Logo
শিরোনাম

উদয় হলো আরো এক নতুন ভাইরাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

গত দুই বছর ধরে গোটা দুনিয়া করোনা ভাইরাসে নাকাল। এর মধ্যে কিছুদিন আগে হানা দেয় মাঙ্কিপক্স। এখন মারবার্গ ভাইরাস নামে আরেক অতিসংক্রামক প্রাণঘাতী ভাইরাসের কথা শুনিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পশ্চিম আফ্রিকার ঘানা এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে দুই জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

সোমবার (১৯ জুলাই) সিএনএন জানায়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় আশান্তি এলাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মরবার্গ ভাইরাসে শনাক্ত ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ৯০ জনের বেশি মানুষকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ডব্লিউএইচও'র তথ্য মতে, এ ভাইরাসে আক্রান্তদের ডায়রিয়া, জ্বর, বমি বমি ভাব এবং বমির উপসর্গ দেখা দেয়। এটি রক্তক্ষরণজনিত জ্বর, যা ইবোলা ভাইরাস রোগের মতো এবং এতে মৃত্যুর হার ৮৮% পর্যন্ত।

ডব্লিউএইচও বলছে, 'এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হঠাৎ অসুস্থতা শুরু হয়, তীব্র জ্বর, প্রচণ্ড মাথাব্যথা দেখা যায়'।

ভাইরাসটি বাদুড় থেকে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। পরে সংক্রমিত ব্যক্তির থুতু বা অন্য তরল থেকে ভাইরাসটি মানুষে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে জানায় ডব্লিউএইচও।

এখন পর্যন্ত মারবার্গ ভাইরাসের জন্য কোনও অনুমোদিত ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, আক্রান্ত রোগীকে মুখে বা শিরায় স্যালাইন দিয়ে এবং লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা যেতে পারে।

ঘানার স্বাস্থ্য বিভাগ জনসাধারণকে বাদুড়ের বিচরণ এলাকা এড়িয়ে চলতে এবং ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে সব ধরনের মাংসজাতীয় খাবার ভালোভাবে রান্না করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তারা আরও বলেছে, ফল খাওয়া বাদুড় মারবার্গ ভাইরাসের প্রাকৃতিক আমন্ত্রক।

পশ্চিম আফ্রিকায় দ্বিতীয়বারের মতো এই মারবার্গ ভাইরাস শনাক্ত হলো। গিনিতে গত বছর একজন শনাক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু শনাক্তের পাঁচ সপ্তাহ পর সেপ্টেম্বরে সংক্রমণ শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।

এর আগে অ্যাঙ্গোলা, ডিআর কঙ্গো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও উগান্ডাতে এই ভাইরাসে সংক্রমণ ও বিচ্ছিন্ন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। তাদের তথ্য অনুসারে, ২০০৫ সালে অ্যাঙ্গোলাতে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণে।


আরও খবর



ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমি করলে অশ্লীল: ময়ূরী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক :


বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া বরাবরই খোলামেলা পোশাকে পর্দায় হাজির হয়ে ভক্তদের মনে ঝড় তোলেন ফারিয়া। 


এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা একটি ছবি শেয়ার করেছেন ফারিয়া; যা দেখে উত্তাল নেটদুনিয়া।


ফারিয়ার এমন লুকের ছবি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চিত্রনায়িকা পলি অভিনেত্রীর বিকিনি লুকের ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নুসরাত ফারিয়া, তোমাকে দেখতে সুপার লাগছে।’



পলির সেই পোস্টে মন্তব্য করতে দেখা গেছে চিত্রনায়িকা ময়ূরীকে। যেখানে ফারিয়ার খোলামেলা ছবির সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, নুসরাত ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমরা করলে অশ্লীল। ময়ূরীর এমন কমেন্টে চুপ থাকেননি পলিও। 


সেই মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এইবার বুঝলা দোস্ত, কেনো পোস্ট করলাম।’


 

ঢালিউডের অশ্লীল যুগের নায়িকা বলা হয় চিত্রনায়িকা ময়ূরী ও পলিকে। পর্দায় তাদের অভিনীতি বেশকিছু সিনেমা নিয়ে ব্যাপক আপত্তি রয়েছে দর্শকমহলে। যদিও নিজেদেরকে ‘অশ্লীল’ যুগের নায়িকার তকমায় ভীষণ আপত্তি রয়েছে পলি-ময়ূরীর।


তবে নেটিজেনদের ধারণা, হয়তো সেই আপত্তি থেকেই ফারিয়ার খোলামেলা ছবি নিয়ে ‘খোঁচা’ দিতে দেখা গেল তাদেরকে। তবে সমালোচকদের মন্তব্য কিংবা আপত্তিকে পাত্তাই দেননা ফারিয়া। বর্তমানে ভ্যাকেশন মুডে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে দেখা গেছে ফারিয়াকে। শ্যাম বেনেগাল নির্মিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।


আরও খবর



আত্রাইয়ে সোয়া লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ রিং জাল জব্দ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর আত্রাইয়ে অভিযান চালিয়ে এবার একলক্ষ ২৫হাজার টাকা মূল্যেও ৮০০মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করেছে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে ভস্মিভূত করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ আত্রাই নদীর রেল ব্রীজ এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার আত্রাই গুড়নদীর উদয়পুর স্লুইচ গেট সংলগ্ন স্থান থেকে লক্ষাধীক টাকা মূল্যের ৭০০মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করে আগুনে ভস্মিভূত করা হয়।

আত্রাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান,উপজেলার আত্রাই নদীর রেল ব্রীজ এলাকায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে,এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ওই নদী থেকে একলক্ষ ২৫হাজার টাকা মূল্যের ৮০০মিটার রিং জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে ভস্মিভূত করা হয়। এসময় তিনিসহ আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম এস.আই রাকিব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান,দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ডেস্ক :

চলতি মাসের শুরুতে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের একটি যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়।

তবে শর্ত পছন্দ না হওয়ায় ইসরায়েল এ যুদ্ধবিরতির আলোচনা থেকে সরে আসে। এরপর হামাস জানায়, যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলকে আর ছাড় দেবে না তারা।

শুক্রবার (১৭ মে) এক ভিডিওবার্তায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন হামাসের মুখপাত্র আবু ওবায়দা। খবর আল জাজিরা।

ভিডিওবার্তায় আবু ওবায়দা বলেন, আগ্রাসন যতই দীর্ঘস্থায়ী হোক না কেন, ফিলিস্তিনিরা রাফাহ এবং গাজার অন্যান্য স্থানে আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

আমরা শত্রুর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তাদের এমন এক জলাভূমিতে টেনে নিয়ে যাচ্ছি, যেখানে তারা তাদের সৈন্যদের মৃত্যু এবং তাদের কর্মকর্তাদের বন্দিত্ব ছাড়া আর কিছুই পাবে না।


হামাসের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা বড় শক্তি- এটা প্রমাণের জন্য আমাদের লড়াই না। আমরা এই মাটির সন্তান এবং প্রকৃত মালিক।

হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা ১০০টিরও বেশি ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি টানেল উড়িয়ে, রকেট ও মর্টার হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত করেছে।


গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। ওই হামলায় সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকরা নিহত হন।

পরে হামাসের হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এই হামলায় নিহত হয়েছে, যাদের এক তৃতীয়াংশই শিশু।


আরও খবর



আদিতমারিতে পাওনা টাকা নিয়ে স্কুল ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট :

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় বন্ধুর কাছে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে মধু চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত মধুসুধন  চন্দ্র ভাদাই ইউনিয়নের রুহানীনগর এলাকার মৃত সুবাস চন্দ্রের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের রুহানী নগরে সতিনদীতে থেকে স্কুলছাত্র ফরহাদ আলীর (১৬) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 মৃত স্কুলছাত্র ফরহাদ একই ইউনিয়নের শীববাড়ি এলাকার গরু ব্যবসায়ী শাহাজান আলীর ছেলে।

সে আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

 ঘটনা স্থলে পরিদর্শনে আসা পুলিশ সুপার জানায়,‌ মধু একটি মোটরসাইকেল কিনে পাশের গ্রামের শীববাড়ির ফরহাদের কাছে বিক্রি করেন। সেই মোটরসাইকেলের টাকা লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ  হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল নিয়ে ফরহাদ বাড়ি থেকে বের হয়, আর ফেরেনি স্কুলছাত্র ফরহাদ। ছেলের সন্ধান না পেয়ে আদিতমারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফরহাদের বাবা। সেই জিডির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। প্রথমদিকে ফরহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি মধু কাছে পাওয়া যায়। এসময় তাকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মধুর দেওয়া তথ্যমতে তার বাড়ি থেকে অস্ত্র ও পাশের ভেটশ্বর নদী থেকে ফরহাদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  

আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরও জানান, যদি এই হত্যা কান্ডের সাথে আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।  

পরিদর্শন শেষে ফেরার সময় রাস্তায় নিহত ফরহাদের স্বজনরা অবরোধ করে ন্যায় বিচারের আশায়।


আরও খবর



বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


নিজস্ব প্রতিবেদক:


বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট উত্থাপন হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ স্লোগানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।



রাজস্ব আহরণ ত্বরান্বিত করতে এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে শুল্ক-কর বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকতে পারে বাজেটে। যার প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।



রাজধানীর যেসব স্থানে বসছে কোরবানির পশুর হাট

এবারের বাজেটে যে সকল পণ্যের দাম বাড়বে বলে জানা যায়:


সিগারেট: প্রতিবারের মতো এবারের বাজেটেও সিগারেট উৎপাদন পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য স্তর বাড়ানো হচ্ছে। তাই সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়বে।



মোবাইল ফোন সিমকার্ড: মোবাইল অপারেটরদের সিমকার্ড বিক্রির ওপর কর ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা হতে পারে। ফলে বাড়তি দামে সিমকার্ড কেনা লাগতে পারে ক্রেতাদের।


মোবাইলে কথা হবে বাড়তি খরচে: রাজস্ব আদায়ের আওতা বৃদ্ধি করলে মোবাইলে কথা বলতে আরো বাড়তি অর্থ গুনতে হবে ভোক্তাকে। বর্তমানে একজন ভোক্তা মোবাইলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে ৭৩ টাকার কথা বলতে পারেন। বাকি ২৭ টাকা ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক হিসেবে কেটে নেয় মোবাইল অপারেটরগুলো।


 প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেবার ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হলে ভোক্তা ৬৯.৩৫ টাকার কথা বলতে পারবেন।


গাড়ি: বর্তমানে সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানি করতে পারেন। বৈষম্য হ্রাসে বাজেটে এই সুবিধা বাতিল করে প্রস্তাবিত বাজেটে গাড়ি আমদানি করতে হলে সংসদ সদস্যদের ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবনা আসতে যাচ্ছে। 


অন্যদিকে বিলাসবহুল গাড়িতে শুল্ক ফাঁকি রোধে হাইব্রিড ও নন হাইব্রিড টাইপের গাড়ি ছাড় করতে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত যোগ করা হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেটে। ফলে বিলাসবহুল গাড়ির দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।


কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংকস: কোমল পানীয়, কার্বোনেটেড বেভারেজ, এনার্জি ড্রিংকস, আমসত্ত্বের ওপর ভ্যাট পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে। এ ছাড়া কার্বোনেটেড বেভারেজের ওপর ন্যূনতম কর আরও দুই শতাংশ বাড়িয়ে পাঁচ শতাংশ হতে পারে। ফলে বেশি দামে কিনতে হবে এসব পণ্য।



কাজুবাদাম: দেশে কাজুবাদাম চাষকে সুরক্ষা দেয়ার অংশ হিসাবে খোসা ছাড়ানো কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্ক পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হচ্ছে। এতে কাজুবাদামের দাম বাড়তে পারে।


এসি: গরমে স্বস্তি পেতে অনেকে এয়ারকন্ডিশন বা এসি কিনছেন। আগামী বাজেটে এসিকে বিলাসী পণ্য বিবেচনা করে দেশে এসি উৎপাদনে ব্যবহৃত কম্প্রেসার ও সব ধরনের উপকরণের শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। তাই এসির দাম বাড়তে পারে।


ফ্রিজ উৎপাদনে ব্যয় বাড়বে: বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্য খাতকে সরকার ভ্যাট অব্যাহতি দিয়ে আসছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ফ্রিজ উৎপাদনে ভ্যাট অব্যাহতি রয়েছে। যা আর বৃদ্ধি করা হবে না বলে জানা গেছে। ফলে নতুন অর্থবছরে পাঁচ শতাংশ ভ্যাটের হার বৃদ্ধি করে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।


পানির ফিল্টার: বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত পানির ফিল্টার আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। দেশে উৎপাদন হওয়ায় পানির ফিল্টার আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে। তাই গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত পানির ফিল্টারের দাম বাড়তে পারে।


এলইডি বাল্ব: বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে অনেকে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করেন। নিকট-ভবিষ্যতে এলইডি বাল্বের দাম বাড়তে পারে। কারণ এলইডি বাল্ব এবং এনার্জি সেভিং বাল্ব উৎপাদনের উপকরণ আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে।


সিএনজি-এলপিজিতে কনভার্সন খরচ: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যক্তিগত সিএনজি-এলপিজিতে কনভার্সন বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আদায় বাড়াতে মনোযোগ দিয়েছে এনবিআর। গাড়ি সিএনজি-এলপিজিতে কনভার্সনে ব্যবহৃত কীট, সিলিন্ডার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক তিন শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ শতাংশ করা হচ্ছে। এ কারণে গাড়ি কনভার্সন খরচ বাড়তে পারে।



জেনারেটর: লোডশেডিং মোকাবিলায় বাসাবাড়ি বা শিল্পে জেনারেটরের ব্যবহার বাড়ছে। সেখানেও নজর দিয়েছে এনবিআর। জেনারেটর সংযোজন ও উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ বা যন্ত্রাংশ আমদানিতে এক শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। তাই দেশের বাজারে জেনারেটরের দাম বাড়তে পারে।


নিরাপত্তা সেবা: রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় শহরে বাসাবাড়ি, অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তাসেবা প্রায় অপরিহার্য। এ ধরনের নিরাপত্তাসেবায় ১০ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট বিদ্যমান। প্রস্তাবিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।


হাটবাজারের ইজারা: কর ব্যতীত প্রাপ্তি (নন-ট্যাক্স রেভিনিউ) বাড়াতে আগামী বাজেটে জেলা, উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ের হাটবাজারের ইজারামূল্য কিছুটা বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে জমির নামজারির মাশুলও (ফি)।



হাসপাতালের সরঞ্জাম আমদানিতে ব্যয় বাড়বে: কিছু শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে রেফারেল বা বিশেষায়িত হাসপাতালের শুল্কছাড় সুবিধায় এক শতাংশ শুল্কে মেডিকেল যন্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানির সুযোগ রয়েছে।


 আগামী বাজেটে ২০০টিরও বেশি মেডিকেল যন্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানির ক্ষেত্রে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে, যা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।


আরও খবর