুন) সাত দফার ভোট গ্রহণের শেষ দফা ভোট পর্ব শেষ হতেই এক এক করে দেশটির গণমাধ্যম গুলো বুথ ফেরত ফলাফল প্রকাশ করতে শুরু করে। আর সেখানে এমন আভাস পেয়ে কার্যত খুশি মোদির দল।

তবে এটাও সত্যি যে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪০০ আসনের বেশি আসন পেয়ে বিজেপি সরকার গড়বে বলে যে দাবি করেছিলেন- সেই দাবি কিন্তু বুথ ফেরত সমীক্ষার আভাস পুরোপুরে খারিজ করে দিয়েছে।


দেশটির অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থার আভাস বলছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানে বিজেপি তাদের অবস্থান ধরে রাখবে। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের কেরালাও বিজেপি এবার খাতা খুলতে পারে। একই সঙ্গে মমতার রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গেও তৃণমূলের চেয়ে বেশি আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনাও দেখাচ্ছে সমীক্ষা।

দেশটির তিনটি বড় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া, টুডেজ টানক্য-এর সমীক্ষার গড় হিসেব করলে মমতার রাজ্যে মোদির দল এবার ২৫টিরও বেশি আসন পেতে পারে।

আর তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৫টি আসন। ৪২ আসনের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি গেলবার ১৮টি আসন, তৃণমূল ২২ টি আর কংগ্রেস ২টা আসন পেয়েছিল। সে হিসেবে তৃণমূল এবার ৭টি আসন হারাতে চলেছে।


আরও খবর



দেশে ফিরলেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৮

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



ববিডি টুডেস ডেস্ক:


পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি।



 এ বছর হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।



বুধবার (৩ জুলাই) ভোরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।



বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৮৩ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১০৯টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪১টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।


হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ জন হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।



এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪৬ জন, মদিনায় চারজন, মিনায় ছয়জন ও জেদ্দায় দুইজন মারা গেছেন।


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।


এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ 



এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪১ জন হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবার পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল।


সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে নামাজে জানাজা হয়।



আরও খবর



নওগাঁয় পাওনা ৩৫ কোটি টাকা পাওয়ার আশায় কৃষক-ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর মহাদেবপুরে ওসমান এ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওসমান গণির বিরুদ্ধে ধান ব্যবসায়ী ও কৃষকদের প্রায় ৩৫কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অর্থ আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে রয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে পাওনাদাররা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ‘ভুক্তভোগী সকল পাওনাদারের’ ব্যানারে মানববন্ধন করছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি কোম্পানিকে ভাড়া দিয়ে পরিবারসহ ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি। এদিকে অভিযোগকারী ব্যবসায়ীরা টাকা না পেয়ে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। পরে ভুক্তভোগীরা ওসমান গণির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারক লিপি দেন।

মানববন্ধনে আড়তদার আবু আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে আড়তদার সামিউল আলম, ইমতিয়াজ হোসেন সরদার, মাসুদ মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ও অভিযোগকারী কৃষকরা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে প্রায় তিন শতাধিক ব্যবসায়ী ও কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী ও কৃষক সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার নওগাঁ টু মহাদেবপুর সড়কের আখেড়া এলাকায় ওসমান গণি গত প্রায় ৪০বছর আগে চাউলকল গড়ে তুলে ব্যবসা শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে চাউলকলটি অটোমেটিকে রূপান্তর করে ওসমান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেড নাম দেন। যেখানে কয়েক একর জায়গার ওপর পাঁচটি ইউনিট গড়ে তোলেন। ধানের আড়ৎদারদের কাছ থেকে নগদ ও বাকিতে ধান কিনে চাউলকল পরিচালনা করা হতো। এতে ব্যবসার সুবাদে আড়তদারদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে। এভাবে জেলা ও জেলার বাহিরের প্রায় ২৬০ জন ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ ও বাকিতে ধান কিনতেন তিনি। একপর্যায়ে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ধান ব্যবসায়ীদের কাছে বকেয়া রাখেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত তিন থেকে চার মাস ধরে ধান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ওসমানের দূরত্ব বাড়তে থাকে এবং টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় অবস্থান করতে থাকেন। গোপনে তার প্রতিষ্ঠানটি একটি কোম্পানির কাছে ভাড়া দিয়ে দেন।

আব্দুল ওহাব মোল্লা ও জিন্নাত হোসেন নামের দুই ভুক্তভোগি বলেন, ওসমান গনী আমাদের সাথে প্রতারণা করেছেন। তার কাছে আমরা ৩০০জন ব্যবসায়ী ও কৃষকরা প্রায় ৩ কোটি টাকা পাই। কিন্তু আমাদের কোন টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। তার কঠিণ শাস্তির দাবি করছি। মহাদেবপুর

উপজেলার মাতাজি হাট এলাকার মোল্লা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকার সামিউল আলম বলেন, গত কয়েক বছর থেকে ওসমান গণিকে ধান দিয়ে আসছি। নগদ ও বাকিতে ধান দিতাম। এভাবে প্রায় এক কোটি ৩৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছি। পাওনা টাকা চাওয়া হলে বিভিন্ন বাহানা শুরু করেছে। আমার মতো ২৬০ জন ব্যবসায়ীর প্রায় ৩৫ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। আমরা এখন পথে পথে ঘুরছি।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ওসমান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওসমান গণি বলেন, ‘প্রায় ৩৮ বছর থেকে ব্যবসা করছি। ব্যবসার সুবাদে অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছেও আমার দেনা রয়েছে। আমার কাছে নগদ টাকা নাই। পাওনাদারদের বলেছি যে সম্পদ আছে, তা বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করা হবে। নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার জন্য আদালতে একটি আবেদন করেছি, তবে আমি আমার প্রতিষ্ঠানটি ভাড়া দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলতে চাইনা।

জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলা বলেন, ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী কৃষকরা একটি স্বারকলিপি দিয়েছেন। আমরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিব।


আরও খবর



নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে সব কিন্ডারগার্টেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস  রিপোর্ট:


আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুলকে বিধিমালা অনুযায়ী নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ।


মঙ্গলবার (২৫ জুন) ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উপলক্ষে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। 



এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুস সালাম এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেন, আমরা একটা টার্গেট নিয়ে কাজ করছি। বার্ষিক প্রাথমিক জরিপে দেখেছি নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন বা বেসরকারি পর্যায়ে স্কুলের সংখ্যা একটু কমে গিয়েছিল।



 এ বছর ৮০০-এর মতো আরও বেড়েছে, সব মিলিয়ে এখন ৪৪ হাজারের কাছাকাছি আছে।


সচিব বলেন, বিধিমালা জারির পরে মাঠ পর্যায়ে যে কাজ করছে, সেই অনুযায়ী ইতোমধ্যে ২০ শতাংশ বেসরকারি পর্যায়ের স্কুল (কিন্ডারগার্টেন) অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি বা নিবন্ধনের আওতায় চলে এসেছে। 



আমরা আশাবাদী আগামী এক বছরের মধ্যে সকল বেসরকারি প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোকে অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি এবং নিবন্ধনের আওতা চলে আসবে।



ফরিদ আহাম্মদ বলেন, মাত্র দুই তিন মাস আগেও এটা ছিল ৮-৯ শতাংশ। এখন ২০ শতাংশ নিবন্ধন বা অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির আওতায় চলে এসেছে।



 আবেদন করার ৩০ দিনের মধ্যে স্কুলগুলো সিদ্ধান্ত পাবে। নিবন্ধন হলেও সিদ্ধান্ত পাবে, না হলেও কেন হলো না সেই সিদ্ধান্ত পাবে।


আরও খবর



ভারতের বিপক্ষে হারের কারণ ব্যাখ্যা করলেন তামিম

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক:


সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। 


এতে ৫০ রানে পরাজিত হয় শান্ত বাহিনী। এই ম্যাচে টাইগারদের রান তাড়ার অ্যাপ্রোচ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।


শনিবার (২১ জুন) ক্রিকইনফোর ম্যাচ পরবর্তী লাইভ অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, আমার মনে হয়; অ্যাপ্রোচের দিক থেকে বাংলাদেশ দল হেরেছে। ভারতের কুলদ্বীপ যাদব ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটারদের অ্যাপ্রোচের কারণেই সে লুপ এবং ফ্লাইট দিতে পেরেছে...।


‘শুরু থেকে আমার মনেই হয়নি তারা (বাংলাদেশের ব্যাটাররা) রান তাড়া করছে। বাংলাদেশ হয়তো ১৪৬ রান করেছে। কিন্তু রিশাদ হোসেনের ১০ বলে ২৪ রান তাদের ওই পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আমার কোনও পয়েন্টেই মনে হয়নি বাংলাদেশ রান তাড়া করছিল।’


পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাটাররা যখন রান তুলতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন টস জিতে ভারতের বিপক্ষে বোলিং বেছে নেওয়ায় অনেকের মতোই অবাক হয়েছেন তামিম ইকবালও। তিনি বলেন, পুরো আসরেই বাংলাদেশের ব্যাটিং হতাশাজনক। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় খুঁজে বার করতে হবে।


আবারও সাকিবকে খোঁচা মারলেন শেবাগ

‘ব্যাটাররা যখন রান করে, তখন ১৬০-১৭০ রান তাড়া করা যায়। কিন্তু যখন আপনি জানেন ব্যাটাররা হিমশিম খাচ্ছে... আমি অবাক হয়েছিল বাংলাদেশ আগে বোলিং নেওয়ায়। এই ম্যাচে দলের অনেকগুলো সিদ্ধান্ত আমাকে অবাক করেছে।’


এ ছাড়া একাদশ থেকে তাসকিনকে বাদ দেওয়ায় অবাক হয়েছেন তামিম। এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, তাসকিন না খেলায় আমি অবাক হয়েছি। দুই স্পিনার (সাকিব ও মাহেদী) অনেক রান খরচ করেছে। একটা সময় তানজিম সাকিবের জোড়া শিকারে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত।


‘তাসকিন থাকলে ওই সময় বাংলাদেশ ভারতকে আরও বেশি আক্রমণ করতে পারতো। আমরা শিভব দুবের শর্ট বলে দুর্বলতার কথা জানি। ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট গতি ছিল তাসকিনের।’


মোস্তাফিজকে ভালো ব্যবহার করতে না পারা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক। তামিম বলেন, বাঁহাতি ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে রোহিতের দুর্বলতার কথা অনেকেই বলেন। ম্যাচে এটার একটা প্রভাব পড়তে পারতো। বাংলাদেশ শুরুটা করতে পারতো বাঁহাতি পেসারকে দিয়েই।


`ভারত ১৯৬ রান করেছে ঠিকই, কিন্তু রোহিত যেভাবে শুরুটা করে দিয়েছে সেটা তার দলের জন্য কাজে দিয়েছে। তানজিদ আগের ম্যাচগুলোতে নতুন বলে ভালো করেছে।



 কিন্তু তাকে নতুন বল দেওয়া হয়নি। কেন আপনাকে শুরু একজনের (রোহিত) জন্য পুরো সেটআপ বদলাতে হবে, যখন কেউ (তানজিম) অসাধারণ বোলিং করছে?'



আরও খবর



সংসদে অর্থ বিল উঠছে আজ, বাজেট পাস রোববার

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



নানান আলোচনা-সমালোচনার পরও কালো টাকা সাদা করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটছে না সরকার।



 কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রেখেই রোববার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে পাস হচ্ছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট। নতুন এই বাজেট কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে।



বড় কোনো সংশোধনী ছাড়াই জাতীয় সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন হচ্ছে আজ শনিবার (২৯ জুন)। এর আগে ৬ জুন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আসন্ন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 


চলতি সংসদ অধিবেশনেই সংসদ সদস্যরা বিধানের তীব্র সমালোচনা করেন।



অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে ছোটখাটো দু-একটি বিষয় ছাড়া তেমন কোনো বড় সংশোধনীর সম্ভাবনা নেই।


এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা প্রত্যাহার নিয়েও ছিল আলোচনা-সমালোচনা। নানান জল্পনা কল্পনা শেষে এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ৪০ শতাংশ কর বসানোর প্রস্তাব করা হয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে।



এছাড়া কর অবকাশ সুবিধার পাশাপাশি শর্ত সাপেক্ষে ইকোনমিক জোন ও হাইটেক পার্কের বিনিয়োগকারীদের ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানিতে আগের মতোই জিরো ডিউটি সুবিধা বহাল থাকতে পারে।


প্রস্তাবিত বাজেটে সংসদ সদস্যদের আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবু হাসান মাহমুদ আলী। তবে শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর নাও হতে পারে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে বিদ্যমান আদেশ সংশোধনের কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। ফলে আগের মতো এবারও এমপিরা শুল্কমুক্ত কর সুবিধা ভোগ করতে পারেন।


এনবিআর সূত্র জানায়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।



 পরে মঙ্গলবার (২৬ জুন) বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।


সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যায়ক্রমে কর অব্যাহতি কমিয়ে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ)। পাশাপাশি আর্থিক খাত সংস্কারের পরামর্শ ও দিয়েছে সংস্থাটি।


আন্তর্জাতিক এ সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, আইন প্রণেতাদের গাড়ি আমদানিতে থাকা কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম জোরদার করতে চেয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সংসদ সদস্যদের এ সুবিধা পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রস্তাবটি পাস না হওয়ার সম্ভাবনা আছে।


প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের আগে আইন প্রণেতাদের গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট বসানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল আইন মন্ত্রণালয়।


জানা গেছে, কর অবকাশ সুবিধার পাশাপাশি কিছু শর্ত সাপেক্ষে ইকোনমিক জোন ও হাই-টেক পার্কের বিনিয়োগকারীদের ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানিতে আগের মতই জিরো ডিউটি সুবিধা বহাল থাকতে পারে।



 এছাড়া শেয়ারবাজারে ক্যাপিটাল গেইনের উপর নতুন করে আরোপ করা ট্যাক্স অব্যাহত থাকতে পারে।


অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদের প্রবল সমালোচনার মুখেও কালো টাকা সাদা করার বিধান থেকে সরছে না সরকার। এ সুযোগ বহাল থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই ছাড়াই কালো টাকা সাদা করতে পারবেন। সরকারি কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন করতে পারবে না।


নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতা ফ্ল্যাট ও জমির মতো স্থাবর সম্পত্তির জন্য নির্ধারিত হারে কর প্রদান করলে এবং নগদ, সিকিউরিটিজ, ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয় স্কিমসহ অন্যান্য সম্পদের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না।


আরও খবর