ঝালকাঠির রাজাপুরের সোহাগ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট ও চিকিৎসার কারণে জমজ নবজাতকের মৃত্যু এবং আরেক নবজাতক ও প্রসূতির জীবন সংকটাপন্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নবজাতকের পিতা মো. উজ্জল খান (উত্তর বাগড়ি গ্রাম) বুধবার দুপুরে রাজাপুর থানায় ক্লিনিকের মালিক আহসান হাবিব সোহাগসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) জমজ নবজাতকের একজন মারা যায়। বর্তমানে অপর নবজাতক ও মা নুপুর খাতুন (২৯) আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ৭ জুলাই গর্ভবতী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে নুপুর খাতুনকে প্রথমবার সোহাগ ক্লিনিকে নেওয়া হয়। তখন এমএইচ নাঈম নামের একজন আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে জানান গর্ভস্থ শিশু উল্টো অবস্থানে রয়েছে এবং কিছু ওষুধ দিয়ে রোগীকে বাড়ি পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট পুনরায় একই ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে চিকিৎসক ডা. এম. ডি. এইচ শরীফ ভূঁইয়া বাচ্চার ওজন কম বলে উল্লেখ করেন। তিনিও ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
এরপর ৩ ও ৮ সেপ্টেম্বর নুপুর খাতুনের অবস্থা গুরুতর হলে চিকিৎসক ডা. ফরহানা আফরিন সারাহ রোগীকে ভর্তি করে সিজার করার পরামর্শ দেন। তাকে ইনজেকশন ও স্যালাইনসহ বিভিন্ন ওষুধ দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়। সেখানে ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জমজ সন্তানের জন্ম হয়। তবে রিপোর্টে জমজ সন্তানের কথা উল্লেখ ছিল না, বরং একজন শিশুর কথা বলা হয়েছিল।
অভিযোগকারীর দাবি, ভুল রিপোর্ট ও অব্যবস্থাপনার কারণেই নবজাতক মারা গেছে এবং আরেক নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাটি নিয়ে উজ্জল খান মালিক আহসান হাবিব সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং উল্টো গালাগালসহ হুমকি দেন। সোহাগ নাকি বলেন, “এই নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করলে বড় ক্ষতি হবে।” এতে পরিবার উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছে।
সোহাগ ক্লিনিকের মালিক আহসান হাবিব সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
চিকিৎসায় যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, সেটা চিকিৎসক বা স্টাফের ভুল হতে পারে। তদন্তে যা বের হবে তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৭ মাসে ডেলিভারি হওয়ায় শিশুর মৃত্যু হতে পারে, এখানে ক্লিনিকের কি দোষ?
তিনি আরও দাবি করেন, ভুক্তভোগী পরিবারকে পরদিন ডাক্তার উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা থানায় অভিযোগ করেছেন।
রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন,
অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) জমজ নবজাতকের একজন মারা যায়। বর্তমানে অপর নবজাতক ও মা নুপুর খাতুন (২৯) আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ৭ জুলাই গর্ভবতী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে নুপুর খাতুনকে প্রথমবার সোহাগ ক্লিনিকে নেওয়া হয়। তখন এমএইচ নাঈম নামের একজন আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে জানান গর্ভস্থ শিশু উল্টো অবস্থানে রয়েছে এবং কিছু ওষুধ দিয়ে রোগীকে বাড়ি পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট পুনরায় একই ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে চিকিৎসক ডা. এম. ডি. এইচ শরীফ ভূঁইয়া বাচ্চার ওজন কম বলে উল্লেখ করেন। তিনিও ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
এরপর ৩ ও ৮ সেপ্টেম্বর নুপুর খাতুনের অবস্থা গুরুতর হলে চিকিৎসক ডা. ফরহানা আফরিন সারাহ রোগীকে ভর্তি করে সিজার করার পরামর্শ দেন। তাকে ইনজেকশন ও স্যালাইনসহ বিভিন্ন ওষুধ দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়। সেখানে ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জমজ সন্তানের জন্ম হয়। তবে রিপোর্টে জমজ সন্তানের কথা উল্লেখ ছিল না, বরং একজন শিশুর কথা বলা হয়েছিল।
অভিযোগকারীর দাবি, ভুল রিপোর্ট ও অব্যবস্থাপনার কারণেই নবজাতক মারা গেছে এবং আরেক নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাটি নিয়ে উজ্জল খান মালিক আহসান হাবিব সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং উল্টো গালাগালসহ হুমকি দেন। সোহাগ নাকি বলেন, “এই নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করলে বড় ক্ষতি হবে।” এতে পরিবার উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছে।
সোহাগ ক্লিনিকের মালিক আহসান হাবিব সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
চিকিৎসায় যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, সেটা চিকিৎসক বা স্টাফের ভুল হতে পারে। তদন্তে যা বের হবে তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৭ মাসে ডেলিভারি হওয়ায় শিশুর মৃত্যু হতে পারে, এখানে ক্লিনিকের কি দোষ?
তিনি আরও দাবি করেন, ভুক্তভোগী পরিবারকে পরদিন ডাক্তার উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা থানায় অভিযোগ করেছেন।
রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন,
অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।