সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক ইরান শান্তি চায়, কিন্তু চাপে নতি স্বীকার করবে না

ইরান শান্তি চায়, কিন্তু চাপে নতি স্বীকার করবে না

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান শান্তি চায়, তবে চাপ বা হুমকির মুখে তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বাদ দেবে না। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পেজেশকিয়ান বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক কাঠামোর মধ্যে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। কিন্তু যদি তারা বলে যে তোমরা পারমাণবিক বিজ্ঞান রাখতে পারবে না, কিংবা আত্মরক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র বানাতে পারবে না, নইলে বোমা মারবো; তাহলে এমন আলোচনার কোনও অর্থ নেই।

তার এই বক্তব্যের একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ইরান এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

পেজেশকিয়ান বলেন, আমরা এই পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বাঁচতে চাই, কিন্তু অপমানিত হতে রাজি নই। তারা যা চায়, তা আমাদের ওপর চাপিয়ে দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, তারা ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করে আর আমাদের বলে আত্মরক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র রাখা যাবে না। তারপর যখন খুশি আমাদের ওপর বোমা ফেলবে। এটা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?

তেহরান আগেও বারবার জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষামূলক সামর্থ্য নিয়ে কোনও আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার অন্তর্ভুক্ত।

চলতি বছরের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাঁচ দফা পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। ওই সময় মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে দেখে আসছে। তবে তেহরান বলছে, তাদের দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কেবল প্রতিরোধমূলক ও প্রতিশোধমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করে। যা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও অন্য কোনও সম্ভাব্য আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার মাধ্যম।

খুঁজুন