স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে প্রতিরোধ গড়ে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পান। ১৭১তম বল খেলে এই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছানোর পর হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে নিজের কীর্তি উদযাপন করেন এই ব্যাটার। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে তার সংগ্রহ ছিল ১৭১ বলে ১০০ রান, যেখানে ১১টি চারের সঙ্গে ছিল ১টি ছক্কার মার।
মিরপুর টেস্টে বাজেভাবে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়ার পর সিলেটে দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে একই চিত্র দেখা যায়। আগের দিন ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ দলের শুরুটা ভালো হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মুশফিকুর রহিম শুরুতেই ফিরে গেলে হৃদয়ের সঙ্গে তার ৭৩ রানের জুটি ভেঙে যায়। এরপর ক্রিজে আসা অন্য ব্যাটাররাও দলের বিপদ কাটাতে ব্যর্থ হন এবং দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিক দল।
মুশফিক ব্যক্তিগত ৩৪ রান করে জিমেল ওয়ারিকানের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান। আগ্রাসী শুরু করলেও লিটন দাসও বেশিদূর এগোতে পারেননি এবং একইভাবে কাভারে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৬ রান করে রোস্টন চেজের শিকার হন এবং হাসান মাহমুদও দ্রুত রান আউট বা ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল বড় বিপদের মুখে পড়ে।
দলের চরম বিপর্যয়ের মুখেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। তার দৃঢ়তায় ভর করে বাংলাদেশ দল দুইশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয়। বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২০৫ রান, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের স্কোরের তুলনায় এখনও ১৫১ রান পিছিয়ে রয়েছে। হৃদয়ের সঙ্গে ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন ১ রান করা তাইজুল ইসলাম।
চলমান সিরিজে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝে তাওহীদের এই শতরান ইনিংসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের হতাশা থাকলেও অন্যদিকে এই তরুণ ব্যাটারের দায়িত্বশীল ইনিংস স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ম্যাচের বাকি সময়ে ইতিবাচক ফল পেতে হলে অন্যান্য ব্যাটারদেরও কার্যকর অবদান রাখতে হবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা করছেন।
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের প্রথম সেঞ্চুরি
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের প্রথম সেঞ্চুরি
স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে প্রতিরোধ গড়ে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পান। ১৭১তম বল খেলে এই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছানোর পর হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে নিজের কীর্তি উদযাপন করেন এই ব্যাটার। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে তার সংগ্রহ ছিল ১৭১ বলে ১০০ রান, যেখানে ১১টি চারের সঙ্গে ছিল ১টি ছক্কার মার।মিরপুর টেস্টে বাজেভাবে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়ার পর সিলেটে দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে একই চিত্র দেখা যায়। আগের দিন ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ দলের শুরুটা ভালো হলেও তা
বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মুশফিকুর রহিম শুরুতেই ফিরে গেলে হৃদয়ের সঙ্গে তার ৭৩ রানের জুটি ভেঙে যায়। এরপর ক্রিজে আসা অন্য ব্যাটাররাও দলের বিপদ কাটাতে ব্যর্থ হন এবং দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিক দল।মুশফিক ব্যক্তিগত ৩৪ রান করে জিমেল ওয়ারিকানের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান। আগ্রাসী শুরু করলেও লিটন দাসও বেশিদূর এগোতে পারেননি এবং একইভাবে কাভারে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৬ রান করে রোস্টন চেজের শিকার হন এবং হাসান মাহমুদও দ্রুত রান আউট বা ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল বড় বিপদের মুখে পড়ে।দলের চরম বিপর্যয়ের মুখেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ
লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। তার দৃঢ়তায় ভর করে বাংলাদেশ দল দুইশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয়। বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২০৫ রান, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের স্কোরের তুলনায় এখনও ১৫১ রান পিছিয়ে রয়েছে। হৃদয়ের সঙ্গে ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন ১ রান করা তাইজুল ইসলাম।চলমান সিরিজে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝে তাওহীদের এই শতরান ইনিংসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের হতাশা থাকলেও অন্যদিকে এই তরুণ ব্যাটারের দায়িত্বশীল ইনিংস স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ম্যাচের বাকি সময়ে ইতিবাচক ফল পেতে হলে অন্যান্য ব্যাটারদেরও কার্যকর অবদান রাখতে হবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা করছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত