ক্রোয়েশিয়া-স্লোভেনিয়া সীমান্ত দিয়ে নদী পার হওয়ার সময় শুক্রবার পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ক্রোয়েশিয়ার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আরও পাঁচজন কুপা নদীতে ডুবে মারা যান। নদীটি ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেব থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার (৫৬ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের জাতীয়তা বা পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, দলটিতে প্রায় ২০ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৪ জন নদী পার হয়ে স্লোভেনিয়ার ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
পশ্চিম ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য বলকান অঞ্চলের এই পথটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্রোয়েশিয়া এই রুটের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট দেশ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই পথে ১২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা ৪২ শতাংশ কম।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে এই পথে যাত্রার সময় ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন।
ক্রোয়েশিয়া-স্লোভেনিয়া সীমান্তে নদী পার হতে গিয়ে ৫ জনের প্রাণহানি
ক্রোয়েশিয়া-স্লোভেনিয়া সীমান্তে নদী পার হতে গিয়ে ৫ জনের প্রাণহানি
ক্রোয়েশিয়া-স্লোভেনিয়া সীমান্ত দিয়ে নদী পার হওয়ার সময় শুক্রবার পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ক্রোয়েশিয়ার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আরও পাঁচজন কুপা নদীতে ডুবে মারা যান। নদীটি ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেব থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার (৫৬ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা অভিবাসী
বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের জাতীয়তা বা পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, দলটিতে প্রায় ২০ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৪ জন নদী পার হয়ে স্লোভেনিয়ার ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হন। পশ্চিম ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য বলকান অঞ্চলের এই পথটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্রোয়েশিয়া
এই রুটের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট দেশ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই পথে ১২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা ৪২ শতাংশ কম। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে এই পথে যাত্রার সময় ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত