মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা
দেশের খবর গজারিয়ায় পাওনা টাকার বিরোধ ও মানহানির শঙ্কা থেকেই তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যা

গজারিয়ায় পাওনা টাকার বিরোধ ও মানহানির শঙ্কা থেকেই তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যা

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় হালিমা আক্তার (১৯) নামের তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন হয়েছে। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ও মানহানির আশঙ্কায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

এ ​ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আল আমিন প্রধান (৫০)। তারা সবাই গজারিয়ার বড় ভাটেরচর এলাকার বাসিন্দা।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম হালিমা অভিযুক্ত আবু কালামের কাছে ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেলের কাছে ১০ হাজার টাকা পেতেন। এছাড়াও অভিযুক্ত জামালের সাথে হালিমার শারীরিক সম্পর্ক ছিল। তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জামালের এক আত্মীয় দেখে ফেলেছিলেন। এই বিষয়টি ফাঁস হয়ে এলাকায় সামাজিক সম্মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অভিযুক্তরা হালিমাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। ​

রোববার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসমা আরা জাহান জানান, ঘটনার ১৫ দিন আগেই অভিযুক্তরা হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে হালিমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় কৌশলে হালিমাকে বড় ভাটেরচর নদীর তীরে ডেকে আনা হয়। 

পরে নৌকায় করে নদীর ওপারে ভুট্টা ক্ষেতের মাঝখানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে হালিমার পরনের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। আসামিরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

এই নরপশুদের এমন দৃষ্টান্তমূলক এবং কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হোক, যা দেখে  অপরাধীর বুক কেঁপে ওঠে! গজারিয়ার মাটিতে যেন আর কোনো নরপশু জন্ম নেওয়ার সাহস না পায়। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুততম সময়ে ফাঁসির দাবি জানাই!

খুঁজুন