Logo
শিরোনাম

ভূমধ্যসাগর থেকে ৩২ বাংলাদেশি উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় ৩২ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী।

শনিবার (১৪ মে) তাদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বাংলাদেশি ছাড়াও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মিশরের ৩৮ জন, সুদানের ১০ জন এবং মরক্কোর ১ জন রয়েছেন। তারা ২০ থেকে ৩৮ বছরের। তাদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা লিবিয়ার আবু কামাশ গ্রাম থেকে যাত্রা করেন, যা তিউনিসিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে। তারা অবৈধভাবে নৌকায় করে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ভূমধ্যসাগরে প্রায় ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০১।


আরও খবর



স্লিপ এপনিয়া উপসর্গ ও চিকিৎসা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সম্প্রতি ভারতীয় উপমহাদেশের সংগীতশিল্পী বাপ্পী লাহিড়ী মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জনপ্রিয় এই গায়কের মৃত্যু হয়েছে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায়। কিন্তু এই স্লিপ অ্যাপনিয়া কী, কত ধরনের, এর কোনো চিকিৎসা আছে কিনা এবং থেকে প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে মানুষে ধারণা খুব কম। এবার তাহলে স্লিপ অ্যাপনিয়ার এই সব বিষয়ে জেনে নেয়া যাক-

 

স্লিপ অ্যাপনিয়া

স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘুমে বারবার ব্যাঘাত ঘটে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ায়। বিষয়ে জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, যখন কোনো ব্যক্তির স্লিপ অ্যাপনিয়া হয় তখন তিনি ঘুমানোর একটু পরই জোরে জোরে শ্বাস নিতে থাকেন। আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস নেয়ার গতি বেড়ে গেলে হঠাৎ করেই আবার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়। এক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর ফের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া শুরু হয়। আর শ্বাস-প্রশ্বাসের এই ব্যাঘাতকে অ্যাপনিয়া বলা হয়।

 

ঘুমের মধ্যে জোরে নিঃশ্বাস নেয়ার সময় হঠাৎ করেই শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, শ্বাস-প্রশ্বাস যখন বারবার নেয়া হয় তখন মূলত বাতাসের সঙ্গে শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়। কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেলে মানুষের শরীরে থাকা শ্বাস-প্রশ্বাসের সিস্টেম বন্ধ করে দেয় সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম। তখন নিশ্বাস কিছুক্ষণ বন্ধ থাকার পর শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে ফের কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে নার্ভাস সিস্টেম পুরোদমে উজ্জীবিত হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস ফিরে আসে। আর এই জটিল পরিস্থিতিতে অনেক সময় মানুষের মৃত্যুও হয়ে থাকে।

 

অ্যাপনিয়ার প্রকারভেদ

অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হলে তখন তাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়ে থাকে। এটা গলায় টনসিল ফুলে গিয়ে হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালী এবং গলার সংযোগ স্থলে মাংসপেশি ফুলে গিয়ে হয়ে থাকে। যাকে অ্যাডনয়েডও বলা হয়। আবার অনেক সময় নাকের ভেতরে মাংসপেশি বড় হয়ে যায়।

 

এসব সমস্যাগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করে থাকে। যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হিসেবে শনাক্ত করা হয়। রোগে সাধারণত যাদের ওজন বেশি বা শরীরে মেদ বেশি, বয়স্ক মানুষ শিশু তারা ভোগে থাকেন।

 

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের মতে, হৃদপিণ্ড, ব্রেন এবং নিউরোজনিত সমস্যা থেকে মানুষের শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেনে বিভিন্নরকম জটিলতা হয়ে থাকে এবং ওই ব্যক্তির তখন স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যা জটিল এবং গুরুতর হয়। তবে এই দুই ধরনের অ্যাপনিয়াতেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে।

 

অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রথমেই যা দেখা হয় তা হলো, শ্বাসনালীকে কেন্দ্র করে কোন জায়গায় বাধা রয়েছে এবং তা চিহ্নিত করে পরে অপসারণ করতে হয়। এক্ষেত্রে অল্প সময়েই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে এই সমস্যা থেকে। তবে জটিল স্লিপ অ্যাপনিয়া শরীরের বিভিন্ন গুরুতর সমস্যা থেকে হয়ে থাকে বলে এর চিকিৎসা আজীবন চালানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

প্রতিরোধের উপায়

স্লিপ অ্যাপনিয়া থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ, একটু সতর্ক থাকলে এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব। শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস করা। এছাড়া যাদের ঘুমের মধ্যে বার বার নিঃশ্বাস বন্ধ হয় তাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে বলে থাকেন চিকিৎসকরা।

 


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




ছাত্রের হাতে শিক্ষক মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল সাভার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ছাত্রের অতর্কিত হামলা ও আঘাতে শিক্ষক উৎপলের মৃত্যুর পর অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে এই দাবিতে সাভার উপজেলার শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ও জামগড়ার চিত্রশাইল এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে আশুলিয়ায় বিচারের দাবিতে কর্মসূচি পালন করেন হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। একইদিন দুপুরে সাভার উপজেলার শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ।

নিহত শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার এলংজানি দত্তপাড়া গ্রামের মৃত অজিত সরকারের ছেলে। তিনি ২০১৩ সালে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার।

অভিযুক্ত বখাটে ছাত্র চিত্রশালাই এলাকার উজ্জ্বল হাজীর ছেলে বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মালিক হাজী হযরত আলীর ভাগিনার ছেলে ওই ছাত্র। ঘটনার পর স্থানীয়দের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যায় বখাটে ছাত্র।

মানববন্ধনে সাভার উপজেলা কিন্ডারগার্টেন ফেডারেশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, হত্যাকান্ডের আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানাই।

অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গমেজ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বখাটে ওই ছাত্রকে আমরা কুলাঙ্গার হিসেবে আখ্যায়িত করছি। তার স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষক উৎপলের মৃত্যু হয়েছে। মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজুসহ প্রমুখ।

চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী কলেজ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সারা দিন এই কর্মসূচি পালন করব। স্থানীয় অন্যান্য স্কুল এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের আমাদের সঙ্গে সামিল করব। যতক্ষণ পর্যন্ত ন্যায় বিচার এবং দাবি পূরণ না হবে ততক্ষণ আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

তাদের দাবিগুলো হলো- অনতি বিলম্বে ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করতে হবে, হত্যাকারীর সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, হত্যাকারীর বাবা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নিহতের পরিবারকে সর্বোচ্চ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ভেদাভেদ নির্মূলে সাধারণ সর্বজনীন আইন প্রণয়ন করতে হবে, পুরো এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং মুছে দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিক্ষোভ মিছিলকে বেগবান করতে হবে।

উল্লেখ্য- শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে শিক্ষক উৎপল কুমারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণীর এক ছাত্র। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৭ জুন) ভোরে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার মারা যান। রবিবার (২৬ জুন) আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।


আরও খবর



ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো : এমপি দিদারুল

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সীতাকুণ্ড আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) দিদারুল আলম বলেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো করা হয়েছে, তা তদন্ত করা উচিত।

রবিবার (৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কনটেইনার ডিপোটির আশপাশে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। শনিবার (৪ জুন) রাতের বিস্ফোরণে আশপাশের অনেক বাসিন্দার ঘরের দরজা–জানালা ভেঙে গেছে। ঘরের সামনে ভাঙা কাচের স্তূপ দেখা গেছে। উড়ে গেছে অনেকের ঘরের টিনের চাল।

ডিপোর আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি ও বিস্ফোরণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য দিদার বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক ডিপো করা হয়েছে, তা তদন্ত করা উচিত। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে কমিটি করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস ও ডিপোর কর্মীরা বলছেন, ডিপোতে ‘হাইড্রোজেন পারক্সাইড’ নামের বিপুল রাসায়নিক রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতে সংখ্যা বেড়ে ৩৮–এ পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক। তাদের বেশির ভাগই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


আরও খবর



আজাদ-সাহেদের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদ এবং রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ ছয়জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও কোভিডের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে ‘সরকারি অর্থ আত্মসাতের’ মামলায় এ আদেশ দেন আদালত।

রবিবার (১২ জুন) ঢাকার ষষ্ঠ বিশেষ জজ আদালদের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ৪ জুলাই দিন ঠিক করে দিয়েছেন।

অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আসামিদের অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। আসামিদের পক্ষে অব্যাহতির আবেদন করা হলেও বিচারক তা নাকচ করে দেন।

আবুল কালাম আজাদ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, আমি তো কোনো দোষ করিনি, তা হলে অভিযোগ গঠন করা হবে কেন?

রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর তখন বলেন, এটি আইনের প্রসিডিওর। মামলায় সাক্ষ্য হবে, তার পর রায় হবে।


আরও খবর



কুমিল্লায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহবানে সুজনের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক,কুমিল্লা ।।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বা চনে প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন এবং অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বা চনের আহবানে সংবাদ সম্মেলনে করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন কুমিল্লা মহানগর ও জেলা শাখা।

রোববার সকালে কুমিল্লা টাউন হল কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, সুজন জেলা কমিটির সভাপতি শাহ মোঃ আলমগীর খান।জেলা কমিটির যুগ্মসম্পাদক রেজবাউল হক রানার সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনের স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক আলী আহসান টিটু, লিখিত

বক্তব্য পাঠ করেন মহানগর কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আকন্দ।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহানগর কমিটির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, জেলা কমিটির যুগ্নসম্পাদক শাহানা হক, সদস্য মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী,আজাদ সরকার লিটন, সুজনের সম্বনয়কারী সৈয়দ নাসির উদ্দিনসহ আরো অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা, অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বা চন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র,ভোটার, নির্বা চন কমিশন, রাজনৈতিক দল , মন্ত্রী ও সাংসদ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্মর্তা -কর্মচারী, আইনশৃঙ্খশৃ লা বাহিনী, গনমাধ্যম, প্রার্থী ও সমর্থক ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনসহ দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহব্বান জানান।


আরও খবর