সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক হিজবুল্লাহর ভয়ে লেবানন ছাড়ছে ইসরায়েলিরা

হিজবুল্লাহর ভয়ে লেবানন ছাড়ছে ইসরায়েলিরা

হিজবুল্লাহর হামলার ভয়ে লেবানন সীমান্তবর্তী শহর ও বসতির ইসরায়েলিরা নজিরবিহীনভাবে দক্ষিণাঞ্চলের দিকে পালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ খবর দিয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল-মায়াদিন নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, আল-জালিল-আল-আলা অঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সদর দফতর পর্যন্ত সমস্ত শহর ও উপ-শহর হিজবুল্লাহর হামলার আশঙ্কায় খালি হয়ে গেছে। অসংখ্য ইসরায়েলি দক্ষিণের দিকে পালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি অবস্থানে হিজবুল্লাহর হামলার শুরু থেকেই লেবানন সীমান্তের দখলদার বাসিন্দারা বাসা-বাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু আল-জালিল এলাকার সব শহর খালি করে এভাবে পলায়নের ঘটনা নজিরবিহীন। গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলার জবাবে লেবাননের হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এ পর্যন্ত ২৮ হাজারের মতো ইহুদি তাদের বসতি ছেড়ে পালিয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গত ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় পাশবিক বিমান হামলা শুরু করার পর ৮ অক্টোবর থেকেই উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহ আলাদা আলাদা বিবৃতিতে এসব হামলার কথা জানায়। ইসরায়েলের ‘মেটুল্লা’ সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন দু’টি মারকাভা ট্যাংকের ওপর গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রথম হামলাটি চালানো হয়। এ আক্রমণে ট্যাংকে থাকা ইসরায়েলি সেনারা হতাহত হয়েছে।

অধিকৃত লেবাননের তারবিখা শহরে ইসরায়েলের একটি পদাতিক বাহিনীর ওপর দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয়। এ হামলায়ও একাধিক ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের আরও কয়েকটি অবস্থানে বৃহস্পতিবার হামলা চালায় লেবাননের হিজবুল্লাহ।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ইসরায়েলের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালায়। সেদিন থেকেই ইসরায়েলের বিমানবাহিনী গাজায় ভয়াবহ রক্তাক্ত অভিযান শুরু করে যা এখন পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলছে।

ইসরায়েলে সামরিক অভিযানের বিষয়ে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের মুখপাত্র খালেদ কাদোমি বলেন, ‘দশকের পর দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো নৃশংসতার জবাবে এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আমরা চাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর এবং আমাদের পবিত্র স্থাপনা আল-আকসায় ইসরায়েলি নৃশংসতা বন্ধে উদ্যোগ নেবে। এগুলোই হামাসের এই অভিযানের কারণ।’

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১০,৮১২ জনে দাঁড়িয়েছে। যাদের মধ্যে ৪,৪১২ জন শিশু ও ২,৯১৮ জন নারী রয়েছেন। গাজা উপত্যকার ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে অন্তত ১৫ লাখ বেসামরিক লোক হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনারা গাজার পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ যুদ্ধ হচ্ছে।

 সূত্র : আল-জাজিরা, প্রেস টিভি, আল-মায়াদিন

খুঁজুন