স্পোর্টস ডেস্ক: ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার জুড বেলিংহ্যাম এবং কোচ টমাস টুখেলের সম্পর্কের মধ্যকার অস্থিরতা ও টানাপোড়েন কাটিয়ে এখন একটি স্থিতিশীল ও ভালো অবস্থানে পৌঁছেছে। ফুটবলে খেলোয়াড় ও কোচের ব্যক্তিত্বের সংঘাত নতুন কিছু না হলেও, এই দুজনের ক্ষেত্রেও নানা সময়ে উষ্ণতা ও শীতলতার নানা অভিজ্ঞতা দেখা গেছে। সম্প্রতি নেশন্স লিগের দল ঘোষণার সময় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোচ নিজেই তাদের বর্তমান সম্পর্কের এই ইতিবাচক অবস্থার কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।
অতীতে বিভিন্ন সময়ে এই জুটির মধ্যে বিভেদের নানা শঙ্কা ও দূরত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল, যার মধ্যে গত বিশ্বকাপের কিছু ঘটনাও রয়েছে। এমনকি আগের একটি সময়ে বেলিংহ্যামের মায়ের কাছে কোচের কিছু মাঠের আচরণ ভালো না লাগায় টুখেলকে ক্ষমাও চাইতে হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সব দূরত্ব ঘুচে গেছে এবং কোচের অধীনে এই রেয়াল মাদ্রিদ তারকা এখন মাঠে ও দলের ক্যাম্পে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
কোচ টুখেলের ভাষ্যমতে, জুড বেলিংহ্যাম একজন শীর্ষমানের ও অত্যন্ত প্রভাববিস্তারী ফুটবলার এবং তাকে প্রশিক্ষণ দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। ক্যাম্পের ভেতরে জুডের আনন্দিত উপস্থিতি, দলের ভূমিকা নিয়ে তার সন্তুষ্টি এবং সম্পূর্ণ নিবেদনই প্রমাণ করে যে তাদের মধ্যকার সম্পর্ক এখন কতটা স্বাভাবিক ও সুন্দর।
এই দুইজনের সম্পর্কের বরফ গলানোর পেছনে জুডের ছোট ভাই জোব বেলিংহ্যামের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে বলে জানা গেছে। দুই ভাই একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন নিয়ে জুড কোচের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছিলেন এবং অবশেষে ক্রোয়েশিয়া ও স্পেনের বিপক্ষে আসন্ন নেশন্স লিগের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন জোব। এর মাধ্যমে ২০০৭ সালের পর এই প্রথম দুই সহোদর একসঙ্গে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
আসন্ন ম্যাচগুলোর আগে অতীতের সব তিক্ততা পেছনে ফেলে বেলিংহ্যাম ভাইয়েরা দেশের জার্সিতে নিজেদের সেরাটা দেবেন বলে আশাবাদী কোচ। দুই ভাইয়ের চেহারায় ও চলাফেরায় মিল থাকলেও তারা দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের খেলোয়াড় বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে বড় ভাইয়ের সঙ্গে ছোট ভাইয়ের তুলনা অনিবার্য হলেও জোব দলের খেলার ধরনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেবে বলে বিশ্বাস কোচের।
উত্থান-পতন পেরিয়ে বেলিংহ্যাম ও টুখেলের সম্পর্ক এখন ‘ভালো’
উত্থান-পতন পেরিয়ে বেলিংহ্যাম ও টুখেলের সম্পর্ক এখন ‘ভালো’
স্পোর্টস ডেস্ক: ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার জুড বেলিংহ্যাম এবং কোচ টমাস টুখেলের সম্পর্কের মধ্যকার অস্থিরতা ও টানাপোড়েন কাটিয়ে এখন একটি স্থিতিশীল ও ভালো অবস্থানে পৌঁছেছে। ফুটবলে খেলোয়াড় ও কোচের ব্যক্তিত্বের সংঘাত নতুন কিছু না হলেও, এই দুজনের ক্ষেত্রেও নানা সময়ে উষ্ণতা ও শীতলতার নানা অভিজ্ঞতা দেখা গেছে। সম্প্রতি নেশন্স লিগের দল ঘোষণার সময় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোচ নিজেই তাদের বর্তমান সম্পর্কের এই ইতিবাচক অবস্থার কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।অতীতে বিভিন্ন সময়ে এই জুটির মধ্যে বিভেদের নানা শঙ্কা ও দূরত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল, যার মধ্যে গত বিশ্বকাপের কিছু ঘটনাও রয়েছে। এমনকি আগের একটি সময়ে বেলিংহ্যামের মায়ের কাছে কোচের কিছু
মাঠের আচরণ ভালো না লাগায় টুখেলকে ক্ষমাও চাইতে হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সব দূরত্ব ঘুচে গেছে এবং কোচের অধীনে এই রেয়াল মাদ্রিদ তারকা এখন মাঠে ও দলের ক্যাম্পে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।কোচ টুখেলের ভাষ্যমতে, জুড বেলিংহ্যাম একজন শীর্ষমানের ও অত্যন্ত প্রভাববিস্তারী ফুটবলার এবং তাকে প্রশিক্ষণ দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। ক্যাম্পের ভেতরে জুডের আনন্দিত উপস্থিতি, দলের ভূমিকা নিয়ে তার সন্তুষ্টি এবং সম্পূর্ণ নিবেদনই প্রমাণ করে যে তাদের মধ্যকার সম্পর্ক এখন কতটা স্বাভাবিক ও সুন্দর।এই দুইজনের সম্পর্কের বরফ গলানোর পেছনে জুডের ছোট ভাই জোব বেলিংহ্যামের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে বলে জানা গেছে। দুই ভাই একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলার
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন নিয়ে জুড কোচের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছিলেন এবং অবশেষে ক্রোয়েশিয়া ও স্পেনের বিপক্ষে আসন্ন নেশন্স লিগের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন জোব। এর মাধ্যমে ২০০৭ সালের পর এই প্রথম দুই সহোদর একসঙ্গে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।আসন্ন ম্যাচগুলোর আগে অতীতের সব তিক্ততা পেছনে ফেলে বেলিংহ্যাম ভাইয়েরা দেশের জার্সিতে নিজেদের সেরাটা দেবেন বলে আশাবাদী কোচ। দুই ভাইয়ের চেহারায় ও চলাফেরায় মিল থাকলেও তারা দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের খেলোয়াড় বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে বড় ভাইয়ের সঙ্গে ছোট ভাইয়ের তুলনা অনিবার্য হলেও জোব দলের খেলার ধরনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেবে বলে বিশ্বাস কোচের।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত