Logo
শিরোনাম

ভারতে ভূমিধসে নিহত ১৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

ভারতের মনিপুরে প্রবল বৃষ্টিতে ভূমিধসে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, মনিপুরের ননী জেলায় টুপুল ইয়ার্ড রেলওয়ে কন্সট্রাকশন সাইটের কাছে একটি সেনা ক্যাম্পে বুধবার গভীর রাতে ওই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

জিরিবাম থেকে ইম্ফল পর্যন্ত একটি রেললাইন নির্মাণকাজের নিরাপত্তার জন্য টুপুল রেলওয়ে স্টেশনের কাছে টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল। ভূমিধস যখন হয়, তারা তখন তাঁবুর ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন।

যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের অন্তত সাতজন টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্য বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।


আরও খবর



শ্রীনগরে যুবলীগর প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ জুলাই 20২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

শ্রীনগর সংবাদদাতাঃ

মুন্সীগঞ্জ  শ্রীনগরে যুবলীগর বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়ছ। শুক্রবার বলা ১১ টায় উপজলার ঢাকা -মাওয়া রোডে সমষপুর  বাসষ্টান্ড এলাকায় এই প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষাভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কোলাপাড়া ইউনিয়নর বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বছাসবক দলর অগুন সন্ত্রাস ও অপকর্মর বিরুদ্ধ  এই প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। কোলাপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগর সহ সভাপতি হাসেম হাওলাদারর সভাপতিত্বে ও সধারণ সম্পাদক আতাহার হোসেন এর পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখেন কেদ্রীয় যুবলীগর ক্রিড়া সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী পারভেজ। এ সময় বিশষ অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদর সাবেক সদস্য এম মাহবুব উল্লাহ কিসমত,উপজেলা যুবলীগর সাধারণ সম্পাদক ও কোলাপাড়া ইউনিয়নর সাবেক চেয়ারম্যান হাজী নেছার উল্লাহ সুজন,উপযে লা কৃষক লীগে সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম,যুবলীগ নেতা মুনছুর হাসান কুতুব,সাজেদুল ইসলাম ওপেল,ইউনিয়ন স্বেছাসবক লীগর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম অহমদ স্বপন,ইউপির সদস্য মাহবুব শাহ,দিলিপ ঠাকুর,পরশ মেম্বার,প্রবীর দাস, নোবেল  হাসান ,মোঃ সাহান,মোঃ পাভল ও মোঃ মুনা প্রমুখ।


আরও খবর



‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ নতুন রাজনৈতিক জোট !

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

ফ্যাসিবাদী দুঃসময়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ গণসংগ্রাম জোরদার করুন’—এ স্লোগান নিয়ে সাতদলের সমন্বয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’আত্মপ্রকাশ করল। 

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন জোটের ঘোষণা দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব।

নতুন এ রাজনৈতিক জোটে আছে নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জেএসডি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন এবং গণঅধিকার পরিষদ।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে মঞ্চের আত্মপ্রকাশের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবলু ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম।


আরও খবর



বেলা দু’টার পর ’বৈধতা’ নিয়ে প্রেম করবে !!

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম সিনিয়র সাংবাদিক, কলাম লেখক ও গবেষক ঃ

শুনলাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ইউনিফর্ম পরে বাগানো প্রবেশ নিষেধ করে দেয়া হচ্ছে ।  জানতে পারলাম বাগানে ছা্ত্র-ছাত্রীরা ’প্রেম করে’ তাই কর্তৃপক্ষ  এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে । কত বড় হাস্যকর যুক্তি !! কত বড় উজবেকিস্তান !! দেশ যখন পুরো ’ডিজিটাল’, বাগান সেখানে এনালগ রাখার চেষ্টা !! ছাত্র-ছাত্রী যদি প্রেম করতে চায়, বাগান-তো-বাগান, সেনা-বাহিনীও কিছু করতে পারবে না । তারা ব্যাগে ভরে অন্য একটি ড্রেস আনবে, সেটি কারও বাসায় পরে সোজা বাগানে চলে আসবে । আমি কোন ভাবে  জানতে পেরেছি  প্রেমিক-প্রেমিকারা ব্যাগে আলাদা ড্রেস রাখে, যাতে করে এসব নিয়ম-কানুনকে ‘কেশ’ দেখানো যায় ! আমি বেশ কয়েকবার বাগানে ঘুরতে গিয়েছি । আমার চোখে আপত্তি করার মত সেরকম কোন কিছু চোখে পড়েনি । তবে, ব্যতিক্রম কিছু ঘটনা অবশ্যই আছে । সেসব ক্ষেত্রে কর্তা-কত্রী দু’জনকে আমার ’এডাল্ট’ মনে হয়েছে । আমরা মূল জায়গায় Intervene না করে, ফালতু সব সিদ্ধান্ত নেই । বাগানে আসা বন্ধ হলে, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, প্রেম বন্ধ হবে না । তারা বেলা দু’টার পর ’বৈধতা’ নিয়ে প্রেম করবে !! বাড়িতে গিয়ে বলবে এক্সট্রা ক্লাস ছিল, ইত্যাদি । আমি আরও খেয়াল করেছি, শহরের ওভারপাস ব্রিজে শত শত ভিজিটিং কার্ড পড়ে আছে । সেখানে লেখা ‘সনি ভাই হোটেল আবাসিক’, ‘অভি ভাই হোটেল আবাসিক’ ইত্যাদি । সেখানে ভাইদের ফোন নম্বরও দেয়া আছে । বাগানে ছা্ত্র-ছাত্রীদের সাময়িক প্রবেশ নিষেধ হলে প্রেমিক-প্রেমিকারা (যদি স্যতিই তাই হয়), ঐসব ভাইদের হোটেলে চলে যেতে পারে । হোটেলে গেলে ঘটনা কোন্ দিকে মোড় নিতে পারে তা একবার ভেবে দেখেন । আমি দেখেছি বাগানের কিছু লোক কিছু বিশেষ জায়গায় সমানে গার্ড দিচ্ছেন । গার্ডিং সময় শেষ হলে দেখতে পাই আড়াল থেকে বের হচ্ছে এক জুটি । গার্ড-বাহিনীর পাহারায় তারা প্রেম করছিল বলে ধরে নেয়া যায় । আমার আরেকটি কথা হলো, বাগান একটি পাবলিক প্লেস । এখানে ছেলেমেয়েদের ওপর কৌশলে নজর-দারি করা সম্ভব, যেটা হোটেলে গিয়ে করা সম্ভব নয় । বাগানে Misdemeanor অথবা Juvenile Delinquency হলে সেটার জন্য নিয়ম-কানুন নিশ্চয়ই আছে । না থাকলে করে নেয়া যেতে পারে । পরের কথাটি বলার একটা প্রেক্ষাপট তৈরি হলো । সেটি হলো, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা জোর খাটিয়ে, অগ্র-পশ্চাৎ চিন্তা না করে ইংলিশ রোড ও টানবাজার কিভাবে ’পরিষ্কার’ করেছিলাম । তাতে পরবর্তীতে শহরের আনাচে-কানাচে ও বাসা-বাড়িতে Brothel পৌঁছে গেছে । আমরা যদি চাই, আমাদের ছেলে-মেয়েরা প্রেম করবে না, সে ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম কাজ হলো তাদেরকে মোটিভেইট করা । তারপর প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সিলরের কাছে যাওয়া যেতে পারে । সর্বশেষ, কথা হলো এই, আমি দেখেছি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এরা ক্লাসমেইট এবং দল বেঁধে বাগানে আসে। এখানে, দু-একটি মাইনরের সাথে এডাল্টকে দেখা গেছে । আমরা কি জানি, আমাদের ছেলে মেয়েদের শারীরিক কোন অভিজ্ঞতা হয়েছে কিনা? হয়ে থাকলে কোন্ বয়সে হয়েছে? আমরা কি এসব বিষয় নিয়ে ছেলে মেয়েদের সাথে কথা বলেছি?


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২

ভালোবাসা কাকে বলে?

শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২




আসলে সত্য মিথ্যা কোনটা ?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়াঃ

যেটাকে আমরা সত্য ভাবছি সেটা কি আসলেই সত্য? নাকি সত্যের পেছনে সত্য আছে, তার পেছনে আরও সত্য আছে।  সত্যের গভীরতাটা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে কেউ কি আমরা জানি।  আমরা চোখ দিয়ে সত্যকে যাচাই করি, মন দিয়ে করি না।  চোখ যে অনেক সময় ধোঁকা দিয়ে থাকে সেটা আমরা অনেক সময় ভেবে দেখি না।  গুণী লোকদের প্রায় বলতে শুনছি এখন তো সত্য নেই, মিথ্যার দাপটে সত্য খুব চাপে আছে।  সত্যের নাকি নিঃশ্বাস বন্ধ হবার মতো অবস্থা। কিংবা মিথ্যার ভয়ে সত্য এমনভাবে লুকিয়েছে যে সত্যকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কি একটা অবস্থা, হয়তো সব সময় এমন ধারণা মানুষই করেছে।  আগেও সত্যকে নিয়ে সন্দেহ অবিশ্বাস ছিল, এখনো আছে।  বদলেছে শুধু সময়, স্থান, কাল পাত্র।  

একটা বিখ্যাত চিত্রকর্মের ভাবার্থ মনে পড়লো।  যেখানে বলা হচ্ছে যেটাকে আমরা সত্য বলে চোখে দেখছি সেটা নাকি সত্য নয়, সত্যের মুখোশ পড়া মিথ্যে।  এ প্রসঙ্গে ফরাসি একজন চিত্রকর জিনলেওন জেরোমের ১৮৮৬ সালে আঁকা বিখ্যাত একটি ছবি he truth is coming out of the well -এর বিষয়বস্তুকে টেনে আনা যায়। উনিশ শতকের একটি লোককথাকে ভিত্তি করে ছবিটি আঁকা হয়েছিল। গল্পটা ছিল এ রকম : একবার সত্য ও মিথ্যা পরস্পরের সঙ্গে দেখা করল কিছু বিষয় মীমাংসার তাগিদে। হাঁটতে হাঁটতে তারা চলে গেল একটা কুয়োর পাশে। মিথ্যা বলল, দেখ, কী পরিষ্কার পানি। চল গোসল করি। বলাবাহুল্য, সত্য বিশ্বাস করেনি মিথ্যার কথা। নিজে পরখ করে দেখল।

 যখন দেখল কুয়োর জল সত্যিই পরিষ্কার তখন মিথ্যার প্রস্তাবে রাজি হলো। দুজনে পোশাক ছেড়ে নেমে পড়ল কুয়োয়। গোসলের মাঝপথে মিথ্যা কুয়ো থেকে উঠে এসে সত্যের পোশাক পরে পালিয়ে গেল। খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর মিথ্যাকে ফিরতে না দেখে সত্য উঠে এলো কুয়ো থেকে। না, মিথ্যা তো কোথাও নেই, পোশাকও নেই। রাগে অন্ধ হয়ে সত্য বের হলো মিথ্যাকে খুঁজতে কিন্তু নগ্ন সত্যকে দেখে ছি ছি করল সভ্য মানুষ। এমনকি তেড়েও এলো অনেকে। সত্য অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের বোঝাতে না পেরে রাগে-দুঃখে অপমানে ফের কুয়োয় নেমে গেল। তারপর থেকে সত্যকে আর কখনো কেউ দেখেনি। যাকে দেখেছে কিংবা দেখছে সে সত্যের পোশাক পরা মিথ্যা।

সত্য এখন খুব সস্তা দরে হাট বাজারে  বিক্রি হয়।  হয়তো ভাবতে পারেন এটা কি কখনো সম্ভব।  যেটাই মনে হবে অসম্ভব সেটাই এখন সম্ভব।  টাকা দিয়ে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানানো এখন আর কল্পনা নয় বরং এটাই বাস্তবতা।  এভাবে টাকার কাছে সত্য হারছে।  প্রতিদিন হারছে।  হার না মানা মন নেই, কারণ মানুষগুলোই যে মিথ্যের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।  হারতে হারতে সত্য  কি তবে নির্বাসিত হয়েছে।  কে জানে? সময় হয়তো এর উত্তরটা খুঁজে দেবে।  মিথ্যের কাছে মানুষ বিক্রি হচ্ছে।  

প্রতিদিন এমন বিক্রি হওয়া ক্রীতদাসের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।  বুকে হাত দিয়ে বলুন তো আপনি কি সত্যকে ধারণ করে আছেন নাকি সত্যের মুখোশ পরে মিথ্যের ক্রীতদাসে পরিণত হয়েছেন।  ভয় পাবেন না।  মানুষকে বলার দরকার নেই।  আপনার বিবেককে জিজ্ঞেস করুন।  উত্তরটা হয়তো পেয়েও যেতে পারেন।  মিথ্যের কদর যত বাড়ছে সত্যের মূল্য তত কমছে।  ভাবা যায়।  ভাবতেও লোম খাড়া হয়ে উঠে।  তবুও সেটাই ভাবতে হচ্ছে।  

ধরুন একটা অফিসে সবাই অসৎ।  একজন মাত্র মানুষ রয়েছেন যিনি সৎ থাকতে চান।  অসৎ লোকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চান।  তিনি কি পারবেন।  সত্যের মুখোশ পরা সব অসৎরা একজোট হয়ে নিজেদের প্রমাণ করবেন সত্যবাদী।  আর সত্যবাদী লোকটা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে হয়ে যাবেন মিথ্যাবাদী।  

অনেক সময় সংখ্যা দিয়ে আমরা সত্যকে মিথ্যে বানিয়ে দেই।  কিন্তু সেটা আসলেই কতটা সত্য তা কখনো খতিয়ে দেখার মতো বিবেচনা শক্তি নিজেদের মধ্যে গড়ে নিতে পারি না। হুমায়ুন আজাদ একটা নিখাদ সত্য কথা বলেছেন, ‘এখানে অসৎরা জনপ্রিয়, সৎ মানুষেরা আক্রান্ত"।  এর সাথে তিনি আরও বলেছেন, সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য বলে মনে হয়। 

২০০১ সালে সাইকোলজিক্যাল রিভিউয়ে একটি গবেষণাপত্র নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মনোরোগ বিশেষজ্ঞ জোনাথন হাইড বলেছেন, মানুষ যখন নৈতিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তখন মানুষের মধ্যে আবেগের প্রভাবটাই বেশি কাজ করে।  মানুষ কোনো একটি  সিদ্ধান্ত নেবার পর অনেক ধরণের যুক্তি দেখাতে পারে। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত যুক্তির ভিত্তিতে হয় না। সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় চোখের পলকে, আর তাতে মুখ্য উপাদান হিসেবে কাজ করে ব্যক্তিগত আবেগ বা চেতনা। 

আবেগ ভালো তবে অতি আবেগ সব সময় ভালো নয়।  কারণ অতি আবেগ সত্যকে দমন করে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করে।  কারণ সেখানে সবার স্বার্থের চেয়ে নিজের স্বার্থটাই বেশি কাজ করে।  অনেক সময় একপেশে ‘সত্য’ বলার বা দেখানোর কৌশল অবলম্বন করেছে মানুষ।  মনোবিজ্ঞানীরা মানুষের এই কৌশলের নাম দিয়েছেন ‘পল্টারিং’।  মানুষ যখন একটা ভালো কাজ দিয়ে খারাপ কাজটিকে ন্যায়সঙ্গত করার চেষ্টা করে সেটাও ‘পল্টারিং’।  

যেমন দুর্নীতির টাকা দিয়ে কেউ যদি মানুষের চিকিৎসার জন্য একটা হাসপাতাল তৈরি করে দেয়, তবে তার টাকাকে কি সাদা বা সততার টাকা বলা যাবে ? কখনই না।  একটু ভেবে দেখলেই উত্তরটা পেয়ে যাবেন।  মানুষের মিথ্যেকে কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে নিজেকে নীতিমান আর সৎ বানানোর এই কৌশল নতুন নয়, অনেক পুরাতন।  হয়তো আপনার আমার আশপাশের মুখোশ পরা চেনা মুখগুলোর মধ্যে এমন অনেক মানুষ ঘাপটি মেরে বসে আছে।  চারিদিকে তাদের জয় জয়কার হচ্ছে।  কিন্তু পুরোটাই একটা ধোঁকা।  

অনেকে বলে থাকেন সব কিছুই নাকি এখন মিথ্যের শক্তিতে পূর্ণ হয়ে উঠছে।  সত্য প্রতিদিন মার খাচ্ছে, দগ্ধ হচ্ছে, নগ্ন হচ্ছে।  চোখের জলে থমকে দাঁড়াচ্ছে, পথ হারাচ্ছে।  মিথ্যের এতটা শক্তির তাণ্ডবেও আমি এই মিথ্যার সত্যটাকে বিশ্বাস করতে চাই না।  কারণ সততার শক্তি যদি ভিতর থেকেই প্রাণশক্তি নিয়ে উঠে দাঁড়াতে পারে তবে মিথ্যেরা কখনো টিকে থাকতে পারবে না।  আর তা যদি মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সঞ্চারিত হতে পারে  তবে মিথ্যেরা পরাভূত হবেই হবে।  

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ লেখা কবিতাটির মতো বলে উঠুক সবার মন : আমৃত্যুর দুঃখের তপস্যা এ জীবন, সত্যের দারুণ মূল্য লাভ করিবারে, মৃত্যুতে সকল দেনা শোধ ক'রে দিতে।


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২




নাদিয়া ডোরার গানে বলিউডের ‘শেফালী জারিওয়ালা’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

বৈচিত্র্যময় গান ও গানের চিত্রায়ণে একের পর এক চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টিএম রেকর্ডস। তারই ধারাবাহিকতায় ঈদ উৎসবে এলো নতুন গান ‘পীরিতির কারবার’।তাপসের কথা সুর ও সংগীতায়োজনে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের সংগীতশিল্পী নাদিয়া ডোরা।

সম্প্রতি প্রকাশিত হল গানটির টিজার। টিজারে চমক হিসেবে মডেল হয়ে হাজির হয়েছেন বলিউডের ‘কাঁটা লাগা’খ্যাত অভিনেত্রী শেফালী জারিওয়ালা। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ বিরতির পর নতুন আত্মপ্রকাশেই টিএম রেকর্ডসের গানে সঙ্গী হলেন তিনি। ফারজানা মুন্নীর প্রযোজনা ও স্টাইলিংয়ে গানটি নির্মাণ করেছেন বলিউড নির্মাতা আদিল শেখ। এ গানের মধ্য দিয়ে এই প্রথম মৌলিক গানে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন সময়ের ব্যতিক্রমী কণ্ঠস্বর নাদিয়া ডোরা।

এমন বর্ণাঢ্য আয়োজনে নিজের আত্মপ্রকাশ নিয়ে উচ্ছ্বসিত শিল্পী। তিনি বলেন, এ গানটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল। এ গানের সঙ্গে আমার অনেক ভালোবাসা ও আবেগ জড়িয়ে আছে, কেননা এটিই আমার প্রথম মৌলিক গান। তাপস ভাইয়ার কথা সুর ও অসাধারণ কম্পোজিশনে, মুন্নী ভাবির স্টাইলিং এ শেফালী জারিওয়ালার পারফরম্যান্সে গানটি অনবদ্য হয়েছে। আমি ভাইয়া-ভাবির প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ আমার প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য। আশা করছি গানটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে এবং শিগগিরই টিএম এর অন্যান্য গানগুলোর মতোই মাইলফলক অতিক্রম করবে।


আরও খবর

বিয়ে করছেন রিচা-ফজল

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আলিয়া!

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২