Logo
শিরোনাম
রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২

ঊনসত্তরের শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক :

আজ ছিল শহিদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে অর্থাৎ ২০শে জানুয়ারি পাকিস্তানের কুখ্যাত স্বৈরাচার আইয়ুব খানের কুশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ছাত্র-গণমিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে আসাদ (পুরো নাম আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান) শহিদ হন। তিনি ছিলেন ঊনসত্তরের তীব্র গণ-আন্দোলনে পথিকৃত শহিদ। এই আন্দোলনে অগণিত শহিদদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অন্য দুজন হলেন শহিদ রুস্তম ও শহিদ মতিউর। 

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবিনামা পেশের পর থেকে বাঙালি এর স্বপক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলনে ৬-দফাকে সমর্থন করে তার সাথে গণমুখী শিক্ষার দাবি একত্রিত করে দেওয়া ছাত্রদের ১১-দফা দাবি পেশ এই আন্দোলনকে সুতীব্র করে। এই আন্দোলন-হরতালের সাথে আইয়ুব খানের ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ দায়ের ও কথিত এই মামলায় ‘প্রধান আসামী’ শেখ মুজিবসহ (তিনি তখনও ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেননি) মোট ৩৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ছাত্র নেতৃবৃন্দ ৬-দফা ও ১১-দফার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি। দেশের সর্বত্র এই প্রতিবাদ-আন্দোলন আরো বেগবান হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা থেকে ছাত্র-নেতৃবৃন্দ কর্তৃক ১৭ই জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাকে । এর বিরুদ্ধে তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের কুখ্যাত গভর্নর মোনায়েম খান দেশব্যাপী ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২০শে জানুয়ারি দুপুরে এক ছাত্র-গণমিছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পাশে চাঁন খাঁর পুলে সমবেত হলে পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হন। এর প্রতিবাদে লাখো ছাত্র-জনতা কান্না ও ক্ষোভে  পুনরায় আসাদের রক্তমাখা শার্ট পতাকার মতো নিয়ে সমবেত হয়ে মিছিল নিয়ে শহিদ মিনারে আসে। সেখানে ছাত্র নেতৃবৃন্দ ২২, ২৩ ও ২৪শে জানুয়ারি শহিদ আসাদের স্মরণে সারা দেশে ধর্মঘট ও গণ-বিক্ষোভের ডাক দেয় এবং দেশবাসী তা শ্রদ্ধার সাথে পালন করে। এর শেষ দিনে অর্থাৎ ২৪শে জানুয়ারি পুলিশ আবার ক্ষোভে উত্তাল ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে এবং ঢাকার মালিবাগ মোড়ে মতিউর রহমান শহিদ হন। 

ঊনসত্তরে সারা দেশব্যাপী এই গণ-আন্দোলনের ফলস্বরূপ বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন আরো বেগবান হয়, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা তুলে নিতে সরকার বাধ্য হয়, বাংলার অবিসংবাদিত জননেতা শেখ মুজিব ষড়যন্ত্রমূলক মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসেন এবং স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকারের পতন হয়।

শহিদ আসাদ, শহিদ মতিউর ও ঊনসত্তরের আরো অগণিত নাম না জানা শহিদদের আত্মদান দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রবল শোক ও সেই সাথে প্রবল অনুপ্রেরণার উৎস। এই ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলন পাকিস্তানের অমানবিক শোষণের প্রতি বাঙালির তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদের প্রতীক এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকবে।

আসাদের আত্মদানের খবরে সমগ্র দেশ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা সর্বত্র আইয়ুবের ছবি অপসারণ করে, ঢাকার আইয়ুব গেটের নামফলক ভেঙ্গে নতুন নামকরণ করে ‘আসাদ গেট’, আইয়ুব রোডের নাম রাখে ‘আসাদ রোড’ এবং আইয়ুব পার্কের নাম রাখে ‘আসাদ পার্ক’।

এই গণ-আন্দোলন ও আত্মত্যাগের স্মরণে আমাদের কবি-সাহিত্যিকরাও অনেক প্রবন্ধ-কবিতা-গল্প লিখেছেন। কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা হলো কবি শামসুর রাহমানের ‘আসাদের শার্ট’, কবি হেলাল হাফিজের ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ এবং তখনকার পাকিস্তানি সৈন্য আর পুলিশ বোঝাই  অসংখ্য ট্রাক নিয়ে কবি আল মাহমুদের নিম্নরূপ কবিতাটি -

‘ট্রাক ট্রাক ট্রাক

শুয়োরমুখো ট্রাক আসছে 

দুয়োর বেঁধে রাখ।

বাঁধবো কেন দুয়ার ওগো

তুলবো কেন খিল।

আসাদ গেছে মিছিল নিয়ে

আসবে সে মিছিল।

ট্রাক ট্রাক ট্রাক 

ট্রাকের বুকে আগুন দিতে

মতিউরকে ডাক।

কোথায় পাবো মতিউরকে

ঘুমিয়ে আছে সে।

তোরাই তবে সোনা মাণিক

আগুন জ্বেলে দে।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে শহিদ আসাদ ও শহিদ মতিউরসহ ঊনসত্তরের সব বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক ঃ

সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ


আরও খবর



নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনা সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যায়ের পথে কাজ করে যাচ্ছেন। সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

তিনি সোমবার ১৬ জানুয়ারী সকালে ২য় পর্যায়ে সারাদেশে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালিতে যুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য  ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেত্রীত্বে সারা দেশে মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। তিনি সকল ধর্মের উন্নয়নে কাজ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী দেশের চেয়েও এখন বাংলাদেশের জিডিপি ও এসডিজির অগ্রগতি ভালো। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেত্রীত্বে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পাশাপাশি দেশরত্ন শেখ হাসিনা ধর্মীয় ও নৈতিক উন্নয়নের দিকেও নজর দিয়েছেন। 

পিতার দেখানো পথ ধরে তিনি সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

আর সে ধারাবাহিকতায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,আধুনিক সুযোগ-সুবিধা-সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্ব যাত্রীদের নিবন্ধন ও অটিজম সেন্টার, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেট সহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, গণশিক্ষা কেন্দ্র, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। এ ছাড়াও ইমাম-মুয়াজ্জিনের প্রশিক্ষণ-আবাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিং-সুবিধা রাখা হয়েছে।

মডেল মসজিদগুলোতে দ্বিনি দাওয়াত কার্যক্রম ও ইসলামি সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারীর প্রতি সহিংসতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধি রোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নওগাঁ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আল মামুন হক, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফারুক সুফিয়ান, উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 


আরও খবর



২৮৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভা

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

চাঁদপুর প্রতিনিধি :

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে ২০২২ইং সনের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (এ প্লাস) প্রাপ্ত ২৮৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সাবর্বিক তত্বাবধান করেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন। এতে পৌর এলাকার শিক্ষার্থীদেরকে এ সংর্ধনায় ক্রেষ্ট ও  সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মালেক গাজী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. বাবর গাজী।

শিক্ষক জাহিদ হাসানের সঞ্চালনে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবু ছাইদ, বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ খোদেজা বেগম, হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, পৌরসভার শহর সমন্বয় কমিটির সদস্য ডাঃ পেয়ারা বিল্লাল প্রমুখ।

 বক্তব্য শেষে প্রধান অতিথির পক্ষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। 

এসময় পৌর প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম আযহার আলম বেপারীসহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষক, আগত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিক, কৃতি শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকে হাজীগঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হচ্ছে । 


আরও খবর



নওগাঁয় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

শুভ কাজে সবার পাশে'' এই শ্লোগান নিয়ে বসুন্ধারা গ্রুপের সহায়তায় নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দেড়শ শীতার্ত মানুষের মাঝে (শীত নিবারনে গড়ম কাপড়) কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। দৈনিক কালের কণ্ঠ’র শুভসংঘ মান্দা উপজেলা শাখা শুক্রবার বিকেলে রেবা আখতার আলিম মাদ্রাসা মাঠে এসব কম্বল বিতরণ করেন।

এ উপলক্ষে শুভসংঘ মান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি সাহাদত হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  আবু বাক্কার সিদ্দিক, মান্দা থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) মেহেদী মাসুদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা সিদ্দিকা রুমা, শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, শুভসংঘের নওগাঁ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দৈনিক কালের কণ্ঠের নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল করিম তরফদার ও মান্দা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম।

শেষে ১৫০ জন অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।


আরও খবর



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ও চা‌ন্দিনায়

মডেল মসজিদের উদ্বোধন কর‌লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো : 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত মডেল মসজিদের উদ্বোধন ।

  সোমবার সক‌াল ১১ট‌ায় সারাদেশের জেলা উপজেলায় নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ২য় পর্যায়ে কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও চা‌ন্দিনা উপ‌জেলাসহ ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এম‌পি

উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা ব‌লেন নারী মুসল্লি উম্মে আরা কুলসুম বেগম ও ইমাম মুফ‌তি আবদুর র‌হিম। 

উম্মে আরা কুলসুম  বেগম উদ্বোধনকৃত  চৌদ্দগ্রামের মস‌জি‌দে প্রধানমন্ত্রীকে একসা‌থে এককাতা‌রে নামাজ আদায় করার আমন্ত্রণ জানান । 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছি‌লেন সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি, চট্রগ্রাম বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ‌মোঃ মাহফুজুর রহমান , কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম(বার), চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল খায়ের, ইসলামী ফাউন্ডেশনের চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক বোরহান উদ্দিন মোঃ আবু আহসান।          

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি ব‌লেন,‌চৌদ্দগ্রা‌মে  ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করায় বঙ্গবন্ধুকণ‌্যা প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তাই করেন। এ দেশে  যত উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার দ্বারাই হয়েছে আগামীদিনেও হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই মডেল মসজিদটিতে ৮৫০জন পুরুষ ও ৩০০জন মহিলাসহ মোট সাড়ে ১১শত মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটিতে রয়েছে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমেেপ্লক্স পাঠাগার, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হাফেজ বিভাগ, অর্টিজম কর্নার, মাস এডুকেশন প্রজেক্ট রুম, শিশুশিক্ষা, প্রতিবন্ধীদের প্রার্থনা কক্ষ, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, সাব-স্টেশন, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা কেন্দ্র ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

দ্বিতীয় তলায় মূল নামাজ কক্ষ, কনফারেন্স রুম, ওজুখানা, টয়লেট, হিসাব কক্ষ। ৩য় তলায় মহিলাদের জন্য নামাজ কক্ষ, মক্তব কক্ষ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীদের কক্ষ, অতিথি কক্ষ। এছাড়াও মেহেরাব, সিঁড়ি ও একটি সুউচ্চ দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে।

স্থানীয়রা  জানান মডেল মসজিদটি আমা‌দের উপজেলায় এটি সর্বপ্রথম সব সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। শুধু চৌদ্দগ্রাম নয় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়‌কে দি‌য়ে যাত‌ায়াত করা সকল মুসলমানরাই চৌদ্দগ্রাম দি‌য়ে যাওয়ার সময় নামাজ আদায় কর‌তে পার‌বেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহম্মেদ জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পরিষদের নব নির্মিত দৃ‌ষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ সোমবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর মসজিদটি জোহরের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মসজিদটি সর্ব সাধারণ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।         

এদিকে সোমবার  কু‌মিল্লার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলায়ও একই ডিজাইনের নান্দ‌নিক ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।        

সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০‌টি মডেল মসজিদের অবকাঠামো গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ২০২১ সালে ৩০ মার্চ দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটিসি বিল্ডার্স মুসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করে। কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বি-ক্যাটাগরি হিসেবে ৪০ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত। তিন তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ (টাইপ-বি) যেখানে নিচের ফ্লোরের আয়তন ১১হাজার ৫০০বর্গফুট, ২য় ও ৩য় ফ্লোরের আয়তন ৭ হাজার ৮০০ বর্গফুট। ভবনের মোট আয়তন ২৭ হাজার১০০ বর্গফুট। বাস্তবায়নে ব্যয় ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।


আরও খবর



নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Thursday ০২ February 2০২3 | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস ২০২৩ উপলক্ষে জলাভূমি রক্ষার দাবী জানিয়ে মানববন্ধন হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় শহরের মোক্তারপাড়া পৌরসভার সামনের সড়কে বিভিন্ন প্লে কার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটি এবং সম্মিলিত যুব সমাজ।  

বিক্ষোভে প্রাণ প্রকৃতি বাঁচাতে নেত্রকোনার হাওড়, নদী, বিল, পুকুরসহ সকল প্রকার জলাভূমি সংরক্ষণের দাবী জানানো হয়। পাশাপাশি এই হাওরাঞ্চলের জন্য আলাদা বাংলা গঠনের দাবি জানান। 

বক্তারা এসময় বলেন, জলাভূমি প্রকৃতির ফুসফুস তাই ফুসফুসের যত্ন নেয়া আগে প্রয়োজন।  

এসব স্লোগানকে সাধুবাদ জানিয়ে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেয়। 

উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে শ্যামলেন্দু পাল বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারি জরুরি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বর্তমান যে নদী গুলো আছে এই নদীর রক্ষা এবং খনন করা উচিত। এই নদীর পানি দিয়ে কৃষি বর্তমানের মধ্যে স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে এবং পানি কমে যাচ্ছে। এতে করে অচিরেই নেত্রকোনার সকল নদী তার নাবতা হারাবে।

অধ্যাপক কামরুল ইসলাম জানান, আমাদের নেত্রকোনা হাওর বেষ্টিত জেলা এ জেলার সবকিছুই হাওড়া উপর নির্ভরশীল, হাওর গুলো সঠিক পরিচয়টা না করায় প্রতিবছর এই অঞ্চলে বন্যা ফসল ক্ষতির মুখে পড়ে। দেখা যায় বিভিন্ন নদীতে  অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন হচ্ছে। যার ফলে বর্ষায় নদী ভাঙ্গন দেখা দেয় এবং নদীর পাড়ের ফসল বিলীন হয়ে যায়। 

উপস্থিতিদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন সামাজিক পরিবেশ রক্ষা কমিটির সদস্যরা এবং সাবাদিকরা।


আরও খবর