Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন করে চালু হতে পারে জিএসপি সুবিধা। এরই মধ্যে দেশটির কংগ্রেসে এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ফের জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে চাইলে বাংলাদেশকে পূরণ করতে হবে দেশটির দেয়া অ্যাকশন প্ল্যান। বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন, ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান।

রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশন দুর্ঘটনার রেশ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি সুবিধা হারায় বাংলাদেশ। ফিরে পেতে নেয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার জন্যে স্কিমটি বন্ধ রেখেছে মার্কিনিরা।

এটি ফের চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে শুরু হয়েছে আলোচনা। যেখানে বাংলাদেশ পেতে পারে অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই দেশটির তরফ থেকে বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি, কাজের মান ও পরিবেশ, শ্রমিকের সংগঠন করবার স্বাধীনতাসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা তুলে দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের হাতে। লিনা খান জানান, তার দেশ আশা করে, ২০২৬ সাল নাগাদ সব শর্ত পূরণে সক্ষম হবে ঢাকা।

প্রথম মার্কিন ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান বলেন, বাংলাদেশ যদি জিএসপি সুবিধা ফেরত পেতে চায়, তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম বা শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি আইএলওকে দেয়া সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে সব শর্ত পূরণে সক্ষম হবে।

তার দাবি গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশে কাজের পরিবেশ সুরক্ষিত হয়েছে যেমন, তেমনি অভিযোগ আছে শ্রমিক ও শ্রম অধিকার কর্মীদের স্বাধীনভাবে সংগঠন করবার অধিকার ক্ষুন্নের অভিযোগ।

প্রথম মার্কিন ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান বলেন, আমাদের কিছু বিষয়ে গভীর উদ্বেগ আছে। যেমন- শ্রমিক হয়রানি, সংগঠন বিরোধী মনোভাব ও কার্যকলাপ, শ্রম অধিকারকর্মীদের সংগঠন করবার স্বাধীনতা খর্ব ও মামলার মতন বিষয়গুলোতে। অথচ আমরা গত ১০ বছরে কাজের পরিবেশের নিরাপত্তার দারুণ অগ্রগতি দেখেছি, যা প্রশংসার যোগ্য।

ভিন্ন এক প্রশ্নে লীনা বলেন, মার্কিনিদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম লক্ষ্য শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করা। তাই বাংলাদেশেও একে সম্মান জানাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।


আরও খবর



আত্রাইয়ে বন্যার আগেই একাধীক পাকা সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে আত্রাই-সিংড়া বাঁধ কাম পাকা সড়কের ডুবাই নামকস্থানে এবং আত্রাই-বান্দায়খাড়া বাঁধ কাম পাকা সড়কের লালুয়া নামকস্থানে ধ্বসে গেছে। এতে উপজেলা সদরের সাথে সদরের পূর্বা ল এবং পশ্চিমা অ লের বাসিন্দারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছেন। এলাকাবাসী বলছেন এখনো বন্যার পানির চাপ শুরুই হয়নি,এর মধ্যেই যেখানে সেখানে বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যাচ্ছে। ফলে ভরপুর বন্যা হলে বাড়ী-ঘর রক্ষায় চিন্তিত হয়ে পরেছেন এলাকাবাসী। এদিকে সড়ক ধ্বসে যাবার খবর পেয়ে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি,নওগাঁ জেলা প্রশাসক,নওগাঁর পাউবির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ঠরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বৈঠাখালি গ্রামের জয়নুলসহ স্থানীয়রা জানান, একটানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানির কারনে নদ-নদীতে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো নদীতে সেরকম পানির চাপ শুরু হয়নি। তার পরেও বৃহস্পতিবার রাতে আত্রাই থেকে নাটোরের সিংড়ার সাথে যোগাযোগের একমাত্র সড়কের শিকারপুর এলাকায় গুড় নদীর বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন শুক্রবার ধ্বসে যাওয়া সড়ক মেরামত করে। এর পর শুক্রবার রাতে ওই ভাঙ্গনের প্রায় এক কিলোমিটার পূর্বদিকে বৈঠাখালির ডুবাই নামক ¯øুইচগেট সংলগ্ন স্থানে পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। এতে ওই সড়কে যানবাহনসহ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া শনিবার সকালে উপজেলা সদরের পশ্চিম এলাকায় আত্রাই-বান্দাইখাড়া সড়কের লালুয়া নামকস্থানে বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। এতে উপজেলা সদরের সাথে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। লালুয়া গ্রামের সাইদুর রহমান বলেন,সড়কের নিচ দিয়ে আগে থেকেই সামান্য করে পানি বের হতো। শনিবার সকালে হঠাৎ করেই পাকা সড়ক ধ্বসে পরে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। 

ডুবাই ধ্বসে যাওয়া সড়ক দেখতে আসা আব্দুর রশিদ,হামিদুর রহমান এবং সফিকুল ইসলাম বলেন,এখনো নদীতে পানির চাপ শুরু হয়নি। সামান্য পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের নিকট বর্তি আসতেই একাধিক স্থানে ধ্বসে গেলো। তাহলে ভরপুর বন্যা হলে তো আমাদের বাড়ী-ঘর থাকবেনা। আসন্ন মৌসুমে বন্যা হলে কিভাবে বাড়ী-ঘর রক্ষা করবেন তা নিয়ে চরম চিন্তিত হয়ে পরেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।তবে এখনই বাঁধ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ঠদের অনুরোধ জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

এদিকে হঠাৎ করেই একাধীক পাকা সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় এমপি এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন,নওগাঁ জেলা প্রশাসক গোলাম মাওলা,নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান,আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান,শনিবার বিকেল তিনটা পর্যন্ত আত্রাই নদী আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় বিপদ সিমার ১৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। 

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান বলেন,দীর্ঘ দিন আগের নির্মিত বাঁধ কাম পাকা সড়ক ইঁদুরে এবং শেয়ালে গর্ত করে নষ্ট করে ফেলেছে। ফলে পানি আসার সাথে সাথেই সড়কের নিচ দিয়ে পানি পার হয়ে ধ্বসে যাচ্ছে। ধ্বসে যাওয়া স্থানগুলো মেরামতের কাজ চলছে। আসা করছি দ্রæতই চলাচল স্বাভাবিক হবে। এছাড়া বাঁধকাম পাকা সড়কে সার্বক্ষনিক নজরদারি করা হচ্ছে।


আরও খবর



এবার বাঙালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক এম এ ওয়াজেদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক::

আবারো পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক ও সমাজ সেবক এম এ ওয়াজেদ। তার সাফল্য মুকুট-এ এবার যুক্ত হচ্ছে বাঙগালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুষ্কারের দুটি পালক। 

আগামী ১৯ জুলাই কবি ও সংগঠক হিসেবে বাঙালির কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার তার হাতে তুলে দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই পুরষ্কার দুটি গ্রহণের জন্য কবিকে আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এর আগে চলতি বছর ২৬ ফেব্রুয়ারী জাতীয় কবি পরিষদ থেকে কবিতা ক্যাটেগরিতে পুরষ্কৃত হয়েছেন লেখক এমএ ওয়াজেদ। 

এমএ ওয়াজেদের পুরো নাম মোহাঃ আব্দুল ওয়াজেদ। ১৯৭৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নওগাঁর সাপাহার উপজেলার জবই গ্রামে এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম৷ পিতার নাম মোঃ মকবুল হোসেন এবং মাতার নাম মোসাঃ মরিয়ম বিবি। শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স্তর থেকেই সাফল্য পেতে শুরু করেন মেধাবী এই লেখক। তিনি ১৯৮৪ সালে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় এবং ১৯৮৭ সালে অষ্টম শ্রেনির বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত হোন ৷ ১৯৯০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে  উত্তীর্ণ হোন। এ কারনে তাঁকে  সরকারি বৃত্তি প্রদান করা হয়। তিনি উচ্চ শিক্ষা জীবন কাটিয়েছেন শিক্ষার শহর রাজশাহীতে। রাজশাহী  নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে  প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন ৷ ১৯৯৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিসহ এলএলবি (অনার্স ) এবং ১৯৯৮ সালে এলএলএম ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। তিনি নওগাঁয় এ্যাডভোকেট বার সমিতির সদস্য। নিজ জেলায় মানুষকে আইনী সেবা প্রদান করছেন। 

ছোটবেলা থেকেই কবিতা  ও প্রবন্ধ লিখেন এম এ ওয়াজেদ৷ কবিতার সাথে তাঁর গভীর প্রেম। অল্প দিনেই তাঁর লেখা এক গুচ্ছ বই প্রকাশ হয়েছে। যা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। ইতোমধ্যেই তাঁর লেখা ৭ টি একক কাব্যগ্রন্থ  প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ১৪ টি যৌথ  কাব্যগ্রন্থ’ ও একটি গল্পগ্রন্থ বেড়িয়েছে তাঁর। একক কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ২০২০ সালে 'আলোকের ঝরনাধারা' ও 'অদ্ভুত আঁধার চারদিকে'। ২০২৩ সালে অমর একুশে বইমেলায় কারুবাক প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় 'প্রভাতের পুষ্পসুবাস'।২০২৪ এ অমর  একুশে বই মেলায় নব সাহিত্য প্রকাশনী  থেকে প্রকাশ হয় 'বেদনার কোষকাব্য' ও 'অভিশংসিত সরোবর'। বাংলা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পায় অন্তর্দহনের শেষ পৃষ্ঠা ও 'হে হৈমন্তিকা যুবতী হও'। যৌথ কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো, অন্তরে অগ্নিশিখা, বুনো রোদ্দুর, ভোরের মাঝি, দ্বিভুজ, কবির কবিত্ব, স্বদেশের মৃত্তিকায় জননীর ঘ্রাণ, পড়ন্ত বিকেলের কাব্য, চাঁদনী রাতের কথা, বিহঙ্গ বাঁশরি, কাব্য ফেরি, প্রবাসী বুলবুল, কলমের আলো, ফিলিস্তিন আমার বারুদের ফুল ও মায়াবতীর নীলকাব্য। সম্পতি 'শ্রেষ্ঠ গল্প' নামে যৌথ গল্পপ্রন্থটিও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে তাঁর লেখা ১শ' ৫০ এর অধিক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

লেখক এমএ ওয়াজেদ দুই পুত্র সন্তানের জনক ৷ বড় ছেলে সাদিক ওয়াকিল সাদ ২০২৩ সালে নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়ে বর্তমানে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে এইচএসসিতে অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে সিহাব ওয়াদুদ হাবিব নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ৷ তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সুমী একজন আদর্শ গৃহিণী। 

এমএ ওয়াজেদ লেখালেখির বাইরে বৃক্ষরোপন, অসহায় মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান সহ সামাজিক বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সারাজীবন সাহিত্য রচনা ও সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি। 

আরও খবর



অতি বৃষ্টিতে বন্যার কবলে দেশের বিভিন্ন এলাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে দেশের ভিন্ন ভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে বন্যা পরস্থিতি। সিলেট, শেরপুর, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সামনে তাকালে চোখে পড়বে শুধু পানি আর পানি। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।

বন্যার পানিতে জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। গো-খাদ্যের অভাবে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। রাস্তাঘাটের পাশাপাশি বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বন্যায় পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন দুই জেলার কয়েক লাখ মানুষ।

গত সোমবার থেকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সিলেটের অন্তত চারটি উপজেলা। সিলেট মহানগরেরও অনেক জায়গায় নতুন করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে নগরীর মির্জাজাঙ্গাল, মণিপুরি রাজবাড়ি, তালতলা, জামতলা, কুয়ারপার, শিবগঞ্জ, শাহজালাল উপশহর, হাওয়াপাড়া, যতরপুর, মেন্দিবাগ, তোপখানা, মজুমদারি, চৌকিদেখী, দক্ষিণ সুরমাসহ বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় অধিবাসীরা।

একইসময় পানি বৃদ্ধির কারণে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

সিলেট ও সুনামগঞ্জে গত সোমবার দিন ও রাতে অবিরাম বৃষ্টি হয়েছে। গতকালও বৃষ্টি হয়েছে। একদিকে অবিরাম বৃষ্টি আর অন্যদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জে সবগুলো নদ-নদীর পানি বেড়ে ও নতুন নতুন এলাকা প্লাাবিত হয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

এছাড়াও বান্দরবানের থানচিতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর সন্ধান মেলেনি। ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামে আজকের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। নোয়াখালী জেলা শহরে জলাবদ্ধতায় আটকে আছে মানুষ। মৌলভীবাজারে ফের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দ্বিতীয় দফা বন্যা শেষ হওয়ার আগেই সোমবার থেকে সিলেটে ধাক্কা দিয়েছে তৃতীয় দফা বন্যা। সিলেটে থেমে থেমে ও উজানে ভারী বৃষ্টির ফলে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। জেলার কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তুলিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নতুন করে অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে মন্তব্য থেকে সরে এলেন স্টারমার

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করে নিজ দল লেবার পার্টিরই প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীপ্রার্থী স্যার কিয়ার স্টারমার।

আর তাতেই সুর পাল্টেছে তার।


 ব্রিটিশ গণমাধ্যম আইটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাদের মনে আঘাত দেওয়া বা কোনো উদ্বেগ সৃষ্টি করতে চাইনি।’


স্টারমার আরও বলেন, তিনি ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের অবিশ্বাস্য অবদানকে মূল্যায়ন করেন এবং লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসলে সেই অনুযায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং ভবিষ্যতে সেই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চান।


গত সোমবার সান পত্রিকার পাঠকদের এক প্রশ্নের জবাবে লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে বাংলা‌দেশের মতো দেশগুলো থেকে আসা যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, তা‌দের নিজ দে‌শে ফেরৎ পাঠা‌নো হ‌বে।’



এদিকে এই মন্তব্যের জেরে পদত্যাগ করেছেন পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে লেবার পার্টির ডেপুটি লিডার সাবিনা আক্তার। 


এসময় তিনি বলেন, দলের নেতা যখন আমার সম্প্রদায়কে একঘরে করে, আমার বাংলাদেশি পরিচয়কে অপমান করে, তখন আমি আর দল নিয়ে গর্ব করতে পারি না।


পরে অবশ্য স্টারমার বলেন, তিনি শুধু এটুকুই বলেছেন যে, আশ্রয়প্রার্থী ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যার (বাংলাদেশের) প্রত্যাবর্তন চুক্তি রয়েছে।


যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সেখানে আশ্রয়প্রার্থী মানুষের শীর্ষ দেশ হলো আফগানিস্তান, ইরান এবং ভারত।






আরও খবর



জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যেই জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রবেশে শর্ত দিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৩ জুলাই) শর্ত দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই শর্ত অনুযায়ী পরিচয়পত্র অথবা কলেজের ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৩ জুলাই তারিখ হতে কলেজের আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলেজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) অথবা কলেজ ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।

শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সকল শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা পরিচয়পত্র ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতো। এতে অন্যকোনো কলেজের শিক্ষার্থী বা বহিরাগতরাও সহজেই কলেজে প্রবেশ করতে পারতো। এদিকে দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। সেই প্রভাব এখনও জয়পুরহাটে পড়েনি। কোনো শিক্ষার্থী এখনও কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে ক্যাম্পাস বা সড়কে নামেননি। তবে যেকোনো সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের।

জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রবেশ করবে বাধা নেই। কোটা সংস্কার অন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি সেই আন্দোলন করে তাহলে এখানে কোনো বহিরাগত যেন এসে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে এই কারনে শর্ত মেনে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর