আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে রোডম্যাপ তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে রবিবার (১৩ মার্চ) শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপে বসবে তারা।
বিকেল ৩টায় ৩০ জন শিক্ষাবিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন। পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপে বসা হবে।
বুধবার (৯ মার্চ) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় সবার পরামর্শের আলোকে তৈরি করা হবে রোডম্যাপ। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে সবার শেষে।’
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। পরদিন তারা শপথ নিয়ে প্রথম অফিস করেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ভোটার দিবস উদযাপন করেন তারা।
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর এতদ্রুত এর আগের কোনো কমিশন মতবিনিময় বা সংলাপে বসার উদ্যোগ নেয়নি। অবশ্য দায়িত্ব নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সিইসি বলেছিলেন- আমরা দলগুলোকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে পারি।
নির্বাচন কমিশন সর্বশেষ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপে বসেছিল ২০১৭ সাল। ওই বছরের ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসার মধ্য দিয়ে কার্যত ওই সংলাপ শুরু হয়েছিল। এরপর ৪০টি রাজনৈতিক দল, নারী নেতৃত্ব, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও বসে তৎকালীন কে এম নূরুল হুদার কমিশন।
আজ শিক্ষাবিদদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ
আজ শিক্ষাবিদদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে রোডম্যাপ তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে রবিবার (১৩ মার্চ) শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপে বসবে তারা।বিকেল ৩টায় ৩০ জন শিক্ষাবিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন। পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপে বসা হবে।বুধবার (৯ মার্চ) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় সবার পরামর্শের আলোকে তৈরি
করা হবে রোডম্যাপ। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে সবার শেষে।’গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। পরদিন তারা শপথ নিয়ে প্রথম অফিস করেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ভোটার দিবস উদযাপন করেন তারা।এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর এতদ্রুত এর আগের কোনো কমিশন
মতবিনিময় বা সংলাপে বসার উদ্যোগ নেয়নি। অবশ্য দায়িত্ব নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সিইসি বলেছিলেন- আমরা দলগুলোকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে পারি।নির্বাচন কমিশন সর্বশেষ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপে বসেছিল ২০১৭ সাল। ওই বছরের ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসার মধ্য দিয়ে কার্যত ওই সংলাপ শুরু হয়েছিল। এরপর ৪০টি রাজনৈতিক দল, নারী নেতৃত্ব, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও বসে তৎকালীন কে এম নূরুল হুদার কমিশন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত