Logo
শিরোনাম

টিউমার ও ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৫৩৮জন দেখেছেন

Image

একটি যার শরীলে একবার বাসা বাধে তিলে তিলে মানুষটির জীবন শেষ করে দেয়। তবে সচেতনতা যথার্থ চিকিৎসা রোগীকে দিতে পারে দীর্ঘায়ায়ু। আবার অনেক সময় রোগীরা ভোগান্তিতে পরেন ভুল তথ্য কিংবা চিকিৎসার কারনে। ক্যান্সার সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের কারনে অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বা ভুল রোগ নির্নেয় ব্যবস্থা প্রতিবেদনের কারনে। তাছাড়া ক্যান্সার টিউমার এই দুটি ব্যাধিই মানব শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বিবর্তন প্রদর্শন করে। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। তাই অনেক সময়ই আমরা টিউমার শব্দটি শুনলে ভাবি ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে মনেকরি টিউমার হয়েছে।  যেমন মানুষে বলে- ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে কিংবা ব্রেইন টিউমার হয়েছে,! কিন্তু দুটো ব্যাধি কি একই! মোটেও নয়।  যেমনটা ব্রেস্ট টিউমার কিংবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো একই নয়।

টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।

বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী

আমাদের শরীরে বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ধরা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্কের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। জন্মের সময় সংখ্যা চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু নিয়মে পুরনো কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্ম নেয়, আবার কিছু কোষ সাইজে বাড়ে, কিছু কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো নতুন কোষ জন্ম দিতে পারবে, কোন কোষের সাইজ কেমন হবে, কোষের এমন সব বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষের ভেতর কিছু নির্দেশ বা নিয়ম থাকে। আর সে নিয়মগুলো থাকে ডিএনএতে। কোনো কারণে ডিএনএ-এর মধ্যে থাকা নির্দেশ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়ে গেলে কোষগুলো তখন অস্বাভাবিকভাবে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, পুরনো কোষ মরে না গিয়ে হযবরল ঘুরতে থাকে, অথবা নতুন জন্ম নেওয়া কোষগুলো কাজবিহীন ঘুরে বেড়ায়।

কারণ কোষগুলোতে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তার নির্দেশ থাকে না, কী কাজ করবে তার নির্দেশটি পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন পরিবর্তিত ডিএনএ-এর নির্দেশে রোবটের মতো একের পর এক নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, নতুন অস্বাভাবিক কোষের সংখ্যা বেড়ে বেড়ে স্বাভাবিক কোষের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, বুড়ো কোষগুলোর পটোল তোলার প্রক্রিয়া থেমে গিয়ে আবর্জনার মতো জমা হতে থাকে শরীরে।

তখন শরীরের অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক কোষগুলো কোথাও জমা হয়ে একটি লাম্প বা প্লি বা চাকতির মতো হয়ে প্রকাশ পেলে তাকে তখন টিউমার বলে।

টিউমার দুধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার শুধু এক জায়গাতে বৃদ্ধি পেয়ে এক জায়গাতেই বসে থাকে। এদের বলে বিনাইন টিউমার। এরা তেমন ক্ষতিকারক নয়। আরেক প্রকার টিউমারের ভেতর থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ্ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য কোনো অংশে গিয়ে জমা হয়ে সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, নতুন কোনো টিউমার তৈরি করে সেখানে, তখন তাদের বলে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকে অন্যভাবে বলে ক্যান্সারাস টিউমার। কাজের সুবিধায় সংক্ষেপে ক্যান্সার বলে।

আমাদের শরীরে প্রায় ২০০ ধরনের ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা আছে। ক্যান্সার হলো মূলত শরীরের অনেক জায়গায় বিভিন্ন সমস্যার একটি সমষ্টি। এর শুরুটা শরীরের কোনো একটি অংশে হয়। তারপর যখন সেটি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, কেবল তখন তাকে ক্যান্সার বলে।

টিউমারের মধ্যে থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে গিয়ে কখনো নতুন টিউমার হতে পারে, কখনো কেবল সেখানকার অন্য কোষগুলোর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমন করে না ছড়িয়ে পড়া বিনাইন টিউমারগুলো যখন শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে, সেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোই মূলত বেশিরভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে, তখন তার তৈরি করা সমস্যাগুলোকে সহজ করে কেবল ক্যান্সার বলে। ক্ষেত্রে যে অঙ্গ বা অংশ থেকে কোষের পরিবর্তনের শুরু, তখন তাকে ওই পার্টের ক্যান্সার বলে।

আবার কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- ব্লাড ক্যান্সার, লিউকেমিয়া। এক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক কোষগুলোর চেয়ে অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্তে বেশি থেকে রক্তকে তার স্বাভাবিক কাজ করতে দেয় না, রক্তে কোনো আলাদা টিউমার দেখা দেয় না।

তারমানে সব টিউমার ক্যান্সার নয়, কিছু কিছু টিউমার কেবল ক্যান্সার, যখন সেই টিউমারগুলোর মধ্যে থাকা কোষগুলো শরীরের অন্য অংশে গিয়ে আরও নতুন টিউমার বা কাজে সমস্যা তৈরি করে। আবার সব ক্যান্সার টিউমার নয়, যেখানে অস্বাভাবিক কোষগুলো টিস্যু আকারে কোথাও জমাট বেঁধে প্রকাশ পায়। যেমন ব্লাড ক্যান্সারে এমন টিউমার হয় না।

অনেক মহিলার ব্রেস্টে জীবনের যে কোনো সময়ে লাম্প বা চাকতির মতো বা পিণ্ডের মতো কিছু দেখা দিতে পারে। বাড়তি প্লিটি কেবল একটি টিউমার হতে পারে। এটিকে ভুল করে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যাবে না। কারণ চিকিৎসকরা এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ কোথাও হলে প্রথমে তার সিটি স্ক্যান কিংবা এমআরআই করে নিশ্চিত হন এটি কেবল টিউমার কিনা। তারপর সেখান থেকে কিছু কোষ বায়োপসির নামক পরীক্ষার মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে কোষগুলো পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন কোষগুলো ক্যান্সার জাতীয় কোষ কিনা, তখন তেমন পরিবর্তন দেখলে তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যায়। শুধু এমন টিউমার হলে প্রথমে কেবল ওষুধ দিয়ে, তারপর অপারেশন করে সেই বাড়তি অংশটি কেটে ফেলে টিউমারের চিকিৎসা করা হয়।

সেই টিউমার যদি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে যায়, শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে, তখন যে অংশে টিউমারটি হয়েছে সেটি প্রথমে অপারেশন করে কেটে ফেলার দরকার বা অবস্থায় থাকলে কেটে ফেলে দিতে হয়, সঙ্গে শরীরের অন্য অংশগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষগুলোকে মেরে ফেলা অথবা তারা যাতে আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে না পারে, সেটা থামিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু কেমিক্যালের মাধ্যমে কেমোথেরাপি এবং কিছু রে বা রশ্মির মাধ্যমে রেডিওথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারটির চিকিৎসা করার চেষ্টা করা হয়। এখন নিশ্চয়ই কারও টিউমার হলেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি বলবেন না এবং ভাববেনও না। বর্তমানে দুটোরই চিকিৎসা আছে। টিউমার বা ক্যান্সার হওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু নয়। ক্যান্সার বা টিউমার শরীরের অন্য হাজার রোগের মতোই একটি রোগ বা সমস্যা। বরং শরীরের কোথাও এমন বাড়তি কোন মাংস প্লি, কোনো কারণ ছাড়াই অনেকদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে শরীরের ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় দুর্বল অনুভব করা, এমন সব কমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর



মোখা’ থেকে ফসল রক্ষায় ১০ পরামর্শ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মোখা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ১২ মে অতি প্রবল আকার ধারণ করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড় মোখা থেকে ধান ও অন্যান্য ফসল রক্ষায় বিশেষ কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা (বামিস)।

আগামী ১৪ মে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ঝোড়ো হাওয়া এবং হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতির হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য জরুরি কৃষি আবহাওয়া বিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা বরিশাল, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের জন্য বিশেষ এই পরামর্শের কথা বলা হয়।

১. বোরো ধান ৮০ শতাংশ পরিপক্ব হয়ে গেলে দ্রুত সংগ্রহ করে ফেলুন।

২. সংগ্রহ করা ফসল পরিবহন না করা গেলে মাঠে গাদা করে পলিথিন শিট দিয়ে ঢেকে রাখুন যেন ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতি না হয়।

৩. দ্রুত পরিপক্ব সবজি ও ফল সংগ্রহ করে ফেলুন।

৪. সেচ, সার ও বালাইনাশক প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।

৫. দণ্ডায়মান ফসলকে পানির স্রোত থেকে রক্ষার জন্য বোরো ধানের জমির আইল উঁচু করে দিন।

৬. নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার রাখুন যেন জমিতে পানি জমে না থাকতে পারে।

৭. খামারজাত সব পণ্য নিরাপদ স্থানে রাখুন।

৮. আখের ঝাড় বেঁধে দিন, কলা ও অন্যান্য উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল এবং সবজির জন্য খুঁটির ব্যবস্থা করুন।

৯. পুকুরের চারপাশ জাল দিয়ে ঘিরে দিন যেন ভারী বৃষ্টিপাতের পানিতে মাছ ভেসে না যায়।

১০. গবাদি পশু ও হাঁসমুরগি শুকনো ও নিরাপদ জায়গায় রাখুন।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুনার্মেন্টে মর্নিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৫২জন দেখেছেন

Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত এ খেলায় মর্নিং ক্লাব একাদশ ৩-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন হয়। রানার আপ হয় বারইখালী ফুটবল একাদশ।

'মাদকমুক্ত সমাজ গড়ো, সবাই মিলে খেলার মাঠে চলো' এ শ্লোগান নিয়ে বারইখালী যুব সমাজ এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। ফাইনাল খেলায় পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌরসভা মেয়র এসএম মনিরুল হক তালুকদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন।


বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, কাউন্সিলর শাহিন শেখ, উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান। অন্যান্যের মধ্যে সাংবাদিক এইচএম শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক এম.পলাশ শরীফ, মনিং ক্লাবের ম্যানেজার শাহাজাহান আলী খান হায়দার, পৌর সভাপতি এ্যাড. খান আমজাদ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল সুমন প্রমুখ। খেলাটি পরিচালনা করেন মো. রোকনুজ্জামান উজ্জল, ক্রিড়া ব্যাক্তিত্ব ফুটবলার, বি,এম শাওন ও মো: সোহেল ফরাজী।

 খেলাটি দেখতে বিপুল দর্শকের সমাবেশ ঘটে। 


আরও খবর



গজারিয়ায় নির্মাণাধীন কোম্পানি রির্মাকে এক শ্রমিকের অপমৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন

Image

সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল :

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় বাউশিয়া এলাকায় নির্মাণাধীন রিমার্ক এইচ.বি. লিমিটেডে নামে প্রসাধনী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে মেশিন চাপায় এক শ্রমিকের অপমৃত্যু হয়। জানা যায় এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

খোজঁ নিয়ে জানা যায়, দূর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকের নাম কাউসার হোসেন (২২)। সে মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাই'র উপজেলার চান্দহর গ্রামের মোনাফ হোসেনের ছেলে। ঘটনায় আহত অন্য শ্রমিকের নাম রবিউল (২১)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৭ মে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এমন ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির নিচ তলায় ফেস ওয়াশ তৈরির মেশিনে কাজ করছিলেন মেশিনটির এসিস্ট্যান্ট অপারেটর কাউসার হোসেন। সূত্র আরও জানায়, মেশিনটি কিছুদিন আগে কোম্পানিতে আনা হয় সেজন্য এটিকে স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপিত করা হয়নি। মেশিনটির নিচে চাকা আছে যার মাধ্যমে এটিকে সুবিধামতো জায়গায় নিয়ে কাজ করা যায়। অপারেটর কাউসার মেশিনটিকে টেনে  সামনে আনতে চাইলে পেছনের চাকা উপরে উঠে যায় এবং অর্তকিত মেশিনটি তার উপর এসে পরে। তাৎক্ষনিক তার মাথা থেতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় রবিউল নামে আরো এক শ্রমিক আহত হয়।


আহত শ্রমিকদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রিমার্ক কোম্পানির মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা তৌহিদ হোসেন বলেন, ঘটনাটির সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময়ের। আমরা অফিস শেষ করে ইতিমধ্যে ঢাকাতে চলে এসেছি তবে মুঠোফোনে এরকম একটা খবর পেয়েছি। শুনেছি দুর্ঘটনায় একজন শ্রমিক নিহত ও একজন আহত হয়েছে। 

বিষয়টি সম্পর্কে মুন্সীগঞ্জ সদর-গজারিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান বলেন পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



মহাদেবপুর-পোরশা সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি সেলিম

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে মহাদেবপুর টু পোরশা আন্ত:উপজেলা সংযোগকারী সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে ঐ সড়কের মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন বাটুলতলী এলকায় বন্দরনগরী কারিগরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় সংসদ ৪৮, নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলদাছী) আসনের এমপি সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সড়ক উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন করেন।

মোট ৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির উন্নয়ন কাজ শেষ হলে নওগাঁ জেলা সদর ও মহাদেবপুর উপজেলার সাথে পোরশা উপজেলা এবং পাশ্ববর্তী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সড়ক যোগাযোগের প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সওজ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সওজ পত্নীতলার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, ৩টি গ্রুপে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরমধ্যে মহাদেবপুরের গ্রুপে বরাদ্দ করা হয়েছে ৩২ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। এখানে মোট ৯ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ১.৩ কিলোমিটার সড়ক ২৪ ফুট চওড়া করে আরসিসি ঢালাই দেয়া হবে। বাকী অংশে সড়কের চওড়া হবে ১৮ ফুট। এছাড়া অন্য দুটি গ্রুপে যথাক্রমে ৬৫ কোটি টাকার বেশি ও ৩০ কেটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে।

সেখানে আয়োজিত সমাবেশে এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আহসান হাবীব ভোদন, এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ পত্নীতলার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

খাজুর ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক হাফিজুল হক বকুলের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মহাদেবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী প্রমুখ। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফ্ফর হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া রহমান পলি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদিউজ্জামান বদি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মন্ডল, অর্থ সম্পাদক হাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমপি সেলিম বর্তমান সরকারের আমলে বাস্তবায়িত নানা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।


আরও খবর



সিলেট সিটি নির্বাচনে ‘অংশ নেবেন’ বিএনপির আরিফুল !

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ১০২জন দেখেছেন

Image

বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবে না বিএনপি- দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন ঘোষণা দিলেও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

মে দিবস উপলক্ষে রোববার (১ মে) দুপুরে সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ইঙ্গিত দেন।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা এখন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আছি। অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমাদের দল (বিএনপি) অংশগ্রহণ করবে না।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি কেন নির্বাচনে যাবে না তার ব্যাখ্যাসহ কারণ এবং কেন সিলেটের প্রেক্ষাপটে আমরা নির্বাচনে যাব- এ দুটি বিষয়ে জানাতে ২০ মে রেজিস্টারি মাঠে সমাবেশ আহ্বান করেছি। ওই সমাবেশে সবকিছু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে জনগণের কাছে তুলে ধরব।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২১ জুন সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে ভোটগ্রহণ পুরোপুরিই হবে ইভিএমে।

সিলেট সিটির ২০১৩ ও ২০১৮ সালের সবশেষ দুটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হন আরিফুল হক চৌধুরী।


আরও খবর

বাসে আগুন দিলে খবর আছে: কাদের

বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩