শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
রাজনীতি সিপাহীরা জিয়াউর রহমানকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন: শাহাদাত

সিপাহীরা জিয়াউর রহমানকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন: শাহাদাত

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতারা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দিবসটির বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এ সময় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাহাদাত হোসেন জানান, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহীরাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ব্যারাক থেকে বের করে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই বিপ্লব উদ্যান থেকেই জিয়াউর রহমান ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে বিদ্রোহ ঘোষণা করে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি দেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করেন। একজন দেশপ্রেমিক সৈনিক হিসেবে যুদ্ধ শেষে তিনি প্রথমে ব্যারাকে ফিরে গেলেও ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের ঘটনার মাধ্যমে তিনি জনতার কাতারে আসেন এবং পরবর্তীতে দেশের প্রেসিডেন্ট হন।

বিএনপি নেতার মতে, সিপাহি-জনতার ঐক্যের মাধ্যমেই সেদিন দেশে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রকৃত অভ্যুদয় ঘটেছিল। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফলে বাংলাদেশ রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার শাসনামলে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে তিনি কৃষি, তৈরি পোশাক খাত এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অর্থনৈতিক ধারার সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন।

বর্তমান সময়ে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, তারেক রহমান শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতার ওপর জোর দিয়ে নিয়মিত দীর্ঘ সময় ধরে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এই আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। দিবসটি পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি একটি রক্তদান কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়।

খুঁজুন