Logo
শিরোনাম

তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




লালমনিরহাট পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:


লালমনিরহাট পৌরসভার আধুনিক ও জনকল্যাণমূথী স্মাট পৌরসভা রুপান্তে লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা অনুষ্ঠিত হয়েছে । 



শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় পৌরসভা কার্যালয়ের তৃতীয় তলার হল রুমে ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপন।


নতুন মোট আয় ধরা হয়েছে ৪৮,৭৮,২৩,৫১১/- টাকা, এর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আয় ১৩,৪৪,৯৫,৭০৮/- টাকা, পানি শাখা হতে আয় ৬৩,৩০,৩৫৬/- টাকা, উন্নয়ন বাস্তবায়ন খাতে প্রাপ্তি ৩৪,৬৯,৯৭,৪৪৭/- টাকা। উক্ত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭,০০,৯০,০০০/- টাকা এবং প্রস্তাবিত উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ১,৭৭,৩৩,৫১১/- টাকা। 


পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপ্ন বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের উপর কোনরুপ কর বৃদ্ধি না করেই জনকল্যানমুখী বাজেট করা হয়েছে। উক্ত বাজেট বাস্তবায়ন হলে আমরা আমাদের পৌর এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, স্মার্ট ও উন্নত অবকাঠামো সমৃদ্ধ পৌরসভা গঠনে একধাপ এগিয়ে যাবে।

 তিনি উল্লেখযোগ্যভাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, মশক নিধন, বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বৃক্ষরোপণ, ক্লাব ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতি, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন, মাদক/তামাক জাতীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, রাস্তাঘাট ও রোড ডিভাইডার সৌন্দর্য বর্ধন, কঠিন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছেন। বিশেষ করে শহরের প্রধান প্রধান রাস্তা সহ গোলীর রাস্তা, ড্রেন মেরামত ও সংস্কার খাতে ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। এছাড়া তিনি আধুনিক বহুতল বিশিষ্ট পৌর ভবন নির্মাণে প্রায় ৫ কোটি টাকা কাজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন চূড়ান্ত রয়েছে।    


এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও কর্মকতা,কর্মচারীগণ ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল শাহবাগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। 



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে তারা। চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।



দাবিগুলো হলো— ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



২০১৮ সালের অক্টোবরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করে দেয় সরকার। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা চায় না। তারা আন্দোলন করেছে।



 ফলে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আর আলোচনা করার বা হা-হুতাশ করার কিছু নেই। তবে ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করেন। 



সে রিটের শুনানি নিয়ে কেন ওই ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। ওই রুলের বিষয়ে শুনানি শেষে গেল ৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ।


এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি হলে হলে ঘুরে নীলক্ষেতে আসে। পরে নিউমার্কেট এলাকা হয়ে সায়েন্সল্যাব। 



এরপর বাটা সিগনাল হয়ে শাহবাগ যায় মিছিলটি। কোটা বাতিলের দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল ‘যথাযথ’ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 



তবে হাইকোর্টের এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে সে দিন বিকেলে আন্দোলন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরের দিনও একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। 



এরপর গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেসঃ


সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটির দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। 


বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় ওই ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ ঘটনায় রাত ও ভোরে যাতায়াতকারী উপবন ও কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।



বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাত ৩টার দিকে লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধারের পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম।



ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রুতগামী ট্রেনটির চলার মধ্যেই কয়েকটি কামরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। টের পেয়ে ট্রেনের সামনের অংশ হঠাৎ গতি কমালে দুটি অংশের ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি।



এ সময় আতঙ্কে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রী লাফ দিয়ে পাশের খালে গিয়ে পড়েন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।


স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ‘পাহাড়িকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় পৌঁছালে বিকট শব্দে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়।



 ফলে সারা দেশের সঙ্গে সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল কুলাউড়া জংশন থেকে এসে ট্রেনটি উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। 



ট্রেন দুর্ঘটনার ৯ ঘণ্টা পর লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধার করা হয়। এরপর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।


আরও খবর



দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ


বেইজিংয়ে তিন দিনের দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বুধবার (জুলাই ১০) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।


এর আগে বুধবার (জুলাই ১০) রাত ১০টা ৫ মিনিটে (বেইজিং সময়) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটে বেইজিং ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।


গত সোমবার সন্ধ্যায় তিন দিনের দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের রাজধানী বেইজিং আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



সফরের শেষ দিন বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।


এর আগে দুপুরে একই স্থানে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


দুপুরে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে ২১ সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই করে বাংলাদেশ ও চীন। এছাড়া সাতটি ঘোষণাপত্র সই করে দুই দেশ।


দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আগে গ্রেট হলে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।


সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (জুলাই ০৯) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।


এ দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) চেয়ারম্যান ওয়াং হানিং এবং এশিয়ান অবকাঠামো ও বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রেসিডেন্ট জিন লিকুন।


মঙ্গলবার সকালে বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা হোটেলে ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সুবিধা’ শীর্ষক এক সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



তিস্তা চুক্তির জন্য ভারতকে চাপে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

 টুডেস রিপোর্ট:

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক কোনভাবেই সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়। 

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির জন্য ভারতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাপের মধ্যে রেখেছেন।



আজ সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।



এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক কোনভাবেই সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয় বরং এটি উভয় দেশের জন্যই লাভজনক। 



বিএনপি অপপ্রচার করছে যে, বাংলার বুক চিরে ভারতের ট্রেন চললে বাংলাদেশের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে। এটি মোটেই সঠিক নয়। সমঝোতা স্মারকের ৩ নম্বর ধারায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, ‘রেড ট্রাফিক’তথা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকসহ বিপজ্জনক ও আপত্তিকর পণ্য পরিবহণ করা যাবে না।



 সমঝোতা স্মারকের ৪ নম্বর ধারায় এটাও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য ও মানুষের চলাচল সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় আইন, প্রবিধান এবং প্রশাসনিক বিধানের অধীন হবে।



 বিএনপি এটা বলে না যে, ভারতের মধ্য দিয়েও বাংলাদেশের ট্রেন নেপাল ও ভুটান পর্যন্ত চলবে, নেপাল-ভুটান থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে ট্রেন বাংলাদেশে আসবে এবং কলকাতা বন্দর ব্যবহার না করে মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।



 তারা এটাও বলে না যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুত গ্রিডের মাধ্যমে তাদের ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে ভারতের বুক চিরে বাংলাদেশ নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে।



প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিতে ভারতকে রাজি করিয়ে, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা শেখ হাসিনাই আদায় করেছেন। আর বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তো গঙ্গার পানির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন-এ কথা দেশের সবাই জানে।



আরও খবর