Logo
শিরোনাম

ভাগিনা মামিকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

ভাগিনার সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছরের প্রেম মামির, পরে তা দৈহিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। একাধিকবার ধরা খেয়ে শালিস বৈঠকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও তাদের যুগল প্রেম দমানো যায়নি, কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না ভাগিনা নুরুজ্জামানের (৪৫)। স্থানীয়দের হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে বর্তমানে তিনি জেল-হাজতে রয়েছেন।

গ্রেপ্তার নুরুজ্জামান চন্দ্রপুর এলাকার নুরল হকের ছেলে এবং চন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুব দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেও জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের দেল্লারমোর এলাকায়।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় আদিতমারী থানায় নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়েরের পর নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম।

সারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর আগে মামির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের আপেল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিছুদিন পর মামির ওপর নজর পড়ে ভাগিনার। তাকে হাসিল করার জন্য কৌশলে মামাকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠায় নুরুজ্জামান। এরপর তার মামিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করান মামিকে। ভাগিনার ভয়ভীতির কারণে এক পর্যায়ে ভাগিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মামি। এরপর প্রতিদিন তার সঙ্গে রাত যাপন করতে থাকেন নুরুজ্জামান। বিষয়টি এলাকায় চাউর হলে একাধিকবার বিচার সালিসও হয়। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক চলতেই থাকে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) মামি থাকার ঘরের মেঝেতে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেন এলাকাবাসী।

আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পর নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সে আলোকে নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



প্রতারণা, মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’ নামে ব্র্যান্ডিং করে ‘বড় প্রতারণা’র ছকে শহুরে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ হচ্ছেই না। বারবার বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় শিগগিরই মিনিকেট চালের বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই, তাই আমরা সুপারশপ এবং রাইস মিলগুলোতে চিঠি দেব, যাতে এর বাজারজাত বন্ধ করা হয়। এটা বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমরা অভিযান শুরু করব।

এক সময় উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে বীজ সংগ্রহ করা হতো। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এখন সরকারের সায় নিয়ে এই চাল বাজার থেকে তুলে নিতে মিলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপার শপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের মূল্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সব কিছু ছাপিয়ে মিনিকেট প্রসঙ্গটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই দিন সচিবালয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারে প্রচলিত চালের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বাজার থেকে মিনিকেট চাল সরাতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তারা পেয়ে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা ধান গবেষণায় যুক্ত, তারা জানিয়েছেন, মিনিকেট নামে চালের কোনো ভ্যারাইটি নেই। এটি একটি প্রতারণার ছক। এর ব্র্যান্ডিং করে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মিনিকেট চালের বাজারজাতকরণ বন্ধের জন্য ভোক্তা অধিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সচিবালয়ে “মিনিকেটের উৎপত্তি সম্পর্কে মানুষ যদি জানত, তাহলে মিনিকেট চাল খুঁজতে যেতে না। এক সময় আমরা উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে কিছু বীজ সংগ্রহ করি। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এই হলো মিনিকেটের ইতিহাস। এটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মিনেকেট নামটা উচ্ছেদ করার জন্য মোবাইল কোর্ট চালাতে পারে। আমরা একটা আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। এখন সেটা ভেটিংয়ের অপেক্ষায় আছে। ব্র্যান্ড যেটাই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের জাতের কথা উল্লেখ করতে হবে। 

এদিকে, সুপার শপে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্য মোড়কীকরণ করে বিক্রি করতে গিয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য। তবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া সুপার শপ প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, খোলা বাজারে যে চাল ১২০ টাকা বিক্রি হয়, সেটা কিন্তু তিন হাতের লভ্যাংশ দেওয়ার পরই বিক্রি হয়। আপনারা এর সঙ্গে হয়তো একটা প্যাকেট যোগ করেছেন। সেজন্য খরচ হয়তো ৫ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু সেজন্য আপনি ৩০ টাকা লাভ করে বসতে পারেন না। তাছাড়া আজকের বাজারের সঙ্গে মেলালে আপনার হবে না। কারণ আপনি ধানটা কবে কিনে রেখেছিলেন, সেটা স্মরণ করেন। দিনাজপুরে ধানের মজুদের একটা ঘটনা ঘটেছে। সেটা নিয়ে আমি বলতে চাই না। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এভাবে মজুদ করে, আর বাজারের সঙ্গে তুলনা দেয়, তাহলে তো হবে না।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কু‌মিল্লা চা‌ন্দিনায় গ্রামীণ অবকাঠামোর প্রকল্পের কাজ

লটারীর মাধ্যমে চেয়ারম্যান মেম্বারদের বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক , কু‌মিল্লা  :

গ্রামীণ অবকাঠা‌মো সংস্কার কা‌বিখা, কা‌বিটা ও গ্রামীণ অবকাঠা‌মো রক্ষণা‌বেক্ষণ টিআর কর্মসূচীর আওতায় প্রকল্প গ্রহণ প্রকল্প বাস্তবায়ন ক‌মি‌টি গঠন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষ‌য়ে এক মত‌বি‌নিময় অনু‌ষ্ঠিত হয়ে‌ছে। এ‌তে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা ৭ চা‌ন্দিনার সংসদ সদস‌্য বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত।           

                                          মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জেলার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলার অ‌ডিট‌রিয়া‌মে দূ‌র্যোগ ব‌্যবস্থাপনা অ‌ধিদপ্ত‌রের আ‌য়োজ‌নে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার তাপস চন্দ্র শীল এর সভাপ‌তি‌ত্বে অনু‌ষ্ঠিত মত‌বি‌নিময় সভায় বক্তব‌্য রা‌খেন চা‌ন্দিনা উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান বীরমু‌ক্তিযোদ্ধা তপন বকসী , পৌরসভার মেয়র শওকত আলী ভূইয়া, ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান সা‌ফিয়া আক্তার,প্রকল্প কর্মকর্তা দেবেস চন্দ্র দাস।  মত‌বি‌নিময় সভায় চ‌া‌ন্দিনা উপ‌জেলার ১৩‌টি ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান, মেম্বার ও পৌরসভার কাউ‌ন্সিলাররা অংশ নেন। প‌রে কোন রকম তদবির ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই   গ্রামীন অবকাঠামোর প্রকল্পের কাজ সরাসরি লটারীর মাধ্যমে চেয়ারম্যান মেম্বার ,কাউ‌ন্সিলদের বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।  এসময় তিনি ব‌লেন জনগ‌ণের টাকায় যেন উন্নয়ন কর্মকান্ড গু‌লো টেকসই উন্নয়ন কর্মকান্ড প‌রিচালনার আহবান জানান।


আরও খবর



কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলায়

স্বামী ও উকিল বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলায় স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম ও উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ রায় দেন কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মামলার বিবরণে জানাযায়- প্রায় ০৪ বছর পূর্বে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ নূরুল ইসলাম এর সাথে ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম বিয়ে হয়। এবং দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান লামিয়া জন্ম গ্রহণ করে। এরপর হতে ভিকটিমের স্বামী নুরুল ইসলাম প্রায়ই তাঁর পরিচিত লোকজনের সাথে খারাপ কাজ করার জন্য তাঁর স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমকে পরামর্শ প্রদান করত। ভিকটিম দেলোয়ারা উক্ত প্রস্তাবে রাজী না হলে তাঁকে তাঁর স্বামী মারপিট করত এবং তাকে তালাক দিয়ে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদর্শন করত। ২০২০ সালের ০১লা সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম মাগরিব এর নামাজ পড়ে তাঁর বাচ্চাকে নিয়ে তসবিহ জপতে থাকাবস্থায় তার স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে ঘরে নিয়ে আসে। ঐ সময় আব্দুর রহমানের হাতে একটি নতুন শাড়ি ছিলো। তাঁর স্বামী ভিকটিমের হাতে নতুন শাড়ী দিয়ে উকিল বাবা আব্দুর রহমানের সাথে খারাপ কাজ করার জন্য ভিকটিম দেলোয়ারা বেগমকে প্রস্তাব দেয়। দেলোয়ারা উক্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তাঁর স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম দেলোয়ারার মুখ চেপে ধরে আব্দুর রহমানকে বলে ধর্ষণ করার জন্য। ভিকটিমের স্বামী জোর করে তাঁর সেলোয়ার খুলে ফেলে। মুখ চেপে ধরায় দেলোয়ারা কোন শব্দ করতে পারেননি। তখন উকিল বাবা আব্দুর রহমান দেলোয়ারা ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ২০২০ সালের ০৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধনুয়াখোলা নিবাসী জোহর আলীর কন্যা ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম (২৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে ভিকটিমের স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম (৩৩) ও একই থানাধীন সৈয়দপুর নিবাসী মৃত আলী মিয়া গাজীর ছেলে উকিল বাবা মোঃ আব্দুর রহমানকে আসামী করে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) এর ৯(১)/৩০ ধারার বিধানমতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে ঘটনা তদন্তপূর্বক আসামীদ্বয়ের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রাথমিক ভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় গত বছর ২৬ এপ্রিল উল্লেখিত আসামীগণের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকরী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ। এরপর মামলাটি বিচারে আসিলে সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে ভিকটিমের স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ধারা ৯(১)/৩০-এ দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০/- টাকা অর্থ দণ্ড এবং উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০/টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন ধর্ষণের শিকার ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম অর্থদন্ডের অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রাপ্য হবেন। আসামী নূরুল ইসলাম ও আব্দুর রহমান অর্থ দণ্ডের ৬০,০০০/- টাকা পরিশোধ না করলে উক্ত টাকা আদায়ের নিমিত্তে আসামীদ্বয়ের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ ভিকটিম দেলোয়ারা বেগমকে ক্ষতিপূরণ বাবদ পরিশোধ করার জন্য ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টারকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পিপি এডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত এবং  আসামী পক্ষে এডভোকেট মোঃ আতিকুল ইসলাম।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে ব্রিজ ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ দুর্ভোগে এলাকাবাসী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর মন্ডলগ্রামের ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রিজের দুই পাড়ের প্রায় ৫ হাজার লোকের দুর্ভোগ চরমে পৌঁচেছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রীবাহি যানবাহন। 

সরজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার চরমন্ডল ও চর লামচী গ্রামের সীমানায় ওহাবদা খালে একটি সাখা খাল রয়েছে। এ খালের দুই পাশে রয়েছে চর লামচী-চর মন্ডল,দালাল বাজার,চররুহিতা বাজারসহ ১০টি গ্রাম। গ্রামের মানুষদের চলাচলের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা এ ঝুঁিকপূর্ণ ব্রিজটি। 

এ ছাড়া ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন চলচল করছে রসূলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়,মাদ্রসা,প্রাথমিক বিদ্যালয়,দালাল বাজার কলেজ,লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ,আলীয়া মাদ্রাসা,কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুর ন্যাশানাল স্কুল এন্ড কলেজ এর অসংখ্য শিক্ষার্থী।

এ ব্রিজ দিয়ে যাতায়াতকারী লক্ষ্মীপুর আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র ইয়ামিন হোসাইন বলেন, ব্রিজ ভাঙার আগে লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস ছাত্র-ছাত্রীদের আনা নেয়ার কাজে এখানে আসতো। ব্রিজ ভাঙার কারনে গাড়ী চলতে না পারায় বাস আসছেনা। 

এলাকার বসবাসরত এলাকাবাসি সিরাজ মিয়া,আবুল কাশেমসহ অনেকেই জানান,অনেক সময় কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে রোগীনিতে কোন যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক কষ্ট করে চিকিৎসার জন্য রোগী নিতে হচ্ছে। 

স্থানীয় এলাকাবাসি জানান,ব্রিজটির মাঝখানে ভাঙা থাকায় প্রতিনিয়তই গাড়ী চলাচলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গাড়ী উল্টে যায়। প্রায় দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা। ব্রিজটি পুন: নির্মাণ করার দাবী তাদের। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কাজ হয়নি এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে স্থানীয় ( ওয়ার্ডের  ) মেম্বার নুরে আলম পাটওয়ারী ও অপর ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশার জানান,ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় গত ছয়মাস ধরে এলাকার মানুষ খুব কষ্টে যাতায়াত করছেন। 

এ সড়ক দিয়ে ব্রিজ হয়ে যাতায়াতকারী টিপু পাটোওয়ারী জানান, তিনি ইতিপূর্বে এ ব্রিজটি ব্যাক্তি উদ্যোগে কাঠ দিয়ে মেরামত করেন। ভারি যানবাহন চলাচল করায় সেই মেরামতটিও ভেঙে যায়। এর পর থেকে আর ব্রিজ নির্মাণে কেউ এগিয়ে আসে নাই। ব্রিজটি নির্মাণের ব্যাপারে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। 

রসূলগঞ্জ বাজারের সেক্রেটারি মো: নুরল ইসলাম টিপু জানান,আগে চর অঞ্চলের মানুষ রসূলগঞ্জ বাজারে আসতো তখন ব্যাবসা বাণিজ্য ভালো ছিলো। ব্রিজ ভাঙার কারনে অনেকেই এ বাজারে না এসে অন্য বাজারে চলে যাচ্ছে। এতে করে বাজারে ব্যবসায়ীদের দিন দিন বেচাকেনা কমে যাচ্ছে।  

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন পাটোওয়ারি জানান,ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ আসা-যাওয়ায় কষ্ট পাচ্ছে। ব্রিজটি নির্মাণের জন্য এলজিইডির নির্বাহি প্রকৌশলীর নিকট আবেদন করা হয়েছে। 

এলজিইডির নির্বাহি প্রকৌশলী মো: শাহ আলম পাটোওয়ারি জানান, বরাদ্ধ আসলে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করা হবে। 


আরও খবর



সীমান্ত অস্থিরতায় মিয়ানমার জান্তা দায়ী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতার জন্য মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারকে দায়ী করে বিবৃতি দিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মিয়ানমারভিত্তিক গণমাধ্যম ও রাখাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমণ্ডগুলোতে আরাকান আর্মির মূল রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের বার্মিজ ভাষায় লেখা একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়েছে।

রবিবার মিয়ানমারের ওয়েস্টার্ন নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মির ওই বিবৃতিতে বাংলাদেশের বান্দরবানের মর্টারশেল বিস্ফোরণে নিহত রোহিঙ্গা ইকবালের মৃত্যুতে সমবেদনা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে এ ঘটনার জন্য মিয়ানমারের সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত বর্ডার গার্ড পুলিশকে দায়ী করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকার দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে দাবি করে আরাকান আর্মি জানায়, জান্তার এমন আচরণের কারণে দেশটির সীমান্ত অঞ্চলের মানুষদের চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এদিকে আরাকান আর্মির এই বিবৃতিকে নাটক বলে দাবি করেছে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা। এ প্রসঙ্গে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী মোহাম্মদ হাবিব বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য জান্তা ও আরাকান আর্মি দায়ী। রোহিঙ্গার মৃত্যুতে আরাকান আর্মির দুঃখ প্রকাশ নাটক ছাড়া কিছুই না।

দুই মাস ধরে রাখাইনের সীমান্ত অঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২