সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক বিক্ষোভের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

বিক্ষোভের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে দুই দিনের টানা উত্তাল বিক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। ৯ সেপ্টেম্বর তার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ এবং সংবিধানসম্মত সমাধানের পথ সুগম করতেই পদ ছাড়লেন কেপি শর্মা ওলি।

সোমবার ও মঙ্গলবার—দুদিন ধরে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ দেশজুড়ে চলছে টানা বিক্ষোভ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক জায়গায় এই ‘জেনারেশন জেড’ এর প্রতিবাদ ভিন্ন মাত্রা নেয়।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাজপথে বিক্ষোভের পাশাপাশি ঘটেছে হামলা-ভাঙচুর। একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বাসভবনে হামলা চালান বিক্ষুব্ধ জনতা। হামলার শিকার হন সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাও।

এ ছাড়া রাজনৈতিক দলের কার্যালয়েও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভে প্রাণ গেছে অন্তত ২ জনের, আহত হয়েছেন বহু মানুষ। কাঠমান্ডুর সিভিল সার্ভিস হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহন রেগমি জানান, “এখন পর্যন্ত দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও অন্তত ৯০ জন।”

বিক্ষোভ যখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছিল, তখন সংকট সমাধানে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ওলি। তিনি জানান, “এই সংকটের একমাত্র সমাধান হতে পারে আলোচনা। আমি সব পক্ষকে ডেকেছি, সন্ধ্যা ৬টায় বসার কথা। সহিংসতা দিয়ে কিছু হবে না।”

তবে তার এই আহ্বান কার্যকর হওয়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত চাপে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন ওলি।

খুঁজুন