Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

টিউমার ও ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

একটি যার শরীলে একবার বাসা বাধে তিলে তিলে মানুষটির জীবন শেষ করে দেয়। তবে সচেতনতা যথার্থ চিকিৎসা রোগীকে দিতে পারে দীর্ঘায়ায়ু। আবার অনেক সময় রোগীরা ভোগান্তিতে পরেন ভুল তথ্য কিংবা চিকিৎসার কারনে। ক্যান্সার সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের কারনে অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বা ভুল রোগ নির্নেয় ব্যবস্থা প্রতিবেদনের কারনে। তাছাড়া ক্যান্সার টিউমার এই দুটি ব্যাধিই মানব শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বিবর্তন প্রদর্শন করে। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। তাই অনেক সময়ই আমরা টিউমার শব্দটি শুনলে ভাবি ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে মনেকরি টিউমার হয়েছে।  যেমন মানুষে বলে- ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে কিংবা ব্রেইন টিউমার হয়েছে,! কিন্তু দুটো ব্যাধি কি একই! মোটেও নয়।  যেমনটা ব্রেস্ট টিউমার কিংবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো একই নয়।

টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।

বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী

আমাদের শরীরে বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ধরা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্কের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। জন্মের সময় সংখ্যা চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু নিয়মে পুরনো কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্ম নেয়, আবার কিছু কোষ সাইজে বাড়ে, কিছু কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো নতুন কোষ জন্ম দিতে পারবে, কোন কোষের সাইজ কেমন হবে, কোষের এমন সব বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষের ভেতর কিছু নির্দেশ বা নিয়ম থাকে। আর সে নিয়মগুলো থাকে ডিএনএতে। কোনো কারণে ডিএনএ-এর মধ্যে থাকা নির্দেশ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়ে গেলে কোষগুলো তখন অস্বাভাবিকভাবে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, পুরনো কোষ মরে না গিয়ে হযবরল ঘুরতে থাকে, অথবা নতুন জন্ম নেওয়া কোষগুলো কাজবিহীন ঘুরে বেড়ায়।

কারণ কোষগুলোতে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তার নির্দেশ থাকে না, কী কাজ করবে তার নির্দেশটি পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন পরিবর্তিত ডিএনএ-এর নির্দেশে রোবটের মতো একের পর এক নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, নতুন অস্বাভাবিক কোষের সংখ্যা বেড়ে বেড়ে স্বাভাবিক কোষের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, বুড়ো কোষগুলোর পটোল তোলার প্রক্রিয়া থেমে গিয়ে আবর্জনার মতো জমা হতে থাকে শরীরে।

তখন শরীরের অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক কোষগুলো কোথাও জমা হয়ে একটি লাম্প বা প্লি বা চাকতির মতো হয়ে প্রকাশ পেলে তাকে তখন টিউমার বলে।

টিউমার দুধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার শুধু এক জায়গাতে বৃদ্ধি পেয়ে এক জায়গাতেই বসে থাকে। এদের বলে বিনাইন টিউমার। এরা তেমন ক্ষতিকারক নয়। আরেক প্রকার টিউমারের ভেতর থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ্ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য কোনো অংশে গিয়ে জমা হয়ে সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, নতুন কোনো টিউমার তৈরি করে সেখানে, তখন তাদের বলে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকে অন্যভাবে বলে ক্যান্সারাস টিউমার। কাজের সুবিধায় সংক্ষেপে ক্যান্সার বলে।

আমাদের শরীরে প্রায় ২০০ ধরনের ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা আছে। ক্যান্সার হলো মূলত শরীরের অনেক জায়গায় বিভিন্ন সমস্যার একটি সমষ্টি। এর শুরুটা শরীরের কোনো একটি অংশে হয়। তারপর যখন সেটি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, কেবল তখন তাকে ক্যান্সার বলে।

টিউমারের মধ্যে থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে গিয়ে কখনো নতুন টিউমার হতে পারে, কখনো কেবল সেখানকার অন্য কোষগুলোর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমন করে না ছড়িয়ে পড়া বিনাইন টিউমারগুলো যখন শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে, সেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোই মূলত বেশিরভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে, তখন তার তৈরি করা সমস্যাগুলোকে সহজ করে কেবল ক্যান্সার বলে। ক্ষেত্রে যে অঙ্গ বা অংশ থেকে কোষের পরিবর্তনের শুরু, তখন তাকে ওই পার্টের ক্যান্সার বলে।

আবার কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- ব্লাড ক্যান্সার, লিউকেমিয়া। এক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক কোষগুলোর চেয়ে অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্তে বেশি থেকে রক্তকে তার স্বাভাবিক কাজ করতে দেয় না, রক্তে কোনো আলাদা টিউমার দেখা দেয় না।

তারমানে সব টিউমার ক্যান্সার নয়, কিছু কিছু টিউমার কেবল ক্যান্সার, যখন সেই টিউমারগুলোর মধ্যে থাকা কোষগুলো শরীরের অন্য অংশে গিয়ে আরও নতুন টিউমার বা কাজে সমস্যা তৈরি করে। আবার সব ক্যান্সার টিউমার নয়, যেখানে অস্বাভাবিক কোষগুলো টিস্যু আকারে কোথাও জমাট বেঁধে প্রকাশ পায়। যেমন ব্লাড ক্যান্সারে এমন টিউমার হয় না।

অনেক মহিলার ব্রেস্টে জীবনের যে কোনো সময়ে লাম্প বা চাকতির মতো বা পিণ্ডের মতো কিছু দেখা দিতে পারে। বাড়তি প্লিটি কেবল একটি টিউমার হতে পারে। এটিকে ভুল করে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যাবে না। কারণ চিকিৎসকরা এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ কোথাও হলে প্রথমে তার সিটি স্ক্যান কিংবা এমআরআই করে নিশ্চিত হন এটি কেবল টিউমার কিনা। তারপর সেখান থেকে কিছু কোষ বায়োপসির নামক পরীক্ষার মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে কোষগুলো পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন কোষগুলো ক্যান্সার জাতীয় কোষ কিনা, তখন তেমন পরিবর্তন দেখলে তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যায়। শুধু এমন টিউমার হলে প্রথমে কেবল ওষুধ দিয়ে, তারপর অপারেশন করে সেই বাড়তি অংশটি কেটে ফেলে টিউমারের চিকিৎসা করা হয়।

সেই টিউমার যদি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে যায়, শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে, তখন যে অংশে টিউমারটি হয়েছে সেটি প্রথমে অপারেশন করে কেটে ফেলার দরকার বা অবস্থায় থাকলে কেটে ফেলে দিতে হয়, সঙ্গে শরীরের অন্য অংশগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষগুলোকে মেরে ফেলা অথবা তারা যাতে আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে না পারে, সেটা থামিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু কেমিক্যালের মাধ্যমে কেমোথেরাপি এবং কিছু রে বা রশ্মির মাধ্যমে রেডিওথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারটির চিকিৎসা করার চেষ্টা করা হয়। এখন নিশ্চয়ই কারও টিউমার হলেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি বলবেন না এবং ভাববেনও না। বর্তমানে দুটোরই চিকিৎসা আছে। টিউমার বা ক্যান্সার হওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু নয়। ক্যান্সার বা টিউমার শরীরের অন্য হাজার রোগের মতোই একটি রোগ বা সমস্যা। বরং শরীরের কোথাও এমন বাড়তি কোন মাংস প্লি, কোনো কারণ ছাড়াই অনেকদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে শরীরের ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় দুর্বল অনুভব করা, এমন সব কমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর



ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

আমনের ভরা মৌসুমে মোকাম, পাইকারি খুচরা বাজার- সবখানে চালের দাম বেড়েছে গত -১০ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন পর্যায়ে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে থেকে টাকা পর্যন্ত

বাজারে এখন সরু (মিনিকেট) চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়, যা ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা ছিল মাঝারি (বিআর-২৮, পায়জাম) চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা দুই টাকা বেড়ে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মালিবাগে কুমিল্লা রাইস এজেন্সির ফরিদ হোসেন বলেন, ভোটের কারণে গাড়ি কম এসেছে। তাই সরবরাহ ঘাটতির কারণে চালের দাম বেড়েছে

তিনি জানিয়েছেন, মানভেদে প্রতি বস্তা চালের দাম দেড়শ থেকে আড়াইশ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

মোকামমালিক, আড়তদার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমে পর্যাপ্ত ধান উৎপাদন হয়েছে। কোথাও চালের সংকট নেই। কিন্তু বিভিন্ন পর্যায়ে আমন ধানের মজুত গড়ে তোলা হয়েছে। মজুতের কারণে বাজারে চালের দাম বাড়ছে

রামপুরা বাজারে খুচরা চাল বিক্রেতা ইউনুস হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি মিনিকেটের দাম ছিল ৬৬ টাকা, বর্তমানে তা ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪৬ টাকার পায়জাম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়

তবে রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে সরু চালের দাম বেড়েছে দশমিক ৮০ শতাংশ মাঝারি চালের দাম বেড়েছে দশমিক ৬৫ শতাংশ

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, টিসিবির হিসাবেও সরু চালের দাম এক মাসের ব্যবধানে টাকা পর্যন্ত বেড়েছে


আরও খবর



কোটা বিরোধী আন্দোলন না করার প্রচারণায় ফুলবাড়ী উপজেলা প্রসাশন

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) সংবাদ দাতা::



সারাদেশের চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে,সাধারণ ছাত্র,ছাত্রী সহ অভিভাবকরা যাতে আন্দোলনের নামে গুজবে কান না দেয় বা ভিন্ন ভাবে প্রভাবিত হতে না পারে তারেই লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের জনসচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণা।

বুধবার ১৭ (জুলাই) ফুলবাড়ী উপজেলা প্রসাশন সকালে কাশিপুর ইউনিয়নের কলেজ মোড় থেকে শুরু করে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা, মানববন্ধন সমাবেশ না করার জন্য ছাত্র ছাত্রী সহ অভিভাবকদের অনুরোধ জানিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহনুমা তারান্নুম বলেন,যে মায়ের কোল খালি হয়,সে মায়ে বোঝে তার কষ্ট।সে কথাটা বোঝেন, আমরা কেউ বুঝিনা। আমরা চাই আপনাদের কোন সন্তান যাতে কোন পক্ষের কথায় কষ্ট পাক, আহত হোক অথবা মৃত্যু বরণ করুক। এসময় তিনি ফুলবাড়ির সন্তানদের সুস্থ সুন্দর রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় কোটা বিরোধী আন্দোলনে না জড়ানোর জন্য ফুলবাড়ির সকল ও ছাত্র, ছাত্রী সহ অভিভাবকদের অনুরোধ জানান,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নত্তয়াবুর রহমান। তিনি আরও জানান,প্রসাশনের নির্দেশ অমান্য করে কোন প্রকার সভা সমাবেশ বিশৃঙ্খলা করলে আপনাদের কে এর দায় দায়িত্ব নিতে হবে। যে করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর



জয়পুরহাটে ভুয়া র‍্যাব সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার-২

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয় দেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– তরিকুল নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং নাইম হোসেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার চকবিলা গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে।

আজ রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, তরিকুল ইসলাম সোহাগ এসআই পদে থেকে র‌্যাব বাহিনীতে আছেন, আর তার সহযোগী নাইম হোসেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন এসব কথা বলে বিভিন্নজনকে চাকরির প্রলোভন দিতেন তারা। এমনভাবে মাস্টারপাড়া এলাকার এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সিভিল গাড়িচালক পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ওই ব্যক্তির সাথে তরিকুল ও নাইমের মৌখিকভাবে ১২ লাখ টাকা চুক্তি হয়। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে তারা দুজন মাস্টারপাড়া এলাকায় আসেন। এরপর ওই পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে অগ্রিম ২৬ হাজার ৩শ টাকা দাবি করেন। বিষয়টি চাকরী প্রত্যাশী ব্যক্তির সন্দেহ হলে ঘটনাটি র‌্যাবকে জানায়। র‌্যাব ওই চাকরী প্রত্যাশীর সঙ্গে পরিকল্পনা করে তরিকুল ও নাইমকে গ্রেপ্তার করে।

জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুজন প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে তরিকুলের কাছে র‌্যাবের জ্যাকেট পাওয়া গেছে। তারা র‌্যাব সদস্য পরিচয়ে এসব অপরাধমূলক কাজ করতেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তাদেরকে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর



নওগাঁয় প্রথম স্ত্রীর মৃতদেহ হাসপাতালে রেখে আত্মগোপনে স্বামী, দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বড় স্ত্রী সূচনা আক্তার কে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ এনে সাংবাদিক স্বামী ও সতিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাংবাদিকের প্রথম স্ত্রী সূচনা আক্তার এর ভাই আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত রবিবার ৩০জুন রাতে নওগাঁর মান্দা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় পরই রাতেই অভিযান চালিয়ে সাংবাদিক এম এ রাজ্জাকের ছোট স্ত্রী ফারজানা আক্তার (৩০) কে গ্রেফতার করেন থানা পুলিশ। সোমবার বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ পরানপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকায় নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। প্রায় ১৫ বছর আগে রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা সূচনা আক্তারকে বিয়ে করেন সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক। স্ত্রীর সঙ্গে ৪ বছর সংসার করেন। প্রথম পক্ষের একটি মেয়ে ও একটি ছেলে দুটি সন্তান আছে। 

নিহত সূচনা আক্তারের বড় বোন রেহেনা আক্তার বলেন, ৪ বছর সংসার করার পর বনিবনা না হওয়ায় বোন সূচনা আক্তারকে রেখে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্ত রাজ্জাক নিজ গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তীতে ফারজানা আক্তার নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। গর্ভের সন্তানদের দেখার জন্য আমার বোন সূচনা আক্তার মাঝে মধ্যে রাজ্জাকের বাড়ি আসত। ঈদ উপলক্ষে গত ২২ জুন সূচনা আবারও রাজ্জাকের বাড়ি আসেন। এখানে অবস্থানকালে ২৬ জুন কেনাকাটার জন্য সূচনা স্বামী রাজ্জাককে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় গোপালপুর বাজারে যায়। এ নিয়ে সতিন ফারজানার সঙ্গে সূচনার হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে সতিন ফারজানা ও স্বামী রাজ্জাকের নির্যাতন সইতে না পেরে বোন সূচনা আত্মহত্যা করে। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, নিহত সূচনা আক্তারের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী রাজ্জাক ও সতিন ফারজানার বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের ভাই আরিফ হোসেন। মামলার পর সতিন ফারাজানাকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সঙ্গে ৪০টি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট সেবন করেন সূচনা আক্তার। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তিনি মারা যান। এরপর স্ত্রী সূচনা আক্তারের মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখেই আত্মগোপনে চলে যান সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক।


আরও খবর



আবার কমেছে রিজার্ভ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার কমে ২০ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। আইএমএফসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়ার পর গত সপ্তাহে যা ছিল ২১ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে নিট রিজার্ভ ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন থেকে নেমেছে ১৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়নে।

বুধবার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ এ পর্যায়ে নামলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আকু হলো- আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিস্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে প্রতি দু্ই মাস পর বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যে দায় পরিশোধ হয়। একটি সময় শ্রীলঙ্কা আকুতে থাকলেও অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে নিজ থেকেই তারা বেরিয়ে গেছে। এর আগে গত মে মাসে আকুতে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমেছিল ১৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। আর গত জানুয়ারিতে আকুর দায় বাবদ ১২৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নামে ২০ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে করোনা পরবর্তী অর্থনীতিতে বাড়তি চাহিদা এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি, বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং আগের দায় পরিশোধ বেড়েছে। গত ৩ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। সব মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমছে।

গত ২৭ জুন আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। আইডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া গেছে আরও ৯০ কোটি ডলার। আবার জুনে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ২৫৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। সব মিলিয়ে রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছিল।


আরও খবর