Logo
শিরোনাম

টস জিতে বোলিংয়ে পাকিস্তান

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:


চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামছে দুই চির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান।


 রোববার (৯ জুন) নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম।  


বাংলাদেশ সময় ৮.৩০ মিনিটে খেলা শুরুর হওয়ার কথা ছিল। তবে বৃষ্টির বাগড়ায় টস হতে দেরি হয়েছে। এই ম্যাচ বেশ গুরুত্বপূর্ণ পাকিস্তানের জন্য।


 অপেক্ষাকৃত দুর্বল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেছে পাকিস্তান। তাই সুপার এইটের খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে জিততে হবে পাকিস্তানকে।



অন্যদিকে পাকিস্তানের চেয়ে বেশ নির্ভার ভারত। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক জয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে রোহিত শর্মার দল। এই ম্যাচ জিতে সুপার এইটের পথে আরও খানিকটা এগিয়ে থাকতে চাইবে ভারত।


টি-টোয়েন্টির পরিসংখ্যানে ভারতের চেয়ে বেশ পিছিয়ে পাকিস্তান। এখন পর্যন্ত ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণে ১২ ম্যাচে মাঠে নেমেছে এই দুই দল। ভারতের ৯ জয়ের বিপরীতে মাত্র ৩ জয়ের দেখা পেয়েছে পাকিস্তান।  



ভারতের একাদশ:


রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবাম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, জাসপ্রিত বুমরাহ, আর্শদ্বীপ সিং ও মোহাম্মদ সিরাজ।


পাকিস্তানের একাদশ:


মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), বাবর আজম (অধিনায়ক), উসমান খান, ফখর জামান, শাদাব খান, ইফতেখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির, হারিস রউফ ও নাসিম শাহ।


আরও খবর



রাজধানীজুড়ে যানজট, মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এর ফলে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাড়তি চাপ পড়েছে মেট্রোরেলের ওপর। যাত্রীদের চাপ সামলাতে মতিঝিল স্টেশনে প্রবেশ ফটকে তালা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যাত্রীর চাপের কারণে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয় মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় গেটে দায়িত্বরত কাউকে দেখা যায়নি।


এ সময় এক যাত্রী রাফী দেওয়ান বলেন, রাস্তা বন্ধ। তাই ভাবলাম মেট্রো রেলে করে বাসায় ফিরব। কিন্তু এসে দেখি গেট বন্ধ। গেট কেন বন্ধ বলতে পারছি না। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতর থেকেও কেউ আসছে না।

বুধবার বিকেল পৌনে চারটায় কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটি প্রান্তের প্রবেশমুখে যাত্রীদের ভিড় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।

এদিকে মতিঝিল স্টেশনের প্রবেশ ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। স্টেশনের বাইরে বহু মানুষ প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল এবং সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করার দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর প্রায় সব সড়কে যানবাহন স্থবির হয়ে আছে। লোকজন অনেকটা বাধ্য হয়ে মেট্রো স্টেশনে ছুটছেন। কিন্তু সেখানেও যাত্রী চাপে ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে।


আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কমতে পারে ৭ দিন, সিদ্ধান্ত আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:



প্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন মিলিয়ে মোট ২০ দিনের ছুটি চলছে। গত ১৩ জুন শুরু হওয়া এ ছুটি আগামী ২ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 



তবে সেই ছুটি সাতদিন কমানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ঈদুল আজহার ছুটি বাদে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল হতে এমন আভাস দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। সেই সিদ্ধান্ত নিতে আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বৈঠকে বসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।



জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হবে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


 পরে মন্ত্রী ব্রিফিং করে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। তবে ছুটি সাতদিন কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।


ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো– নতুন কারিকুলামে চলতি বছরের বেশ গ্যাপ রয়েছে। শীত ও অতি গরমের কারণে এবার ১৫ দিনের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মের ছুটি কাটছাঁট করা হবে।



 সেক্ষেত্রে শীতকালীন ছুটি কিছুটা বাড়তে পারে। পাঠদানের কর্মদিবস সারা বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটি এক সপ্তাহ কমতে পারে।


চলতি বছরের শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে এবার ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত। তবে ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে গেলে আবারও শিক্ষাপঞ্জিতে কাটছাঁটের প্রয়োজন পড়বে। 


আরও খবর



সুফিবাদ চর্চা বিবেক জাগ্রত হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম : সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

আত্মার মাধ্যমে মন দেহের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আবার মন হলো তত্ত্ব, তত্ত্ব মানে জ্ঞান। অর্থাৎ জ্ঞানই সব পরিচালনা করে। মানব হল সত্তা। এর দুটো অংশ। একটি আত্মা, অপরটি মন; যা দেহে অবস্থান করে। দেহ, আত্মা ও মনের সমন্বয়ে পূর্ণ মানব। মনের অন্য রূপ হলো বিবেক। বিবেক দ্বারা সে সত্য মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণ করে। বিবেকের অপর নাম চেতনা। চেতনা হল একটি শক্তির নাম, এই শক্তি সুপ্তভাবে প্রতিটি মানবের মধ্যে বিদ্যমান। যিনি এই শক্তিকে জাগ্রত করতে পারে, তিনি মহা শক্তিধর আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্তর্নিহিত এ শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন ধর্ম। অর্থাৎ ধর্মচর্চা। ধর্ম মানুষকে প্রাকৃতিকতা শিক্ষা দেয়, ধর্ম সুবুদ্ধিতে নিরন্তর চর্চায় রাখে।

ধর্মের দুটো দিক। একটি আনুষ্ঠানিকতা, অপরটি আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা হলো ধর্মের বাইরের বাতাবরণ। অর্থাৎ বইয়ের মলাটের মত। এর ভেতরেই রয়েছে ধর্মের প্রকৃত রূপ; যার নাম আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা অংশ নিয়ে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠীর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়, এমনকি একই ধর্ম অনুসরণকারীদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা যায়। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব সংঘাতেও লিপ্ত হয়। অপরদিকে আধ্যাত্মিকতা সকল ধর্মের মানুষ গ্রহণ করে। এর সাথে কারো মতবিরোধ নেই, সে যেই ধর্মের হোক না কেন।

মূলত ধর্ম প্রাকৃতিকতার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। প্রাকৃতিকতা ব্যতীত প্রকৃতির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিকতা ধারণের নামই আধ্যাত্নিকতা। আধ্যাত্মিকতা ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে, বিবেককে জাগ্রত করে। ইসলাম ধর্মসহ পৃথিবীর সকল ধর্মই নৈতিকতা তথা সত্যকে ধারণ ও মিথ্যাকে বর্জনের শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম কখনো অনৈতিকতাকে সমর্থন করেনি, এখনো করে না,এবং ভবিষ্যতেও করবে না। প্রকৃতির নিয়মে সৃষ্টির মধ্যে একে অপরের সাথে আন্তসংযুক্ত,একে অপরের উপর নির্ভরশীল, আত্মার সাথে সম্পর্কিত। এমনকি আল্লাহর সাথেও সংযোগকৃত ও সম্পর্কিত। আর মানুষ মানুষে সম্পর্ক তো আছেই। সম্পর্কিত বলেই অপরের ব্যথায় ব্যতীত ও সুখে আনন্দিত হয়। ধরি কেউ একজন বাংলাদেশে খাদ্য গ্রহণ করছেন, এমতবস্থায় সংবাদ মাধ্যমে শুনতে পেয়েছেন যে আমেরিকায় বিমান দুর্ঘটনায় অনেক লোক প্রাণ হারিয়েছেন। সাথে সাথে মনের ভেতর বিরুপ প্রভাবসহ খাদ্য গ্রহণে অস্বস্তিবোধ হয়। এথেকে বোঝা যায়একে অপরকে না চিনলেও পারস্পারিক আন্ত:সম্পর্ক ও আন্তঃসংযোগ আছে। ধর্ম এটিকে অটুট রাখতে শিক্ষা দেয়,বিচ্ছিন্ন হতে দেয় না। সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবারের মতো। তাই কর্তৃত্ব নয় বরং সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে (এ বন্ধনকে) অটুট রাখতে ধর্ম সহায়তা করে। এইজন্য যুগে যুগে যুগসংস্কারকসহ আল্লাহর আউলিয়াগণ বিভিন্ন তরিকা ও দর্শনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও বেলায়েতের শক্তি দিয়ে মানবকে ধর্মচর্চায় প্রভাবিত ও উদ্বুদ্ধ করে। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের (শক্তির) প্রভাবে মানবের অহংকারকে ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ করে। এবং মনুষ্যত্ব ধারণে সহায়তা করে।

আবার অন্যদিকে কতকব্যক্তি ধর্মকে বিশ্বাস করেন, গ্রহণ করেন ও ধর্মগ্রন্থকে সম্মান করেন কিন্তু এটি যে একটি জ্ঞানগ্রন্থ তা বুঝে উঠতে পারে না। কারণ এদেরকে কিছু ধর্মব্যবসায়ী অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছে।এই শ্রেণীর লোক সমাজে বেশি। আবার কতক ব্যক্তি আছেন যারা মুখে ধর্মের কথা বলে কিন্তু ধর্ম ধারণ করে না। এরা ধর্মকে পেশা ও ব্যবসা হিসেবে নেয়। সামান্য স্বার্থের জন্য ধর্মকে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে। ধর্মের লেবাস পরিধান করে মানুষ মানুষে বিভেদ বিচ্ছিন্ন করে। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এরকম কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আছে, যাদের কারণে অতি উৎসাহী কিছু লোক না বুঝে, কিংবা বুঝে অথবা পরিকল্পিতভাবে ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে। উভয়ই জন্তু থেকেও অধম। এরা সমাজ রাষ্ট্র সহ সকলের জন্য ক্ষতিকর।

অথচ ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে বিভেদ বিচ্ছিন্নতা নয়, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সংযুক্তি; কর্তৃত্ব ও প্রভুত্ব নয় বরং একে অপরের ভাই মনে করে সেবার মানসিকতা নিয়ে সমগ্র বিশ্বকে একটি পরিবার মনে করে এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।এর নাম সুফিবাদ। এজন্য যুগে যুগে ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে সুফি সাধকগণ প্রেম, বিনয়, উদারতার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন সমাজকে একত্রিত থাকার শিক্ষা দেন। সকল ধর্মই শান্তির কথা বলে। তবে সর্বশেষ অতি সহজ, আধুনিক যুগোপযোগী ও বৈজ্ঞানিক ধর্মের নাম ইসলাম। ইসলাম শব্দের অর্থই হলো শান্তি।পূর্ণ শান্তি ও জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। ইসলাম দিয়েছে সকল ধর্মানুসারীদের নিরাপত্তার অধিকার, স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার, নারীদের দিয়েছে (শালীনতার ভিত্তিতে) ব্যবসাসহ কর্ম করার অধিকার।

 সার্বিকভাবে সর্ব বিষয়ে উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। সুফিরা বলেছেন, প্রয়োজনে নিজস্বার্থ কিছু ত্যাগ করে হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার নাম ইসলাম। আর কিছুলোক নিজস্বার্থের জন্য ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে।তারা ইসলামকে রাজনৈতিক দলে পরিনত করেছে। আর এই কুকর্মগুলো করা হয় ধর্মের দোহাই দিয়ে। এর চেয়ে জঘন্য ও নিকৃষ্ট কর্ম আর কী হতে পারে! এদের কারণে বিশ্ব সমপ্রদায় মনে করে ইসলাম মানে জঙ্গিবাদ, মারামারিহানাহানি, হিংসা, বিভেদ বিচ্ছিন্নতা। ইসলাম মানে ওজনে কম দেয়া, অকারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা।ফলে ইসলামসহ শান্তির বার্তাবাহক, আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী, মানবকুলসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের রহমত হিসেবে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) প্রেরিত হযরত আহম্মদ মোস্তবা মোহাম্মদ মোস্তফা (দ.)কে তারা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। এজন্য আমরাই দায়ী। তাই ধর্মকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ভাব ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যাঁরা ধর্মের নৈতিকতা ও ভাব হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁদের দ্বারা সমাজে কখনো অকল্যাণ হতে পারে না। ন্যূনতমও যে ধর্ম ধারণ করে, সে কখনো ওজনে কম দিতে পারে না, অকারণে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি ও গুদামজাত করতে পারে না, সে খাদ্যে ভেজাল দিতে পারে না, রমজান মাসে অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারে না। ধার্মিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে মূল্য বৃদ্ধি করে না, বরং অল্প মুনাফা করে সন্তুষ্ট থাকে। তাঁরা দেশের দুর্যোগ ও খাদ্য সংকটকালে গুদামজাত না করে রাষ্ট্র, সরকারের সাথে একত্রিত হয়ে জনগণের কষ্ট দূরীকরণে ভূমিকা রাখে। এঁরাই ধার্মিক। এঁদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।

 ধর্ম ধারণকারীর প্রতিটি কর্মে প্রাকৃতিকতা প্রকাশ পায়। তাঁর দ্বারা কখনো প্রকৃতির দূষণ হতে পারে না, অপ্রয়োজনে বৃক্ষ কর্তন করে অক্সিজেন ধ্বংস করে না। পাহাড় কেটে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে না, (পাহাড় ভূমির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভূকম্পন নিয়ন্ত্রণে রাখে, পাহাড় কর্তনে পরিবেশ ভারসাম্য হারায়। ফলস্বরূপ অতিমাত্রায় ভূকম্পন হয়, অতিবর্ষণে পাহাড় ধসে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়), সে পানি দূষণ করে না। সুফিবাদ চর্চা বিবেককে জাগ্রত হয়। ফলে সে সত্যমিথ্যার প্রভেদ বুঝতে পারে। সবসময় যেকোনো কর্মে সতর্ক থাকে। তাঁর আল্লাহভীতি ও প্রেমানুভূতি জন্মে। ফলে আল্লাহ ধর্মে যা করার নির্দেশনা দিয়েছেন, যা করতে নিষেধ করেছেন এসব পালনে সতর্ক থাকে। সুফিবাদি মানুষের বিবেক সব সময় কথা বলে। যেটা মানবের জন্য কল্যাণকর তা করা এবং অমঙ্গলজনক কর্ম না করার জন্য ভেতর থেকে নির্দেশনা দেয়। আল্লাহভীতির কারণে সে জানে কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে। তাই এক প্রকার দায়িত্ববোধ জন্মে। ফলে কোনো অনৈতিক কর্ম করার পূর্বে একবার চিন্তা করে। বিবেক প্রতিনিয়ত তাকে দংশন করে। হৃদয়ের গভীর থেকে অদৃশ্য শক্তি কিংবা কে যেন বলে দেয় এটি মন্দ কর্ম, এটি করিও না। আধ্যাত্মিকতা ধমের্র মূল অংশ।

আধ্যাত্মিকতা আত্মসম্পর্কিত ইবাদত। এটি আত্মাকে আলোকিত করে, আত্মাকে মহাত্মার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করে। প্রেমাগুণ দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। আর এই কর্মটি করতে সহজ হয় যদি কোনো কামেল পীরের সংস্পর্শে করা যায়। একজন আধ্যাত্মিক মুরশিদ  জ্ঞান, সংস্পর্শ, অনুগ্রহ দ্বারা ভক্ত শিষ্যের প্রেমাগুণকে প্রজ্জ্বলিত করে, এবং প্রেমাগুণে পুড়ে তাকে প্রকৃত মানবে পরিণত করে। এর নাম সালাত।এর নাম এবাদত। প্রেমাগুণে জ্বলে আত্মাকে ভস্ম করে আলোকিত করার নাম সালাত। এটি আমিত্ব, অহংকারসহ নফসকে পুড়ে ছাই করে দেয়, সর্বপ্রকার অপকর্ম থেকে দূরে রাখে।পবিত্র কোরআন শরীফে আছে,ইন্নাস সালাতা তানহা অনিল ফাহসাই ওয়াল মুনকার অর্থাৎ নিশ্চয় নামাজ মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। একজন কামেল মুরশিদ শিক্ষা ও দীক্ষা দিয়ে পাপিষ্ট ব্যক্তিকে অনৈতিক কর্ম থেকে বিরত রাখা সহ আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। এবং তাঁকে এমন এক নেশায় আসক্ত করে, যে নেশায় মত্ত হয়ে প্রতিনিয়ত আল্লাহর নৈকট্যতা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল থাকে। যে নেশায় সকালে আসক্ত হলে রাতে শেষ হয়ে যায় সেটি প্রকৃত নেশা নয়। এটি ভোগের নেশা। অতএব এমন নেশায় আসক্ত হও যে নেশায় একবার মত্ত হলে পরমকে না পাওয়া পর্যন্ত কাটে না, এটি হলো প্রেমের নেশা। পার্থিব নেশায় আসক্ত হলে জ্ঞান, বিবেক, বুদ্ধি সবই লোপ পায়।

যে প্রেমাস্পদকে ভালোবাসে, সে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতিটি বস্তুকে ভালোবাসে। সুফিসাধকগণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হয়, প্রকৃতির সেবা করতে হয়। যে প্রকৃতি ও প্রকৃতির ভাষা বোঝে না, প্রকৃতির ঋণ অস্বীকার করে; সে কখনো স্রষ্টার অনুগ্রহ পায় না।সে স্রষ্টা থেকে অনেক দূরে। প্রকৃতি প্রেমব্যতীত স্রষ্টাপ্রেমী হওয়া যায় না। ধর্মের (সূফীবাদ) চর্চা মানুষকে প্রকৃতির প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে, নীরবতা, নির্জনতার দিকে নিয়ে যায়। অপ্রয়োজনীয় কথা ও কর্ম থেকে বিরত রাখে। আবার প্রয়োজনে সঠিক সময়ে সত্য কথা বলে, মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। এজন্য বর্তমানে আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ বিনির্মাণে সুফিবাদ চর্চার বিকল্প নেই। কোনো ধর্মই কখনো দেশ ও সমাজের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় এরকম অনৈতিক শিক্ষা দেয় না। ধর্ম ন্যায়ের কথা বলে, জ্ঞানের কথা বলে, সত্যের কথা বলে, মানবকল্যাণের কথা বলে ;সর্বোপরি সুবুদ্ধির কথা বলে। সুবুদ্ধির মধ্যে সত্য নিহিত। সুবুদ্ধির বর্ণনা দিতে গিয়ে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের মহান সুফিসাধক সৈয়দ সাইফ উদ্দিন আহমেদ আল মাইজ ভান্ডারী বলেন, সুবুদ্ধিতে খোদা, সুবুদ্ধিতে রাসুল (দ.),সুবুদ্ধিতে ইসলাম, সুবুদ্ধিতে কোরআন, সুবুদ্ধিতে ঈমান, সুবুদ্ধিতে মানবতা। সুফিবাদ ধারণ করলে মানুষ সুবুদ্ধির পথে অগ্রসর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সুবুদ্ধির বিকল্প নেই।

ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তির মধ্যে একদিকে আল্লাহ ভীতি, অন্যদিকে আল্লাহর প্রেম সৃষ্টি হয়। ভীতির কারণে অনৈতিক কর্ম থেকে দূরে থাকে। কারণ সে জানে একদিনে পরকালে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তাই সদা সর্বদা সতর্ক থাকে। অপরদিকে প্রেমের কারণে সমগ্র সৃষ্টির কণায় কণায় স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে। ফলে সে সৃষ্টির প্রতি সদয় হয়।এবং প্রেমাস্পদের স্মরণে সদা সর্বদা মগ্ন থাকে। অতএব যে ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা ও আচারিকতাকে প্রাধান্য দেয়, মূলভাব (নৈতিকতা) হৃদয়ে ধারণ করে না, তার অনুভূতি জাগ্রত হয় না। অনুভূতি ব্যতীত উপলব্ধি আসে না, উপলব্ধি ব্যতীত জ্ঞানচক্ষু ফোটে না,আত্মা পরিশুদ্ধ ও আলোকিত হয় না। আর পরিশুদ্ধ আত্মাই মহাত্মার সাথে মিলন করতে পারে। তাই বিশ্বে সাম্যবাদ ও শান্তি ফিরিয়ে আনার অন্যতম ও উৎকৃষ্ট উপায় হলো সূফীবাদ চর্চা।


আরও খবর



ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে তহিরন নেসা (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান এলাকাবাসি। মৃত্যুকালে তহিরন নেসা দুই ছেলে রেখে যান।

বৃহস্পতিবার (২০জুন) ভোররাতে ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের কাঁচারাজাপুর গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তহিরুন নেসা কাঁচারাজাপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ভোরে বাড়ির পাশে থেকে তহিরন নেসাকে সাপে কামড় দেয়। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা তা কেউ বলতে পারেননি। এই নিয়ে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ধামরাইয়ের পাশে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া, হরিরামপুর ও ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপ মারা হয়েছে বলে জানা গেছে করা হচ্ছে।

আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, তহিরন নেসা ভোরে সাপের কামড়ে মারা গেছে। তবে কি সাপে কামড় দিয়েছে এ ব্যাপারে কেউ কিছুই বলতে পারেন নি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মুমিন বলেন, রাসেল ভাইপারের চেয়ে অনেক ভয়ংকর সাপ রয়েছে বাংলাদেশে। এক নারীর মৃত্যু হয়েছে তা জানতে পেরেছি। তবে কি সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না। আসামের পানির ঢলে বাংলাদেশে রাসেল ভাইপার সাপ এসেছে মনে হয়। রাসেল ভাইপার সাপ প্রায় ২শত বছর সাপটি বিলুপ্ত ছিল। রাসেল ভাইপার সাপ নড়াচড়া করে কম, সাপটি তেমন দৌড়ায় না। তবে সবাইকে সাবধান চলাচল করতে হবে।


আরও খবর



সংলাপে বসছে সৌদি-বাংলাদেশ, গুরুত্বের চোখ বাণিজ্য ও বিনিয়োগে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:



সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় রাজনৈতিক সংলাপে বসছে বাংলাদেশ।


সোমবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সংলা‌পে গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ইস্যু। এছাড়া রিজার্ভ সংকট মেটাতে সৌ‌দি থে‌কে তহ‌বিল চাওয়ার পাশাপা‌শি দেশটির যুবরাজের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফর নি‌য়েও আলোচনা হ‌বে এতে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রিয়াদে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 



প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানও আছেন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে।


কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক পর্যালোচনা, সৌদি যুবরাজের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফর, জনশক্তি রপ্তানি, বেসরকারি খাতে ব্যবসা বাড়ানো, সৌদি উন্নয়ন তহবিলের (এসএফডি) মাধ্যমে বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা, যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশ ইউরিয়া ও ডিএপি সার কারখানা স্থাপন, বাংলাদেশের পেট্রো-ক্যামিকেল ও পর্যটনে সৌদি বিনিয়োগের উদ্যোগ ও প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলোতে আলোচনা হবে।


দ্বিপক্ষীয় ইস্যুর বাইরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও উঠে আসবে আলোচনার টেবিলে। আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে ফিলিস্তিন সংকট, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইয়েমেন পরিস্থিতি, পবিত্র মক্কা-মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হুতিদের হামলা, রোহিঙ্গা সংকট, ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব। এছাড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ করে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে একে অপরকে সমর্থনের বিষয়টিও তোলা হতে পারে আলোচনায়।


রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানান, সৌদি আরব আমাদের বড় উন্নয়ন সহযোগী। সেখানে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করে এবং দেশে রেমিট্যান্স পাঠায়। গ্রিন এনার্জি, সৌরশক্তি ও বন্দর ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সঙ্গে সৌদির অংশীদারিত্ব রয়েছে।



 শিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্যও আমরা তাদের বলবো। পাশাপাশি সৌদিরা যেহেতু বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে অর্থ রাখে, আমাদের দেশের ব্যাংকগুলোর অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থ রাখার প্রস্তাবও তাদেরকে দিতে পারি। তারা নিয়মানুযায়ী লাভ পাবে এবং সেই অ্যাকাউন্ট থেকে তারা তাদের মুদ্রায় লেনদেন করতে পারবে।



 বিদেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অফশোর অ্যাকাউন্ট সুবিধার জানালা আমরা উন্মুক্ত করেছি, এটি আমরা তুলে ধরতে চাই।


সংলা‌পে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা পররাষ্ট্র সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ও মধ্য এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও পরিচালক শফিকুর রহমান ও নাফিসা মনসুরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপ‌স্থিত থাক‌বেন।



আরও খবর