বিএনপির
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
বলেছেন, ‘ড. ইউনূস
ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়।
নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত সকল দল নির্বাচন চায়। বিদেশিরাও নির্বাচন চায়। নির্বাচন চায়না
শুধু এ সরকার।
রাজনীতিবিদদের হেয়
প্রতিপন্ন করা হচ্ছে জানিয়ে বিএনপির নেত্রী রুমিন বলেন, ‘ওয়ান
ইলেভেনের সময় যেমন রাজনীতিবিদদের চরিত্র হরণ করা হচ্ছিল, আমি গত কয়েকমাস ধরে
দেখতে পাচ্ছি এমন। যখন আমরা আন্দোলন করেছি, তখন এরা ছাত্রলীগ হয়ে লুকিয়ে ছিল
ভাই। এরা জায়গায় জায়গায় ছাত্রলীগ হয়ে লুকিয়ে ছিল। তখন নুরুল হক নুরু মার
খেয়েছে, আমি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, সাকি ভাই তখন
আন্দোলন করেছে। মার খেয়েছে, রাস্তায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে, এসব দিন
আমরা পার করেছি। তো এখন তারা আমাদের কথায় কথায় ভারতের দালাল, ‘র’-এর
এজেন্ট এসব বলে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘একটা
দেশে ড. ইউনূস ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়। প্রশাসন নির্বাচন
চায়, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়। নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত সকল দল নির্বাচন চায়।
বিদেশিরাও নির্বাচন চায়। নির্বাচন চায়না শুধু এ সরকার।
বিনিয়োগ কমে যাওয়ার
বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এ সরকার না ওপরে ওপরের জিনিসগুলো খুব
ভাল দেখায়। আশিক চৌধুরীকে নিয়ে এসে একটা চমৎকার প্রেজেন্টেশন দিলো। কিন্তু
রিপোর্টে দেখা গেল, ২৬ শতাংশ বিনিয়োগ কমে গেছে। গত বছরের ৯ মাসের সঙ্গে এ মাসের ৯
মাস তুলনা করলে ২৬ শতাংশ কমেছে বিনিয়োগ।
অনুষ্ঠানের শেষের দিকে
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি শুধু একটা কথাই বলব। নির্বাচিত
অতি খারাপ সরকারও অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেটার হয়।
ড. ইউনূস ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়
ড. ইউনূস ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘ড. ইউনূস ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়। নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত সকল দল নির্বাচন চায়। বিদেশিরাও নির্বাচন চায়। নির্বাচন চায়না শুধু এ সরকার।রাজনীতিবিদদের হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে জানিয়ে বিএনপির নেত্রী রুমিন বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের সময় যেমন রাজনীতিবিদদের চরিত্র হরণ করা হচ্ছিল, আমি গত কয়েকমাস ধরে দেখতে পাচ্ছি এমন। যখন আমরা আন্দোলন করেছি, তখন এরা ছাত্রলীগ হয়ে লুকিয়ে ছিল ভাই।
এরা জায়গায় জায়গায় ছাত্রলীগ হয়ে লুকিয়ে ছিল। তখন নুরুল হক নুরু মার খেয়েছে, আমি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, সাকি ভাই তখন আন্দোলন করেছে। মার খেয়েছে, রাস্তায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে, এসব দিন আমরা পার করেছি। তো এখন তারা আমাদের কথায় কথায় ভারতের দালাল, ‘র’-এর এজেন্ট এসব বলে।রুমিন ফারহানা বলেন, ‘একটা দেশে ড. ইউনূস ও তার কিছু পোষা স্টুডেন্ট ছাড়া সবাই নির্বাচন চায়। প্রশাসন নির্বাচন চায়, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়। নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত সকল দল নির্বাচন চায়। বিদেশিরাও
নির্বাচন চায়। নির্বাচন চায়না শুধু এ সরকার।বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এ সরকার না ওপরে ওপরের জিনিসগুলো খুব ভাল দেখায়। আশিক চৌধুরীকে নিয়ে এসে একটা চমৎকার প্রেজেন্টেশন দিলো। কিন্তু রিপোর্টে দেখা গেল, ২৬ শতাংশ বিনিয়োগ কমে গেছে। গত বছরের ৯ মাসের সঙ্গে এ মাসের ৯ মাস তুলনা করলে ২৬ শতাংশ কমেছে বিনিয়োগ। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি শুধু একটা কথাই বলব। নির্বাচিত অতি খারাপ সরকারও অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেটার হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত