Logo
শিরোনাম

টিউমার ও ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

একটি যার শরীলে একবার বাসা বাধে তিলে তিলে মানুষটির জীবন শেষ করে দেয়। তবে সচেতনতা যথার্থ চিকিৎসা রোগীকে দিতে পারে দীর্ঘায়ায়ু। আবার অনেক সময় রোগীরা ভোগান্তিতে পরেন ভুল তথ্য কিংবা চিকিৎসার কারনে। ক্যান্সার সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের কারনে অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বা ভুল রোগ নির্নেয় ব্যবস্থা প্রতিবেদনের কারনে। তাছাড়া ক্যান্সার টিউমার এই দুটি ব্যাধিই মানব শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বিবর্তন প্রদর্শন করে। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। তাই অনেক সময়ই আমরা টিউমার শব্দটি শুনলে ভাবি ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে মনেকরি টিউমার হয়েছে।  যেমন মানুষে বলে- ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে কিংবা ব্রেইন টিউমার হয়েছে,! কিন্তু দুটো ব্যাধি কি একই! মোটেও নয়।  যেমনটা ব্রেস্ট টিউমার কিংবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো একই নয়।

টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।

বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী

আমাদের শরীরে বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ধরা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্কের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। জন্মের সময় সংখ্যা চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু নিয়মে পুরনো কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্ম নেয়, আবার কিছু কোষ সাইজে বাড়ে, কিছু কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো নতুন কোষ জন্ম দিতে পারবে, কোন কোষের সাইজ কেমন হবে, কোষের এমন সব বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষের ভেতর কিছু নির্দেশ বা নিয়ম থাকে। আর সে নিয়মগুলো থাকে ডিএনএতে। কোনো কারণে ডিএনএ-এর মধ্যে থাকা নির্দেশ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়ে গেলে কোষগুলো তখন অস্বাভাবিকভাবে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, পুরনো কোষ মরে না গিয়ে হযবরল ঘুরতে থাকে, অথবা নতুন জন্ম নেওয়া কোষগুলো কাজবিহীন ঘুরে বেড়ায়।

কারণ কোষগুলোতে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তার নির্দেশ থাকে না, কী কাজ করবে তার নির্দেশটি পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন পরিবর্তিত ডিএনএ-এর নির্দেশে রোবটের মতো একের পর এক নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, নতুন অস্বাভাবিক কোষের সংখ্যা বেড়ে বেড়ে স্বাভাবিক কোষের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, বুড়ো কোষগুলোর পটোল তোলার প্রক্রিয়া থেমে গিয়ে আবর্জনার মতো জমা হতে থাকে শরীরে।

তখন শরীরের অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক কোষগুলো কোথাও জমা হয়ে একটি লাম্প বা প্লি বা চাকতির মতো হয়ে প্রকাশ পেলে তাকে তখন টিউমার বলে।

টিউমার দুধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার শুধু এক জায়গাতে বৃদ্ধি পেয়ে এক জায়গাতেই বসে থাকে। এদের বলে বিনাইন টিউমার। এরা তেমন ক্ষতিকারক নয়। আরেক প্রকার টিউমারের ভেতর থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ্ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য কোনো অংশে গিয়ে জমা হয়ে সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, নতুন কোনো টিউমার তৈরি করে সেখানে, তখন তাদের বলে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকে অন্যভাবে বলে ক্যান্সারাস টিউমার। কাজের সুবিধায় সংক্ষেপে ক্যান্সার বলে।

আমাদের শরীরে প্রায় ২০০ ধরনের ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা আছে। ক্যান্সার হলো মূলত শরীরের অনেক জায়গায় বিভিন্ন সমস্যার একটি সমষ্টি। এর শুরুটা শরীরের কোনো একটি অংশে হয়। তারপর যখন সেটি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, কেবল তখন তাকে ক্যান্সার বলে।

টিউমারের মধ্যে থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে গিয়ে কখনো নতুন টিউমার হতে পারে, কখনো কেবল সেখানকার অন্য কোষগুলোর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমন করে না ছড়িয়ে পড়া বিনাইন টিউমারগুলো যখন শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে, সেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোই মূলত বেশিরভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে, তখন তার তৈরি করা সমস্যাগুলোকে সহজ করে কেবল ক্যান্সার বলে। ক্ষেত্রে যে অঙ্গ বা অংশ থেকে কোষের পরিবর্তনের শুরু, তখন তাকে ওই পার্টের ক্যান্সার বলে।

আবার কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- ব্লাড ক্যান্সার, লিউকেমিয়া। এক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক কোষগুলোর চেয়ে অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্তে বেশি থেকে রক্তকে তার স্বাভাবিক কাজ করতে দেয় না, রক্তে কোনো আলাদা টিউমার দেখা দেয় না।

তারমানে সব টিউমার ক্যান্সার নয়, কিছু কিছু টিউমার কেবল ক্যান্সার, যখন সেই টিউমারগুলোর মধ্যে থাকা কোষগুলো শরীরের অন্য অংশে গিয়ে আরও নতুন টিউমার বা কাজে সমস্যা তৈরি করে। আবার সব ক্যান্সার টিউমার নয়, যেখানে অস্বাভাবিক কোষগুলো টিস্যু আকারে কোথাও জমাট বেঁধে প্রকাশ পায়। যেমন ব্লাড ক্যান্সারে এমন টিউমার হয় না।

অনেক মহিলার ব্রেস্টে জীবনের যে কোনো সময়ে লাম্প বা চাকতির মতো বা পিণ্ডের মতো কিছু দেখা দিতে পারে। বাড়তি প্লিটি কেবল একটি টিউমার হতে পারে। এটিকে ভুল করে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যাবে না। কারণ চিকিৎসকরা এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ কোথাও হলে প্রথমে তার সিটি স্ক্যান কিংবা এমআরআই করে নিশ্চিত হন এটি কেবল টিউমার কিনা। তারপর সেখান থেকে কিছু কোষ বায়োপসির নামক পরীক্ষার মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে কোষগুলো পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন কোষগুলো ক্যান্সার জাতীয় কোষ কিনা, তখন তেমন পরিবর্তন দেখলে তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যায়। শুধু এমন টিউমার হলে প্রথমে কেবল ওষুধ দিয়ে, তারপর অপারেশন করে সেই বাড়তি অংশটি কেটে ফেলে টিউমারের চিকিৎসা করা হয়।

সেই টিউমার যদি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে যায়, শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে, তখন যে অংশে টিউমারটি হয়েছে সেটি প্রথমে অপারেশন করে কেটে ফেলার দরকার বা অবস্থায় থাকলে কেটে ফেলে দিতে হয়, সঙ্গে শরীরের অন্য অংশগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষগুলোকে মেরে ফেলা অথবা তারা যাতে আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে না পারে, সেটা থামিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু কেমিক্যালের মাধ্যমে কেমোথেরাপি এবং কিছু রে বা রশ্মির মাধ্যমে রেডিওথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারটির চিকিৎসা করার চেষ্টা করা হয়। এখন নিশ্চয়ই কারও টিউমার হলেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি বলবেন না এবং ভাববেনও না। বর্তমানে দুটোরই চিকিৎসা আছে। টিউমার বা ক্যান্সার হওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু নয়। ক্যান্সার বা টিউমার শরীরের অন্য হাজার রোগের মতোই একটি রোগ বা সমস্যা। বরং শরীরের কোথাও এমন বাড়তি কোন মাংস প্লি, কোনো কারণ ছাড়াই অনেকদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে শরীরের ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় দুর্বল অনুভব করা, এমন সব কমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




মালয়েশিয়া গমনেচ্ছুদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

বুধবার (২৯ জুন) সতর্কতা জারি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সই করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলাদেশী কর্মী গমনের ক্ষেত্রে কর্মীর বিমান ভাড়া, লেভিসহ মালয়েশিয়ায় প্রদেয় সকল খরচ কর্মী গ্রহণকারী নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করবে।

আরও বলা হয়, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি হিসেবে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বিএমইটি'র ডাটাবেজে নাম নিবন্ধনের জন্য একাধিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার হয়েছে। এ নিবন্ধন বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সহায়ক। তবে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নয়।

সতর্কবার্তায় আরও যা যা বলা হয়—বিএমইটি’র ডাটাবেজে নিবন্ধন ছাড়া কোনও কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। তাই মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সরকারি ঘোষণার আগে কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রিক্রুটমেন্ট এজেন্টের সঙ্গে সকল আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাসপোর্টসহ মূল্যবান ডকুমেন্ট অন্যের হাতে জমা দিয়ে জিম্মি হবেন না। দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীরা নিরাপদ অভিবাসনের অন্তরায়। তাদের পরিহার করুন।

শোনা যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতারণামূলকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়াই লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনুমোদনবিহীন বিজ্ঞাপন, প্রতিষ্ঠান ও প্রতারকদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে অবৈধ ও আগাম লেনদেনে সম্পৃক্ত দায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি বা তার প্রতিনিধি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-সহ সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে সকল দেশের ক্ষেত্রে ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করবেন। অবশ্যই মানি রিসিপ্ট সংরক্ষণ করবেন। এছাড়া, মালয়েশিয়াসহ বিদেশ গমন সংক্রান্ত যেকোনও পরামর্শের জন্য নিকটস্থ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে www.bmet.gov.bd ভিজিট করে বা ০৮০০০১০২০৩০ (টোল-ফ্রি) নম্বরে কল করে তথ্য ও পরামর্শ নেওয়া যাবে।


আরও খবর



ভার্সেটাইল অভিনেত্রী নন্দিত নায়িকা শাবনূর

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সায়মা সাদিয়া :  বাংলাদেশের সিনেমার উজ্জ্বল নক্ষত্র, ভার্সেটাইল অভিনেত্রী নন্দিত নায়িকা শাবনূর। তার সমসাময়িক অনেকে নায়িকা অনায়াসেই স্বীকার করেন অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনন্য, অসাধারণ। তার ধারে কাছেও কেউ নেই অভিনয়ের বিবেচনায়। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকাকালীন থেকে যত দিন তিনি অভিনয়ে নিয়মিত ছিলেন, তত দিনই তার অনবদ্য অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করে গেছেন শাবনূর। তার অভিনীত অসংখ্য সিনেমা রয়েছে, যা ব্যবসাসফল। কিন্তু সেই নন্দিত নায়িকা দীর্ঘদিন অভিনয়ে নেই। কিন্তু তার ভক্ত-দর্শকরা এখনো আশায় বুক বেঁধে আছেন যে, যেকোনো সময় আবারও অভিনয়ে ফিরবেন তাদের প্রিয় নায়িকা শাবনূর। করোনার আগে অস্ট্র্রেলিয়া গিয়েছিলেন শাবনূর। সেখান থেকে আর ফেরা হয়নি তার।

তবে আগামী ১৭ ডিসেম্বর তার দেশেই জন্মদিন উদযাপনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যদি তাই হয়, তাহলে জন্মদিনের আগেই হয়তো শাবনূর দেশে ফিরবেন। আর এদিকে গেল বছরের শুরু থেকেই অনেকটাই আড়ালে চলে গেছেন কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি। সর্বশেষ তিনি সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত একটি সিনেমার কাজ শেষ করতে পেরেছিলেন। কিন্তু রাজু আলীমের একটি সিনেমার কাজ শুরু করেও শেষ পর্যন্ত তিনি তা শেষ করে আড়ালে যেতে পারেননি। পপি কেন আড়ালে আর এই আড়াল কবেইবা তিনি ভাঙবেন, সে ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা মিলেনি। কেউ বলছেন, তিনি বিয়ে করে আড়াল হয়েছেন। আবার এ ব্যাপারে কোনো সত্যতা বা প্রমাণও মিলেনি। তবে শিল্পী সমিতির গেল নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া চিত্রনায়িকা নিপুণের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তার সূত্রে জানা যায়, পপি হয়তো শিগগিরই আড়াল ভাঙবেন। শাবনূর আর পপির কোটি ভক্তরা চান তারা দুজনই নিয়মিত কাজ করুন। ভালো গল্প এবং তাদের উপযোগী চরিত্রেই তার ভক্ত-দর্শকরা তাদের দেখতে চান। যদি শাবনূর-পপি দুজনই আবার চলচ্চিত্রের অভিনয়ে ফিরেন এবং এ সময়ে একটু ব্যতিক্রম ঘরানার সিনেমার প্রতি দর্শক যেভাবে আগ্রহী হয়ে উঠছেন, এ ধরনের গল্পে যদি তারা কাজ করেন, তবে অনেকেরই ধারণা তারা দুজন আবারও অভিনয়েই ব্যস্ত হয়ে উঠবেন। কারণ এমন অনেক গুণী নির্মাতাও আছেন, যারা শাবনূর-পপিকে নিয়ে কাজ করতে চান। শাবনূর-পপির সঙ্গে অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন ফেরদৌস।

তিনি বলেন, ‘শাবনূর কিংবা পপি দুজনই মেধাবী অভিনেত্রী। দুজনই অসময়ে অভিনয় থেকে নিজেদের আড়াল করেছেন। যে সময়টাতে তাদের ওপর গল্প ভাবনা নিয়ে সিনেমা নির্মিত হতে পারত, সেসময়ই তারা নেই। আমি চাইব, তারা কাজে ফিরে আসুক, আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গন আরো প্রাণ ফিরে পাবে। কারণ দুজনই ভীষণ জনপ্রিয়, পরিশ্রমী এবং জাত শিল্পী।


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




ইটনায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুজাহিদ সরকারঃ 

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনায় উপজেলা হেলথ কেয়ার আয়োজিত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

১১ জুন রোজ শনিবার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হেলথ কেয়ারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার(উপ-পরিচালক) ডা. হাসিবুর রহমান ভূঁইয়া, উপজেলা হেলথ কেয়ারের (ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার) ডা. শাহীন।  ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা.অতিশ দাস রাজিব সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও কর্মচারীবৃন্দ। 

সারা বাংলাদেশে প্রথম পর্যায়ে ১৬ টি উপজেলায় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২২টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার একমাত্র  ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এই দ্বিতীয় পর্যায়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হতে যাচ্ছে। 

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা.অতিশ দাস রাজিব সবাইকে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ডা. হাসিবুর রহমান ভূঁইয়া ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জহির আহমেদ এবং যার কথা না বললেই নয় ডা. শাহিন, যার অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টা আজকের এই মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং এর গাইডলাইন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। তিনি আরও বলেন, ডা.হাসিবুর রহমান ভূঁইয়া সর্বদাই কিশোরগঞ্জের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন বিশেষ কিছু করার, আমাদের উপজেলায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপনা নির্মাণ এর আরেকটি উদাহরণ। 

ডা. হাসিবুর রহমান ভূঁইয়া অসংখ্য ধন্যবাদ উনি এত ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যাডামকে নিয়ে ইটনা উপজেলা পরিদর্শন করেছেন এবং যাবতীয় আরো কি কি প্রয়োজন তার সর্বোচ্চ উপজেলা হেলথ কেয়ার থেকে দেয়ার কথা বলেছেন ।

ধন্যবাদ আমাদের ইটনা উপজেলার স্বনামধন্য চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান, কে যিনি প্রথম থেকে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পিট নির্মাণের জায়গা সহ আরো চলমান কাজের সর্বদা সহযোগিতা এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।

ধন্যবাদ সিভিল সার্জন কিশোরগঞ্জ 

ডা. সাইফুল ইসলাম কে প্রতিটি কাজে পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য। 

আমাদের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপনাটি গড়ে উঠলে এত বছর ধরে চলে আসা সকল  মেডিকেল বর্জ্য একসাথে ডাম্পিং করা অথবা পোড়ানো এবং সেটার জন্য যে সমস্যাগুলো তৈরি হতো সেটা একেবারেই কমে যাবে।

এতে একদিকে  প্লাস্টিক বর্জনের জন্য পরিবেশের যে ক্ষতি হতো সেটা কমে যাবে  এবং অন্যদিকে মেডিকেল বর্জ্য গুলো সুনির্দিষ্টভাবে আলাদা আলাদা জায়গা নিষ্কাশন করা হবে ।


আরও খবর



লাইফস্টাইল কী ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বর্তমানে মানুষের জীবনকেন্দ্রিক যে শব্দটি ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে তা হচ্ছে ‘লাইফস্টাইল’। লাইফ বলতে আমরা জীবনকে বুঝি। আর স্টাইল বলতে ধরন, প্রকার, ধাঁচ, রকম, পদ্ধতি ইত্যাদি বুঝি। তাই লাইফস্টাইলের সাধারণ বাংলা অর্থ হতে পারে জীবন যাপনের ধরন বা পদ্ধতি। এটাকে আরো সহজ করে বললে বলা যায় জীবনধারা।

এখন এই জীবনধারা তো অনেক ব্যাপক অর্থবোধক একটি শব্দ। এর বহুমাত্রিক অর্থ রয়েছে। জীবনের সার্বিক দিককেই কভার করে এ শব্দটি। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যেভাবে জীবন চালানো হচ্ছে তার পুরোটাই। এর মধ্যে যেমন জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে খাদ্যগ্রহণ ও আনুষঙ্গিক প্রয়োজনগুলো পূরণের বিষয়গুলো রয়েছে, তেমনি রয়েছে মানুষের মনোজগতে বদ্ধমূল হয়ো বিশ্বাস ও সেই বিশ্বাসের আলোকে কর্মের ধরনটিও।

জীবন ধারণের জন্য মানুষের কিছু মৌলিক প্রয়োজন রয়েছে। এই দেহকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জন্মের শুরুতেই তার প্রয়োজন হয় খাবারের। প্রয়োজন হয় পরিচ্ছন্নতার। প্রয়োজন হয় সুন্দর একটি পরিবেশের যেখানে থাকবে কলুষমুক্ত বাতাস। আরো দরকার পরিবেশের বিরূপতা থেকে সুরক্ষার জন্য নিরাপদ স্থান বা গৃহ। একই কারণে প্রয়োজন হয় পরিধেয় বস্ত্র। আলো, তাপ ও শীতের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার। তার ভেতর স্বাভাবিকতা বা সুস্থতার ব্যত্যয় ঘটালে প্রয়োজন হয় চিকিৎসার বা নিরাময়ের।

পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অনিবার্য প্রয়োজন বাতাস। শ্বাস-প্রশ্বাস চালু না থাকলে কয়েক মুহূর্তেই জীবন নিভে যায়। মহান স্রষ্টা আল্লাহ প্রকৃতিতে দিয়েছেন অনাবিল বাতাস। সেই বাতাস দেহে টেনে নেয়ার জন্য শরীরের ভেতর দিয়েছেন একটি অতুলনীয় যন্ত্র যার নাম হৃদযন্ত্র। এ বাতাস টেনে নেয়ার শক্তি না থাকলে পৃথিবীর জীবন আর থাকে না।

জীবনকে সতেজ সজীব রাখতে, পরিচ্ছন্ন রাখতে পানির প্রয়োজনও অনিবার্য। বাতাস পানি আর সূর্যের আলোর সমন্বয়ে গয়ে উঠেছে অসাধরণ এক প্রকৃতিজগত। যার মধ্যে জীবন স্বাভাবিক ও সুন্দর।

সার্বিকভাবে জীবনের পরিপার্শ্ব স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে প্রয়োজন এই প্রকৃতির উপস্থিতি। উদ্ভিদ, গাছ-পালা, বনবনানী, তরুলতা, পশু-পাখি সমৃদ্ধ; পাহাড়-নদী-সাগর ঝর্ণাধারা বেষ্টিত প্রকৃতির মাঝে মানুষের জীবন থাকলেই সে জীবন স্বাভাবিকভাবে বাঁচে। এই প্রকৃতি বিনষ্ট হলে বা এর সুযোগগুলোর ঘাটতি হলে জীবন বিপন্ন হয়।

তারপর বেঁচে থাকার জন্য মানুষের প্রয়োজন হয় অপর মানুষের সহযোগিতা। এজন্য মানুষ গড়ে তুলেছে সমাজ। গড়েছে সংস্কৃতি, কালচার। এসব গড়তে জ্ঞানের প্রয়োজন হয়েছে। সেই জ্ঞানও মানুষকে চেষ্টা করে অর্জন করতে হয়। সেই অর্জনই হলো শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ দুনিয়ার জীবনকে সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত করতে পারে। তাই শিক্ষাও মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য প্রয়োজন।

এবার জীবিকার প্রয়োজন পূরণের জন্য শিক্ষাগ্রহণে সমৃদ্ধ হয়ে মানুষকে করতে হচ্ছে নানা ধরনের কাজ। প্রয়োজন বা চাহিদাই এর চালিকা শক্তি। এর পেছনে সবাইকে দৌড়াতে হচ্ছে। ঘর বাঁধতে হচ্ছে নারী-পুরুষকে। তাদের মিলিত প্রচেষ্টায় জন্ম নিচ্ছে মানবশিশু। তাদেরকে লালনপালন করে আবার বড় করতে হচ্ছে, গড়ে তুলতে হচ্ছে আরেকটি পূর্ণ মানুষ হিসেবে জীবনের সবরকম দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে। এভাবে রূপ লাভ করছে সমাজ-সংস্কৃতি।

মানুষকে তার অর্জিত জ্ঞান ও বুদ্ধি দিয়ে জীবনের সব প্রয়োজনীয় কাজ সমাধা যেমন করতে হচ্ছে, তেমনি যেকোনো ধরনের বাধা, প্রতিবন্ধকতা বিরূপতা দূর করে, বা সমস্যা সংকটের সমাধান করে জীবনকে টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত।

এভাবে প্রকৃতি ও সমাজ-সংস্কৃতির ভেতর মানুষ যে জীবন যাপন করছে সেটাই তার লাইফস্টাইল বা জীবনধারা।

বর্তমানে মানুষের জীবনের সুস্থতার জন্য সঠিক লাইফস্টাইল তথা জীবনধারার কথা জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। কারণ একটাই, আজ মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারা ব্যাহত। প্রকৃতি কলুষিত। জীবন কঠিভাবে সংকটাপন্ন। প্রকৃতিবিরুদ্ধ কাজ ও ভুল জীবন পদ্ধতির কারণে কঠিন কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। দেখা দিচ্ছে শারীরিক-মানসিক বিপর্যয়।

এজন্যই লাইফস্টাইল সঠিক করার জন্য, সংশোধন করার জন্য এতো উচ্চাবাচ্য শুরু হয়েছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে জীবনের সাথে এমনসব অনুষঙ্গ যোগ হয়েছে যে, মানুষ সেসব থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সেগুলো পরিহার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে যে জীবনকে মানুষের ভালোবাসার কথা তার প্রতি সুবিচার করতে পারছে না।

ইংলিশ অভিধানে lifestyle তথা জীবনধারার একটি সংজ্ঞা হলো এমন - একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সমষ্টির মনোভাব, অভ্যাস বা সম্পদের মিলনে গড়ে ওঠা একটি সংস্কৃতি।

ইংলিশ অভিধানে লাইফস্টাইল শব্দটির প্রতিশব্দগুলো হচ্ছে - behaviour ব্যবহার বা আচরণ, civilization সভ্যতা-সংস্কৃতি, condition অবস্থা, শর্ত, conduct আচরণ, পরিচালনা, customs রীতি, প্রথা, life · mores রীতিনীতি, চালচলন, position অবস্থান, situation পরিস্থিতি, way of life জীবনপথ বা জীবনপদ্ধতি।

এ থেকেই বোঝা যায়, লাইফস্টাইল বিষয়টি কতো ব্যাপকভাবে জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে। জীবনের কতো দিক ও বিভাগকে এটি ধারণ করে। কাজেই সুস্থ-সুন্দর জীবন যাপনের জন্য জীবনের সাথে যুক্ত সব বিষয়েরই সুস্থতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। প্রয়োজন জীবনকে ভালোবাসা। এর মূল্য বোঝা।





আরও খবর



বিয়ের তিন মাস না যেতেই স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন,স্বামী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় নববধূকে জবাই করে হত্যা করেছে স্বামী। এমন লোমহর্ষক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকান্ডস্থলে শত-শত মানুষ ভীড় জমায়।

নিহত স্ত্রীর নাম গৃহবধূ রুপালী বেগম (২০) উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের মনির চৌকিদারের বাড়ির সিরাজ মিয়ার মেয়ে।

রোববার (১২ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ময়নাতদন্তের মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।   এর আগে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সোনাদিয়া গ্রামের আবু তাহের বাবুল মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘাতক স্বামী ইউসুফ নবী রুবেলকে (২৬) রক্তমাখা ছোরাসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সে উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের পূর্ব সোনাদিয়া গ্রামের আবু তাহের বাবুল মেম্বারের বাড়ির মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম বলেন,গত তিন মাস আগে পারিবারিক ভাবে রুবেলের সাথে বিয়ে হয় রুপালী বেগমের। কিছু দিন আগ থেকেই পরকীয়ার জের ধরে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ দেখা দেয়। এ পরকীয়ার জেরে শনিবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে বাকবিন্ডা দেখা দেয়। একপর্যায়ে স্বামী রুবেল তার স্ত্রী পারভীনকে গায়ের ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফল কাটার চুরি দিয়ে গলায় জবাই করে হত্যা করে।

ওসি আরো জানায়, ওই সময় ঘরে থাকা বৃদ্ধ মায়ের শৌরচিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে হত্যাকারীকে আটক। প্রাথমিক ভাবে জানা যায়,পরকীয়ার জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত রক্তমাখা ছোরা হত্যাকারীর দেখানো মতে ঘরের দরমার ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়।পরকীয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের ভাসুর রফিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় এনে রাখা হয়েছে। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের বিয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর