লিখন সরকার : জবি প্রতিনিধি
আজ ৯ই ডিসেম্বর বিশ্বজিৎ দাস হত্যা দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ রাইস উদ্দীন লিখিত বক্তব্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে মানবিকতা, শান্তি ও নাগরিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “বিশ্বজিৎ দাসকে ২০১২ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল্যের সামিনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড আমাদের সমাজে রাজনৈতিক সহিংসতার নগ্নরূপ তুলে ধরে। আজও বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতায় নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়। আমরা এমন নিষ্ঠুরতার কোনো গ্রহণযোগ্যতা দেখি না।”
অধ্যাপক রাইস উদ্দীন আরও বলেন, “সহিংসতা কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। সহিংস রাজনীতি দেশকে পঙ্গু করে এবং মানুষের নিরাপত্তা বিপন্ন করে। যারা সহিংসতার মাধ্যমে সমাজকে আতঙ্কিত করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
এছাড়াও বক্তব্যে তিনি সহিংসতা বন্ধে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও আহ্বান তুলে ধরেন।
১. দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
২. শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে ভূমিকা নিতে হবে।
৩.আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সক্রিয় ভূমিকা ও নিরীহ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে সহিংসতাবিরোধী অবস্থানকে প্রতীকীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বক্তব্যের শেষে শহীদ বিশ্বজিৎ দাসের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শিক্ষক সমিতি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানায়। সমিতি সদস্যরা বলেন, “বিশ্বজিতের মতো নিরীহ মানুষের মৃত্যু যেন আর না ঘটে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
আজ ৯ই ডিসেম্বর বিশ্বজিৎ দাস হত্যা দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ রাইস উদ্দীন লিখিত বক্তব্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে মানবিকতা, শান্তি ও নাগরিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “বিশ্বজিৎ দাসকে ২০১২ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল্যের সামিনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড আমাদের সমাজে রাজনৈতিক সহিংসতার নগ্নরূপ তুলে ধরে। আজও বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতায় নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়। আমরা এমন নিষ্ঠুরতার কোনো গ্রহণযোগ্যতা দেখি না।”
অধ্যাপক রাইস উদ্দীন আরও বলেন, “সহিংসতা কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। সহিংস রাজনীতি দেশকে পঙ্গু করে এবং মানুষের নিরাপত্তা বিপন্ন করে। যারা সহিংসতার মাধ্যমে সমাজকে আতঙ্কিত করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
এছাড়াও বক্তব্যে তিনি সহিংসতা বন্ধে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও আহ্বান তুলে ধরেন।
১. দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
২. শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে ভূমিকা নিতে হবে।
৩.আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সক্রিয় ভূমিকা ও নিরীহ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে সহিংসতাবিরোধী অবস্থানকে প্রতীকীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বক্তব্যের শেষে শহীদ বিশ্বজিৎ দাসের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শিক্ষক সমিতি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানায়। সমিতি সদস্যরা বলেন, “বিশ্বজিতের মতো নিরীহ মানুষের মৃত্যু যেন আর না ঘটে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”