সংলাপ, সহযোগিতা, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে আজ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো— ‘শান্তিতে বিনিয়োগ করুন: সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন।’
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে আসুন আমরা সবাই সেইসব মানুষের সাহস থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করি, যারা পাড়া-মহল্লা, শ্রেণিকক্ষ ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ে শান্তির পক্ষে কাজ করছেন। একই সঙ্গে আসুন আমরা বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই—সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়তে বিনিয়োগ করুন।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে দিবসটিকে সহিংসতা ও যুদ্ধবিরতির একটি সময়কাল হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের জন্যও দিবসটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৪৩ টি দেশ ও বিভিন্ন স্থানে ৬৩ টি মিশন ও দায়িত্বে সশস্ত্র বাহিনীর ২ লাখ ৬ হাজার ৪৭৬ জন সদস্য মোতায়েন করেছে।
দিবসটির মূল আহ্বান হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া, মানবাধিকার ও সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও তা এগিয়ে নেওয়া।
আজ আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
আজ আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
সংলাপ, সহযোগিতা, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে আজ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো— ‘শান্তিতে বিনিয়োগ করুন: সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন।’ দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে আসুন আমরা সবাই সেইসব মানুষের সাহস থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করি, যারা পাড়া-মহল্লা, শ্রেণিকক্ষ ও বিভিন্ন
সম্প্রদায়ে শান্তির পক্ষে কাজ করছেন। একই সঙ্গে আসুন আমরা বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই—সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়তে বিনিয়োগ করুন।’ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে দিবসটিকে সহিংসতা ও যুদ্ধবিরতির একটি সময়কাল হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশের জন্যও দিবসটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি
ও নিরাপত্তায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৪৩ টি দেশ ও বিভিন্ন স্থানে ৬৩ টি মিশন ও দায়িত্বে সশস্ত্র বাহিনীর ২ লাখ ৬ হাজার ৪৭৬ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। দিবসটির মূল আহ্বান হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া, মানবাধিকার ও সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও তা এগিয়ে নেওয়া।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত