Logo
শিরোনাম
আতংকে নির্ঘুম রাত

উপকূলের বেড়িবাঁধে ভাঙন

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রোকসান মনোয়ারা:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আতঙ্কে আছেন খুলনার উপকূলের কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছার লাখো মানুষ। আশনির আশংকায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা। তবে, ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির দুর্যোগ মোকাবিলায় খুলনা জেলায় সরকারি ৩৪৯টির পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি মিলিয়ে ৮১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রায় সোয়া চার লাখ মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব। দুর্যোগ পূর্ব ও পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য দুই হাজার ৪৬০টি সিপিবি’র স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। পাশাপাশি এনজিও’র এক হাজার ১০০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছেন।

সূত্র জানান, কয়রা উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলোর মধ্যে সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চ ঘাট, মদিনাবাদ তফসিল অফিসের সামনে হতে হামকুড়ার গোড়া, মহারাজপুর ইউনিয়নের সুতির অফিস ও দশালিয়া। দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াপদা বাঁধ গাববুনিয়া, মাটিয়াভাঙা (কোবাদক ফরেস্ট অফিস থেকে ঘড়িলাল বাজার) আংটিহারা (সুইচ গেট থেকে পুলিশ ফাঁড়ি), পাতাখালি (খাশিটানা বাঁধ থেকে জোড়শিং বাজার) উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদী-তীরবর্তী যেসব এলাকায় এখনও টেকসই বেড়িবাঁধ হয়নি, সেসব গ্রামে বসবাসকারী পরিবারগুলোর মাঝে ‘অশনি’ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের অধিকাংশেরই নেই দুর্যোগ সহনীয় বাড়িঘর। ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০ হাজার পরিবারের অনেকেই এখনও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। এর মধ্যে আরেকটি দুর্যোগের সতর্ক সংকেত তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে ঘূর্ণিঝড় অশনি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

‘দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের জোড়শিং গ্রামের বাসিন্দা কামাল মোল্লা বলেন, সুপার সাইক্লোন আইলায় তার ঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়, এরপর নতুন করে আবার একটা ঘর বাঁধেন তবে সেটিও নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। পরে তিনি চলে যান রাঙামাটি। ৫ বছর পর ফিরে এসে আবারও মাথা গোজার ঠাই করেছেন। কিন্তু তার বাড়ির সামনে দিয়ে আবারও ভাঙন লেগেছে। যেকোন সময় জলোচ্ছ্বাসে সেখান থেকে ভেঙে যেতে পারে। তাই অশনির আশংকায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিনি।

একই গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক মিলন হোসেন বলেন, নদীতে একটু জোয়ার বেশি হলে রাস্তা ছাপিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। জোড়শিং ট্যাকের মাথা এই পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে কাজ না করলে অশনি আঘাত হানলে এখান থেকে ভেঙে হাজার হাজার বিঘা মাছের ঘের, ফসলি জমি, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হবে।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অশনি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদেরকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১১৮ টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগানো হবে।

সেকশন-২ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (সেকশন-২) শামিম হাসনাইন মাহামুদ বলেন, আম্পান ও ইয়াসের পর থেকে কয়রা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে কাজ চলছে। তবে ঘুর্ণিঝড় অশনিতে কয়রা উপজেলার দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিরা সেসব এলাকায় কাজ করছে।

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, উপকূলের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ। জোরালো দাবি সত্ত্বেও এখনো টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। যার কারণে দুর্যোগ আসলেই আতঙ্কে বুক কাঁপে উপকূলবাসীর।

তিনি বলেন, আম্পান ও ইয়াসের পর ষাট দশকের জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ব্যাপক কাজ করেছে। তবে কিছু এলাকায় কাজ না করায় আতঙ্ক বেড়ে গেছে সেসব এলাকার মানুষের। বিশেষ করে ঝুঁকির মুখে রয়েছে দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা, খাসিটানা, জোড়শিং, মাটিয়াভাঙ্গা, কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চঘাট ও মদিনাবাদ তফসিল অফিসের সামনে থেকে হামকুড়ার গড়া, মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া ও সুতির কোণা।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, খুলনা উপকূলের ৮৭৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে বর্তমানে ৪৫ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এর মধ্যে দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটার ৬ কিলোমিটার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে দাকোপের ৩১, ৩২ ও বটিয়াঘাটার ২৯ পোল্ডারে বাঁধে জরুরি মেরামত কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় জমাতে থাকেন টিকিটপ্রত্যাশীরা, তবে কমলাপুরে দুটি জায়গায় টিকিট বিক্রি হওয়ায় ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার টিকিটপ্রত্যাশীদের ভিড় কম দেখা গেছে।

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড় মুখরিত পুরো স্টেশনের অভ্যন্তর। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশ লম্বা হয়েছে টিকিট প্রত্যাশীদের লাইন।

জানা গেছে, স্টেশনে ভোররাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। এরমধ্যে অনেকেই পেয়েছেন টিকেট।

কাউন্টার কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ (১ জুলাই) দেয়া হচ্ছে ৫ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট, ২ জুলাই দেয়া হবে ৬ জুলাইয়ের টিকিট, ৩ জুলাই দেয়া হবে ৭ জুলাইয়ের টিকিট, ৪ জুলাই দেয়া হবে ৮ জুলাইয়ের টিকিট এবং ৫ জুলাই দেয়া হবে ৯ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিটপ্রত্যাশীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা রোধে বাঁশি বাজাচ্ছে রেলওয়ে পুলিশ। মাইকে কিছুক্ষণ পরপর লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার অনুরোধ করছেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

ঢাকায় ছয়টি স্টেশন এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেয়া হচ্ছে উত্তরাঞ্চলগামী আন্তনগর ট্রেনের টিকিট। কমলাপুর শহরতলী প্ল্যাটফর্ম থেকে রাজশাহী ও খুলনাগামী ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে।

তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া যাবে ময়মনসিংহ, জামালপুর ও দেওয়ানগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট।

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে পাঁচ দিন কাউন্টারে কাউন্টারে সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। আর মোবাইল অ্যাপ এবং ইন্টারনেটে ই-টিকেটিংয়ের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে।

এবার ঈদে ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনে প্রতিদিন আসন সংখ্যা হবে ২৬ হাজার ৭১৩টি। এর মধ্যে কাউন্টারে অর্ধেক টিকিট বিক্রি হবে। বাকি অর্ধেক টিকিট মোবাইল অ্যাপ ও ই-টিকেটিংয়ের মাধ্যমে বিক্রি হবে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আফসার উদ্দিন বলেন, ‘কমলাপুর শহরতলী স্টেশন থেকে এবারই প্রথমবারের মতো দেয়া হচ্ছে রাজশাহী ও খুলনাগামী ট্রেনের টিকিট। এর বাইরে জয়দেবপুরেও এবার প্রথম ট্রেনের টিকিট দেয়া হচ্ছে। মানুষের ভোগান্তি কমানোর জন্যই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।



আরও খবর



আজ দেশে ফিরছেন ইয়াসির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরটাই শেষ হয়ে গেল ইয়াসির আলি রাব্বির। পিঠের ইনজুরিতে পড়ে শুরুতে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। এবার টি-২০, ওয়ানডে সিরিজেও খেলা হচ্ছে না তার। ব্যথা না কমায় তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।

গতকাল রাতে বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ক্যারিবিয়ান থেকে দেশে ফেরার বিমানে চড়েছেন ইয়াসির। আজ দেশে পৌঁছে যাবেন এ তরুণ মিডল অর্ডার ব্যাটার।

গত ১০ জুন প্রস্ত্ততি ম্যাচের প্রথম দিনে পিঠের পেশিতে টান পড়েছিল ইয়াসিরের। পরে এমআরআইতে ধরা পড়ে তার ডিসকোজেনিক পেইন তথা মেরুদণ্ডে ব্যথা। তারপরও তাকে ক্যারিবিয়ানে রাখা হয়েছিল, সুস্হ হলে যেন সীমিত ওভারের দুই ফরম্যাটে খেলতে পারেন। কিন্তু তার ব্যথার উন্নতি হয়নি। এমনকি রিহ্যাবও শুরু করা যায়নি। দেশে ফেরার পর বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগের অধীনে চিকিৎসা চলবে ইয়াসিরের।


আরও খবর



এক সপ্তাহের খাবার পেল বন্যার্ত শতাধিক পরিবার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বন্যার্তদের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে শতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনা ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদর ইউনিয়নের ১০০ পরিবারের মাঝে এ খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউএনও ফারুক আল মাসুদ, উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক, প্রকল্প বাস্তবান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাধা বল্লভ সরকার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির প্রমুখ।

এর আগে গতকাল শুকবার বিকাল থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত সদরে ৫০, নলকুড়ায় ১০০, কাংশায় ১৫০ পরিবারের মাঝে এসব খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

প্যাকেটে যে খাদ্যসামগ্রী রয়েছে, তা পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের এক সপ্তাহ চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইউএনও ফারুক আল মাসুদ বলেন, পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্ত চার শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) গভীর রাত থেকে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। নদীর পানি উপচে ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়নের ঝিনাইগাতী, রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, বনকালি, চতল ও আহম্মদ নগর, ধানশাইল ইউনিয়নের ধানশাইল, বাগেরভিটা, কান্দুলী, বিলাসপুর ও মাদারপুর এবং কাংশা ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর চরণতলা, আয়নাপুর, কাংশা গ্রামসহ ৩০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ তৎপরতা অপ্রতুল হওয়ায় কষ্টের সীমা নেই সাধারণ মানুষের।


আরও খবর



ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। দিনটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে প্রতিবাদ এবং আত্মত্যাগের গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামী অনন্য এক দিন।

ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকালে নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির অপপ্রচারের জবাব কাজের মাধ্যমে দেবে আওয়ামী লীগ। যারা ৭ জুন মানে না, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয় বলেও মন্তব্য করেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এ দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপসহীন সংগ্রামের ধারায় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।

পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬ দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে।

অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানের শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।


আরও খবর



২ লাখ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

গজারিয়ায় ২ হাজার ৫ শত অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 গজারিয়া প্রতিনিধিঃ:

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ভবেরচর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ৫টি রেস্টুরেন্টে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অর্থদণ্ড, এছাড়াও ২ হাজার ৫'শ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস গ্যাস।

সোমবার সকাল ১০  টা থেকে বিকাল পর্যন্ত তিতাস গ্যাস ,সোনারগাঁ আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে  ভ্রাম্যমাণ  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার উপস্থিতিতে গজারিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় এই অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়।  

এসময় ৫ টি রেস্টুরেন্টে প্রতিষ্ঠানকে মোট ২  লক্ষ দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয় 

তিতাস গ্যাস সোনারগাঁ আঞ্চলিক শাখা, উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সুরুজ আলম জানান  বাংলা রেস্টুরেন্ট, ঢাকা মিষ্টিমুখ ,গজারিয়া হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট, উজান ভাটি হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা করে এবং  আল রাজ্জাক হোটেল কে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয় সর্বমোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ২  লক্ষ দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। 

একই অভিযানে মহাসড়কের দুই পাশে দুটি স্থানীয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে প্রায় আড়াইহাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ এর লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। তিনি আর ও জানান পরবর্তীতে বিচ্ছিন্ন  করা গ্যাস সংযোগ পুনরায়  দেয়ার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে জেলসহ অর্থদণ্ড দেয়া হবে


আরও খবর