ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে চলমান আলোচনার পর শুক্রবার ও শনিবারের মধ্যে তিন ডজনের বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন।
মানবাধিকার সংগঠন জুস্তিসিয়া, এনকুয়েন্ত্রো ই পারদোন (জেইপি) জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ৩৯ জন রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আটজন নারীও রয়েছেন, যাদের ২০২১ সালে ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেইপি বলেছে, যারা এখনও কারাগারে রয়েছেন তাদের ‘মুক্তির দাবি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখা হবে।’
শুক্রবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকার এবং বিরোধীরা দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসে। গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ওয়াশিংটনের অনুমোদনে এই আলোচনা এগিয়ে চলছে।
রাজনৈতিক বন্দিদের পক্ষে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ফোরো পেনালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভেনেজুয়েলায় ৩৪৪ জন রাজনৈতিক বন্দি ছিলেন।
রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবারের সদস্যরা ভেনেজুয়েলায় মার্কিন দূতাবাস এবং এল রোদেও-১ কারাগারের বাইরে নিয়মিত বিক্ষোভ করে আসছেন। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এই কারাগারকে নির্যাতনের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে।
মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনকে ২০২০ সালে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কাজ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে রদ্রিগেজ সরকার ফেব্রুয়ারিতে একটি সাধারণ ক্ষমা আইন (অ্যামনেস্টি আইন) কার্যকর করে। তবে এরপরও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির প্রক্রিয়া ধীরগতিতে এগিয়েছে।
বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনার পর ভেনেজুয়েলায় আরও রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি
বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনার পর ভেনেজুয়েলায় আরও রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে চলমান আলোচনার পর শুক্রবার ও শনিবারের মধ্যে তিন ডজনের বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। মানবাধিকার সংগঠন জুস্তিসিয়া, এনকুয়েন্ত্রো ই পারদোন (জেইপি) জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ৩৯ জন রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আটজন নারীও রয়েছেন, যাদের ২০২১ সালে ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে
জেইপি বলেছে, যারা এখনও কারাগারে রয়েছেন তাদের ‘মুক্তির দাবি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখা হবে।’ শুক্রবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকার এবং বিরোধীরা দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসে। গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ওয়াশিংটনের অনুমোদনে এই আলোচনা এগিয়ে চলছে। রাজনৈতিক বন্দিদের পক্ষে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ফোরো পেনালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভেনেজুয়েলায় ৩৪৪ জন রাজনৈতিক বন্দি ছিলেন।
রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবারের সদস্যরা ভেনেজুয়েলায় মার্কিন দূতাবাস এবং এল রোদেও-১ কারাগারের বাইরে নিয়মিত বিক্ষোভ করে আসছেন। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এই কারাগারকে নির্যাতনের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে। মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনকে ২০২০ সালে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কাজ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে রদ্রিগেজ সরকার ফেব্রুয়ারিতে একটি সাধারণ ক্ষমা আইন (অ্যামনেস্টি আইন) কার্যকর করে। তবে এরপরও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির প্রক্রিয়া ধীরগতিতে এগিয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত