Logo
শিরোনাম
বীরত্ব’ সিনেমা

যৌনপল্লীতে নায়িকা নিপুণ আক্তার !

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশের আলোচিত নায়িকা নিপুণ আক্তার। দীর্ঘদিন পর ‘বীরত্ব’ সিনেমা দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছেন তিনি। ১৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। এতে যৌনকর্মীর চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। শুটিংয়ের জন্য টানা পাঁচদিন রাজবাড়ির যৌনপল্লীতে থেকেছেন তিনি। এই পাঁচদিন নানা অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। সেখানকার মানুষদের জীবন-যাপন দেখেছেন অতি কাছ থেকে।

নিপুণ বলেন, এই সিনেমায় আমাকে একজন যৌনকর্মীর চরিত্রে দেখা যাবে। যে জীবনে সব হারিয়েও বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। আমার বিশ্বাস আমার চরিত্রটি অনেক অসহায় নিপীড়িত মেয়েদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করবে। তাদের আশা জাগাবে, তারা নতুন করে বাঁচতে চাইবে।’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী বললেন, ‘নিষিদ্ধ পল্লীতে কাজ করা এটা আসলে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা। সেটা দেখার জন্য আপনাদের হলে আসতে হবে।’

সাম্প্রতিক পরাণ ও হাওয়া' এর মাধ্যমে দর্শকরা হলে আসতে শুরু করেছেন। নতুন করে সিনেমা পুনর্জীবিত হয়েছে। এই পালে হাওয়া দেবে বীরত্ব। নিপুণ বলেন, পরাণ ও হাওয়া দেখে দেখে আপনারা যে স্বস্তি পেয়েছেন, বীরত্ব সিনেমাটা দেখেও আপনারা সেই স্বস্তিট পাবেন।’

ছবিটিতে  নিপুণের বিপরীতে একজন দালালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার অভিনেতা ও অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম।

সাইদুল ইসলাম রানার প্রথম সিনেমা ‘বীরত্ব’তে নায়ক-নায়িকার ভূমিকায় আছেন মামনুন হাসান ইমন ও নবাগত নিশাত নাওয়ার সালওয়া। তাদের দুজনকেই দেখা যাবে চিকিৎসকের ভূমিকায়। এছাড়া খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার। পুলিশ অফিসারের চরিত্রে আছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। আরও আছেন বড়দা মিঠু ও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকে।


আরও খবর

ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিতের বিয়ে

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 |
Image

১১ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে ব্রিটেনের প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সেন্ট জর্জ চ্যাপেলে রাজপরিবারের ব্যক্তিগত সমাধিস্থলে ‘ডিউক অফ এডিনবরা’ অর্থাৎ প্রিন্স ফিলিপের পাশে রানিকে সমাধিস্থ করা হয়।

তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন রাজপরিবারের সদস্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের সম্রাট নারুহিতো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্বনেতারা। এতে ২ হাজারেরও বেশি অতিথি যোগ দেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিভিশনে রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রানির কফিন সমাহিত করার সময় প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ জোহান সেবাস্তিয়ান বাখের কম্পোজিশন বাজান বাদকেরা। পরে চার্চ অব ইংল্যান্ডের প্রধান আর্চবিশপ অব ক্যান্টারবুরি জাস্টিন ওয়েলবি রানির জন্য আশীর্বাদ জ্ঞাপন করেন।

আর্চবিশপ অব ক্যান্টারবুরি বলেন, ‘পৃথিবীতে শান্তিতে বসবাস করো; সাহসী হও, যা ভালো তা দৃঢ়ভাবে ধরে রাখো, মন্দের বদলে কারও মন্দ করো না; দুর্বল হৃদয়কে শক্তিশালী করো, দুর্বলদের সমর্থন করো, দুঃখীকে সাহায্য করো, সকল মানুষকে সম্মান করো, ভালোবাসা এবং প্রভুর সেবা করো, পবিত্র আত্মার শক্তিতে নিজেকে বলীয়ান করো।

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে ৯৬ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। দীর্ঘ সাত দশক তিনি ব্রিটেনের রানির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




দেশে করোনা বাড়ছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশে করোনার প্রকোপ আবারো বাড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় বেসরকারি পর্যায়ে করোনা পরীক্ষার খরচ কমানোর সুপারিশসহ পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। 

 শনিবার রাতের সভাটি ছিল কারিগরি কমিটির ৫৯তম সভায় অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন। কয়েক দিন ধরে কোভিড–১৯ সংক্রমণ বাড়তির দিকে। এ নিয়ে আলোচনার পর পাঁচ দফা সুপারিশ করেন কারিগরি কমিটির সদস্যরা। এর মধ্যে আছে, সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা সেনিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করা। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা গ্রহণ করেননি, তাদের টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করারও সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া বদ্ধস্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চ্যুয়ালি করার সুপারিশ করে কমিটি। অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভাগুলোতে মাস্ক পরার সুপারিশও করা হয়। আর বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড–১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় কমিটি।

কোভিড-১৯–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা আরও বলেন, ‘আমরা এই সুপারিশগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেব। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




সরকারি চাল প্যাকেটজাত করে খোলা বাজারে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বরগুনার বেতাগীতে বেশ কিছুদিন যাবৎ সরকারি চাল বিভিন্ন কোম্পানির নামে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করছিলো একটি চক্র। যার নেপথ্যে প্রধান হিসেবে কাজ করতেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বেতাগী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মনির হোসেন লাভলু। 

রবিবার  বিকাল ৪টায় সংবাদ আসে ডিলার মনির হোসেন লাভলুর পৌরশহরের নিজ বাসার একটি বদ্ধ ঘরের মধ্যে বিভিন্ন নামীদামী ব্র্যান্ডের বস্তায় প্যাকেটজাত হচ্ছে সরকারি চাল। বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্যামেরায় ধারণ করা হয় সেই অভিনব প্রতারণার ভিডিও। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনলে শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

এদিন বিকাল ৫টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সরকারি চালের বস্তা থেকে ব্র্যান্ডিং বস্তায় চাল প্যাকেটজাত করার প্রক্রিয়ার সত্যতা পান। এ সময়ে ডিলার লাভলুর মজুদ করা ৩ টনের অধিক  চাল যা ৮৯টি বস্তাভর্তি ছিলো তা জব্দ করেন । তবে ব্যবসায়ী লাভলুর দাবি তিনি স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে টিআর, কাবিখার চাল ক্রয় করেছেন। তবে প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী ওই চাল ওএমএস কর্মসূচির।

ভ্রাম্যমাণ অভিযানের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, জব্দ করা চাল সরকারি এতে সন্দেহ নেই। সরকারি চাল মজুদকারীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি, দৃষ্টিনন্দন জীবনাচার বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছে একটি বহুমাত্রিক আকর্ষণ-সমৃদ্ধ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ। প্রতি বছরের মতো এবারও অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

ভ্রমণপিপাসুরা বলেন, তুলনামূলক বাংলাদেশ স্বল্প আয়তনের হলেও পর্যটন আকর্ষণে যে বৈচিত্র্য তা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পারে। এ দেশে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম নীরবচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত-কক্সবাজার, পৃথিবীর একক বৃহত্তম জীববৈচিত্র্যে ভরপুর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল-সুন্দরবন, একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকনের স্থান সমুদ্রকন্যা-কুয়াকাটা, দুটি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজ রঙের নয়নাভিরাম চারণভূমি-সিলেট, আদিবাসীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি ও কৃষ্টি আচার-অনুষ্ঠানসমৃদ্ধ উচ্চ সবুজ বনভূমি ঘেরা চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল, সমৃদ্ধ অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো। ফলে স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প উন্নয়নের সম্ভাবনা অপরিসীম। পর্যটনশিল্পের সবটুকু সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মডেল হতে পারে।

এ ছাড়া ‘পর্যটনের নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিএমসি) ৭ দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভ্যালের আয়োজন করছে। কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বসছে আনন্দ-উৎসবের এ মেলা। প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের সপ্তাহব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভ্যাল আয়োজনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ অন্যতম সহযোগী (স্পন্সর) হিসেবে থাকছে।

বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২২ সাল নাগাদ পর্যটনশিল্প থেকে প্রতি বছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৫১টি দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবেন, যা মোট জিডিপির ১০ শতাংশ অবদান রাখবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালে মোট কর্মসংস্থানের ১ দশমিক ৯ শতাংশ হবে পর্যটনশিল্পের অবদান। পর্যটনশিল্পের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার রোল মডেল।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১১০ কোটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২২ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। আর বিপুলসংখ্যক পর্যটকের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভ্রমণ করবে এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশ যদি এ বিশাল বাজারে টিকে থাকতে পারে, তাহলে পর্যটনের হাত ধরেই বদলে যেতে পারে দেশের অর্থনীতির রূপরেখা।

২০২৫ সালের মধ্যে পর্যটনশিল্পের সর্বোচ্চ বিকাশে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পুরো দেশকে আটটি পর্যটন জোনে ভাগ করে প্রতিটি স্তরে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথমবারের মতো সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণে ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলোয় প্রায় প্রত্যক্ষভাবে বিনিয়োগ হবে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। পরোক্ষভাবে বিনিয়োগ হবে ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া সরকারের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন, আধুনিক হোটেল-মোটেল নির্মাণ, মহেশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, সোনাদিয়াকে বিশেষ পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা, ইনানি সৈকতের উন্নয়ন, টেকনাফের সাবরাংয়ে ইকো ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ, শ্যামলাপুর সৈকতের উন্নয়ন, ঝিলংঝা সৈকতের উন্নয়ন, চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, কুতুবদিয়ায় বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্প্রসারণ, চকরিয়ায় মিনি সুন্দরবনে পর্যটকদের গমনের জন্য যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের আধুনিকায়ন ইত্যাদি। এ ছাড়া আরো চারটি নতুন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। এসব বাস্তবায়ন হলে আগামীতে দেশের পর্যটন খাত আরো চাঙা হবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর



ছোঁয়াচে ‘চোখ ওঠা’ রোগ ছড়াচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সারা দেশে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস (চোখের প্রদাহ) রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। চোখ ওঠা নামে পরিচিত এই রোগে সব বয়সিরাই আক্রান্ত হচ্ছে। তবে শিশুদের বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অনেক অভিভাবক সংক্রমণ হওয়ার ভয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। সংক্রমিতরা বেশিরভাগই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার হচ্ছে। এক পরিবারের একজনের হলে পর্যায়ক্রমে অন্যদের হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই রোগটি ছড়িয়েছে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সংবাদদাতারা জানিয়েছেন। চোখ ওঠা রোগটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাঙ্কটিভিজি বা কনজাঙ্কটিভা বলে। ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়ে থাকে। রোগটি হলে কারো কারো কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। আবার কারো চিকিৎসা লাগে। সাধারণত বছরের এ সময়টাতেই চোখ ওঠা রোগ হয়ে থাকে। এই রোগ হলে চোখ গোলাপি অথবা লাল হয়ে যায়।

আক্রান্ত হলে এক চোখে অথবা দুই চোখেই জ্বলতে পারে, সাথে চোখ লাল বা গোলাপি আকার ধারণ করতে পারে। জ্বালাপোড়ার সাথে চুলকানি হয়। খচখচে ভাব হতে পারে, মনে হতে পারে চোখে কাটা ফুটেছে। আবার চোখ থেকে পানি পড়ে, বারবার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ব্যথা হয়।


রোগটি এতই ছোঁয়াচে যে, চোখ ওঠা রোগীর সংস্পর্শে না এসে কাছাকাছি থাকলে এ চোখ ওঠে যেতে পারে। কারণ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিসু অন্যরা ব্যবহার করলে তারা আক্রান্ত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কাছাকাছি না থাকলেও অন্যদের হয় আবার খুবই কাছাকাছি থাকার পরও চোখ ওঠে না। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কারো দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠলে (অ্যান্টিবডি হয়ে গেলে) কাছাকাছি থাকলেও হয় না। ভাইরাসের সংক্রমণে প্রদাহ হয়, চোখের মধ্যে থাকা খুবই সুক্ষ্ম রক্তনালী ফুলে যেতে পারে। রক্তনালীগুলো ফুলে যায় বলেই চোখের রঙ লাল হয়।

এমন রোগীর কাছাকাছি থাকলে একটু সাবধান থাকতে হয়। বারবার চোখে বা মুখে হাত না ছোঁয়ানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যাদের চোখ ওঠে তাদের চোখ খুব চুলকাতে পারে। চোখে হাত ছোঁয়াতে চাইলে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আক্রান্তদের চোখের পানি টিস্যু দিয়ে মুছে আবদ্ধ জায়গায় বা বাস্কেটে ফেলতে হবে। তা নাহলে রোগটি আশেপাশে যারা থাকবে তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। তা ছাড়া চোখ ওঠা রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী না ধুয়ে অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে অবশ্যই চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ জানিয়েছেন, বর্তমানে যে ভাইরাসে চোখ ওঠা রোগটি হচ্ছে এই ভাইরাসটি চোখের কালো (কনজাঙ্কটিভা) অংশটিকে বেশি আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মধ্যে চোখের কর্নিয়াকেও আক্রান্ত করতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চোখের বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি মেশিনে চোখ পরীক্ষা করে কিছু ওষুধ দেবেন। বরং আমি বলব, মেশিনে পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা করালেই যথাযথ চিকিৎসা হয়। চোখের ডাক্তার রোগীকে অ্যান্টি হিস্টাসিন দিতে পারেন। দিতে পারেন চোখের অ্যান্টিবায়োটিক। একই সাথে তিনি লো স্টেরয়েডও দিতে পারে।

চিকিৎসক নর্মাল স্যালাইন দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলতে পারেন। নরসল নামে চোখের ড্রপ পাওয়া যায় ওষুধের দোকানে। রোগটি কর্নিয়াকে আক্রান্ত করলে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার। না হলে কর্নিয়াতে দাগ পড়ে যেতে পারে। ফলে রোগী পরে স্থায়ীভাবে ঝাপসা দেখতে পারেন। অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস আরো বলেন, চোখ ওঠার রোগীর চোখের পানি পাতলা টিস্যু দিয়ে মুছে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। চোখের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাস থাকে। এই পানিটি খুব সাবধানে মুছে টিস্যুই হোক বা অন্য কিছু হোক যত্রতত্র ফেলা যাবে না। অন্যরা এই পানির সংস্পর্শে এলে তাদেরও চোখ ওঠা রোগটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমে একটি চোখে সমস্যা সৃষ্টি করলেও পরে আরেকটি চোখে সমস্যা হতে পারে। সাবধানে থাকলে, গরম সেঁক দেয়া হলে চোখে আরাম বোধ করবেন রোগী। এই রোগের সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা পরে নিলে রোগী আরাম বোধ করবেন। কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২