প্রায় তিন মাস বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর ধীরে ধীরে আবারও অনলাইন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ইরান। দীর্ঘ ৮৮ দিনের নজিরবিহীন ব্ল্যাকআউটের পর আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পরিষেবা পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নির্দেশে আন্তর্জাতিক সংযোগ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে সংযোগ ফিরলেও তা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়; অনেক এলাকায় ধীরগতির নেটওয়ার্ক ও সীমিত প্রবেশাধিকার নিয়ে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দীর্ঘ এই ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ইনস্টাগ্রাম বা টেলিগ্রামভিত্তিক অনলাইন ব্যবসা প্রায় স্থবির হয়ে যাওয়ায় অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়ে ঋণগ্রস্ত হয়েছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকসসহ বিভিন্ন পর্যবেক্ষক জানিয়েছে, সংযোগ ফিরলেও সেটি ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে। অনেক অঞ্চলে আগের মতো পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে কয়েক দিন বা আরও বেশি সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম এখনও সীমিত বা ভিপিএননির্ভর অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অর্থনৈতিক চাপ বা নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিলে সরকার আবারও কঠোর নিয়ন্ত্রণে যেতে পারে। কারণ অতীতেও বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অজুহাতে ইন্টারনেট সীমিত করার নজির রয়েছে।
মানবাধিকার ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষকদের তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরুতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রথম দফায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হলে তা পূর্ণাঙ্গ ব্ল্যাকআউটে রূপ নেয়, যা আধুনিক সময়ে বিশ্বের দীর্ঘতম রাষ্ট্রীয় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইন্টারনেট ফিরতে শুরু করায় অনেক ইরানি স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের বড় অংশের মত, কেবল সংযোগ চালু হওয়াই যথেষ্ট নয় নিরবচ্ছিন্ন ও বাধাহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
৮৮ দিন পর ইরানে ইন্টারনেট সচল
৮৮ দিন পর ইরানে ইন্টারনেট সচল
প্রায় তিন মাস বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর ধীরে ধীরে আবারও অনলাইন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ইরান। দীর্ঘ ৮৮ দিনের নজিরবিহীন ব্ল্যাকআউটের পর আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পরিষেবা পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নির্দেশে আন্তর্জাতিক সংযোগ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে সংযোগ ফিরলেও তা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়; অনেক এলাকায় ধীরগতির নেটওয়ার্ক ও সীমিত প্রবেশাধিকার নিয়ে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।দীর্ঘ এই ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির
মুখে পড়েছেন। ইনস্টাগ্রাম বা টেলিগ্রামভিত্তিক অনলাইন ব্যবসা প্রায় স্থবির হয়ে যাওয়ায় অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়ে ঋণগ্রস্ত হয়েছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকসসহ বিভিন্ন পর্যবেক্ষক জানিয়েছে, সংযোগ ফিরলেও সেটি ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে। অনেক অঞ্চলে আগের মতো পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে কয়েক দিন বা আরও বেশি সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম এখনও সীমিত বা ভিপিএননির্ভর অবস্থায় রয়েছে।এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অর্থনৈতিক চাপ বা নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিলে সরকার আবারও কঠোর নিয়ন্ত্রণে যেতে পারে। কারণ
অতীতেও বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অজুহাতে ইন্টারনেট সীমিত করার নজির রয়েছে।মানবাধিকার ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষকদের তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরুতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রথম দফায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হলে তা পূর্ণাঙ্গ ব্ল্যাকআউটে রূপ নেয়, যা আধুনিক সময়ে বিশ্বের দীর্ঘতম রাষ্ট্রীয় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।ইন্টারনেট ফিরতে শুরু করায় অনেক ইরানি স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের বড় অংশের মত, কেবল সংযোগ চালু হওয়াই যথেষ্ট নয় নিরবচ্ছিন্ন ও বাধাহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত