অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোম্পানির অগ্রাধিকার শেয়ারে বিনিয়োগ করা প্রবাসীদের জন্য লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাম্প্রতিক এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনিবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে কোনো ধরনের পূর্বানুমোদন ছাড়াই এই লভ্যাংশ ও অবসায়নের অর্থ দেশের বাইরে পাঠাতে পারবেন। তবে মূল বিনিয়োগের অর্থ যে ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে এসেছিল, লভ্যাংশ ও শেয়ার অবসায়নের অর্থও ঠিক সেই একই অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
নতুন এই নির্দেশনার আওতায়, ব্যাংক ও দেশ থেকে মূল বিনিয়োগ আসার সঙ্গে লভ্যাংশ ও বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার সময়কার ঠিকানা একই কি না, তা যাচাই করার জন্য ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে। অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের কাছে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে অগ্রাধিকার শেয়ার বিক্রি করা যাবে। এই শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে যে, লেনদেনটি অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে সম্পন্ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ার পরবর্তী সময়ে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই রূপান্তরের পর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে তাদের অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিষয়টি অবহিত করতে হবে। এছাড়া, অবসায়নের প্রতিটি কিস্তির অর্থ পাঠানোর পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট নথিপত্রসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রবাসীদের জন্য লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ারের বিপরীতে দেওয়া লভ্যাংশ কখনোই শেয়ারের অভিহিত মূল্যের বা ফেস ভ্যালুর পাঁচ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এর মানে দাঁড়ায়, দশ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে সর্বোচ্চ পঞ্চাশ পয়সা পর্যন্ত লভ্যাংশ প্রদান করা যাবে।
এ ছাড়া সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অগ্রাধিকার শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শেয়ারে পুনর্বিনিয়োগ করা যাবে। তবে এই ধরনের পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের ন্যায্য মূল্য বা ফেয়ার ভ্যালু কত, তা যথাযথভাবে বিবেচনা করতে হবে। এই নীতিমালা প্রবাসীদের জন্য বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ নিতে আগাম অনুমতি লাগবে না প্রবাসীদের
অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ নিতে আগাম অনুমতি লাগবে না প্রবাসীদের
অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোম্পানির অগ্রাধিকার শেয়ারে বিনিয়োগ করা প্রবাসীদের জন্য লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাম্প্রতিক এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনিবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে কোনো ধরনের পূর্বানুমোদন ছাড়াই এই লভ্যাংশ ও অবসায়নের অর্থ দেশের বাইরে পাঠাতে পারবেন। তবে মূল বিনিয়োগের অর্থ যে ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে এসেছিল, লভ্যাংশ ও শেয়ার অবসায়নের অর্থও ঠিক সেই একই অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।নতুন এই নির্দেশনার আওতায়, ব্যাংক ও দেশ থেকে মূল বিনিয়োগ আসার সঙ্গে লভ্যাংশ ও বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার সময়কার ঠিকানা একই কি না, তা যাচাই করার জন্য ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে। অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে
প্রবাসীদের কাছে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে অগ্রাধিকার শেয়ার বিক্রি করা যাবে। এই শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে যে, লেনদেনটি অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে সম্পন্ন করতে হবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ার পরবর্তী সময়ে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই রূপান্তরের পর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে তাদের অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিষয়টি অবহিত করতে হবে। এছাড়া, অবসায়নের প্রতিটি কিস্তির অর্থ পাঠানোর পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট নথিপত্রসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।প্রবাসীদের জন্য লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন
নিয়ম অনুযায়ী, অগ্রাধিকার শেয়ারের বিপরীতে দেওয়া লভ্যাংশ কখনোই শেয়ারের অভিহিত মূল্যের বা ফেস ভ্যালুর পাঁচ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এর মানে দাঁড়ায়, দশ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে সর্বোচ্চ পঞ্চাশ পয়সা পর্যন্ত লভ্যাংশ প্রদান করা যাবে।এ ছাড়া সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অগ্রাধিকার শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শেয়ারে পুনর্বিনিয়োগ করা যাবে। তবে এই ধরনের পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের ন্যায্য মূল্য বা ফেয়ার ভ্যালু কত, তা যথাযথভাবে বিবেচনা করতে হবে। এই নীতিমালা প্রবাসীদের জন্য বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত