জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্ব র্যালিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু করে মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটারের সম্পূর্ণ পথ তিনি হেঁটে অতিক্রম করেন। নির্দিষ্ট দিনে বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
উদ্বোধনের পর বিপুল সংখ্যক মানুষের এই বিশাল মিছিলটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং হেয়ার রোড অতিক্রম করে। এরপর শোভাযাত্রাটি মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট এলাকা ঘুরে সংসদ ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের হাতে ছিল লাল-সবুজ পতাকা এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবিযুক্ত প্ল্যাকার্ড।
এই র্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া আমানুল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার, আহমেদ আজম খান ও নুরুল ইসলাম মনিসহ অন্যান্য নেতারূপ অংশ নেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি ছাড়াও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের হাজার হাজার কর্মী এই ঐতিহাসিক মিছিলে শামিল হন। দীর্ঘ বিশ বছর পর ফ্যাসিবাদী শাসনমুক্ত পরিবেশে দলটি অত্যন্ত নির্বিঘ্নে দিবসটি পালন করতে সক্ষম হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমালে দিবসটি নিয়ে নানা অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতির কারণে নতুন প্রজন্ম সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকারের আমলে নতুন প্রজন্মের সামনে এই দিবসের সঠিক ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী
৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্ব র্যালিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু করে মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটারের সম্পূর্ণ পথ তিনি হেঁটে অতিক্রম করেন। নির্দিষ্ট দিনে বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।উদ্বোধনের পর বিপুল সংখ্যক মানুষের এই বিশাল মিছিলটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং হেয়ার রোড অতিক্রম করে। এরপর
শোভাযাত্রাটি মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট এলাকা ঘুরে সংসদ ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের হাতে ছিল লাল-সবুজ পতাকা এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবিযুক্ত প্ল্যাকার্ড।এই র্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া আমানুল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার, আহমেদ আজম
খান ও নুরুল ইসলাম মনিসহ অন্যান্য নেতারূপ অংশ নেন।ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি ছাড়াও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের হাজার হাজার কর্মী এই ঐতিহাসিক মিছিলে শামিল হন। দীর্ঘ বিশ বছর পর ফ্যাসিবাদী শাসনমুক্ত পরিবেশে দলটি অত্যন্ত নির্বিঘ্নে দিবসটি পালন করতে সক্ষম হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমালে দিবসটি নিয়ে নানা অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতির কারণে নতুন প্রজন্ম সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকারের আমলে নতুন প্রজন্মের সামনে এই দিবসের সঠিক ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত