তামাক চাষের পরিবর্তে কৃষকদের লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ফসল চাষে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ।
আজ বুধবার সকালে বান্দরবানের থানচি উপজেলার মেঘবর্তী রিসোর্ট সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আয়োজিত সচেতনতামূলক ও অ্যাডভোকেসি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তামাক চাষের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা কমার পাশাপাশি মাটি, পানি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে পারে।
পাহাড়ি এলাকায় খাদ্যশস্যের পরিবর্তে তামাক চাষ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তামাক চাষের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কৃষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিএইচইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের জেপিও (মনিটরিং ও রিপোর্টিং) কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আজীম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের উপজেলা মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গোমেস।
সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অংবাইন মারমা, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অংথোয়াইচিং মারমা, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো, তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্য চন্দ্র ত্রিপুরা, পিএইচইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ সহায়ক সাইন থোয়াই গ্য চাক ও মিখায়েল ত্রিপুরা।
সভায় তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে কৃষকদের বিকল্প জীবিকা ও পরিবেশবান্ধব ফসল উৎপাদনে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, স্থানীয় সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
তামাক চাষের পরিবর্তে লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ফসল চাষের আহ্বান
তামাক চাষের পরিবর্তে লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ফসল চাষের আহ্বান
তামাক চাষের পরিবর্তে কৃষকদের লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ফসল চাষে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ। আজ বুধবার সকালে বান্দরবানের থানচি উপজেলার মেঘবর্তী রিসোর্ট সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আয়োজিত সচেতনতামূলক ও অ্যাডভোকেসি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তামাক চাষের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা কমার পাশাপাশি মাটি, পানি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে
যুক্ত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে পারে। পাহাড়ি এলাকায় খাদ্যশস্যের পরিবর্তে তামাক চাষ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তামাক চাষের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কৃষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিএইচইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের জেপিও (মনিটরিং ও রিপোর্টিং) কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আজীম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের উপজেলা মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গোমেস। সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অংবাইন মারমা,
উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অংথোয়াইচিং মারমা, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো, তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্য চন্দ্র ত্রিপুরা, পিএইচইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ সহায়ক সাইন থোয়াই গ্য চাক ও মিখায়েল ত্রিপুরা। সভায় তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে কৃষকদের বিকল্প জীবিকা ও পরিবেশবান্ধব ফসল উৎপাদনে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, স্থানীয় সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত