সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়
আন্তর্জাতিক ফের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা রাশিয়ার

ফের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা রাশিয়ার

ইউক্রেন-রাশিয়ার চলমান লড়াইয়ের মধ্যে আরেক দফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে মস্কো। জানা গেছে, মঙ্গলবারের (৮ মার্চ) জন্য এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাশিয়ার এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ফলে বেসামরিক লোকদের চাইলে নিজেদের পছন্দমত জায়গায় সরিয়ে নিতে পারবে ইউক্রেন।

রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া জানিয়েছেন, মস্কোর সময় মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। একই সঙ্গে মানবিক করিডোর চালু করার কারণে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ, চেরনিগভ, সুমি এবং মারিউপোল থেকে বেসামরিক লোকদের সরানো যাবে।

এর আগে মানবিক করিডোর চালু করে রাশিয়া বা বেলারুশ সীমান্তে বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য রাশিয়ার প্রস্তাব ‘সম্পূর্ণ অনৈতিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একজন মুখপাত্র বলেন, ইউক্রেনের নাগরিকদের নিজ ভূখণ্ড দিয়ে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত।

ইউক্রেনে হামলার প্রায় দুই সপ্তাহ পর চারটি শহরে সোমবার (৭ মার্চ) সাময়িক অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করে রাশিয়া। একই সঙ্গে এসব শহরে মানবিক করিডোর চালু করারও ঘোষণা দেওয়া হয়। এই চারটি শহর হলো রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ, মারিউপোল ও সুমি।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশের পর স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে স্থল, আকাশ ও জলপথে ইউক্রেনে হামলা শুরু করেন রাশিয়ার সেনারা। উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিক থেকে, এমনকি বেলারুশ থেকেও হামলা চালানো শুরু হয়। ধীরে ধীরে রাজধানী কিয়েভের দিকে অগ্রসর হয় রুশ সেনারা। ইউক্রেনের সেনাদের সঙ্গে শুরু হয় তীব্র লড়াই। এরপর ১৩তম দিনে গড়ালো ইউক্রেন-রাশিয়ার সংঘাত।

খুঁজুন