সদরুল আইন : আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘আসন সমঝোতা’ না হলে জাপার প্রার্থীরা আজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।
সেজন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তৈরি করে রাখা হয়েছে। সর্বশেষ জানা গেছে, সম্মানজনক আসনে ও তাদের দলের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আসন ছাড় দেওয়া না হলে জাপা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেবে।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে কয়েক দফায় জাপার বৈঠক হলেও গতকাল শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ রোববার (১৭ ডিসেম্বর) নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে পারে জাপা।
সমঝোতা ঝুলে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জাপা নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ নিজদের পছন্দমতো তালিকা করেছে। যেখানে নৌকার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলোকে ছাড় হিসেবে দেখানো হয়েছে।
অথচ জাপা যাদের আসনে ছাড় চেয়েছে, আওয়ামী লীগ সেসবের বেশির ভাগই বাদ দিয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত ২৬ জনের তালিকায় এমন প্রার্থীদের নাম রয়েছে, যাদের নাম জাপা থেকে দেওয়া হয়নি।
গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জাপাকে ২৬টি আসনে ছাড় দিতো রাজি হয় জাপা। তবে সেই ২৬ জনের তালিকায় জাপার কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সালমা ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নাম নেই।
যার কারণে জাপা ২৬ জনের তালিকা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাপার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের গতকাল শনিবার দুপুরে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাপাকে টেলিফোনে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আসন পরিবর্তন ও বাড়ানো সম্ভব নয়।
এরপর দুপুর দুইটা থেকে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ দলটির কেন্দ্রীয় প্রায় সব নেতা ও বর্তমান এমপিরা গুলশানে পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাসায় বৈঠকে বসেন।
বৈঠকটি মধ্যরাত পর্যন্ত চলে। এই বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে জাপা মহাসচিব চুন্নু জানান, ২৬ জনের তালিকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নাম না থাকায় তা মানতে পারছেন না।
পরে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সোস্তফা আল মাহমুদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের কাছে ৪২ জনের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা পেয়ে ওবায়দুল কাদের তাদের জানান, তিনি তার দলীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন।
সবশেষ রাত একটা পর্যন্ত তিনি জাপাকে কিছু জানাননি। তখনও জাপার নেতারা সবাই ব্যারিস্টার আনিসের বাসিয় অপেক্ষমাণ ছিলেন।
আসন সমঝোতা হয়নি,নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারে জাপা
আসন সমঝোতা হয়নি,নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারে জাপা
সদরুল আইন : আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘আসন সমঝোতা’ না হলে জাপার প্রার্থীরা আজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে পারেন। সেজন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তৈরি করে রাখা হয়েছে। সর্বশেষ জানা গেছে, সম্মানজনক আসনে ও তাদের দলের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আসন ছাড় দেওয়া না হলে জাপা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেবে।আওয়ামী লীগের সঙ্গে কয়েক দফায় জাপার বৈঠক হলেও গতকাল শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ রোববার (১৭ ডিসেম্বর) নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে পারে জাপা।সমঝোতা ঝুলে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জাপা নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ নিজদের পছন্দমতো তালিকা করেছে। যেখানে নৌকার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলোকে ছাড় হিসেবে দেখানো হয়েছে। অথচ জাপা যাদের আসনে ছাড় চেয়েছে, আওয়ামী
লীগ সেসবের বেশির ভাগই বাদ দিয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত ২৬ জনের তালিকায় এমন প্রার্থীদের নাম রয়েছে, যাদের নাম জাপা থেকে দেওয়া হয়নি।গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জাপাকে ২৬টি আসনে ছাড় দিতো রাজি হয় জাপা। তবে সেই ২৬ জনের তালিকায় জাপার কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সালমা ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নাম নেই। যার কারণে জাপা ২৬ জনের তালিকা প্রত্যাখ্যান করেছে।এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাপার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের গতকাল শনিবার দুপুরে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাপাকে টেলিফোনে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আসন পরিবর্তন ও বাড়ানো সম্ভব নয়। এরপর দুপুর দুইটা থেকে জাপা চেয়ারম্যান
জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ দলটির কেন্দ্রীয় প্রায় সব নেতা ও বর্তমান এমপিরা গুলশানে পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাসায় বৈঠকে বসেন। বৈঠকটি মধ্যরাত পর্যন্ত চলে। এই বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে জাপা মহাসচিব চুন্নু জানান, ২৬ জনের তালিকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নাম না থাকায় তা মানতে পারছেন না। পরে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সোস্তফা আল মাহমুদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের কাছে ৪২ জনের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা পেয়ে ওবায়দুল কাদের তাদের জানান, তিনি তার দলীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন। সবশেষ রাত একটা পর্যন্ত তিনি জাপাকে কিছু জানাননি। তখনও জাপার নেতারা সবাই ব্যারিস্টার আনিসের বাসিয় অপেক্ষমাণ ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত