Logo
শিরোনাম
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন মামলা

তারেকের ৯, স্ত্রী জোবায়দার ৩ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০২ আগস্ট 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৯ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টা ২ মিনিটে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ২৭ জুলাই আদালত এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ২৪ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন। ওইদিন তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যদিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ৪২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল একই আদালত তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২)/২৭(১) এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেন। ২৬(২) ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি তিন বছরের কারাদণ্ড ও ২৭(১) ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি দশ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জ্ঞাত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও তার মা ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। তারেক রহমানের শাশুড়ি মারা যাওয়ায় এ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেলো বিএনপি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



সরকারি চাকরিতে কোটার ব্যাপারে ছাত্র-তরুণদের দাবি অবশ্যই ন্যায্য এবং যৌক্তিক বলে মনে করে বিএনপি। একই সঙ্গে কোটাবিরোধী চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে দলটি। 


শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। 



গত বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। 



তিনি বলেন, সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের এই যৌক্তিক আন্দোলন সমর্থন করছি এবং অবিলম্বে এই পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। 



তাই সাধারণ ছাত্র সমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত। বড়জোর ৫-১০ শতাংশ কোটা থাকতে পারে; ক্ষমতায় গেলে সব ধরনের বৈষম্য ব্যবস্থা বাতিল করবে বিএনপি।



মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি দেশের সব কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক ও কর্মচারী সম্প্রতি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার জন্য দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে সরকারি পরিপত্র জারি করেছে। 



এ বিষয়টি নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্প্রদায় ও কর্মচারীদের এই স্মারক প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর প্রতিবাদ করেছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান, পরীক্ষাগ্রহণসহ সব প্রকার কর্মকাণ্ড বন্ধ রেখেছে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 


কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় আচার অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবসসমূহ—এমনকি তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানের সহিত দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। এগুলো তাদের প্রাপ্য। 



এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ নানান সুবিধা আছে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের অর্থাৎ স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাম্য— মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা। 


তিনি বলেন, প্রথম, দ্বিতীয় ,তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কোনো শ্রেণিতেই কোটা পদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না এবং মেধাভিত্তিক বৈষম্যহীন জাতি ও সমাজ বিনির্মাণের মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।



 তাই সাধারণ ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত।


আরও খবর



চশমার লেন্স কেনো গুরুত্বপূর্ণ আপনার সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টির জন্য

চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে বিপদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডক্টর মোঃ মিজানুর রহমান , পিএইচডি , দৃষ্টি বিজ্ঞান :

চোখ আমাদের শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চোখের মাধ্যমে আমরা পৃথিবীকে দেখতে পাই এবং এর সাহায্যে আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলি সম্পন্ন করি। কিন্তু যদি দৃষ্টি সমস্যায় ভুগি, তখন আমাদের জীবনে বড় সমস্যা দেখা দেয়। এই দৃষ্টি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চশমার লেন্স ব্যবহৃত হয়। বর্তমান যুগে চশমা আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। পড়াশোনা, কম্পিউটার কাজ, মোবাইল ব্যবহার, এমনকি সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের কাজেও চশমার প্রয়োজন হয়। কমবেশি অনেকেই দৃষ্টির সমস্যার কারণে কিংবা সুরক্ষার জন্য চশমা ব্যবহার করে থাকেন, , আবার কেউ কেউ সূর্য থেকে রক্ষা পেতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন। । কিন্তু আমরা কি জানি, ছোট থেকে বড়, অনেকেই চোখের সমস্যা সমাধানে চশমা ব্যবহার করেন। তবে, চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ।

আসুন, জেনে নেই চশমা ব্যবহারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।

প্রথমেই, চশমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক পাওয়ারের চশমা নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় বা ভুল পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা নির্বাচন করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, চশমা পরিষ্কার রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত চশমা পরিষ্কার না করলে ময়লা জমে যায় এবং তা চোখের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য মৃদু সাবান ও পানি ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া, সফট কাপড় দিয়ে চশমা মুছতে হবে যাতে লেন্সে কোনো দাগ না পড়ে।

তৃতীয়ত, চশমা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি। চশমা ব্যবহারের পর এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে যেন তা ভেঙ্গে না যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। চশমার জন্য নির্ধারিত বাক্সে সংরক্ষণ করা উত্তম।

চতুর্থত, চশমার ফ্রেম এবং লেন্স নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। যদি ফ্রেমে কোনো সমস্যা দেখা দেয় অথবা লেন্সে দাগ পড়ে, তবে তা দ্রুত ঠিক করিয়ে নেওয়া উচিত। নতুবা, দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

সবশেষে, দীর্ঘ সময় ধরে চশমা ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। বিশেষ করে যারা কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনের সামনে অনেক সময় কাটান, তাদের প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তু দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এই নিয়ম মেনে চললে চোখের ওপর চাপ কমে এবং চোখের ক্লান্তি দূর হয়।

চশমার লেন্স দৃষ্টি সংশোধনের মূল উপাদান। একটি ভালো মানের লেন্স না থাকলে দৃষ্টির স্পষ্টতা কমে যেতে পারে এবং চোখের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। নিম্নমানের লেন্স ব্যবহার করলে চোখে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন:

চোখের ক্লান্তি

মাথাব্যথা

দৃষ্টির অস্বচ্ছতা

চশমার লেন্সের গুরুত্ব

চশমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর লেন্স। লেন্সের গুণগত মান এবং সঠিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে আপনার দৃষ্টিশক্তি। নিম্নমানের বা ক্ষতিগ্রস্ত লেন্স ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই উচ্চ মানের এবং আপনার চোখের জন্য উপযোগী লেন্স নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চশমার লেন্স শুধু আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, এটি আপনার চোখকে সুরক্ষাও প্রদান করে। ভালো মানের লেন্স নির্বাচন করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়:

সঠিক লেন্স নির্বাচন করুন: চশমার লেন্সের ক্ষমতা আপনার চোখের সমস্যার সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক করা উচিত। সঠিক ক্ষমতার লেন্স ব্যবহার না করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চশমার লেন্স পরিবর্তন করা উচিত।

ঠিকমতো ফিটিং করান: চশমার ফ্রেম যদি ঠিকমতো ফিট না হয় তাহলে তা আপনার চোখ এবং কানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটি মাথাব্যথা, চোখের যন্ত্রণা এবং অন্যান্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই চশমা কিনে নেয়ার সময় ফিটিং ভালোভাবে চেক করে নিন।

স্পষ্ট দৃষ্টি: উচ্চমানের লেন্স স্পষ্ট এবং পরিষ্কার দৃষ্টি প্রদান করে, যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে।

রশ্মি প্রতিরোধক: অনেক লেন্সে বিশেষ প্রলেপ থাকে যা ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি প্রতিরোধ করে। এটি আপনার চোখকে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক: ভালো মানের লেন্স স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক হয়, যা লেন্সের স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমায়।

কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারে আরাম: ব্লু লাইট প্রতিরোধক লেন্স কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারকালে চোখের চাপ কমায় এবং আরামদায়ক দৃষ্টি প্রদান করে।

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

চোখের পরীক্ষা:নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করানো উচিত যাতে আপনার দৃষ্টির পরিবর্তন সম্পর্কে জানা যায় এবং সেই অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করা যায়।

লেন্সের প্রকার: আপনার দৃষ্টির সমস্যা অনুযায়ী কনকাভ, কনভেক্স, বা সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স বেছে নিন।

লেন্সের প্রলেপ:অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ বা অ্যান্টি-স্ক্র্যাচ প্রলেপযুক্ত লেন্স নির্বাচন করুন যাতে লেন্স দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৃষ্টির স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

বিভিন্ন প্রকারের চশমার লেন্স :

চশমার লেন্স বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। মূলত, দুটি প্রধান প্রকারের লেন্স ব্যবহৃত হয়: একক দৃষ্টি লেন্স এবং বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স।

একক দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো শুধুমাত্র এক ধরনের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মায়োপিয়া (দূর দৃষ্টি সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া (নিকট দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে একক দৃষ্টি লেন্স ব্যবহার করা হয়।

বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো বিভিন্ন দূরত্বে দৃষ্টি সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। প্রেসবাইওপিয়া (বয়সজনিত দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে এই লেন্সগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।

সঠিক লেন্স নির্বাচন 

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ: আপনার চোখের পরীক্ষা করে একজন বিশেষজ্ঞ অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স নির্বাচন করুন।

মানসম্মত লেন্স: সর্বদা মানসম্পন্ন লেন্স ব্যবহার করুন যা আপনার দৃষ্টিশক্তি এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ফ্রেমের আরাম: এমন ফ্রেম নির্বাচন করুন যা আরামদায়ক এবং আপনার মুখের সাথে মানানসই।

চশমার লেন্সের আধুনিক প্রযুক্তি :

বর্তমানে চশমার লেন্সে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। ব্লু লাইট ফিল্টার লেন্স, ফটো ক্রোমেটিক লেন্স, অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ লেন্স ইত্যাদি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখা যায় এবং চোখের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।

ভালো লেন্স নির্বাচন করার কিছু টিপস :

চিকিৎসকের পরামর্শ: চশমার লেন্স কেনার আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক চোখ পরীক্ষা করে সঠিক লেন্সের পরামর্শ দেবেন।

গুণগত মান: লেন্সের মান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরি। ভালো মানের লেন্স চোখের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক।

অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং: আজকাল অনেক লেন্সেই অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং থাকে, যা গ্লেয়ার কমায় এবং দৃষ্টি পরিষ্কার করে।

ইউভি প্রোটেকশন: সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য লেন্সে ইউভি প্রোটেকশন থাকা উচিত।

যদি চশমার লেন্স ঠিকমতো না হয় তাহলে চোখের কিছু সমস্যা হতে পারে যেমন:

দৃষ্টিশক্তির কমতি: চশমা ঠিকমতো না থাকলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হতে পারে। এটি বিশেষত দূরদৃষ্টি বা কাছদৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রকাশযুক্ত হয়।

অস্বচ্ছ দৃষ্টি: চশমা যদি মধ্যে মধ্যে সাফ না থাকে বা মন্দ হয়ে যায়, তবে দৃষ্টি অস্বচ্ছ হয়ে যেতে পারে।

চোখের অবশ্যতা: অন্ধকার বা মন্দ আলোয় সঠিকভাবে দেখা যাবে না।

চোখের অস্থিরতা: চশমা সঠিকভাবে না হলে চোখের অস্থিরতা অনুভব হতে পারে, যা দৃষ্টিশক্তিতে ভার তুলে দেয়।

পরামর্শ

নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করান এবং চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করুন।

চশমা ব্যবহারে কোনো অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চশমা ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং শিশুদের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দিন।

চশমার লেন্স শুধু দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, বরং চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, সঠিক লেন্স নির্বাচন এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো আমাদের সকলের জন্যই জরুরি। সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টি উপভোগ করতে ভালো মানের লেন্স ব্যবহার করা উচিত। চশমা আপনার দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে চশমা ব্যবহার করলে এবং নিয়মিত যত্ন নিলে আপনি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে পারেন। তাই চশমার সঠিক ব্যবহারে সতর্ক থাকুন এবং আপনার চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক : অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে ৩৪ জন প্রার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। 



প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। 



পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।



এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। 



এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। 



এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।


এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।


ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।



ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।



গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।


যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।



এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। 


তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।


আরও খবর



চার লাখ টাকা চুক্তিতে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

হাসিবুর রহমান রাজাপুর ঝালকাঠি :

ঝালকাঠির নলছিটিতে আলোচিত জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজী হত্যার রহস্য উম্মোচন করেছে পুলিশ থানা পুলিশ। একই সাথে চার লক্ষ টাকা চুক্তিতে হত্যা মিশনে অংশ নেয়া মো. মিজানুর রহমান (৫১) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র। 


গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে জাতীয় নির্বাচনী কাজ শেষে নিজ বাড়ী উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীকে। 


এরপরই এর সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গতকাল(২০জুন) নলছিটি থানা পুলিশ চুক্তিতে হত্যায় অংশ নেয়া উপজেলার কুশংগল ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, ফুয়াদ হত্যায় জরিত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা পূর্বের আসামীদের জবানবন্দি অনুযায়ী কিলিং মিশনে অংশ নেয়া মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  মিজানুর রহমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী,হত্যায় তারা দুজন অংশ নেয়, তার সাথেরজন ফুয়াদ কাজীর কোমর জাপটে ধরে এবং সে অনবরত কোপাতে থাকে। এসময় তার সাথের জনের হাতও মারাত্মক জখম হয়। পরে সে বরিশালের একটি বেসরকারি হাসাপাতালে চিকিৎসা নেয়। সে আরও জানিয়েছে স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার তাদের ভাড়া করেন। 

নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মুরাদ আলী জানান, ফুয়াদ কাজী হত্যায় যারা সরাসরি অংশ নিয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এখন তার সাথের জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সিলেটের সব নদীর পানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

টানা বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা উজানি ঢলে সিলেটের তিনটি নদীর ৬টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে নদী ও ছড়া উপচে পানি নগরীতে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে সিলেট নগরীর ভেতরে অনেক বাসাবাড়িতে পানি উঠেছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৯টা সুরমা নদীর কানাই পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর অমলসীদ পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার ও একই নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৭৯ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ও সারি গোয়াইন নদীর পানি গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসেন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ও আজ সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে, ভারতের আইএমডি'র তথ্যমতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতে বৃষ্টিপাত কমে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জানান, বন্যাসহ যেকোন দূর্যোগ পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনায় সিলেট জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তাগণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আতঙ্কিত ও বিভ্রান্ত না হয়ে সকল প্রকার পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অনুরোধ করা হলো।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪