মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা শুরুর আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ স্মিথের
জাতীয় ভোটের আগে-পরে ৭ দিন অপতথ্য মনিটর করবে ইসি

ভোটের আগে-পরে ৭ দিন অপতথ্য মনিটর করবে ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের সময় সাত দিনের জন্য আইনশৃংখলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল গঠন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অপতথ্যের প্রভাব ও এর বিস্তার রোধে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনী বা সংস্থাসমূহ নির্বাচন কমিশনে তথ্য ও প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করবে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সার্বিক আইনশৃংখলার পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক রাখার প্রতি গুরুত দিতে হবে।

সকল দল ও প্রার্থী যাতে নির্বিঘ্নে নিয়মানুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে তা নিশ্চিত করা। ভোটারগণ যাতে নিঃশঙ্কচিত্তে ও স্বস্তির সাথে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করা। ভোট কেন্দ্র ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নির্বাচনী সামগ্রী ও ব্যালট (পোস্টাল ব্যালটসহ) এর নিরবিচ্ছিন্ন পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গুজব ও অপতথ্যের বিস্তার রোধ এবং প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা। জাতি-ধর্ম-লিঙ্গ-গোত্র নির্বিশেষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পঙ্গু, আহত, বয়স্ক, অসুস্থ ও সন্তানসম্ভবাদের জন্য চলাচল ও ভোটাধিকার প্রয়োগে সহনীয় সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করা। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে স্থাপিত আইনশৃংখলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল:

কাঠামো: ‘নির্বাচন কমিশন, মন্ত্রনালয়, বিভাগ, বিটিআরসি ও সকল বাহিনী। সংস্থার প্রতিনিধির সমন্বয়ে এই সেল গঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে এই সেলের আকার হবে সীমিত যা ভোটের সময় ৭ দিনের জন্য (নির্বাচনের আগে ৪ দিন, ভোটের দিন ও ভোটের পরের ২ দিন) পূর্ণাঙ্গরূপে কাজ করবে।’

কার্যকাল: তফসিল ঘোষণার দিন হতে ভোটের পরবর্তী ২ দিন (১২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত)।

অপারেশনাল মোতায়েন: আইনশৃংখলা রক্ষায় বাহিনী সমূহের মোতায়েনের স্বরূপ।

সময়কাল: স্বাভাবিক (বর্তমানে চলমান) মোতায়েন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পরবর্তী ৭ দিন পর্যন্ত।

নির্বাচনকালীন মোতায়েন: আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল ছাড়া সকল বাহিনী ভোটের সময় ৫ দিন (নির্বাচন পূর্ব ৩ দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী ১ দিন) মোতায়েন থাকবে। আনসারদের জন্য উক্ত সময় হবে ৬ দিন (নির্বাচন পূর্ব ৪ দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী ১ দিন)। এই সময়কালের মোতায়েনের জন্য কমিশন প্রচলিত নিয়মে বাজেট বরাদ্দ করবে।

মোতায়েনের ধরণ: স্থায়ী মোতায়েন- কেন্দ্র অধিক্ষেত্রভিত্তিক (শুধুমাত্র ভোটের সময়কালে ৫ দিনের জন্য বিশেষ মোতায়েন)। স্থায়ী/অস্থায়ী চেক পোস্ট (তফসিল ঘোষণার পর থেকে সম্পূর্ণ সময়ের জন্য)।

মোবাইল মোতায়েন, টহল/ আভিযানিক দল (তফসিল ঘোষণার পর থেকে সম্পূর্ণ সময়ের জন্য)।

স্ট্রাইকিং ফোর্স (সম্পূর্ণ সময়; বিশেষ করে ভোটের দিন)।

সংরক্ষিত ফোর্স (তফসিল ঘোষণার পর থেকে সম্পূর্ণ সময়ের জন্য) এলাকা ভিত্তিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে।

সমন্বয় নির্দেশাবলী: সংশ্লিষ্ট কমিশন, মন্ত্রনালয়, বিভাগ ও সকল বাহিনী/সংস্থা থেকে একজন যোগ্য প্রতিনিধি ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সমন্বয় সেলের সাথে সমন্বয় করবেন।

অপতথ্যের প্রভাব ও এর বিস্তার রোধে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনী/ সংস্থাসমূহ নির্বাচন কমিশনে তথ্য ও প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করবে।

খুঁজুন