এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছেন ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ পরীক্ষার্থী।
১১টি বোর্ডে পাসের হারে শীর্ষ মাদ্রাসা বোর্ড ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। সর্বনিম্ন পাসের হার ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি জিপিএ ফাইভ ঢাকা বোর্ডে ৪৮ হাজার ৫৪৮ জন। সবচেয়ে কম জিপিএ ফাইভ বরিশাল বোর্ডে ৪ হাজার ১৬৭ জন।
পাসের হারে বরাবরের মতো এবারও বাজিমতা মেয়েদের। ছেলেদের পাসের হার যেখানে ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সেখানে মেয়েদের ৭৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আর ৮০ হাজার ৯৩৩ মেয়ে জিপিএ ফাইভ পেয়ে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে।
জিপিএ-৫ পেয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী ও জামায়াত কর্মী মোহাম্মাদ মোখলেসুর রহমান মিয়াজির মেয়ে সৈয়দা তুত তাহিরা। তার এই সাফল্যে পরিবারে বইছে খুশির জোয়ার।
মোখলেসুর রহমান মিয়াজি বলেন, আমার মেয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলো। আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারনে পড়ালেখা ঠিকভাবে করতে পারেনি। আমরা পরিবারের সবাই খুব চিন্তিত ছিলাম। দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা অর্জন করায় যেমন খুশি হয়েছিলাম এখন আমার মেয়ের সাফল্যেও তেমন খুশি হয়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।
সৈয়দা তুত তাহিরার ভাই কুষ্টিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজমুস সাইফ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আমরা দুই ভাইবোন সক্রিয় ছিলাম। সেসময় তার পড়ালেখা নিয়ে আমিও চিন্তিত ছিলাম। আল্লাহর রহমতে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ তার সাফল্যে ভাই হিসাবে আমি গর্বিত। তার উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সৈয়দা তুত তাহিরার জিপিএ-৫ অর্জন
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সৈয়দা তুত তাহিরার জিপিএ-৫ অর্জন
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছেন ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ পরীক্ষার্থী।১১টি বোর্ডে পাসের হারে শীর্ষ মাদ্রাসা বোর্ড ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। সর্বনিম্ন পাসের হার ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি জিপিএ ফাইভ ঢাকা বোর্ডে ৪৮ হাজার ৫৪৮ জন। সবচেয়ে কম জিপিএ ফাইভ বরিশাল বোর্ডে ৪ হাজার ১৬৭ জন।পাসের হারে বরাবরের মতো
এবারও বাজিমতা মেয়েদের। ছেলেদের পাসের হার যেখানে ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সেখানে মেয়েদের ৭৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আর ৮০ হাজার ৯৩৩ মেয়ে জিপিএ ফাইভ পেয়ে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে।জিপিএ-৫ পেয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী ও জামায়াত কর্মী মোহাম্মাদ মোখলেসুর রহমান মিয়াজির মেয়ে সৈয়দা তুত তাহিরা। তার এই সাফল্যে পরিবারে বইছে খুশির জোয়ার।মোখলেসুর রহমান মিয়াজি বলেন, আমার মেয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলো। আন্দোলনে সক্রিয় থাকার
কারনে পড়ালেখা ঠিকভাবে করতে পারেনি। আমরা পরিবারের সবাই খুব চিন্তিত ছিলাম। দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা অর্জন করায় যেমন খুশি হয়েছিলাম এখন আমার মেয়ের সাফল্যেও তেমন খুশি হয়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।সৈয়দা তুত তাহিরার ভাই কুষ্টিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজমুস সাইফ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আমরা দুই ভাইবোন সক্রিয় ছিলাম। সেসময় তার পড়ালেখা নিয়ে আমিও চিন্তিত ছিলাম। আল্লাহর রহমতে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ তার সাফল্যে ভাই হিসাবে আমি গর্বিত। তার উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত