মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং জব্দ করা অর্থ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার খবর সোমবার অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, ইরানকে এমন কোনো প্রস্তাব তিনি দেননি। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে তিনি বলেন, ‘অ্যাক্সিওস এইমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে ‘ট্রাম্প’ ইরানকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং জব্দ অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটি সত্য নয়। আমি তাদের কিছুই প্রস্তাব করিনি!’
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইরান পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিলে তার বিনিময়ে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং দেশটির জব্দ করা অর্থ ছাড় দিতে ট্রাম্প প্রস্তুত।’ প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করা কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করা হয়।
৮০ বছর বয়সী রিপাবলিকান ট্রাম্প প্রতিবেদনটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমটিকে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার নিউইয়র্কে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ সোমবার জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আর কোনো সরাসরি বৈঠক নির্ধারিত নেই।
শনিবার তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন।
তবে রোববার অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দুই পক্ষের আলোচনা আবার শুরু হবে বলে তিনি আশা করছেন।
এই সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। সরু এই জলপথ দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর যুদ্ধ শুরু হলে তেহরান কার্যত এই নৌপথ অবরুদ্ধ করে দেয়।
যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। একই সময়ে জাতীয় জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কায় তার দল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও জব্দ অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব
ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও জব্দ অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং জব্দ করা অর্থ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার খবর সোমবার অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, ইরানকে এমন কোনো প্রস্তাব তিনি দেননি। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে তিনি বলেন, ‘অ্যাক্সিওস এইমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে ‘ট্রাম্প’ ইরানকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং জব্দ অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটি সত্য নয়। আমি তাদের কিছুই প্রস্তাব করিনি!’ অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইরান পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিলে তার বিনিময়ে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং দেশটির জব্দ করা অর্থ ছাড় দিতে
ট্রাম্প প্রস্তুত।’ প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করা কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করা হয়। ৮০ বছর বয়সী রিপাবলিকান ট্রাম্প প্রতিবেদনটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমটিকে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার নিউইয়র্কে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ সোমবার জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আর কোনো সরাসরি বৈঠক নির্ধারিত নেই। শনিবার তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। তবে রোববার অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন,
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দুই পক্ষের আলোচনা আবার শুরু হবে বলে তিনি আশা করছেন। এই সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। সরু এই জলপথ দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর যুদ্ধ শুরু হলে তেহরান কার্যত এই নৌপথ অবরুদ্ধ করে দেয়। যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। একই সময়ে জাতীয় জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কায় তার দল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত