টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ৫০টি জেলাকেই দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।
শনিবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে স্থানীয় সংস্থাগুলো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১১ দশমিক ৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে।
শহরের একটি খালের কাছে বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সী দোকানি সোমকিদ ফুয়েক-নগাম এএফপিকে বলেন, ‘পানি ক্রমেই বাড়ছে। এখন বাইরে বের হওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি প্রায় কোমরসমান হয়ে গেছে।’
তিনি জানান, গত দুই দিন ধরে দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে। নিয়মিতই এলাকায় পানি ওঠে, তবে এবারের পরিস্থিতি ২০১১ সালের বন্যার চেয়েও ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে প্রায় একটানা বৃষ্টি হওয়ায় ব্যাংককের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে শহরের খালগুলোর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক খালপাড়ের বাড়ি ও রেস্তোরাঁয় পানি ঢুকে পড়েছে। এএফপির সাংবাদিকরা সরেজমিনে এসব পরিস্থিতি দেখতে পেয়েছেন।
গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানান, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প চালানো হচ্ছে, কিন্তু খালগুলো পানিতে পূর্ণ হয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা খালের কাছাকাছি বসবাস করেন, তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বর্তমানে সব খালই পানিতে পূর্ণ।’ এ অবস্থায় বাসিন্দাদের গাড়ি উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল শয্যাশায়ী রোগীদেরও সাময়িকভাবে হাসপাতালে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন গভর্নর।
২০১১ সালে থাইল্যান্ডজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং লাখ লাখ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, পুরো শহরকে দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা
বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, পুরো শহরকে দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা
টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ৫০টি জেলাকেই দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। শনিবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে স্থানীয় সংস্থাগুলো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১১ দশমিক ৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে। শহরের একটি খালের কাছে বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সী দোকানি সোমকিদ ফুয়েক-নগাম এএফপিকে বলেন, ‘পানি ক্রমেই বাড়ছে। এখন বাইরে বের হওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি প্রায় কোমরসমান হয়ে গেছে।’ তিনি জানান, গত দুই দিন
ধরে দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে। নিয়মিতই এলাকায় পানি ওঠে, তবে এবারের পরিস্থিতি ২০১১ সালের বন্যার চেয়েও ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে প্রায় একটানা বৃষ্টি হওয়ায় ব্যাংককের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে শহরের খালগুলোর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক খালপাড়ের বাড়ি ও রেস্তোরাঁয় পানি ঢুকে পড়েছে। এএফপির সাংবাদিকরা সরেজমিনে এসব পরিস্থিতি দেখতে পেয়েছেন। গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানান, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি অব্যাহত
রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প চালানো হচ্ছে, কিন্তু খালগুলো পানিতে পূর্ণ হয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা খালের কাছাকাছি বসবাস করেন, তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বর্তমানে সব খালই পানিতে পূর্ণ।’ এ অবস্থায় বাসিন্দাদের গাড়ি উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল শয্যাশায়ী রোগীদেরও সাময়িকভাবে হাসপাতালে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন গভর্নর। ২০১১ সালে থাইল্যান্ডজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং লাখ লাখ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত