আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কলকাতার নিউ মার্কেটে অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত শেষে শিগগিরই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিতে যাচ্ছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল বা এসআইটি আগামী সপ্তাহে এই চার্জশিট পেশ করতে পারে বলে জানা গেছে। গত ১৯ আগস্ট মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই পাঁচতলা হোটেলটিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্ঘটনায় আটজন অতিথি ও একজন হোটেলকর্মীসহ মোট নয়জন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির তৃতীয় তলায় অবস্থিত একটি বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সেখানে থাকা অত্যন্ত পুরনো এবং ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক তারের কারণে আগুন মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, হোটেলের ভেতরে থাকা বিভিন্ন দাহ্য উপকরণ ও সাজসজ্জার সামগ্রী আগুন দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করেছে। এর ফলে প্রচণ্ড ঘন ও বিষাক্ত ধোঁয়ার সৃষ্টি হয় যা ভবনের পাঁচটি কক্ষে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর নিউ মার্কেট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ যে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছে তাতে হোটেলটি ইজারা নিয়ে পরিচালনা করা আবু জাফরকে প্রধান আসামি করা হতে পারে। ইতিমধ্যে গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিযুক্ত জাফরের স্ত্রী সাবা জাফর। এছাড়া এই অগ্নিকাণ্ডের দায়ে হোটেলের মূল মালিক বীরেশ্বর রায়কেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে।
কলকাতায় হোটেলে আগুন: ‘ইজারাদার জাফর হচ্ছেন প্রধান আসামি’
কলকাতায় হোটেলে আগুন: ‘ইজারাদার জাফর হচ্ছেন প্রধান আসামি’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কলকাতার নিউ মার্কেটে অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত শেষে শিগগিরই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিতে যাচ্ছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল বা এসআইটি আগামী সপ্তাহে এই চার্জশিট পেশ করতে পারে বলে জানা গেছে। গত ১৯ আগস্ট মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই পাঁচতলা হোটেলটিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্ঘটনায় আটজন অতিথি ও একজন হোটেলকর্মীসহ মোট নয়জন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ
কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির তৃতীয় তলায় অবস্থিত একটি বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সেখানে থাকা অত্যন্ত পুরনো এবং ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক তারের কারণে আগুন মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, হোটেলের ভেতরে থাকা বিভিন্ন দাহ্য উপকরণ ও সাজসজ্জার সামগ্রী আগুন দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করেছে। এর ফলে প্রচণ্ড ঘন ও বিষাক্ত ধোঁয়ার সৃষ্টি হয় যা
ভবনের পাঁচটি কক্ষে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর নিউ মার্কেট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছিল।সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ যে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছে তাতে হোটেলটি ইজারা নিয়ে পরিচালনা করা আবু জাফরকে প্রধান আসামি করা হতে পারে। ইতিমধ্যে গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিযুক্ত জাফরের স্ত্রী সাবা জাফর। এছাড়া এই অগ্নিকাণ্ডের দায়ে হোটেলের মূল মালিক বীরেশ্বর রায়কেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত