আমিনুল ইসলাম কাসেমী, ( শিক্ষক ও কলামিস্ট)
বড় সাহসিকতার পরিচয় দিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সবার আগে সকল আসনে প্রার্থী চুড়ান্ত। কোন লবিং নেই। টাকার খেলা এখানে নেই। নমিনেশন ফরম কিনতে কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন হয় না। সংগঠনকে কোটি কোটি টাকা দিতে হয় না। আবার কোটি টাকা খরচ করে স্হানীয় নেতাকর্মিদের ম্যানেজ করা লাগে না।
আপনারা একটু লক্ষ্য করে দেখেন, যারা ক্ষমতার চেয়ারে বসার জন্য হণ্যে হয়ে ঘুরছে তাদের কী অবস্হা? এখনো নির্বাচনী তাফশিল ঘোষনা হয় নি, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন সেটাও চুড়ান্ত নয়। ওদিকে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। আর নমিনেশন বাণিজ্য তো আছেই। কত শত হাজার কোটি টাকা বাণিজ্য হবে সেটা আল্লাহ মালুম।
আচ্ছা, আপনারা বলুন তো? একজন প্রার্থী শত কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়ে সে জনগণের কী খেদমত করবে? সে তো কোনদিন জনগণের পাশে দাঁড়াবেনা। বরং এই যে শত কোটি টাকা খরচ করেছে, এত টাকা ইনভেস্ট করেছে,এই টাকা কীভাবে সুদে আসলে উঠানো যায় সেই ধান্দায় থাকবে। এজন্য দেখেন, বিগত সরকারের আমলে এরকম নমিনেশন বাণিজ্য হয়েছিল, একদম ইউনিয়ন থেকে নিয়ে এমপি মন্ত্রী সবকিছু টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছিল। যার দরুণ তারা ক্ষমতার চেয়ারে বসে দেশকে পঙ্গু করে ফেলেছিল। দেশের টাকা পাচার করে বিদেশের মাটিতে বিশাল ব্যাংক ব্যালেন্স করেছিল তারা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একটি আদর্শ সংগঠন। যারা নীতির পরিবর্তন চায়। তারা মানুষের চরিত্র বদলাতে চায়। এজন্য তারা ময়দানে নেমেছে। সৎ যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দিচ্ছে তারা। কোন দুর্নীতিবাজ ঝণ খেলাফী খেয়ানতকারীকে কখনো তারা আশ্রয় দেয় না। যারা দেশের সম্পদকে আমানত মনে করে কাজ করতে পারবে, যারা কোন ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নিবেনা। এরকম মানুষদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তথা হাতপাখা মার্কার সংগঠন তারা কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ ইলেকশনে চমক দেখিয়েছেন, তাদের যতগুলো প্রার্থী বিজয় লাভ করে চেয়্যারম্যান হয়েছে, এর অধিকাংশ সততা ও দায়িত্বশীলতার কারণে স্বর্ণপদক পেয়েছেন। আশা করা যায়, আগামী সংসদ নির্বাচনে এমন সৎযোগ্য মানুষকে তারা নমিনেশন দিবে, এঁরা ক্ষমতায় গেলে দ্যুতি ছড়াবেন ইনশাআল্লাহ। এদের দ্বারা দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনবে।
এমনিভাবে প্রতিটি ইসলামী সংগঠন কিন্তু আদর্শের উপরে রয়েছে, জামাত, খেলাফত মজলিস, জমিয়ত সকলেই দুর্নীতিবাজদের বিদায় ঘন্টা বাজাতে চায়। এরা কেউ নমিনেশন বাণিজ্য চায় না। ফ্রেশ নির্ভেজাল মানুষ ক্ষমতায় আসুক এটা তাদেরও দাবী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মত ওসব সংগঠনগুলো এক অভিন্ন মতে ফ্রেশ রাজনীতি উপহার দিতে চায় এজাতিকে। যাতে এসমাজ থেকে অন্ধকার দুর হয়ে আলোকিত হতে পারে।
৩০০ আসনেই ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী চুড়ান্ত
৩০০ আসনেই ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী চুড়ান্ত
আমিনুল ইসলাম কাসেমী, ( শিক্ষক ও কলামিস্ট)বড় সাহসিকতার পরিচয় দিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সবার আগে সকল আসনে প্রার্থী চুড়ান্ত। কোন লবিং নেই। টাকার খেলা এখানে নেই। নমিনেশন ফরম কিনতে কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন হয় না। সংগঠনকে কোটি কোটি টাকা দিতে হয় না। আবার কোটি টাকা খরচ করে স্হানীয় নেতাকর্মিদের ম্যানেজ করা লাগে না। আপনারা একটু লক্ষ্য করে দেখেন, যারা ক্ষমতার চেয়ারে বসার জন্য হণ্যে হয়ে ঘুরছে তাদের কী অবস্হা? এখনো নির্বাচনী তাফশিল ঘোষনা হয় নি, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন সেটাও চুড়ান্ত নয়। ওদিকে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। আর নমিনেশন বাণিজ্য তো আছেই। কত শত হাজার কোটি টাকা বাণিজ্য হবে সেটা আল্লাহ মালুম। আচ্ছা, আপনারা বলুন তো? একজন প্রার্থী শত কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়ে সে জনগণের কী খেদমত করবে?
সে তো কোনদিন জনগণের পাশে দাঁড়াবেনা। বরং এই যে শত কোটি টাকা খরচ করেছে, এত টাকা ইনভেস্ট করেছে,এই টাকা কীভাবে সুদে আসলে উঠানো যায় সেই ধান্দায় থাকবে। এজন্য দেখেন, বিগত সরকারের আমলে এরকম নমিনেশন বাণিজ্য হয়েছিল, একদম ইউনিয়ন থেকে নিয়ে এমপি মন্ত্রী সবকিছু টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছিল। যার দরুণ তারা ক্ষমতার চেয়ারে বসে দেশকে পঙ্গু করে ফেলেছিল। দেশের টাকা পাচার করে বিদেশের মাটিতে বিশাল ব্যাংক ব্যালেন্স করেছিল তারা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একটি আদর্শ সংগঠন। যারা নীতির পরিবর্তন চায়। তারা মানুষের চরিত্র বদলাতে চায়। এজন্য তারা ময়দানে নেমেছে। সৎ যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দিচ্ছে তারা। কোন দুর্নীতিবাজ ঝণ খেলাফী খেয়ানতকারীকে কখনো তারা আশ্রয় দেয় না। যারা দেশের সম্পদকে আমানত মনে করে কাজ করতে পারবে, যারা কোন ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নিবেনা। এরকম মানুষদের প্রার্থী
হিসেবে ঘোষনা করছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তথা হাতপাখা মার্কার সংগঠন তারা কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ ইলেকশনে চমক দেখিয়েছেন, তাদের যতগুলো প্রার্থী বিজয় লাভ করে চেয়্যারম্যান হয়েছে, এর অধিকাংশ সততা ও দায়িত্বশীলতার কারণে স্বর্ণপদক পেয়েছেন। আশা করা যায়, আগামী সংসদ নির্বাচনে এমন সৎযোগ্য মানুষকে তারা নমিনেশন দিবে, এঁরা ক্ষমতায় গেলে দ্যুতি ছড়াবেন ইনশাআল্লাহ। এদের দ্বারা দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনবে। এমনিভাবে প্রতিটি ইসলামী সংগঠন কিন্তু আদর্শের উপরে রয়েছে, জামাত, খেলাফত মজলিস, জমিয়ত সকলেই দুর্নীতিবাজদের বিদায় ঘন্টা বাজাতে চায়। এরা কেউ নমিনেশন বাণিজ্য চায় না। ফ্রেশ নির্ভেজাল মানুষ ক্ষমতায় আসুক এটা তাদেরও দাবী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মত ওসব সংগঠনগুলো এক অভিন্ন মতে ফ্রেশ রাজনীতি উপহার দিতে চায় এজাতিকে। যাতে এসমাজ থেকে অন্ধকার দুর হয়ে আলোকিত হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত