এল নিনোর প্রভাবে মধ্য আমেরিকা জুড়ে তীব্র খরা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে।
খরার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পানামা খালের পানির স্তর কমে যাওয়ায় জাহাজ চলাচলও কমিয়ে দিতে হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মঙ্গলবার পানামা এল নিনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিনোস্কা মোন্তালভো বলেছেন, এর মাধ্যমে এল নিনোর কারণে সামনে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে, এল সালভাদর সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে আবহাওয়াজনিত ও কৃষি খরার কারণে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বাতাসের গতিপথ ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। ফলে কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও দীর্ঘস্থায়ী খরা ও অস্বাভাবিক গরম দেখা দিতে পারে।
চলতি বছর এল নিনোর প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় সবচেয়ে তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রাও আরও বাড়ছে। চলতি বছর বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে পারে বলেও পূর্বাভাস রয়েছে।
মধ্য আমেরিকায় খরার পরিস্থিতি ইতোমধ্যে ভয়াবহ আকার নিয়েছে। হন্ডুরাস তার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকাকে সতর্কতার আওতায় এনেছে। অন্যদিকে পানামা খালের পানির স্তর কমে যাওয়ায় সেখানে জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
এল সালভাদরে সাধারণত বছরের এই সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়। কিন্তু এবার বৃষ্টির ঘাটতির কারণে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয় সেচব্যবস্থা নেই—এমন গ্রামীণ পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এল সালভাদরের কয়েকটি পৌরসভা ‘সেন্ট্রাল আমেরিকান ড্রাই করিডোর’-এর মধ্যে পড়েছে। মধ্য আমেরিকার এই শুষ্ক অঞ্চলটি হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ার কিছু অংশজুড়েও বিস্তৃত। অঞ্চলটি খরা ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধিও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়া—তিন দেশেই জুন ও জুলাই মাসে মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে।
শুধু আগস্ট মাসেই এল সালভাদরে ১৪টি তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে।
এর প্রভাব খাদ্য উৎপাদনেও পড়ছে। ফসল নষ্ট হওয়ায় মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বাড়ছে।
মধ্য আমেরিকার বাইরে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতেও এল নিনোর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। সেখানে অতিরিক্ত গরম ও ভারী বৃষ্টির কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এল নিনোর প্রভাবে তীব্র খরা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে এল সালভাদর ও পানামা
এল নিনোর প্রভাবে তীব্র খরা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে এল সালভাদর ও পানামা
এল নিনোর প্রভাবে মধ্য আমেরিকা জুড়ে তীব্র খরা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। খরার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পানামা খালের পানির স্তর কমে যাওয়ায় জাহাজ চলাচলও কমিয়ে দিতে হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। মঙ্গলবার পানামা এল নিনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিনোস্কা মোন্তালভো বলেছেন, এর মাধ্যমে এল নিনোর কারণে সামনে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে। এদিকে, এল সালভাদর সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে আবহাওয়াজনিত ও কৃষি খরার কারণে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয়
মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বাতাসের গতিপথ ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। ফলে কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও দীর্ঘস্থায়ী খরা ও অস্বাভাবিক গরম দেখা দিতে পারে। চলতি বছর এল নিনোর প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় সবচেয়ে তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রাও আরও বাড়ছে। চলতি বছর বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে পারে বলেও পূর্বাভাস রয়েছে। মধ্য আমেরিকায় খরার পরিস্থিতি ইতোমধ্যে ভয়াবহ আকার নিয়েছে। হন্ডুরাস তার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকাকে সতর্কতার আওতায় এনেছে। অন্যদিকে পানামা খালের পানির স্তর কমে যাওয়ায় সেখানে জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়েছে। এল সালভাদরে সাধারণত বছরের এই সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়। কিন্তু এবার বৃষ্টির ঘাটতির কারণে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়
সেচব্যবস্থা নেই—এমন গ্রামীণ পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এল সালভাদরের কয়েকটি পৌরসভা ‘সেন্ট্রাল আমেরিকান ড্রাই করিডোর’-এর মধ্যে পড়েছে। মধ্য আমেরিকার এই শুষ্ক অঞ্চলটি হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ার কিছু অংশজুড়েও বিস্তৃত। অঞ্চলটি খরা ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়া—তিন দেশেই জুন ও জুলাই মাসে মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। শুধু আগস্ট মাসেই এল সালভাদরে ১৪টি তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। এর প্রভাব খাদ্য উৎপাদনেও পড়ছে। ফসল নষ্ট হওয়ায় মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বাড়ছে। মধ্য আমেরিকার বাইরে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতেও এল নিনোর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। সেখানে অতিরিক্ত গরম ও ভারী বৃষ্টির কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত