ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে না পাওয়া প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের মাঠে আছেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে অনেকগুলো আসনে প্রার্থিতা বাতিল হলেও এখনো শতাধিক আসনে বিদ্রোহীরা ধানের শীষের মূল প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাঠে থাকছেন। এ অবস্থায় সারা দেশের বিএনপি-দলীয় প্রার্থীরা এ বিষয়ে দলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। দল থেকেও তাদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে সব ঠিক করে দেওয়ার। কিন্তু মাঠপর্যায় থেকে যেসব তথ্য উঠে আসছে, তাতে কতটা সফল হবে- তা নিয়ে সংশয় দেখছেন সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীরা।
অন্যদিকে জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি আসনেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই নির্বাচনী মাঠে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জোটের প্রার্থীরা। এসব প্রার্থীকে প্রত্যক্ষভাবে মেনে নিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে। ফলে তারা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে দ্বারস্থ হয়েছেন বিএনপির হাইকমান্ডের। বিদ্রোহীদের ডেকে সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরই মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলের ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরও সেটা কতটা কাজে আসবে, তা নিয়ে সন্দিহান জোটের নেতারা।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, রবি ও সোমবার রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করেন জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়া আসনের প্রার্থীরা। এর মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, ঢাকা-১২ আসনের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। বিএনপির চেয়ারম্যানও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ডেকে আলোচনা করে সমাধান করার আশ্বাস দেন।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। স্বৈরাচার হাসিনার আমলে সংসদে আলোচিত সাবেক এ এমপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ জনপ্রিয়। সেজন্য ভোটের মাঠে তার অবস্থান রয়েছে। এ বিষয়ে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই বহিষ্কৃত নেতার পাশে দলের কোনো নেতাকর্মী দাঁড়ায় না। তবে রুমিন ফারহানা বলেন, দল বহিষ্কার করলেও এলাকাবাসী আমাকে বহিষ্কার করেনি। সাধারণ মানুষ আমার সঙ্গে রয়েছে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকীর সঙ্গে বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দল থেকে পলাশকে বহিষ্কার করলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেজন্য তাকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন জোনায়েদ সাকী। ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হকের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব। স্থানীয় হওয়ার কারণে নীরবের প্রভাব রয়েছে। সেজন্য তাকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন সাইফুল হক। বিষয়টি বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতে তুলে ধরেছেন তিনি।
সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জমিয়তের শীর্ষনেতা মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দেওয়া আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন)। সাবেক এ ছাত্রনেতা মনোনয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে আসছিলেন। তিনিও জোটের এ প্রার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ওদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করবেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম। দুজনই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির এ দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন জোটের এ প্রার্থী। পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার সভাপতি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. হাসান মামুন। সাবেক এ কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতার এলাকায় শক্ত প্রভাব রয়েছে। ভোটের মাঠে হাসান মামুনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে ভিপি নুরকে। এদিকে সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিএনপির কাছে ছাড় পাওয়া বগুড়া-২ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৮ আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। ঢাকায় বৈধ হলেও বগুড়ায় মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
এদিকে বগুড়া-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন মীর শাহে আলম। আর ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এ সমস্যাগুলো তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তুলে ধরেছেন মান্না। এদিকে স্বস্তিতে নেই নিজের দল বিলুপ্ত কিংবা পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর মনোনয়ন নিশ্চিত করা প্রার্থীরাও। ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। সাবেক এ ছাত্রনেতারও এলাকায় শক্ত অবস্থান রয়েছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে সৈয়দ এহসানুল হুদা, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম, কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।
শতাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী : এদিকে শতাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। যদিও বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বিএনপি। এ বিষয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়বেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।’
এদিকে বিএনপির যেসব নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তারা হলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী, নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু, দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি নেতা মর্তুজা, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি এবং নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে (উল্লাপাড়া) উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে (বেলকুচি ও চৌহালী) তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে (শাহজাদপুর) স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক ও মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এইচ খান মঞ্জু, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোবহান, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. হাসান মামুন ও ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মো. মহসীন মিয়া মধু এবং সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন), ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ (তারাকান্দা-ফুলপুর) আসনে আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে মো. তানভীর আহমেদ রানা, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে শাহ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে আলহাজ মোর্শেদ আলম, জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আবদুল হালিম, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু, শেরপুর-১ (সদর) আসনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ইলিয়াস খান, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আমিনুল ইসলাম বাদশা, চাঁদপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য কামাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আ. হান্নান, চাঁদপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা ও ডা. শামীম সরকার, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক ও বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী।
বিএনপির পথের কাঁটা এখন বিদ্রোহী প্রার্থীরা
বিএনপির পথের কাঁটা এখন বিদ্রোহী প্রার্থীরা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে না পাওয়া প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের মাঠে আছেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে অনেকগুলো আসনে প্রার্থিতা বাতিল হলেও এখনো শতাধিক আসনে বিদ্রোহীরা ধানের শীষের মূল প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাঠে থাকছেন। এ অবস্থায় সারা দেশের বিএনপি-দলীয় প্রার্থীরা এ বিষয়ে দলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। দল থেকেও তাদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে সব ঠিক করে দেওয়ার। কিন্তু মাঠপর্যায় থেকে যেসব তথ্য উঠে আসছে, তাতে কতটা সফল হবে- তা নিয়ে সংশয় দেখছেন সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীরা।অন্যদিকে জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি আসনেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই নির্বাচনী মাঠে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জোটের প্রার্থীরা। এসব প্রার্থীকে প্রত্যক্ষভাবে মেনে নিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে। ফলে তারা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে দ্বারস্থ হয়েছেন বিএনপির হাইকমান্ডের। বিদ্রোহীদের ডেকে সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরই মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলের ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরও সেটা কতটা কাজে আসবে, তা নিয়ে সন্দিহান জোটের নেতারা।বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, রবি ও সোমবার রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করেন জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়া আসনের প্রার্থীরা। এর মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, ঢাকা-১২ আসনের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। বিএনপির চেয়ারম্যানও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ডেকে আলোচনা করে সমাধান করার আশ্বাস দেন।জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। স্বৈরাচার হাসিনার আমলে সংসদে আলোচিত সাবেক এ এমপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ জনপ্রিয়। সেজন্য ভোটের মাঠে তার অবস্থান রয়েছে। এ বিষয়ে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই বহিষ্কৃত নেতার পাশে দলের কোনো নেতাকর্মী দাঁড়ায় না। তবে রুমিন ফারহানা বলেন, দল বহিষ্কার করলেও এলাকাবাসী আমাকে বহিষ্কার করেনি। সাধারণ মানুষ আমার সঙ্গে রয়েছে।এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকীর সঙ্গে বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দল থেকে পলাশকে বহিষ্কার করলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেজন্য তাকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন জোনায়েদ সাকী। ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হকের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব। স্থানীয় হওয়ার কারণে নীরবের প্রভাব রয়েছে। সেজন্য তাকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন সাইফুল হক। বিষয়টি বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতে তুলে ধরেছেন তিনি।সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জমিয়তের শীর্ষনেতা মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দেওয়া আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন)। সাবেক এ ছাত্রনেতা মনোনয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে আসছিলেন। তিনিও জোটের এ প্রার্থীর
জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ওদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করবেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম। দুজনই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির এ দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন জোটের এ প্রার্থী। পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার সভাপতি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. হাসান মামুন। সাবেক এ কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতার এলাকায় শক্ত প্রভাব রয়েছে। ভোটের মাঠে হাসান মামুনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে ভিপি নুরকে। এদিকে সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিএনপির কাছে ছাড় পাওয়া বগুড়া-২ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৮ আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। ঢাকায় বৈধ হলেও বগুড়ায় মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।এদিকে বগুড়া-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন মীর শাহে আলম। আর ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এ সমস্যাগুলো তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তুলে ধরেছেন মান্না। এদিকে স্বস্তিতে নেই নিজের দল বিলুপ্ত কিংবা পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর মনোনয়ন নিশ্চিত করা প্রার্থীরাও। ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। সাবেক এ ছাত্রনেতারও এলাকায় শক্ত অবস্থান রয়েছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে সৈয়দ এহসানুল হুদা, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম, কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।শতাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী : এদিকে শতাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। যদিও বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বিএনপি। এ বিষয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়বেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।’এদিকে বিএনপির যেসব নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তারা হলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী, নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু, দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি নেতা মর্তুজা, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি এবং নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে (উল্লাপাড়া) উল্লাপাড়া উপজেলা
বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে (বেলকুচি ও চৌহালী) তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে (শাহজাদপুর) স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক ও মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এইচ খান মঞ্জু, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোবহান, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. হাসান মামুন ও ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মো. মহসীন মিয়া মধু এবং সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন), ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ (তারাকান্দা-ফুলপুর) আসনে আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে মো. তানভীর আহমেদ রানা, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে শাহ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে আলহাজ মোর্শেদ আলম, জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আবদুল হালিম, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু, শেরপুর-১ (সদর) আসনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ইলিয়াস খান, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আমিনুল ইসলাম বাদশা, চাঁদপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য কামাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আ. হান্নান, চাঁদপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা ও ডা. শামীম সরকার, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক ও বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত